মৎস্য খামারে অযথা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, সরকার মৎস্যখাতকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এবারের বাজেটে মৎস্য সেক্টর অগ্রাধিকার পেয়েছে। মৎস্য খামারে অযথা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের জন্য বিষয়টির অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সেজন্য এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি গতকাল রাতে খুলনা হোটেল সিটি ইনে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন ও সম্ভাবনা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, চিংড়ি মাছ দেশের রপ্তানি আয়ের দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলো। দেশে দুই লাখ ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে চিংড়ি চাষ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অংশীজনদের সাথে কথা বলে ভেনামি চিংড়ি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। তিনি বলেন, মাছের উৎপাদন বাড়াতে পতিত জলাশয়গুলো খনন শুরু হয়েছে। আগামীতে আমরা মিঠা পানির মাছ দেশের মানুষের চাহিদা পুরণ করে বিদেশে রপ্তানি করতে সক্ষম হবো বলে আশা করি। সরকারের অবস্থান থেকে এ কাজে সর্বোচ্চ চেষ্টা রয়েছে। মানুষের কল্যাণে সরকার ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিন, পুরোহিতদের ভাতা চালু করেছে। খামারিদেরও কার্ডের আওতায় আনা হবে।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলি আজগার, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল, ৬ আসনের সংসদ সদস্য মো: আবুল কালাম আজাদ, কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো: খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো: শাহজামান খান ও বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো: তরিকুল ইসলাম জহীর। খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএফএফইএ’র সহসভাপতি এস কে কামরুল আলম।
সভায় মৎস্যচাষি, রপ্তানিকারক, খামার মালিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ অংশীজনেরা অংশগ্রহণ করেন। তথ্যবিবরণী









