বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মৃত্যুর ৮ দিন পরও কেন মর্গে টুইশা শর্মার লাশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
মৃত্যুর ৮ দিন পরও কেন মর্গে টুইশা শর্মার লাশ

টুইশা শর্মার মৃত্যুর আট দিন পার হয়ে গেছে। কিন্তু তার মরদেহ এখনও অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এইমস) ভোপালের শীতল মর্গে পড়ে রয়েছে। ৩৩ বছর বয়সী সাবেক মিস পুনে ও বিপণন পেশাজীবী (মার্কেটিং প্রফেশনাল) টুইশার মৃত্যুর ঘটনার একটি ‘সুষ্ঠু ও স্বাধীন’ তদন্ত না পাওয়া পর্যন্ত তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মা-বাবা।

মধ্যপ্রদেশ পুলিশ যে ঘটনাকে প্রাথমিকভাবে ‘আত্মহত্যা’ বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিল, তা এখন যৌতুকের জন্য নির্যাতন, তথ্য-প্রমাণ লোপাট এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর গুরুতর অভিযোগে এক জটিল মোড় নিয়েছে।

টুইশার মা-বাবা এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত তার ভাই দাবি করেছেন, নতুন করে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করতে হবে এবং সেটি হতে হবে দিল্লির এইমসে। তাদের অভিযোগ, ভোপালের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনটি পক্ষপাতদুষ্ট ও অসম্পূর্ণ ছিল, কারণ ভোপালে টুইশার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।

টুইশার পরিবারের সন্দেহ, এটি কেবল সাধারণ আত্মহত্যা নয়। মাত্র পাঁচ মাস আগে ভোপালের আইনজীবী সমর্থ সিংহের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল টুইশার। বিয়ের পর থেকেই টুইশাকে যৌতুকের জন্য হেনস্তা, শারীরিক নির্যাতন এবং মানসিক নিপীড়নের শিকার হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। বর্তমানে অভিযুক্ত স্বামী সমর্থ সিংহ পলাতক রয়েছেন এবং তার খোঁজ দিতে পারলে ১০ হাজার রুপি পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ভোপাল পুলিশ।

এদিকে ভোপাল পুলিশ পরিবারকে চিঠি দিয়ে দ্রুত লাশ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে। পুলিশ সতর্ক করে জানিয়েছে, দীর্ঘদিন মরদেহ এভাবে রেখে দিলে তা পচে যেতে পারে। তাদের মতে, এইমস ভোপালের মর্গে মাইনাস ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে লাশ রাখা হয়েছে, কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে লাশ সংরক্ষণের জন্য মাইনাস ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রয়োজন, যা এইমস ভোপালে নেই বলে। তবে পরিবারের কাছে টুইশার এই ব্যবচ্ছেদহীন দেহই এখন শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের শেষ প্রমাণ।

প্রথম ময়নাতদন্তে কী মিলেছে?

গত ১২ মে ভোপালে টুইশার শ্বশুরবাড়িতে জিমনাস্টিক রিংয়ের দড়ির সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এইমস ভোপালের প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টুইশার মৃত্যু হয়েছে গলায় ফাঁস লাগার কারণে। চিকিৎসকেরা তার গলায় লালচে জোড়া দাগ এবং শ্বাসরোধের কারণে মুখমণ্ডল ফুলে যাওয়া ও অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণেরকথা উল্লেখ করেছেন। সহজ কথায়, মৃত্যুর আগে গলায় চাপের কারণে অক্সিজেন না পেয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

তবে কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টুইশার দেহে একাধিক ভোঁতা অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে; যার মধ্যে হাত, আঙুল এবং মাথার ত্বকে কালশিটে দাগ মিলেছে। এই তথ্যগুলোই পরিবারের সন্দেহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া ময়নাতদন্তে জানা গেছে, মৃত্যুর মাত্র এক সপ্তাহ আগে টুইশা গর্ভপাত করিয়েছিলেন। পরবর্তী পরীক্ষার জন্য তার ডিএনএ এবং টক্সিকোলজি নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, এসব আঘাতের বিষয়ে পুলিশ কোনও তদন্তই করেনি।

