শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ভোজগাতীতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
ভোজগাতীতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ৩ নম্বর ভোজগাতী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পাথালিয়া সরদারপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে থাকা একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. শামীম হোসেনের উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তাটির সংস্কারকাজ শুরু হয়। এ সময় বালু ও ইটের ব্যবস্থা করে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি নিজেও সংস্কারকাজে অংশ নেন।

প্রায় ১৫ জনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জুমার আজানের আগেই সংস্কারকাজ শেষ হয়। এতে রাস্তাটি পুনরায় চলাচলের উপযোগী হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।

মো. শামীম হোসেন বলেন, “এলাকাবাসী বিষয়টি জানালে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং সমস্যাটি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শুক্রবার সকালে এখানে বালু ও ইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।এবং  এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে রাস্তাটির সংস্কারকাজ করেছি। আশা করছি,দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের রাস্তাটি জনগণের চলাচলের উপযোগী হবে, ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা সাধ্যমতো ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমৃত্যু মানুষের পাশে থাকব, ইনশাআল্লাহ

Ads small one

জবেহ ও কুরবানীর নামে মরা গরু খাচ্ছেন না তো?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
জবেহ ও কুরবানীর নামে মরা গরু খাচ্ছেন না তো?

কামারুজ্জামান

“তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃত প্রাণী, প্রবাহিত রক্ত, শূকরের গোস্ত এবং যা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে জবেহ করা হয়েছে”Ñ সূরা মায়েদা, আয়াত নং ৩। একই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে একই কথা বলা হয়েছে সূরা বাক্বারার ১৭৩, আনয়া’মের ১৪৫ ও নাহালের ১১৫ নং আয়াতে। অর্থাৎ একই কথা আল্লাহ কুরআনে চার জায়গায় চারবার বলেছেন। তাহলে এর গুরুত্ব কত বেশী!! এখানে প্রথম তিনটি মানবদেহের জন্য এবং শেষেরটা মানবাত্মা বা ঈমানের জন্য ক্ষতিকর ও ধ্বংসাত্মক এবং ধারাবাহিকতা বিচারে অনুমেয়, আল্লাহর কাছে মৃত প্রাণী সবচে’ খারাপ, অতঃপর প্রবাহিত রক্ত শূকরের গোস্তের চেয়েও খারাপ। হাঁ, প্রবাহিত রক্ত শূকরের গোস্তের চেয়েও খারাপ।

 

এই রক্তকেই আমরা প্রবাহিত হতে না দিয়ে গোস্তের মধ্যে আটকে রেখে প্রতিনিয়ত খাচ্ছি। আমরা প্রকৃতপক্ষে জবাই ও কুরবানীর নামে ব্রেন-স্ট্রোক ও শকে মরা পশুর গোস্ত খাচ্ছি। কিভাবে?
জবেহ সহী হওয়ার জন্য চারটি রগ কাটতে হয়Ñ খাদ্যনালী, শ্বাসনালী ও দুটি রক্তনালী। ভুলক্রমে তিনটি কাটা হলেও জবেহ হয়ে যাবে, শুদ্ধ হবে। কিন্তু তিনটি কাজ কখনোই করা যাবে না, হারাম ও কঠোরভাবে নিষেধ। (১) মেরুরজ্জু, শাহরগ বা স্পাইনাল কর্ডে আঘাত করা বা ছুরির খোঁচা মারা যাবে না। (২) জবেহ হওয়ার সাথে সাথে পশুর হাত-পায়ের বাঁধন খুলে দিতে হবে, যাতে পেশী-শিথিল অবস্থায় পড়ে থাকে ও ছটফট করতে পারে। (৩) মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত হাত-পায়ের নলা কাটা বা চামড়া ছাড়ানো শুরু করা যাবে না। কারণ মরার আগ পর্যন্ত প্রাণী ব্যথা পায়। মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা নয়।

প্রথমটি করলে পশু জবাইয়ের চাইতে বেশী কষ্ট পায়। কারণ মেরুরজ্জুই অনুভূতি গ্রহণের প্রধান মাধ্যম। তাই জবাইয়ের ৩/৫ মিনিট পর ওখানে ছুরির খোঁচা দিলে বেহুঁশ হয়ে থাকা পশুও লাফিয়ে ওঠে। ৫/৭ মিনিটের মধ্যে পশু মরে না, কোষও মরে না। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অজ্ঞান হয়ে থাকে। ঐ সময় কৃত্রিমভাবে রক্ত সরবরাহ শুরু করলে বিজ্ঞানমতে আবার জেগে উঠবে। পশু মারা যাওয়ার কথা আরো কিছুক্ষণ পর। কিন্তু ঐ সময় মেরুরজ্জুতে ছুরির খোঁচা দিলে পশু কেঁপে উঠে মারা যায়। অতএব এই মৃত্যু জবাইয়ের কারণে নয়, ব্রেন-স্ট্রোক ও শকের কারণে।

