শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

‎‘মডারেট ইসলাম’ নাকি কুরআন-সুন্নাহর ইসলাম: একজন মুসলিমের অবস্থান কোথায় ?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
‎‘মডারেট ইসলাম’ নাকি কুরআন-সুন্নাহর ইসলাম: একজন মুসলিমের অবস্থান কোথায় ?

‎‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ
‎মানবজাতির জন্য মহান আল্লাহ তাআলার সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত হলো ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ, ভারসাম্যপূর্ণ ও চিরন্তন জীবনব্যবস্থা। এটি কেবল কিছু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের সমষ্টি নয়; বরং মানুষের বিশ্বাস, ইবাদত, নৈতিকতা, পরিবার, অর্থনীতি, সমাজ, বিচার ও রাষ্ট্র পরিচালনাসহ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহপ্রদত্ত দিকনির্দেশনার সমন্বিত রূপ। তাই ইসলামের পরিচয় নির্ধারিত হবে কেবল কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে; কোনো যুগের রাজনৈতিক অভিধা, সামাজিক প্রবণতা কিংবা বাহ্যিক বিশেষণের মাধ্যমে নয়। মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকেই তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।” (সূরা আল-মায়িদা: ৩)
‎এই আয়াত ইসলামের পূর্ণতা, পরিপূর্ণতা ও চূড়ান্ততার অকাট্য ঘোষণা। ওহির ধারায় দ্বীনের মৌলিক ভিত্তি সম্পন্ন হয়েছে; ফলে ইসলামের মৌলিক পরিচয়ে নতুন কোনো ধর্মীয় রূপ, সংস্করণ বা বিশেষণ সংযোজনের ভিত্তি কুরআন ও সহিহ সুন্নাহয় পাওয়া যায় না।
‎‎সমসাময়িক বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী গণমাধ্যমে ও নীতিনির্ধারণী আলোচনায় তারা দাবি করছে যে তারা “মডারেট ইসলামী দল। কিন্তু কুরআন ও হাদিস কিংবা সাহাবায়ে কেরামের যুগের পরিভাষায় ইসলামের এমন কোনো স্বতন্ত্র পরিচয় বা শ্রেণিবিন্যাসের অস্তিত্ব নেই। মুসলমানের পরিচয় একটি তিনি মুসলিম, আর তাঁর জীবনব্যবস্থার নাম ইসলাম।
‎মহান আল্লাহ বলেন, “তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য কর।” (সূরা আলে ইমরান: ৩২) আরও বলেন, “রাসুল তোমাদের যা দেন তা গ্রহণ কর এবং যা থেকে নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক।” (সূরা আল-হাশর: ৭) এই আয়াতসমূহ স্পষ্টভাবে শিক্ষা দেয় যে, একজন মুসলিমের চূড়ান্ত মানদ- মানুষের মতামত, রাজনৈতিক দর্শন কিংবা সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা নয়; বরং আল্লাহর কিতাব ও রাসুলুল্লাহ -এর সুন্নাহ। হযরত আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনের মধ্যে এমন কোনো নতুন বিষয় বা কাজ সংযোজন করবে, যা ইসলামের অংশ নয়, তা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়; বরং তা প্রত্যাখ্যাত।” অন্য এক হাদিসে তিনি বলেন, “আমি তোমাদের মধ্যে এমন দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, যতক্ষণ তোমরা তা দৃঢ়ভাবে ধারণ করবে, ততক্ষণ কখনো পথভ্রষ্ট হবে না—আল্লাহর কিতাব ও আমার সুন্নাহ।” (আল-মুয়াত্তা; আল-মুস্তাদরাক)
‎এই শিক্ষা থেকেই যুগে যুগে ইসলামী আলেমগণ দ্বীনের মৌলিক বিষয়সমূহে ভিত্তিহীন সংযোজন, বর্জন কিংবা পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন এবং কুরআন-সুন্নাহকেই ইসলামী চিন্তা ও চর্চার একমাত্র নির্ভরযোগ্য মানদ- হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের বক্তব্যে “মডারেট ইসলাম”-এর কথা বারবার বলতেছে, আমার প্রশ্ন হলো ইসলাম কি কোনো নতুন বিশেষণ বা সংস্করণের মুখাপেক্ষী? ‎মুসলমানদের বিশ্বাস, ইসলাম আল্লাহপ্রদত্ত পূর্ণাঙ্গ দীন। কোরআন ও সুন্নাহর বিধানই ইসলামের একমাত্র মানদ-। পবিত্র কোরআনে সুদকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে, আর ইসলামী অর্থব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে যাকাত ও সুদমুক্ত লেনদেনের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। একইভাবে নারীর পর্দা আল্লাহ তাআলার ফরজ বিধান।
‎বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাস্তবে সুদভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করছে এবং নারীদের অবাধ মেলামেশা ও পর্দার বিধান সম্পর্কেও এমন অবস্থান নিচ্ছে, যা ইসলামের মৌলিক শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। রাজনৈতিক কর্মকা- যে কোনো দলের অধিকার। তবে ইসলামের নামে রাজনীতি করলে সেই দলের নীতি, বক্তব্য ও কর্মসূচি কোরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে পর্যালোচিত ও সমালোচিত হওয়াও স্বাভাবিক। ইসলামের পরিচয় রাজনৈতিক কৌশলের ভাষায় নয়; কোরআন ও সুন্নাহর ভাষাতেই হওয়া উচিত। ‎মদিনায় রাসুলুল্লাহ যে আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেখানে ইবাদত, ন্যায়বিচার, অর্থনীতি, পারিবারিক জীবন, সামাজিক দায়িত্ব ও রাষ্ট্র পরিচালনা সবই ছিল আল্লাহর বিধানের অধীন। ইসলামকে কেবল ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানবজীবনের পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই ছিল নববী মিশনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। মহান আল্লাহ বলেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইসলামে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ করো এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না।” (সূরা আল-বাকারা: ২০৮)। লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা

