শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

মৃত্যুর ৮ দিন পরও কেন মর্গে টুইশা শর্মার লাশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
মৃত্যুর ৮ দিন পরও কেন মর্গে টুইশা শর্মার লাশ

টুইশা শর্মার মৃত্যুর আট দিন পার হয়ে গেছে। কিন্তু তার মরদেহ এখনও অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এইমস) ভোপালের শীতল মর্গে পড়ে রয়েছে। ৩৩ বছর বয়সী সাবেক মিস পুনে ও বিপণন পেশাজীবী (মার্কেটিং প্রফেশনাল) টুইশার মৃত্যুর ঘটনার একটি ‘সুষ্ঠু ও স্বাধীন’ তদন্ত না পাওয়া পর্যন্ত তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মা-বাবা।

মধ্যপ্রদেশ পুলিশ যে ঘটনাকে প্রাথমিকভাবে ‘আত্মহত্যা’ বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিল, তা এখন যৌতুকের জন্য নির্যাতন, তথ্য-প্রমাণ লোপাট এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর গুরুতর অভিযোগে এক জটিল মোড় নিয়েছে।

টুইশার মা-বাবা এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত তার ভাই দাবি করেছেন, নতুন করে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করতে হবে এবং সেটি হতে হবে দিল্লির এইমসে। তাদের অভিযোগ, ভোপালের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনটি পক্ষপাতদুষ্ট ও অসম্পূর্ণ ছিল, কারণ ভোপালে টুইশার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।

টুইশার পরিবারের সন্দেহ, এটি কেবল সাধারণ আত্মহত্যা নয়। মাত্র পাঁচ মাস আগে ভোপালের আইনজীবী সমর্থ সিংহের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল টুইশার। বিয়ের পর থেকেই টুইশাকে যৌতুকের জন্য হেনস্তা, শারীরিক নির্যাতন এবং মানসিক নিপীড়নের শিকার হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। বর্তমানে অভিযুক্ত স্বামী সমর্থ সিংহ পলাতক রয়েছেন এবং তার খোঁজ দিতে পারলে ১০ হাজার রুপি পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ভোপাল পুলিশ।

এদিকে ভোপাল পুলিশ পরিবারকে চিঠি দিয়ে দ্রুত লাশ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে। পুলিশ সতর্ক করে জানিয়েছে, দীর্ঘদিন মরদেহ এভাবে রেখে দিলে তা পচে যেতে পারে। তাদের মতে, এইমস ভোপালের মর্গে মাইনাস ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে লাশ রাখা হয়েছে, কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে লাশ সংরক্ষণের জন্য মাইনাস ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রয়োজন, যা এইমস ভোপালে নেই বলে। তবে পরিবারের কাছে টুইশার এই ব্যবচ্ছেদহীন দেহই এখন শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের শেষ প্রমাণ।

প্রথম ময়নাতদন্তে কী মিলেছে?

গত ১২ মে ভোপালে টুইশার শ্বশুরবাড়িতে জিমনাস্টিক রিংয়ের দড়ির সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এইমস ভোপালের প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টুইশার মৃত্যু হয়েছে গলায় ফাঁস লাগার কারণে। চিকিৎসকেরা তার গলায় লালচে জোড়া দাগ এবং শ্বাসরোধের কারণে মুখমণ্ডল ফুলে যাওয়া ও অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণেরকথা উল্লেখ করেছেন। সহজ কথায়, মৃত্যুর আগে গলায় চাপের কারণে অক্সিজেন না পেয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

তবে কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টুইশার দেহে একাধিক ভোঁতা অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে; যার মধ্যে হাত, আঙুল এবং মাথার ত্বকে কালশিটে দাগ মিলেছে। এই তথ্যগুলোই পরিবারের সন্দেহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া ময়নাতদন্তে জানা গেছে, মৃত্যুর মাত্র এক সপ্তাহ আগে টুইশা গর্ভপাত করিয়েছিলেন। পরবর্তী পরীক্ষার জন্য তার ডিএনএ এবং টক্সিকোলজি নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, এসব আঘাতের বিষয়ে পুলিশ কোনও তদন্তই করেনি।

ফাঁসের উপাদান নিয়ে বড় প্রশ্ন

এই মামলার অন্যতম বড় রহস্য তৈরি হয়েছে গলায় ফাঁস দেওয়ার উপাদানটি নিয়ে। প্রথম দিকে পুলিশ দাবি করেছিল, টুইশা নাইলনের বেল্ট ব্যবহার করে আত্মহত্যা করেছেন। তবে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এইমসের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্ট লেখা আছে যে, তদন্তকারী কর্মকর্তা ময়নাতদন্তের সময় ফাঁসের সেই উপাদানটি চিকিৎসকদের কাছে উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা গলার দাগের সঙ্গে ফাঁসের উপাদানের বৈজ্ঞানিক মিল খুঁজে পাননি। পরবর্তীতে আবার টুইশার ঝুলন্ত লাশের ছাদ থেকে একটি ব্যায়ামের রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ড উদ্ধারের কথা বলা হয়।

প্রমাণ লোপাটের এই চেষ্টাকে পুলিশের বড় ধরনের গাফিলতি হিসেবে দেখছে পরিবার। টুইশার বাবা নবনিধি শর্মা বলেন, ‘ফাঁসের উপাদান জমা না দিয়েই পোস্ট-মর্টেম রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের মতো সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার কীভাবে বিচারের আশা করতে পারে?’

যৌতুকের জন্য অত্যাচার ও প্রভাবশালীদের যোগসাজশ

টুইশার পরিবার জানিয়েছে, বিয়ের পর থেকেই যৌতুক নিয়ে তার ওপর অবিরাম মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালানো হতো। টুইশার পাঠানো বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজেও সেই কষ্টের কথা লেখা ছিল। এর প্রতিবেদন অনুসারে, টুইশার শাশুড়ি গিরিবালা সিংহ একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক এবং বর্তমানে তিনি কনজ্যুমার কোর্টে কর্মরত আছেন।

টুইশার বাবা আরও অভিযোগ করেন, ‘ভোপাল লোকায়ুক্ত পুলিশের প্রধান সত্যেন্দ্র সিংহ হলেন শাশুড়ি গিরিবালা সিংহের আত্মীয়। ফলে অভিযুক্তদের আড়াল করতে পুলিশের ওপর ওপরমহল থেকে প্রচণ্ড চাপ রয়েছে।’

বিচারের দাবিতে আন্দোলন

ন্যায়বিচারের দাবিতে টুইশার পরিবার আদালতে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত এবং সিবিআই অথবা সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে তদন্তের আবেদন জানিয়েছে। তবে বুধবার ভোপালের একটি আদালত লাশ সংরক্ষণের পরিকাঠামোগত অভাবের কথা উল্লেখ করে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন। যদিও একই দিনে ভোপালের পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় কুমার জানিয়েছিলেন যে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে পুলিশের কোনও আপত্তি নেই।

এদিকে কয়েক দিন ধরে ভোপালে অবস্থান নেওয়া টুইশার মা-বাবা বুধবার মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের সঙ্গে দেখা করেন। মুখ্যমন্ত্রী তাদের সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। এরপরই তারা রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে এই মৃত্যুর তদন্তে হস্তক্ষেপের দাবি জানান।

পুলিশ ইতোমধ্যে যৌতুক নির্যাতনের মামলা দায়ের করে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছে এবং টুইশার স্বামী সমর্থ সিংহের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করেছে। অন্যদিকে টুইশার শ্বশুরবাড়ির লোকজন সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে, টুইশার মানসিক সমস্যা ছিল, তিনি গাঁজা সেবন করতেন এবং আবেগবশত হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানী পন্য আটক

