শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

মানছে না ঘের নীতিমালা, হুমকির মুখে শতাধিক গ্রামীণ সড়ক, স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশঙ্কা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
মানছে না ঘের নীতিমালা, হুমকির মুখে শতাধিক গ্রামীণ সড়ক, স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশঙ্কা

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা ও জেল-জরিমানার পরেও মৎস্য ঘের নীতিমালা অমান্য করে ঘের ব্যাবসায়ীদের বৈরি আচারণে শতাধিক কাচা-পাকা গ্রামীণ সড়ক এখন হুমকির মুখে, জনমনে তৈরী হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতার শঙ্কা।

খোজ নিয়ে জানাগেছে, এ উপজেলায় ৪ হাজার ৬৫৮ টি মৎস্য ঘের রয়েছে। এসব ঘেরের মালিকরা শতাধিক সরকারি সড়ক মাছের ঘেরের ভেড়ি (বাঁধ) হিসেবে ব্যবহার করায় গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

একই সঙ্গে সরকারি খাল ও পানি নিষ্কাশন পথ বন্ধ করে এসব মাছের ঘের গড়ে তোলায় উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতা সম্ভবনা দেখা দিয়েছে।

ফলে কৃষি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বিলাঞ্চলের হাজার ও নিম্নআয়ের মানুষ জীবিকা সংকটে পড়েতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন ও সুধীজন।

কেশবপুর পৌরসভাসহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে প্রায় দুই হাজার ছোট-বড় বিল ও জলাশয় রয়েছে। এর মধ্যে বিল বলদহালি, টেপুর বিল, গরালিয়া বিল, পদ্মবিল, ঘোচমারা বিল, কাদার বিল, মহাদেবপুর বিল, পাঁচপোতার বিল, হাজোয়ার বিল, খুকশিয়া বিল, বোয়ালিয়ার বিল, গঙ্গাধার বিল ও বিষ্ণুপুর বিল উল্লেখযোগ্য।

সূত্রে জানাগেছে, নব্বইয়ের দশক থেকে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বিল, খাল ও নদীর অববাহিকায় মাছ চাষ শুরু করেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা সরকারি রাস্তা ঘেরের বাঁধ হিসেবে ব্যবহার করতে থাকেন। ফলে বিলভিত্তিক মৎস্যসম্পদে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার কমে যায় এবং জেলে সম্প্রদায়ের জীবিকা সংকুচিত হয়ে পড়ে।

 

অভিযোগ রয়েছে, অনেক ঘের মালিক সরকারি খালের পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করে ব্যক্তিগতভাবে কালভার্ট নির্মাণ করেছেন। এতে স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হয়ে উপজেলার নিন্মাঞ্চল স্থায়ী জলাবদ্ধতা শুরু হয়। যা দিনে দিনে প্রকট আকার ধারণ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের মধ্যে রয়েছে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়ক, কেশবপুর-পাঁজিয়া সড়ক, কেশবপুর-ভেরচী সড়ক, কেশবপুর-ফতেপুর সড়ক, কলাগাছী-চুকনগর সড়ক, মঙ্গলকোট-হিজলডাঙ্গা সড়ক, মঙ্গলকোট-পাঁচপোতা সড়ক, বাকাবর্শি-গড়ভাঙ্গা সড়ক, মজিদপুর-লক্ষীনাথকাটি সড়ক, কেশবপুর-চিংড়া সড়ক, কেশবপুর-ত্রিমোহিনী সড়ক, মনোহরনগর-বাকডাঙ্গা সড়ক, ব্যাসডাঙ্গা-ইমাননগর সড়ক, গোলাঘাটা বাজার-মঙ্গলকোট সড়ক, শ্রীফলা-মঙ্গলকোট সড়ক ও সাবদিয়া-সরফাবাদ সড়ক।

