বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মৃত্যুর ৮ দিন পরও কেন মর্গে টুইশা শর্মার লাশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
মৃত্যুর ৮ দিন পরও কেন মর্গে টুইশা শর্মার লাশ

টুইশা শর্মার মৃত্যুর আট দিন পার হয়ে গেছে। কিন্তু তার মরদেহ এখনও অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এইমস) ভোপালের শীতল মর্গে পড়ে রয়েছে। ৩৩ বছর বয়সী সাবেক মিস পুনে ও বিপণন পেশাজীবী (মার্কেটিং প্রফেশনাল) টুইশার মৃত্যুর ঘটনার একটি ‘সুষ্ঠু ও স্বাধীন’ তদন্ত না পাওয়া পর্যন্ত তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মা-বাবা।

মধ্যপ্রদেশ পুলিশ যে ঘটনাকে প্রাথমিকভাবে ‘আত্মহত্যা’ বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিল, তা এখন যৌতুকের জন্য নির্যাতন, তথ্য-প্রমাণ লোপাট এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর গুরুতর অভিযোগে এক জটিল মোড় নিয়েছে।

টুইশার মা-বাবা এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত তার ভাই দাবি করেছেন, নতুন করে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করতে হবে এবং সেটি হতে হবে দিল্লির এইমসে। তাদের অভিযোগ, ভোপালের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনটি পক্ষপাতদুষ্ট ও অসম্পূর্ণ ছিল, কারণ ভোপালে টুইশার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।

টুইশার পরিবারের সন্দেহ, এটি কেবল সাধারণ আত্মহত্যা নয়। মাত্র পাঁচ মাস আগে ভোপালের আইনজীবী সমর্থ সিংহের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল টুইশার। বিয়ের পর থেকেই টুইশাকে যৌতুকের জন্য হেনস্তা, শারীরিক নির্যাতন এবং মানসিক নিপীড়নের শিকার হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। বর্তমানে অভিযুক্ত স্বামী সমর্থ সিংহ পলাতক রয়েছেন এবং তার খোঁজ দিতে পারলে ১০ হাজার রুপি পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ভোপাল পুলিশ।

এদিকে ভোপাল পুলিশ পরিবারকে চিঠি দিয়ে দ্রুত লাশ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে। পুলিশ সতর্ক করে জানিয়েছে, দীর্ঘদিন মরদেহ এভাবে রেখে দিলে তা পচে যেতে পারে। তাদের মতে, এইমস ভোপালের মর্গে মাইনাস ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে লাশ রাখা হয়েছে, কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে লাশ সংরক্ষণের জন্য মাইনাস ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রয়োজন, যা এইমস ভোপালে নেই বলে। তবে পরিবারের কাছে টুইশার এই ব্যবচ্ছেদহীন দেহই এখন শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের শেষ প্রমাণ।

প্রথম ময়নাতদন্তে কী মিলেছে?

গত ১২ মে ভোপালে টুইশার শ্বশুরবাড়িতে জিমনাস্টিক রিংয়ের দড়ির সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এইমস ভোপালের প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টুইশার মৃত্যু হয়েছে গলায় ফাঁস লাগার কারণে। চিকিৎসকেরা তার গলায় লালচে জোড়া দাগ এবং শ্বাসরোধের কারণে মুখমণ্ডল ফুলে যাওয়া ও অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণেরকথা উল্লেখ করেছেন। সহজ কথায়, মৃত্যুর আগে গলায় চাপের কারণে অক্সিজেন না পেয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

তবে কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টুইশার দেহে একাধিক ভোঁতা অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে; যার মধ্যে হাত, আঙুল এবং মাথার ত্বকে কালশিটে দাগ মিলেছে। এই তথ্যগুলোই পরিবারের সন্দেহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া ময়নাতদন্তে জানা গেছে, মৃত্যুর মাত্র এক সপ্তাহ আগে টুইশা গর্ভপাত করিয়েছিলেন। পরবর্তী পরীক্ষার জন্য তার ডিএনএ এবং টক্সিকোলজি নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, এসব আঘাতের বিষয়ে পুলিশ কোনও তদন্তই করেনি।

