মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

মোটরসাইকেলের তেল সাশ্রয় করার ১০ কৌশল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
মোটরসাইকেলের তেল সাশ্রয় করার ১০ কৌশল

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে দেশের পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন এড়িয়ে চলতে এবং পকেটের টাকা বাঁচাতে সচেতনভাবে মোটরসাইকেল চালানো জরুরি।
আর তাই বিশেষ ১০টি কৌশল অবলম্বন করে চললে আপনি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি সাশ্রয় করতে পারবেন।

তো আর দেরি না করে চলুন জেনে নিই মোটরসাইকেলের তেল সাশ্রয় করার ১০ কৌশল সম্পর্কে-

(১) সঠিক গতি বজায় রাখা
বাইক খুব দ্রুত বা খুব ধীরে না চালিয়ে একটি নির্দিষ্ট গতিতে চালানোর চেষ্টা করুন। সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে বাইক চালালে সবচেয়ে ভালো মাইলেজ পাওয়া যায়। ঘন ঘন ব্রেক করা এবং বারবার হঠাৎ অ্যাক্সিলারেট করলে ইঞ্জিন বেশি জ্বালানি খরচ করে। বরং মসৃণভাবে গতি বাড়ানো অভ্যাস করুন।

(২) সঠিক গিয়ার ব্যবহার
কম স্পিডে হাই গিয়ার বা বেশি স্পিডে লো গিয়ার ব্যবহার করলে ইঞ্জিনে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং তেল বেশি খরচ হয়। গতি অনুযায়ী সঠিক গিয়ার পরিবর্তন করুন।

(৩) ট্রাফিক সিগন্যালে ইঞ্জিন বন্ধ রাখা
যদি ট্রাফিক জ্যামে বা সিগন্যালে ৩০ সেকেন্ডের বেশি দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তবে ইঞ্জিন বন্ধ করে দিন। অলসভাবে ইঞ্জিন চালু থাকলে তেল অপচয় হয়।

(৪) টায়ারের প্রেশার চেক করা
টায়ারে হাওয়া কম থাকলে ইঞ্জিনের ওপর লোড বেশি পড়ে, ফলে তেল বেশি লাগে। সপ্তাহে অন্তত একবার ম্যানুয়াল অনুযায়ী সঠিক টায়ার প্রেশার চেক করুন।

(৫) চেইন এবং ক্লাচ অ্যাডজাস্টমেন্ট
> চেইন: চেইন ঢিলেঢালা বা খুব বেশি টাইট থাকলে শক্তির অপচয় হয়। চেইন পরিষ্কার রাখুন এবং লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করুন।

>> ক্লাচ: ক্লাচ লিভার অতিরিক্ত টাইট বা লুজ থাকলে ইঞ্জিনের শক্তি চাকায় ঠিকমতো পৌঁছায় না।

(৬) অযথা ব্রেক না করা
রাস্তায় চলার সময় সামনের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখুন। অযথা ঘন ঘন ব্রেক না চেপে থ্রটল কমিয়ে গতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করুন। একে ‘স্মুথ রাইডিং’ বলা হয়।

(৭) ভালো মানের ফুয়েল ও সঠিক সময়
চেষ্টা করুন বিশ্বস্ত পাম্প থেকে তেল নিতে। রোদ বা অতিরিক্ত গরমে তেল না নিয়ে ভোরে বা রাতে তেল নেওয়া ভালো, কারণ তখন জ্বালানির ঘনত্ব বেশি থাকে।

(৮) নিয়মিত সার্ভিসিং ও এয়ার ফিল্টার
বাইকের এয়ার ফিল্টার ময়লা হলে ইঞ্জিন পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না, ফলে তেল বেশি পোড়ে। নিয়মিত সার্ভিসিং এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার বা পরিবর্তন করুন।

(৯) অতিরিক্ত ওজন বহন না করা
বাইকে অতিরিক্ত ওজন বা মালামাল বহন করলে ইঞ্জিনে চাপ পড়ে এবং জ্বালানি খরচ বেড়ে যায়। রাইডিংয়ের সময় অপ্রয়োজনীয় ভার এড়িয়ে চলুন।

(১০) কার্বুরেটর বা ফুয়েল ইনজেকশন চেক
আপনার বাইকটি যদি কার্বুরেটর চালিত হয়, তবে মেকানিক দিয়ে সেটি ‘ইকোনমি মোড’-এ টিউন করিয়ে নিন। আর এফআই (এফআই) ইঞ্জিন হলে সেন্সরগুলো ঠিক আছে কি না নিশ্চিত করুন।

বিশেষ পরামর্শ

> ছোট দূরত্বে হাঁটা বা বিকল্প ব্যবহার করুন। খুব কাছের পথে মোটরসাইকেল ব্যবহার না করে হাঁটা বা সাইকেল ব্যবহার করলে জ্বালানি সাশ্রয় হয়।

>> রুট পরিকল্পনা করে বের হন। যেখানে যানজট কম, এমন রাস্তা বেছে নিন। বারবার থামা-চলা তেলের খরচ বাড়ায়।

>>> তেল সাশ্রয়ের পাশাপাশি রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলুন। আপনার সচেতনতাই পারে এই সংকটময় সময়ে কিছুটা স্বস্তি দিতে।