ফাঁসের উপাদান নিয়ে বড় প্রশ্ন

এই মামলার অন্যতম বড় রহস্য তৈরি হয়েছে গলায় ফাঁস দেওয়ার উপাদানটি নিয়ে। প্রথম দিকে পুলিশ দাবি করেছিল, টুইশা নাইলনের বেল্ট ব্যবহার করে আত্মহত্যা করেছেন। তবে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এইমসের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্ট লেখা আছে যে, তদন্তকারী কর্মকর্তা ময়নাতদন্তের সময় ফাঁসের সেই উপাদানটি চিকিৎসকদের কাছে উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা গলার দাগের সঙ্গে ফাঁসের উপাদানের বৈজ্ঞানিক মিল খুঁজে পাননি। পরবর্তীতে আবার টুইশার ঝুলন্ত লাশের ছাদ থেকে একটি ব্যায়ামের রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ড উদ্ধারের কথা বলা হয়।

প্রমাণ লোপাটের এই চেষ্টাকে পুলিশের বড় ধরনের গাফিলতি হিসেবে দেখছে পরিবার। টুইশার বাবা নবনিধি শর্মা বলেন, ‘ফাঁসের উপাদান জমা না দিয়েই পোস্ট-মর্টেম রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের মতো সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার কীভাবে বিচারের আশা করতে পারে?’

যৌতুকের জন্য অত্যাচার ও প্রভাবশালীদের যোগসাজশ

টুইশার পরিবার জানিয়েছে, বিয়ের পর থেকেই যৌতুক নিয়ে তার ওপর অবিরাম মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালানো হতো। টুইশার পাঠানো বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজেও সেই কষ্টের কথা লেখা ছিল। এর প্রতিবেদন অনুসারে, টুইশার শাশুড়ি গিরিবালা সিংহ একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক এবং বর্তমানে তিনি কনজ্যুমার কোর্টে কর্মরত আছেন।

টুইশার বাবা আরও অভিযোগ করেন, ‘ভোপাল লোকায়ুক্ত পুলিশের প্রধান সত্যেন্দ্র সিংহ হলেন শাশুড়ি গিরিবালা সিংহের আত্মীয়। ফলে অভিযুক্তদের আড়াল করতে পুলিশের ওপর ওপরমহল থেকে প্রচণ্ড চাপ রয়েছে।’

বিচারের দাবিতে আন্দোলন

ন্যায়বিচারের দাবিতে টুইশার পরিবার আদালতে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত এবং সিবিআই অথবা সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে তদন্তের আবেদন জানিয়েছে। তবে বুধবার ভোপালের একটি আদালত লাশ সংরক্ষণের পরিকাঠামোগত অভাবের কথা উল্লেখ করে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন। যদিও একই দিনে ভোপালের পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় কুমার জানিয়েছিলেন যে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে পুলিশের কোনও আপত্তি নেই।

এদিকে কয়েক দিন ধরে ভোপালে অবস্থান নেওয়া টুইশার মা-বাবা বুধবার মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের সঙ্গে দেখা করেন। মুখ্যমন্ত্রী তাদের সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। এরপরই তারা রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে এই মৃত্যুর তদন্তে হস্তক্ষেপের দাবি জানান।

পুলিশ ইতোমধ্যে যৌতুক নির্যাতনের মামলা দায়ের করে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছে এবং টুইশার স্বামী সমর্থ সিংহের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করেছে। অন্যদিকে টুইশার শ্বশুরবাড়ির লোকজন সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে, টুইশার মানসিক সমস্যা ছিল, তিনি গাঁজা সেবন করতেন এবং আবেগবশত হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

Ads small one

ডুমুরিয়ায় জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের ওপর কৃষক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ২:১১ পূর্বাহ্ণ
ডুমুরিয়ায় জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের ওপর কৃষক কর্মশালা

