বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

মেসির প্রতিদ্বন্দ্বী যারা: বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে ​​​​​​​

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
মেসির প্রতিদ্বন্দ্বী যারা: বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে ​​​​​​​

চলমান বিশ্বকাপে দুই ম্যাচ শেষ হতেই জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের লড়াই। শীর্ষে রয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। তবে তার পেছনে হুমকি হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন বিশ্বের আরও কয়েকজন সেরা গোলদাতা। ফলে এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিততে মেসিকে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে।

এখন পর্যন্ত দুই ম্যাচে ৫ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে আছেন মেসি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন। ৩৮ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড এখনো আর্জেন্টিনার মূল ভরসা।

তবে খুব কাছেই রয়েছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি নিজের গোলসংখ্যা বাড়িয়ে ৪-এ নিয়েছেন। বিশ্বকাপে মাত্র ১৬ ম্যাচে ১৬ গোল করে তিনি ইতোমধ্যে মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ড স্পর্শ করেছেন। ফ্রান্স যত দূর এগোবে, এমবাপ্পের গোলসংখ্যাও তত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গোল্ডেন বুটের আরেক শক্তিশালী দাবিদার নরওয়ের স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোলসহ দুই ম্যাচে তার গোলসংখ্যাও ৪। বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলেই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন এই তারকা। জাতীয় দলের হয়ে ৫২ ম্যাচে ৫৯ গোল করা হালান্ড এখন প্রতিটি ম্যাচেই প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি। তিনটি করে গোল করেছেন জার্মানির দেনিজ উনদাভ ও কানাডার জোনাথন ডেভিড।

এ ছাড়া ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন ও ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ২ গোল করে এই দৌড়ে আছেন। প্রথম ম্যাচে জোড়া গোল করা কেইন পরবর্তী ম্যাচগুলোতে গোল করলে শীর্ষ লড়াইয়ে যোগ দিতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এবারের বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট লড়াই মূলত মেসি, এমবাপ্পে ও হালান্ডকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে। তিন তারকার দুর্দান্ত ফর্মের কারণে টুর্নামেন্ট যত এগোবে, এই প্রতিযোগিতা ততই রোমাঞ্চকর হয়ে উঠবে।

বর্তমান অবস্থান :

মেসি (আর্জেন্টিনা) – ৫ গোল এমবাপ্পে (ফ্রান্স) – ৪ গোল হালান্ড (নরওয়ে) – ৪ গোল কেইন (ইংল্যান্ড) – ২ গোল।

বিশ্বকাপের মঞ্চে রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়ছেন এই তারকারা। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত গোল্ডেন বুট কার হাতে ওঠে— মেসি কি এগিয়ে থাকবেন, নাকি এমবাপ্পে কিংবা হালান্ড তাকে ছাড়িয়ে যাবেন।

 

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।