Ads small one

সুন্দরবনের দুয়ার খুলতেই পর্যটক-জেলেদের ব্যস্ততা, প্রথম দিনেই গেল দুই ট্রলার ২৬ পর্যটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনের দুয়ার খুলতেই পর্যটক-জেলেদের ব্যস্ততা, প্রথম দিনেই গেল দুই ট্রলার ২৬ পর্যটক

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে খুলে দেওয়া হয়েছে সুন্দরবনের দুয়ার। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে সুন্দরবনে পর্যটক ও জেলে-বাওয়ালিদের প্রবেশের সুযোগ মিলেছে। সুন্দরবন খোলার প্রথম দিনেই পর্যটক ও জেলেদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকা।

বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন থেকে প্রথম দিনেই দুইটি পর্যটকবাহী ট্রলার ২৬ জন পর্যটক নিয়ে সুন্দরবনের কলাগাছিয়া ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে। একই দিনে সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের জন্য ১০টি পাস নিয়েছেন জেলেরা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন বলেন, “সুন্দরবনের দুয়ার খোলার প্রথম দিন দুইটি পর্যটকবাহী ট্রলার ২৬ জন পর্যটক নিয়ে কলাগাছিয়া ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রে গেছে। এছাড়া মাছ ও কাঁকড়া আহরণের জন্য জেলেরা ১০টি পাস নিয়েছেন। নিয়ম মেনে জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করছেন।”

দীর্ঘদিন পর সুন্দরবনে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত জেলেরা। বুড়িগোয়ালিনী এলাকার জেলে জেহের আলী বলেন, “তিন মাস সুন্দরবন বন্ধ থাকায় আমরা খুব কষ্টে সংসার চালিয়েছি। সুন্দরবন বন্ধ থাকায় নৌকা-জাল প্রস্তুত করে রেখেছিলাম। এখন পাস নিয়ে আবার সুন্দরবনে যেতে পারছি, এতে আমরা খুশি। সুন্দরবনই আমাদের জীবিকার প্রধান ভরসা।”

আরেক জেলে বক্স সরদার বলেন, “সুন্দরবন বন্ধ থাকার সময় অনেক কষ্ট হয়েছে। আজ প্রথম দিন পাস নিয়ে বনে যাচ্ছি। আশা করছি, এবার বনে ভালো মাছ ও কাঁকড়া পাওয়া যাবে। পরিবারের খরচ চালাতে পারব।”

জেলেরা জানান, সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ তাদের দীর্ঘদিনের পেশা। বছরের একটি বড় সময় তারা সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রথম দিন পাস নিয়ে বনে যেতে পেরে তাদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

অন্যদিকে, পর্যটকদের আগমনে সুন্দরবনসংলগ্ন পর্যটনকেন্দ্রগুলোতেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরতে শুরু করেছে। বন বিভাগের অনুমতি ও নির্ধারিত নিয়ম মেনে পর্যটক ও জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করছেন।

 

 

সাতক্ষীরায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফটস্কিলস প্রশিক্ষণের সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফটস্কিলস প্রশিক্ষণের সমাপনী

বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (২য় ফেইজ) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী পেশাভিত্তিক সফটস্কিলস প্রশিক্ষণের ২য় ব্যাচের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ডিজিটাল কর্ণারে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র ও এককালীন আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৩০ জন প্রান্তিক পেশাজীবী এ ১০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশ নেন।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এসএম রফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. শরীফুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রশিক্ষণে ট্রেইনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিএইচটি সেন্টার, খুলনার সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রান্তিক পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তনে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

 

সাতক্ষীরায় সিএসও নেটওয়ার্ক সদস্যদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সিএসও নেটওয়ার্ক সদস্যদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

মঙ্গলবার (১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকাল ৪ টায় স্বদেশ অফিসে সিনিয়র সাংবাদিক কলাণ ব্যানার্জির সভাপতিত্বে স্বদেশ সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার মো: আজারুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় সিএসও নেটওয়ার্ক সদস্যদের সাথে ত্রৈ-মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সভায় নাগরিকতা প্রোগ্রামের বিগত মাসের কাজের অর্জন সিএসও নেটওয়ার্ক সদস্যদের ভুমিকা ও এলাকার মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচিত হয়। সাতক্ষীরাতে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া নারী শিশু নির্যাতনসহ দেশে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে নেটওয়ার্কসহ সম্মিলিত উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত হয়।

 

সভায় উপস্থিত ছিলেন সিএসও নেটওয়র্কের সদস্য জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব এড. আবুল কালাম আজাদ, স্বদেশ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, ওসিসির প্রোগ্রাম অফিসার মো: আব্দুল হাই সিদ্দিক, জেলা বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সাকিবুর রহমান বাবলা, সিডব্লিউসিএস এর অরিফুর রহমান, ওয়াইজিজি গ্রুপের আহবায়ক শাহানাজ পারভীন ও মহিলা পরিষদের সম্পাদিকা জ্যোৎ¯œা দত্ত। আশা লোককেন্দ্রএর সভাপতি রুপা মিত্র প্রমুখ।

স্বদেশ সংস্থার বাস্তবায়নে “আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) সুইজারলস্বদেশ্যান্ড দূতাবাস এবং গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর সহায়তায় নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড প্রোগ্রামের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি