শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মানুষের নামে পশুর নাম রাখা মানবমর্যাদার অপমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ণ
মানুষের নামে পশুর নাম রাখা মানবমর্যাদার অপমান

প্রকাশ ঘোষ বিধান

মানুষের নামে কোনো পশুর নাম রাখা সামাজিক শিষ্টাচার, ধর্মীয় অনুশাসন এবং মানবমর্যাদার পরিপন্থী। মানুষের নাম পশুর জন্য ব্যবহার করা মানবমর্যাদার অপমান। বিশেষ করে কোনো পরিচিত মানুষের নাম, তারকা বা সেলিব্রিটির নাম কোনো পশু গরু, ছাগলের নাম রাখা হলে সমাজে ওই ব্যক্তির চরম অসম্মান ও উপহাস করা হয়। কোনো ব্যক্তিকে পশুর সাথে তুলনা করা বা পশুর নামে ডাকা অসভ্যতা ও তাচ্ছিল্যের প্রতীক। এটি ব্যক্তির অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। পশুপাখির জন্য সুন্দর ও মার্জিত নাম রাখা যেতে পারে। কিন্তু মানুষের নামের সাথে মিলে এমন কোনো নাম পশুকে দেওয়া অনুচিত।

মানুষের নামে পশুর নাম রাখা সাধারণত আপত্তিকর ও অসম্মানজনক হিসেবেই গণ্য করা হয়। মানবজাতিকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। সুতরাং কোনো ব্যক্তির নাম পশুর ক্ষেত্রে ব্যবহার করলে পরোক্ষভাবে সেই ব্যক্তি বা মানবমর্যাদাকে অপমান করা হয়। কাউকে অবমাননা বা তাচ্ছিল্য করার উদ্দেশ্যে পশুর সাথে নামের তুলনা করা অনুচিত এবং এটি ব্যক্তির অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন করা, বিদ্রূপ করা বা সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে তার নামে পশুর নামকরণ করা নিশ্চিতভাবে মানবমর্যাদার চরম অবমাননা। সমাজ বা রাজনীতির কোনো আলোচিত-সমালোচিত ব্যক্তির নামে হাটের কোরবানির পশুর নাম রাখা মূলত এক ধরনের মনন্তাত্ত্বিক আক্রমণ। এটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সমাজের সামনে হাসির পাত্রে পরিণত করে।

সাধারণ অর্থে মানুষের নাম মানুষের জন্যই মানানসই। পশুর নাম সাধারণত তাদের বৈশিষ্ট্য বা শখের বশে রাখা হয়, যা মানুষের নামের সাথে মিলিয়ে রাখা হলে সমাজে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হতে পারে। পশুর নাম রাখা যাবে, তবে বিশেষ করে মানুষের নাম বা মানুষের মর্যাদার সাথে সম্পর্কিত নাম পশুর জন্য ব্যবহার করা অনুচিত। মানুষের নামে নামকরণ থেকে বিরত থাকা উচিত।

উদ্দেশ্যমূলকভাবে মানুষের নামে পশুর নাম রাখা সামাজিক নীতি এবং মানবিক মর্যাদার দৃষ্টিকোণ থেকে স্পষ্টতই একটি অবমাননাকর বিষয়। মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং তাদের বিশেষ সম্মান দেওয়া হয়েছে। তাই পশুকে মানুষের নামে ডেকে সেই সম্মান ক্ষুণœ করা অনুচিত।

সাধারণত কাউকে পশু বলা বা পশুর সাথে তুলনা করাকে সমাজে অবক্ষয়, মূর্খতা বা অসভ্যতার প্রতীক মনে করা হয়। পশুকে মানুষের নাম দিলে তা সামাজিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী দেখায়। কাউকে অবমাননা বা তাচ্ছিল্য করার উদ্দেশ্যে পশুর সাথে নামের তুলনা করা অনুচিত এবং এটি ব্যক্তির অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। পশুর হাটে গরুর নাম টাইটানিক, কালা পাহাড় বা কোনো সেলিব্রিটির নামে রেখে ক্রেতা আকর্ষণের চেষ্টা করা হয়। আর গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই নামগুলো অতি-প্রচার পাওয়ার কারণে এটি এক ধরনের সস্তা ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে, যা সুস্থ সামাজিক সংস্কৃতির পরিপন্থী।

অনেক ক্ষেত্রে পোষা প্রাণীকে পরিবারের সদস্য মনে করা হয়। পরম মমতায় অনেকে তাদের প্রিয় পশুর মানুষের সাধারণ নাম যেমন: টম, টমি, রকি, বা দেশীয় কোনো নাম দিয়ে থাকেন। এটি পশুকে তুচ্ছ করার জন্য নয়, বরং ভালোবাসার কারণে করা হয়। অজান্তেই কোনো পশুর নাম মানুষের নামের সাথে মিলে যেতে পারে। একে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অবমাননা হিসেবে না দেখে কাকতালীয় হিসেবে দেখাই শ্রেয়। তবে নামকরণের পেছনে মানুষের মানসিকতা, উদ্দেশ্য এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটের ওপর ভিত্তি করে এর ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা রয়েছে।

পশুর নাম রাখা উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভর করে। যদি কাউকে হীন প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এমনটা করা হয়, তবে তা অবশ্যই মর্যাদাহানিকর। আর যদি তা কেবলই স্নেহের বশে করা হয়, তবে তা মনন্তাত্ত্বিকভাবে ভিন্ন অর্থ বহন করে।
সমাজ বা রাজনীতিতে বিতর্কিত বা শত্রুভাবাপন্ন কোনো ব্যক্তির নামে পশুর নাম রাখা এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক আঘাত এবং এটি ব্যক্তির অধিকার লঙ্ঘনের শামিল। তবে বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার উদ্দেশ্যে বা কাউকে সরাসরি ছোট করার জন্য মানুষের নাম ব্যবহার করা এক ধরনের বিকৃত মানসিকতা, যা পরিহার করা উচিত।

সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষের একটি নিজস্ব মর্যাদা রয়েছে। তাই সস্তা বিনোদন কিংবা কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার জন্য মানুষের নাম পশুর ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের প্রবণতা রোধে আমাদের সামাজিক সচেতনতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা জরুরি।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

ফকিরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‌্যালি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
ফকিরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‌্যালি

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: “সবাই মিলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করি, নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বাগেরহাটের ফকিরহাটে ডেঙ্গুৃ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলায় উদ্যোগে র‌্যালি বের হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যৌথ শনিবার (৬ জুন) বেলা ১১টায় র‌্যালি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্ত্বর থেকে শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

র‌্যালিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রোকনুজ জামান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: আসাদুজ্জামান সাগর, আরএমও ডা: সরদার তানভীর মাহমুদ অনিক, মেডিকেল অফিসার ডা: মিসকাতুস সালেহীন, ডা: মৃনাল কান্তি সাহা, ডা: মনোজ মালাকার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: গোলাম মোস্তফা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, সহকারী প্রোগ্রামার মো: আলমগীর হোসেন, উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর দেবরাজ মিত্র ও বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, ডাক্তার, নার্স, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: আসাদুজ্জামান সাগর বলেন. আমাদের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা কিংবা যেকোনো পাত্রে যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে নিয়মিত নজর দেওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রোকনুজ জামান বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সর্বস্তরের মানুষকে নিয়মিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আশেপাশে ও বাড়ির আঙিনায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিস্কার রাখার আহবান জানান।

কলারোয়ায় আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এর বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযাগে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এর বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযাগে মানববন্ধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে গ্রাহকের দুইকোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা হওয়া আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার এবং টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টায় কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ওই প্রতিষ্ঠানে টাকা রেখে প্রতারিত হওয়া শতাধিক গ্রাহক এ অভিযোগ করেন।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক, জাহানারা খাতুন, আব্দুস সাত্তার, সাবিনা খাতুন প্রমুখ।

বেশি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে ২০১২ সাল থেকে কলারোয়া থেকে ১৩৬ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় দুইকোটি ২৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক সবুজ। ২০১৩ সাল থেকে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও গ্রাহকদের একটি টাকাও ফেরত না দিয়ে চম্পট দেয় প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে ছোটাছুটি করেও কোন টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী জাহানারা খাতুন বলেন, মেয়ের বিয়ের জন্য তীল তীল করে ৪লক্ষ টাকা জমিয়েছিলাম। সে সময় প্রতারক ওমর ফারুক সবুজ অন্যান্য কর্মকর্তাদের প্রলোভনে পড়ে সমুদয় টাকা আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টের প্রতিষ্ঠানে জমা রেখেছিলাম। কিন্তু ওই প্রতারক প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিনেও টাকাগুলো ফেরত দেয়নি।

হোটেলের কর্মচারী স্বামী বিধবা সাবিনা খাতুন বলেন, হোটেল শ্রমিকের কাজ করে জমানো ৬৩ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে ওই প্রতারক প্রতিষ্ঠান। আমি পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছি। অসুস্থ্য হওয়ার পরেও ঔষধ কিনে খেতে পারি না। আমি আমার টাকা ফেরত চাই। সাথে সাথে ওই প্রতারকদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এবিষয়ে অভিযুক্ত ওমর ফারুক সবুজের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ওই টাকা হেড অফিসে জমা হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি চালু আছে না বন্ধ হয়ে গেছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন জমি ক্রয় করতে গিয়ে বন্ধ করে দিয়েছি। তবে এটার দায় স্থানীয় কর্মচারী আবু সাঈদ সবুজের।

তবে আবু সাঈদ সবুজ বলেন গ্রাহক টাকা পাবে। কিন্তু পাওনা টাকার অংকটা কম। এত টাকা হওয়ার সুযোগ নেই। গ্রাহক পাবে ২৬ লক্ষ টাকা। ইতোমধ্যে কিছু টাকা পরিশোধও করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া আমি তো কর্মচারী ছিলাম মাত্র।

বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবস উপলক্ষে শ্যামনগরে আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবস উপলক্ষে শ্যামনগরে আলোচনা সভা

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবস উপলক্ষে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) বেলা ১১ টায় উক্ত অনুষ্ঠানে সহব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোছাঃ মাহমুদা সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা ইরফান হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মোঃ রেজাউল করিম, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ফায়সাল আহমেদ, জিএম আব্দুল জলিলসহ পরিবেশকর্মী, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সিপিজির সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এসময় বক্তারা বলেন, জীববৈচিত্র্য পৃথিবীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম প্রধান উপাদান। বন, নদী, জলাভূমি ও বন্যপ্রাণী রক্ষার মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সম্ভব। মানুষের অসচেতন কর্মকান্ড, বন উজাড়, নদী দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে জীববৈচিত্র্য আজ হুমকির মুখে পড়েছে। তাই পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গাছ লাগানো, প্লাস্টিক দূষণ কমানো এবং বন্যপ্রাণী শিকার ও নিধন বন্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রতিপাদ্য: “প্রকৃতির সঙ্গে সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়নের জন্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ”।