Ads small one

সাতক্ষীরা পৌরসভায় ঠিকাদারের অবহেলায় ঝুঁকিতে সড়ক ও বাসাবাড়ি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১:৫২ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা পৌরসভায় ঠিকাদারের অবহেলায় ঝুঁকিতে সড়ক ও বাসাবাড়ি

পত্রদুত ডেস্ক: সাতক্ষীরা পৌরসভার ড্রেন ও সড়ক সংস্কারকাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চরম অবহেলায় পথচারীসহ স্থানীয় বাসাবাড়ি ঝুঁকিতে পড়েছে। ড্রেন খননের কারণে বেশ কয়েকটি বাড়ির প্রাচীর, রান্নাঘর ও সীমানা গেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও কোথায় বাধ্য হয়ে বাঁশ ও খুঁটি দিয়ে প্রাচীর ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে, আবার যাতায়াতের জন্য বাসিন্দাদের ব্যবহার করতে হচ্ছে বাঁশের সাঁকো।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, কেএফডব্লিউ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পৌরসভার ৮টি সড়ক ও ৪টি ড্রেন নির্মাণের কাজ পায় ‘বনান্তর ট্রেডিং লিমিটেড (জেভি)’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। গত ৫ মে কার্যাদেশ পাওয়ার পর ২ নম্বর ওয়ার্ডের ধোপাপুকুরপাড় থেকে মানিক ময়রা মোড় এবং কাটিয়া স্কুল থেকে ঝুটিতলা ঈদগাহ পর্যন্ত কাজ শুরু হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শুকনো মৌসুমে কাজ না করে বর্ষাকালে ড্রেন খনন করায় এই চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। বৃষ্টিতে মাটি ধসে কাটিয়া সরকারপাড়ার মার্জিয়া বেগমসহ অনেকেরই সীমানা প্রাচীর ও দেয়াল ভেঙে গেছে। এছাড়া ড্রেনে পানি জমে থাকায় শিশুদের সুরক্ষাও হুমকির মুখে পড়েছে।

সাতক্ষীরা পৌরসভার উপপ্রকৌশলী (সিভিল-১) সাগর দেবনাথ  জানান, মাসিক সমন্বয় সভায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীকে তলব করা হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে প্রজেক্ট ম্যানেজার আবিদ জমাদ্দার দাবি করেন, মাটির নিচে পানির পাইপ, বিদ্যুতের খুঁটি ও বৃষ্টির কারণে কাজে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে আগামী এক মাসের মধ্যে সব কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ভোমরা বন্দর দিয়ে ৮৯০ কোটি টাকার আদা আমদানি, সুফল মিলছে না স্থানীয় বাজারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ
ভোমরা বন্দর দিয়ে ৮৯০ কোটি টাকার আদা আমদানি, সুফল মিলছে না স্থানীয় বাজারে