সরেজমিনে দেখা গেছে, যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের ফকির রাস্তা এলাকা থেকে কেশবপুর বাস-ট্রাক টার্মিনাল পর্যন্ত অংশ মাছের ঘেরের বাঁধ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া কেশবপুর-পাঁজিয়া সড়কসহ অন্তত ১০টি পাকা সড়ক এবং আরও শতাধিক গ্রামীণ রাস্তা ঘেরের ভেড়ী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে সড়কের ঢাল, শোল্ডার ও পিচের অংশ ভেঙে গিয়ে যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী এম.এ. জাসির বলেন, ঘের মালিকরা অবৈধভাবে সড়ককে ভেড়ি হিসেবে ব্যবহার করায় সড়কের শোল্ডার ও পিচের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী সড়ক থেকে পৃথক বাঁধ নির্মাণ করে মাছ চাষ করার নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস বলেন, মৎস্য ঘের নির্মাণ আইন সম্পর্কে অবহিত করতে বিভিন্ন এলাকা ঘের ব্যবসায়ীদের নিয়ে আলোচনা সভা করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেখ সোনা খাতুন বলেন, যাঁরা মৎস্য ঘের নীতিমালা অমান্য করে অবৈধভাবে ঘেরের পাড় হিসাবে সরকারি রাস্তা ব্যবহার করছে উপজেলা প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ভাবে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

Ads small one

শাবনূরের অনুরোধে সিডনির রাস্তায় গান গাইলেন রবি চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ
শাবনূরের অনুরোধে সিডনির রাস্তায় গান গাইলেন রবি চৌধুরী

দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা রবি চৌধুরী ও শাবনূর। একজন গায়ক, অন্যজন অভিনেত্রী। তবে দুজনের মধ্যে রয়েছে বন্ধুত্ব। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের সেই বন্ধুত্বের দৃশ্য আবারও দেখা গেল। ফেসবুকের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সিডনির রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছেন অভিনেত্রী, পাশে বসে গান শোনাচ্ছিলেন গায়ক। পেছনের আসনে শাবনূরের একমাত্র ছেলে আইজান নেহান।

শাবনূর দীর্ঘদিন ধরেই অস্ট্রেলিয়ায় আছেন। এদিকে সম্প্রতি স্টেজ শোতে গাইতে সেখানে গেছেন রবি চৌধুরী। তার আসার খবরে শাবনূর আগেই থেকেই ঠিক করে রেখেছিলেন একসঙ্গে ঘুরবেন। শুক্রবার সেই পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিলো। সিডনির বিভিন্ন মনোরম জায়গা রবিকে ঘুরিয়ে দেখালেন তিনি।

এ সময় শাবনূরের অনুরোধে তার খুব পছন্দের গান ‘যেভাবেই তুমি সকাল দেখো’ গেয়ে শোনান রবি চৌধুরী। পরে গাড়ি থেকে নেমে শাবনূরের অনুরোধে গেয়ে ওঠেন ‘ভালোবাসি তোমাকে’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন’।

শাবনূর ও রবি চৌধুরীর জন্মদিনও একই দিনে—১৭ ডিসেম্বর। এর আগে শাবনূর ঢাকায় এলে রবি চৌধুরীর বাসায় একসঙ্গে জন্মদিন উদযাপন করেছেন তারা। সময়ের সঙ্গে দুজনের জীবনের গতিপথ বদলেছে, বদলে গেছে ঠিকানাও; কিন্তু বন্ধুত্ব রয়ে গেছে আগের মতোই।

সামাজিক মাধ্যমে সিডনিতে কাটানো সময়ের ভিডিও প্রকাশ করে শাবনূর লিখেছেন, ‘সিডনিতে প্রিয় সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরীকে কাছে পেয়ে ফিরে গেলাম ‘ভালোবাসি তোমাকে’ চলচ্চিত্রের সেই মধুর স্মৃতিতে। ছবিটির জনপ্রিয় গান ‘অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন’, যার মূল শিল্পী ছিলেন খালিদ হাসান মিলু ও কনকচাঁপা।

প্রিয় রবি চৌধুরীর কণ্ঠে আজ সেই গানটির দুই লাইন শুনে নস্টালজিয়ায় ডুবে গেলাম। বাংলা আধুনিক গানের জনপ্রিয় এই শিল্পীর সঙ্গে সিডনিতে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলো স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

ভালোবাসি তোমাকে ছবিটির পরিচালক মহম্মদ হান্নান আর গানটির গীতিকার ও সুরকার ছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।

ভারতের ২৪৯ রান টপকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবিশ্বাস্য জয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
ভারতের ২৪৯ রান টপকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবিশ্বাস্য জয়

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয়ের জন্য প্রয়োজন ২৫০। এমন কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই জোড়া ধাক্কা খেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু শাই হোপের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি আর শেরফান রাদারফোর্ডের বিধ্বংসী ইনিংসে সব হিসাব পাল্টে দিলো ক্যারিবীয়রা। শুক্রবার রাঁচিতে ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটিই তাদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়।

পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সফল রান তাড়ার তালিকায় অবশ্য এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৫৯ রান তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার ভারতের ২৪৯ রান পেরিয়ে সেই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই বিপাকে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পেসার মায়াঙ্ক যাদব পরপর দুই বলে ফেরান কামিল পুরান ও শিমরন হেটমায়ারকে। পরে ২৪ রান করা রোভম্যান পাওয়েলকেও ফিরিয়ে দেন তিনি।

এরপর ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন হোপ ও রাদারফোর্ড। চতুর্থ উইকেটে ১২০ রানের ঝড়ো জুটি গড়ে ভারতীয় বোলারদের ওপর পাল্টা আক্রমণ চালান তারা।

৩৮ রানে থাকতে মায়াঙ্ক যাদবের সহজ ক্যাচে জীবন পান রাদারফোর্ড। জীবন পেয়ে পরে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন রাদারফোর্ড। মাত্র ৩৭ বলে ৮৪ রান করে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত কুলদীপ যাদবের বলে আউট হন এই বাঁহাতি ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৭টি ছয়।

তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে রান তোলার গতি ঠিকই ধরে রাখেন হোপ। রোমারিও শেফার্ডকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। ৪৫ বলে ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন হোপ। তার ইনিংসে ভর করেই ৯ বল হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোপের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৯টি ছয়।

এর আগে স্যামসনের ৪১ বলে ৮২ রানের ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৪৯ রান তুলেছিল ভারত। ইনিংসের শুরুতে অভিষেক শর্মা ও স্যামসনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র চার ওভারের কম সময়ে ৪২ রান তুলে ফেলে স্বাগতিকরা।

তবে সেই ঝড়ো শুরু থামান রোস্টন চেজ। অভিষেককে (২০) ফেরানোর পর ৪৩ রান করা ঈশান কিষান ও শিবম দুবেকেও (৭) আউট করেন তিনি। শামার স্প্রিঙ্গারের শিকার হন স্যামসন (৮২)।

শেষ দিকে আবারও রান তোলার গতি বাড়ায় ভারত। শ্রেয়াস আইয়ার ও তিলক বর্মা মাত্র ৩২ বলে ৮৩ রানের জুটি গড়েন। আইয়ার ১৮ বলে করেন ৪০ রান। ইনিংসের শেষ ওভারের আগের বলে আউট হন তিনি। তাতে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ২৪৯ রান। তিলক ১৮ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ক্যারিবীয়দের হয়ে ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন রোস্টন চেজ। ৬৪ রানে দুটি নেন শামার স্প্রিঙ্গার।

সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হবে রবিবার।

শান্তিতে নোবেলজয়ী নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে মন্তব্য নেতানিয়াহুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
শান্তিতে নোবেলজয়ী নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে মন্তব্য নেতানিয়াহুর

চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আন্তর্জাতিক আইনের প্রখ্যাত প্রবক্তা ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী’ ও ‘দুর্নীতিগ্রস্ত কৌঁসুলি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়। ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে, পিল্লাইয়ের এমন মন্তব্যের জের ধরে এ প্রতিক্রিয়া জানায় দেশটি।

শুক্রবার পিল্লাইয়ের নোবেল বিজয়ের ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানায়, নোবেল প্রাইজ কমিটি তাদের নৈতিক দিকনির্দেশনা হারিয়ে ফেলেছে। তারা এমন একজন কট্টর বর্ণবাদীকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করেছে, যিনি একমাত্র ইহুদি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা ও অপপ্রচার চালিয়ে ক্যারিয়ার গড়েছেন।

একই সঙ্গে পিল্লাই ইহুদিদের প্রতি বিদ্বেষ ও কুৎসা রটাতে উসকানি দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

জাতিসংঘের অধীনে গঠিত ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অব ইনকোয়ারি অন দ্য অকুপাইড প্যালেনস্টাইন টেরিটরি-এর প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দেন ৮৫ বছর বয়সী নাভি পিল্লাই। অবশ্য এই কমিশনটি জাতিসংঘের মূল প্রতিনিধি হিসেবে সরাসরি কথা বলে না। তবে গত বছর এক প্রতিবেদনে কমিশনটি উল্লেখ করে যে, ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা সংঘটিত করছে।

সূত্র: এএফপি