কেশবপুরে মৎস্যজীবী পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে সংখ্যালঘু মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের পৈতৃক জমি জবরদখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) উপজেলার পরচক্রা বাজারে স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে এ সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী প্রতাপ ম-ল।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পরচক্রা গ্রামের মৃত চিত্ত রঞ্জন ম-লের ছেলে প্রতাপ ম-ল অভিযোগ করেন, পরচক্রা মৌজার ৪৪৩ ও ৫৬৮ নম্বর খতিয়ানের ১৪৫২ নম্বর দাগের পৈতৃক জমির একাংশ (৩৭ শতক) তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। ওই জমিতে থাকা তিনটি দোকানঘরের ভাড়ার টাকায় তাঁদের ৩টি পরিবারের ১৭ জন সদস্যের জীবিকা নির্বাহ হয়। গত বছর ওই দাগের দক্ষিণ পাশ থেকে অন্য এক শরিকের ৮ শতক জমি কেনেন একই গ্রামের ইসমাইল হোসেন। কিন্তু তিনি দলিলের সীমানা অমান্য করে গত ২০ মে উত্তর পাশের দোকানঘর ভেঙে জোরপূর্বক নতুন ঘর নির্মাণ শুরু করেন। এতে বাধা দিলে ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী তাঁদের ওপর হামলা ও মারধর করে। এ বিষয়ে কেশবপুর থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। উল্টো সংখ্যালঘু হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা অভিযুক্তকে পরোক্ষ সহযোগিতা করছেন এবং এর ফলে চার শরিকের পরিবার চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
জমি দখলের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পরচক্রা ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আরিফ বিল্লাহ বলেন, ইসমাইল হোসেন দক্ষিণ পাশ থেকে জমি কিনলেও জোরপূর্বক উত্তর পাশের ৮ শতক জমি দখল করে নিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইসমাইল হোসেন বলেন, তিনি শরিক মহারানী ম-লের কাছ থেকে বৈধভাবে ৮ শতক জমি কিনেছেন। জমি দখলে নেওয়ার পর থেকে বাদী তপন কুমার ম-লসহ কয়েকজন তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা খাতুন বলেন, বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে বসা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তি না হওয়ায় তাঁদের আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।