 

আর আমরা জবাইকৃত পশুর গোস্ত খাচ্ছি না, খাচ্ছি অপঘাতে-মরা প্রাণীর গোস্ত (প্রকারান্তরে কুরআনে বর্ণিত ১ নং হারামটা)! পরন্তু খোঁচা মারার সাথে সাথে মস্তিষ্ক থেকে দেহের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, মুহূর্তে দেহ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে এবং রক্ত প্রবাহিত হয়ে বের না হয়ে মাংসের মধ্যে জমাট বেঁধে রন্ধ্রে রন্ধ্রে আটকে যায়, ঠিক যেভাবে ফাঁসিতে, আঘাতে বা পানিতে-ডুবে মরা লাশ কাটলে আর রক্ত বের হয় না। অথচ তার শরীরে রক্ত ছিল। এই জন্য ব্যক্তিগত পর্যায়ে সঠিকভাবে কুরবানী করা পশুর গোস্ত সাধারণত সাদাটে ও হাঁসাটে হয়, কিন্তু কসাইয়ের দোকানের গোস্ত হয় টকটকে লাল। পাবলিক গরু কেটে লাভ করতে না পারলেও কসাইরা ঠিকই লাভ বের করে আনে।

 

প্রথমত, ওদের হাতে যাদু আছে, কী করে গোস্তের সাথে হাড়-ছড় কুপিয়ে দিতে হয়, খুব ভাল জানে। দ্বিতীয়ত, একটা গরুতে অন্যূন বার লিটার রক্ত গোস্তের মধ্যে আটকে দিতে পারলে দশ হাজার টাকা নগদ লাভ। অতিলোভী এই চেঙ্গিস কসাইরা সবচে’ ভয়ঙ্কর যে কাজটি করে, জবাই করার সাথে সাথে বুকের চামড়া ফেড়ে ফেলে চোখা ছুরির আগা দিয়ে হৃদপি- খুঁচিয়ে দেয়। এতে হৃদপি- বিকল হয়ে রক্ত পাম্প করতে পারে না এবং মাংসে রক্ত প্রায় পুরোটাই থেকে যায়।

এই আটকে-থাকা (প্রবাহিত) রক্তে থাকে প্রচুর পরিমাণে টক্সিন, ইউরিয়া ও বিপাকীয় জৈবরাসায়নিক বর্জ্য, যা প্রাথমিকভাবে বদহজম ও এলার্জির কারণ হয় এবং পরে ডেকে আনে প্রাণঘাতী মারাত্মক রোগ। এই কারণে অনেকেই বলে, কুরবানীর গোস্ত খেলে সমস্যা হয় না, কিন্তু দোকানের গোস্ত খেলেই সমস্যা হয়। বিশেষ করে গরুর গোস্ত। আসলে গরুর গোস্ত মানুষের জন্য ক্ষতিকর হলে নাবী মুহাম্মাদ (সঃ)-এর শারীয়া’ অবশ্যই একে অন্তত মাকরূহ ঘোষণা করত, পূর্ণ হালাল করত না।

গরুর দেহে প্রতি কেজি বডি ওয়েটের জন্য ৫৫<মিলি রক্ত থাকে। রক্ত ও রক্তে-থাকা ব্যাকটেরিয়া গোস্তের দ্রুত পচন ঘটায়।

উল্লিখিত দ্বিতীয় কাজটি করলে রক্ত সহজভাবে বের হয়ে যাবে। অপরপক্ষে জবেহর পরও হাত-পা বেঁধে রাখা পিশাচের কাজ এবং এমনটি করলে পেশী খিঁচ ধরে ওয়ার্কিং অবস্থায় থাকে। তখন সব রক্ত বের হয় না। এরপর তৃতীয় কাজটি করলে যে স্নায়ুগুলো কাটা পড়বে, সেগুলো দেহের যতটুকু অংশ নিয়ন্ত্রণ করত, সেসব অংশের রক্তও আর বের হবে না। এছাড়া আরো একটি কাজ ঃ পশু ঝুলিয়ে চামড়া ছাড়ানো উত্তম (সম্ভব হলে ভারী পশুর ক্ষেত্রেও)। এতে অবশিষ্ট রক্তটুকু বের হয়ে যাবে।