 

এম শফিকুল ইসলাম: সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৮৯০ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭৩ হাজার ৬৩৫ মেট্রিক টন আদা আমদানি করা হয়েছে। রান্নাঘরের প্রয়োজনীয় এই মসলাপণ্যটির স্থানীয় বাজারে সরবরাহ বাড়াতে এবং দর স্থিতিশীল রাখতে সরকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আদা আমাদানির অনুমোদন দেয়।
অনুমোদন পাওয়ার পর থেকেই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত আদা খালাস করে আসছে। তবে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ভোমরা বন্দর দিয়ে খালাস হওয়া আদার বেশিরভাগ চালানই সরাসরি দেশের অন্যান্য বড় জেলায় চলে যাচ্ছে। ফলে সাতক্ষীরার স্থানীয় হাটবাজারে সরবরাহ তেমন বাড়েনি। উল্টো সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে খুচরা বাজারে আদার দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। আর পাইকারি বাজারে প্রতি কেজির দর ১১৫ থেকে ১২০ টাকা।
পচনশীল পণ্য হওয়ায় বেশি দিন মজুত রাখা সম্ভব হয় না বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। শুকিয়ে যাওয়া বা পচে যাওয়ার আগেই তা বিক্রি করে দিতে হয়। এ কারণে বাজার দর প্রায়ই ওঠানামা করে।
আগের ও বর্তমানের দামের পার্থক্যের কথা জানাতে গিয়ে কাঁচামাল ব্যবসায়ী সুশান্ত সরদার জানান, আগে পাইকারিতে আদা ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে কিনে খুচরা বাজারে ৬০ টাকায় বিক্রি করা যেত। কিন্তু বর্তমানে আমদানির পরও দাম চড়া থাকায় ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় কিনে ১৩০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় বাজারে এই পণ্যটির চড়া দাম নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যেও। ক্রেতা অরবিন্দ সরকার বলেন, বন্দর দিয়ে বিপুল পরিমাণ আদা আমদানি হলেও তার বড় অংশ অন্য জেলায় চলে যাচ্ছে। এর ফলে স্থানীয় ক্রেতারা ন্যায্যমূল্যে পণ্য পাওয়ার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং বাড়তি দামে আদা কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

সাতক্ষীরায় জলবায়ু বাস্তুচ্যুতদের জীবনমান উন্নয়নে উত্তরণের সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জলবায়ু বাস্তুচ্যুতদের জীবনমান উন্নয়নে উত্তরণের সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন এবং সরকারি সেবা ও সম্পদ প্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় এক অ্যাডভোকেসি ও তথ্য বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘উত্তরণ’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
সাতক্ষীরা শহরের বাকাল ১ নম্বর কলোনিতে ‘আরএপি’ বাস্তবায়নের ত্রৈমাসিক হালনাগাদ ও অ্যাডভোকেসি শীর্ষক সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। ‘জলবায়ু অভিবাসী ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন: সরকারি সম্পদ, সেবা ও নীতি নির্ধারণে অভিগম্যতা বৃদ্ধি’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন নারী নেত্রী ফাতেমা খাতুন।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে খুলনা ও সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পুরো উপকূলীয় এলাকার মানুষ প্রতিনিয়ত ভিটেমাটি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। দুর্যোগের মুখে পড়া এসব জলবায়ু অভিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি খাসজমি বণ্টন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণ এবং সরকারি নানা সেবা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। একইসঙ্গে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে তাঁদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ বাড়ানো প্রয়োজন। সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা (অ্যাকশন প্ল্যান) সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর টেকসইভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজসেবা অফিসের প্রতিনিধি ফাতেমা তুজ জোহরা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সরদার ও মোস্তাফিজুর রহমান রিপন।
সভায় জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতিনিধিরা দৈনন্দিন জীবনের নানা সংকট, বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাব ও নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত দাবিদাওয়া তুলে ধরেন। এতে স্থানীয় সিএমআরজি সদস্য, উন্নয়নকর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।