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাসায়নিক মুক্ত চাষাবাদের লক্ষ্যে খুলনার ডুমুরিয়ায় জৈব বালাইনাশক (বায়োপেস্টিসাইড) ব্যবহারের ওপর এক কৃষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার উপজেলার মালতিয়া ক্লাবে ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজ এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (আইপিএম) এবং পরিবেশবান্ধব আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এতে স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তা, খুচরা বিক্রেতা ও এলাকার প্রায় ৫০ জন কৃষক অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজ খুলনার আঞ্চলিক বিক্রয় ব্যবস্থাপক কৃষিবিদ মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের সাতক্ষীরার কারিগরি বিক্রয় কর্মকর্তা (টিএসও) রবিউল ইসলাম। কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের মধ্যে বিনামূল্যে হাইব্রিড সবজি বীজ ও জৈব বালাইনাশক বিতরণ করা হয়।

 

ইউনিয়ন পর্যায়ে চার প্রতিযোগিতায় প্রথম পাতলা প্রাথমিকে পড়া বেদান্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ২:০৭ পূর্বাহ্ণ
ইউনিয়ন পর্যায়ে চার প্রতিযোগিতায় প্রথম পাতলা প্রাথমিকে পড়া বেদান্ত

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদকÑ২০২৬ প্রতিযোগিতায় ইউনিয়ন পর্যায়ে দারুণ সাফল্য পেয়েছে পাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী বেদান্ত বাবু। সে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান কুইজÑসব কটিতেই প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
বুধবার ইন্দুহাঁটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় চারটি বিষয়ে প্রথম হয়ে অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে বেদান্ত।
বেদান্ত বাবুর এই অসাধারণ সাফল্যে পাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়জুড়ে এখন আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোনালী বসুসহ সহকারী শিক্ষক সরস্বতী বিশ্বাস, শাহানাজ পারভীন, মিনা বালা, অনিমা গাইন ও অনুপ বালা তার এই অর্জনে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী বেদান্ত বাবুর হাতে পুরস্কার তুলে দেন ইন্দুহাঁটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপুল কুমার রায়। এ সময় সহকারী শিক্ষক মিহির পাটারী, রাজীব সিকদার, আরতী বিশ্বাস ও জীবনানন্দ বিশ্বাস উপস্থিত থেকে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
বেদান্ত বাবুর বাবা-মা ও শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পর্যায়ের এই সাফল্য পেরিয়ে সে যেন সামনের উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতাগুলোতেও এই ধারা বজায় রাখতে পারে, সে জন্য তারা সবার আশীর্বাদ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

দেবহাটায় তুচ্ছ ঘটনায় গৃহবধূকে মারধর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় তুচ্ছ ঘটনায় গৃহবধূকে মারধর

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের টিকেট শেখপাড়া গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে বেধড়ক মারধর ও কানের দুল ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় গুরুতর আহত ওই গৃহবধূর নাম শামীমা আক্তার। তাকে উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও আহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে বুধবার সকাল ১১টার দিকে কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে টিকেট গ্রামের মফিজুল ইসলামের স্ত্রী আশুরা খাতুনের সঙ্গে শামীমা আক্তারের কথা-কাটাকাটি হয়। সে সময় উপস্থিত লোকজনের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হলে উভয় পক্ষ বাড়ি ফিরে যায়।
আহত শামীমার স্বামী ও মাদ্রাসা শিক্ষক ফরহাদ গাইন অভিযোগ করে বলেন, “বিকেল পাঁচটার দিকে আমার স্ত্রী বাড়ি থেকে বের হয়ে সামনের রাস্তায় এলে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। রহমত শেখের ছেলে সালামত হোসেন (বাবু), তার স্ত্রী খুকুমণি এবং মফিজুলের স্ত্রী আশুরা খাতুনসহ কয়েকজন মিলে শামীমাকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে।”
ফরহাদ গাইন আরও অভিযোগ করেন, “মারধরের একপর্যায়ে হামলাকারীরা শামীমার দুই কান টেনে ছিঁড়ে স্বর্ণের দুল এবং গলার চেইন ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।”
এ বিষয়ে দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, “ঘটনাটি শুনেছি। তবে এ সংক্রান্ত কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো থানায় জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”