ফাঁসের উপাদান নিয়ে বড় প্রশ্ন

এই মামলার অন্যতম বড় রহস্য তৈরি হয়েছে গলায় ফাঁস দেওয়ার উপাদানটি নিয়ে। প্রথম দিকে পুলিশ দাবি করেছিল, টুইশা নাইলনের বেল্ট ব্যবহার করে আত্মহত্যা করেছেন। তবে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এইমসের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্ট লেখা আছে যে, তদন্তকারী কর্মকর্তা ময়নাতদন্তের সময় ফাঁসের সেই উপাদানটি চিকিৎসকদের কাছে উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা গলার দাগের সঙ্গে ফাঁসের উপাদানের বৈজ্ঞানিক মিল খুঁজে পাননি। পরবর্তীতে আবার টুইশার ঝুলন্ত লাশের ছাদ থেকে একটি ব্যায়ামের রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ড উদ্ধারের কথা বলা হয়।

প্রমাণ লোপাটের এই চেষ্টাকে পুলিশের বড় ধরনের গাফিলতি হিসেবে দেখছে পরিবার। টুইশার বাবা নবনিধি শর্মা বলেন, ‘ফাঁসের উপাদান জমা না দিয়েই পোস্ট-মর্টেম রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের মতো সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার কীভাবে বিচারের আশা করতে পারে?’

যৌতুকের জন্য অত্যাচার ও প্রভাবশালীদের যোগসাজশ

টুইশার পরিবার জানিয়েছে, বিয়ের পর থেকেই যৌতুক নিয়ে তার ওপর অবিরাম মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালানো হতো। টুইশার পাঠানো বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজেও সেই কষ্টের কথা লেখা ছিল। এর প্রতিবেদন অনুসারে, টুইশার শাশুড়ি গিরিবালা সিংহ একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক এবং বর্তমানে তিনি কনজ্যুমার কোর্টে কর্মরত আছেন।

টুইশার বাবা আরও অভিযোগ করেন, ‘ভোপাল লোকায়ুক্ত পুলিশের প্রধান সত্যেন্দ্র সিংহ হলেন শাশুড়ি গিরিবালা সিংহের আত্মীয়। ফলে অভিযুক্তদের আড়াল করতে পুলিশের ওপর ওপরমহল থেকে প্রচণ্ড চাপ রয়েছে।’

বিচারের দাবিতে আন্দোলন

ন্যায়বিচারের দাবিতে টুইশার পরিবার আদালতে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত এবং সিবিআই অথবা সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে তদন্তের আবেদন জানিয়েছে। তবে বুধবার ভোপালের একটি আদালত লাশ সংরক্ষণের পরিকাঠামোগত অভাবের কথা উল্লেখ করে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন। যদিও একই দিনে ভোপালের পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় কুমার জানিয়েছিলেন যে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে পুলিশের কোনও আপত্তি নেই।

এদিকে কয়েক দিন ধরে ভোপালে অবস্থান নেওয়া টুইশার মা-বাবা বুধবার মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের সঙ্গে দেখা করেন। মুখ্যমন্ত্রী তাদের সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। এরপরই তারা রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে এই মৃত্যুর তদন্তে হস্তক্ষেপের দাবি জানান।

পুলিশ ইতোমধ্যে যৌতুক নির্যাতনের মামলা দায়ের করে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছে এবং টুইশার স্বামী সমর্থ সিংহের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করেছে। অন্যদিকে টুইশার শ্বশুরবাড়ির লোকজন সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে, টুইশার মানসিক সমস্যা ছিল, তিনি গাঁজা সেবন করতেন এবং আবেগবশত হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

Ads small one

সাতক্ষীরায় মানবাধিকার সাংবাদিক নেটওয়ার্কের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মানবাধিকার সাংবাদিক নেটওয়ার্কের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: ​সাতক্ষীরায় মানবাধিকার সুরক্ষা ও নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে ‘সাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক’-এর সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে ‘ডিফেন্ডিং হিউম্যান রাইটস থ্রু নেটওয়ার্ক স্ট্রেনদেনিং (ডিএইচআরএনএস)’ প্রকল্পের আওতায় এই সভার আয়োজন করা হয়।

​ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস নেটওয়ার্ক, সাতক্ষীরা-এর আয়োজনে এবং উত্তরণ ও মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)-এর সহযোগিতায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া এতে জাতীয় এনডোমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি-এর সহায়তা রয়েছে।

​সভায় বক্তারা স্থানীয় পর্যায়ে মানবাধিকার সুরক্ষায় সাংবাদিকদের ভূমিকা এবং তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)-এর প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

সাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক’-এর সভাপতি এম কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এমএসএফ সমন্বয়কারী সেলিনা হাসিন, এমএসএফ-এর সিনিয়র স্টাফ ল’ইয়ার অ্যাডভোকেট নাহিদ সামস, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক মিজানুর রহমান, মমতাজ আহমেদ বাপী, আসাদুজ্জামান, ড. দিলীপ কুমার দেব, অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, এসএম শহীদুল ইসলাম, এসএম বিপ্লব হোসেন, আহসানুর রহমান রাজিব, শহিদুল হক রাজু, আসাদুজ্জামান সরদার, গোলাম সরোয়ার, মো. হোসেন আলী, প্রমুখ।