গভীরভাবে বোঝার বিষয় এই যে, সূরা মায়েদার ৩ নং আয়াতে আরো হারাম করা হয়েছে *গলা চিপে মারা জন্তু, *প্রহারে মরা জন্তু, *উঁচু থেকে পড়ে মরা জন্তু, *অন্য প্রাণীর শিঙের আঘাতে মরা জন্তু এবং *যে জন্তুকে হিংস্্রস্্র প্রাণী খেয়েছে এবং জবেহ করে নেওয়া হয়নি। এখানে লক্ষণীয় এমন জন্তু, যার দেহ থেকে রক্ত প্রবাহিত না হয়ে মারা পড়েছে। ‘প্রবাহিত রক্ত’!

আসুন, আমরা মরা গরুর সাথে প্রবাহিত রক্ত খাওয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার হই! নিজেরা বাঁচি, দেশবাসীকে বাঁচাই! লেখক: কামারুজ্জামান, রতেœশ্বরপুর, দেবহাটা

 

নির্বাচনী ইশতেহার জনগণের সঙ্গে একটি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তি: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৫ অপরাহ্ণ
নির্বাচনী ইশতেহার জনগণের সঙ্গে একটি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তি: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

যশোর জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত অগ্রাধিকার কর্মসূচিসহ সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে উঠান বৈঠক আজ (শুক্রবার) বিকালে যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের নদীয়ার মোড় বর্মনপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়। উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। দেশের অস্বচ্ছল প্রতিটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ১০ হাজার টাকা করে কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মসজিদের ইমাম ও মন্দিরের পুরোহিতদের ভাতার আওতায় আনার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় শুরু হওয়া খালকাটা কর্মসূচি বর্তমান সরকার পুনরায় চালু করেছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বিচারে বনভূমি উজাড়ের ফলে দেশের পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে ব্যাপক বনায়ন সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে। বিএনপি মনে করে, নির্বাচনী ইশতেহার শুধু রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির দলিল নয়; এটি জনগণের সঙ্গে একটি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তি। তাই ইশতেহারে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা আমাদের দায়িত্ব এবং তা পালনে আমরা বাধ্য।

যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মিজানুর রহমান খান, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম ও সদর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক আবদার খান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো: রেজাউল করিম। তথ্যবিবরণী

মাদক-সচেতনতায় মণিরামপুরে কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ প্রথম রাউন্ডে জয় শ্যামকুড়, ঢাকুরিয়া, সদর ও দুর্বাডাঙ্গার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
মাদক-সচেতনতায় মণিরামপুরে কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ  প্রথম রাউন্ডে জয় শ্যামকুড়, ঢাকুরিয়া, সদর ও দুর্বাডাঙ্গার

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে যশোরের মণিরামপুরে শুরু হয়েছে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু সাঈদ। ‘মাদকদ্রব্য ত্যাগ করি, কিশোর গ্যাং নির্মূল করি, সুস্থ-সবল জীবন গড়ি’—স্লোগানে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় উপজেলার আটটি ইউনিয়নের দল অংশ নিয়েছে।

উদ্বোধনের পর প্রথম রাউন্ডের খেলায় শ্যামকুড়, ঢাকুরিয়া, মণিরামপুর সদর ও দুর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন জয় পেয়েছে। বিজয়ী চার দল পরবর্তী রাউন্ডে খেলার সুযোগ পেয়েছে। পরাজিত হয়ে বিদায় নিয়েছে নেহালপুর, চালুয়াহাটি, ঝাঁপা ও খেদাপাড়া ইউনিয়ন।

আয়োজকদের ভাষ্য, তরুণদের মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে খেলাধুলামুখী করতে এ আয়োজন করা হয়েছে। খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার মানসিকতা গড়ে ওঠার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি বাড়বে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মণিরামপুর থানার এসআই মানিক, এসআই রেজাউল, এসআই ইউসুফ, এসআই ওবায়দুল, এসআই মিলন, পিএসআই হাবিব, এএসআই রুহুল কুদ্দুস, মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক বিএম সাব্বির হাসানসহ পুলিশ সদস্য, ক্রীড়াপ্রেমী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।