পত্রদূত ডেস্ক: শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কুশখালি, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপি এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম এবং মদ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার চৌরঙ্গী হতে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি হতে ৯ হাজার টাকার ভারতীয় মদ আটক করে।
এছাড়াও, মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বারেকের মোড় হতে ১৬ হাজার ৭৭৮ টাকার ভারতীয় কসমেটিক্স, জিরা ও কাজুবাদাম আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ২ লাখ ৫ হাজার ৭৭৮ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
কয়রায় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: বিএনপি সরকার সবসময় পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে আন্তরিক। দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি, বনভূমি সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

 

স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সড়কের পাশে, খাল-বিলের তীরে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ ও সরকারি স্থাপনায় পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির চেয়ারম্যান, দেশের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে মন্তব্য করেছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।

বৃক্ষমেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সরদার মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় কয়রার বেদকাশী কাছারীবাড়ী ঐতিহ্যবাহী বটতলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এই অঞ্চলে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সবাই মিলে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, রাস্তার পাশে ও পতিত জমিতে বেশি করে গাছ লাগাই। সরকারের পাশাপাশি আমাদেরকেও এই অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে। ঘূর্ণিঝড় সহ পরিবেশের বায়ুদূষণ, বন্যা, খরতাপ, নদীভাঙ্গন রোধ, বজ্রপাত প্রতিরোধে বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ। তেমনি সবুজায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, কয়রা-পাইকগাছার অর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আধুনিক ছোঁয়া শুধুই নয় অত্যাধুনিক ভাবে এই অঞ্চল কে গড়ে তুলতে চাই। এই অঞ্চলের জন্য ইতিমধ্যে হাসপাতাল, স্টেডিয়াম, স্কুল, কলেজের নতুন নতুন ভবনের বরাদ্দ দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো কে জাতীয় জাতীয়করনে কাজ করছি, অনেক গুলোর যৌক্তিকতার আলোকে চিঠি ইস্যু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো জাতীয়করণ হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জেলা জাসাস আহবায়ক শহিদুল ইসলাম সহিদ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মনিরুজ্জামান বেল্টু, জি এম মাওলা বক্স, শরিফুল আলম, আব্দুস সামাদ, প্রফেসর আবুল কালাম, জিএম রফিকুল, হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, সালাউদ্দিন লিটন, সাইফুজ্জামান, আইয়ুব আলী, রওশন মোল্লা, গোলাম রসুল, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, জিএম রাসেল ইসলাম, জাহিদুর রহমান শোভন, পীর আলী, মোহতাসিম বিল্লাহ, জামাল জাফরিন, ডিএম হেলালউদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ কাজল, আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মামুন হাসান, এহসানুল ইছান, জুবায়ের হোসেন প্রমুখ।

বৃক্ষ মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

উত্তর বেদকাশি ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষ মেলা ২৬ বছর ধরে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। মেলায় উপজেলার বিভিন্ন নার্সারি শতাধিক স্টলে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ নিয়ে অংশগ্রহণ করে। মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করে জেলা পরিষদ প্রশাসক প্রদর্শিত চারা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদ বৃক্ষ মেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

এরপরে তিনি কয়রার সেন্ট্রাল হাসপাতাল উদ্বোধন করেন এবং কয়রা উপজেলা জামে মসজিদে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

মাসুদ রানা: ‎বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার অন্তর্গত স্কুল বিভাগের উদ্যোগে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাসভিত্তিক ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে।

‎শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮:৩০ মিনিটে স্কুল বিভাগের পরিচালক তাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি রেদোয়ান কবির তাজিমের সঞ্চালনায় আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা শহর শাখার প্রকাশনা সম্পাদক মো. মাসুদুজ্জামান।

‎উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, “শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; সৎ, যোগ্য ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে শারীরিক সুস্থতা ও মেধা বিকাশের বিকল্প নেই। মাদক ও অনৈতিক কর্মকান্ড থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে খেলাধুলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক চরিত্রের পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইসলামী ছাত্রশিবির সর্বদা এ ধরনের গঠনমূলক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।”

‎উদ্বোধনী ম্যাচে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণীর দলগুলো উৎসবমুখর পরিবেশে অংশ নেয়। খেলা দেখতে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের উপস্থিতি মাঠে এক প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি করে