​​অনুষ্ঠানে আয়োজক সংস্থাসমূহের কর্মকর্তা, স্থানীয় সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিশু অপ্রতীমসহ সব শিশু হত্যার বিচারে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
শিশু অপ্রতীমসহ সব শিশু হত্যার বিচারে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: ​সারাদেশে আশঙ্কাজনক হারে শিশু অপহরণ, হত্যা ও নির্যাতন বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং শিশু অপ্রতীমসহ নিহত সব নিরপরাধ শিশুর খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে সাতক্ষীরার শহীদ আবদুর রাজ্জাক পার্কের শহীদ মিনার চত্বরে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

​ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস নেটওয়ার্ক (সাতক্ষীরা), বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ (সাতক্ষীরা জেলা শাখা), হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার ফোরাম, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ), এইচআরডি কোয়ালিশন, হিউম্যান রাইটস ল’ ইয়ারস ফোরাম, স্বদেশের আয়োজনে এবং উত্তরণ, এনইডি, সিডো, হেড, ক্রীসেন্ট ইয়ুথ স্কুল গার্লস গ্রুপ ও সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের সহায়তায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা স্ব-স্ব সংগঠনের প্রতিবাদী ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে অংশ নিয়ে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

​স্বদেশ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ও মানবাধিকার কর্মী মাধব চন্দ্র দত্তের সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এমএসএফ-এর প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, ঢাকা এমএসএফ সমন্বয়কারী সেলিনা হাসিন, এমএসএফ-এর সিনিয়র স্টাফ ল’ইয়ার অ্যাডভোকেট নাহিদ সামস, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না দত্ত ও সভাপতি আঞ্জুয়ারা মিলি।

​এছাড়াও বক্তব্য দেন নাগরিক নেতা আলী নুর খান বাবুল, আবদুস সামাদ, আবু জাফর সিদ্দিকী, সিডো সংস্থার পরিচালক শ্যামল বিশ্বাস, এমএসএফ সাতক্ষীরা সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মনিরউদ্দীন, হেড সংস্থার পরিচালক লুইস রানা গাইন, মোহাম্মদ বায়জিদ হোসেন, নুসরত জাহান, শেহনাজ পারভীন, জারিন তাসনিম, দৈনিক ‘দক্ষিণের মশাল’ সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, চ্যানেল আইয়ের প্রতিনিধি এম কামরুজ্জামান এবং ডেইলি স্টার-এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জী।

​সমাবেশে বক্তারা শিশু হত্যা ও নিখোঁজের ঘটনা নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্র’ (আসক) এবং পুলিশ সদর দপ্তরের এক উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেন। আসকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে নিখোঁজের পর অন্তত ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু প্রাণ হারিয়েছে; যার মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯ এবং ধর্ষণের পর ২৬ শিশু হত্যার শিকার হয়েছে।

​অন্যদিকে, পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য উল্লেখ করে জানানো হয়, জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সারাদেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজের খবর পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনও ২ হাজার ৩৮ শিশু নিখোঁজ রয়েছে।

​বক্তারা বলেন, শিশু নিখোঁজ, অপহরণ ও হত্যার বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে শিশুদের নিরাপত্তায় সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও দৃঢ় ও কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। একইসঙ্গে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সকল হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ ও নির্যাতনের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তারা।#

সাতক্ষীরা বাইপাস সড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা বাইপাস সড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের

Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিনিধি: ​সাতক্ষীরায় বাইপাস সড়কে এক মর্মান্তিক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তানভীর আহমেদ শুভ (২০) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। নিহত শুভ সাতক্ষীরার থানাঘাটা এলাকার মোঃ আব্দুর রশীদ ও নাজমা বেগম দম্পতির একমাত্র ছেলে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে সাতক্ষীরা বাইপাস সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় এই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাটি ঘটে। মারাত্মক আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই শুভ মারা যান।

​নিহত তানভীর আহমেদ শুভ থানাঘাটা ঈদগাহ মোড়ের ‘শুভ মেডিকেল হল’-এর স্বত্বাধিকারী ছিলেন। মাত্র ২০ বছর বয়সী এই তরুণ এলাকায় নম্র, ভদ্র ও সদালাপী হিসেবে সবার কাছে অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় ছিলেন।

​তাঁর এই আকস্মিক ও অকাল মৃত্যুতে পরিবারসহ পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।