শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

যুব-নেতৃত্বে স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি ও দ্বন্দ্ব নিরসনে অধিপরামর্শ সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
যুব-নেতৃত্বে স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি ও দ্বন্দ্ব নিরসনে অধিপরামর্শ সভা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদরে যুব-নেতৃত্বে স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি ও দ্বন্দ্ব নিরসনে ধর্মীয় নেতা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় সরকার ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সাথে অধিপরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল-২৬) সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা সদরের উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো বাস্তবায়নে এবং একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় এরফরটি প্রকল্পের আওতায় এ অধিপরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সিডো সংস্থার প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশনেন সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. মুফতি আখতারুজ্জামান, গাভা আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ শিবপদ গাইন,উপজেলা ঈমাম সমিতির সভাপতি শেখ মাহববুর রহমান, সাতক্ষীরা সদর সার্বজনীন পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি গৌর দত্ত, জেলা কেন্দ্রিয় মন্দিরের পুরোহিত শ্যামল ব্যানার্জী, ক্যাটেখিস্ট চালতেতলা মিশনের ডমেনিক মন্ডল, ব্রক্ষরাজপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল হুদা, জেডিএফ সভানেত্রেী ফরিদা আক্তার বিউটি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, উপজেলা ঈমাম সমিতির সভাপতি সেক্রেটারী হাফেজ মাওলানা আব্দুল হাকিম, বিশিষ্ট সমাজসেবক হেনরি সরদার, ক্রিসেন্ট পরিচালক আবু জাফর সিদ্দিকী, ফিংড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য আবু ছালেক, উন্নয়ন কর্মি মৃণাল কুমার সরকার, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সসহ অন্যান্য স্টেকহোল্ডারবৃন্দ ও যুব সদস্যবৃন্দ।

 

 

Ads small one

নিউইয়র্ক সিটি পুলিশে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেলেন সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান আব্দুল হালিম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্ক সিটি পুলিশে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেলেন সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান আব্দুল হালিম

সংবাদদাতা: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (এনওয়াইপিডি)-এ পুলিশ অফিসার থেকে সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেয়েছেন সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান ও বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ কর্মকর্তা মো. আব্দুল হালিম। তার এই অর্জনে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি, সাতক্ষীরাবাসী এবং স্বজনদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

গত ২৭ জুন নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সদর দপ্তরের পুলিশ একাডেমিতে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে এনওয়াইপিডি কমিশনার জেসিকা টিশ আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে সার্জেন্ট পদমর্যাদার সনদ তুলে দেন। অনুষ্ঠানে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্য, সহকর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
পেশাগত দক্ষতা, সততা ও নেতৃত্বের গুণাবলীর স্বীকৃতিস্বরূপ আব্দুল হালিমকে এ পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

 

প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “প্রথমত আমি একজন বাঙালি, একজন বাংলাদেশি এবং সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের সন্তান হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। আমার এই অর্জন নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি-আমেরিকানদের অনুপ্রাণিত করবে বলে বিশ্বাস করি।”

মো. আব্দুল হালিম সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার রতনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা মরহুম শওকাত আলী গাজী এবং মা রোকেয়া বেগম। এসএসসি ও এইচএসসি সম্পন্ন করার পর তিনি সরকারি বিএল কলেজ, খুলনায় অধ্যয়নরত অবস্থায় ২০০৭ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান।

পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রিমিনাল জাস্টিস বিষয়ে স্নাতক এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা অর্জন করেন। ২০১১ সালে তিনি এনওয়াইপিডিতে ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট এজেন্ট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ২০১৫ সালে পুলিশ অফিসার হিসেবে যোগ দিয়ে নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে সার্জেন্ট পদে উন্নীত হলেন।

বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) এক অভিনন্দন বার্তায় জানায়, আব্দুল হালিমের এই পদোন্নতি কেবল তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি সমগ্র বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির জন্য গর্বের বিষয়। সংগঠনটির নেতারা আশা প্রকাশ করেন, তার সাফল্য নতুন প্রজন্মকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে যোগদানে উৎসাহিত করবে।

পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি আব্দুল হালিম নিজ এলাকার শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের কল্যাণে দীর্ঘদিন ধরে অবদান রেখে চলেছেন।

তার পদোন্নতির খবরে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মসজিদ ও মাদ্রাসায় দোয়া মাহফিল এবং মিষ্টি বিতরণের আয়োজন করা হয়। পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আশা প্রকাশ করেছেন, কর্মদক্ষতা, সততা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে আব্দুল হালিম ভবিষ্যতেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ও সাতক্ষীরার সুনাম আরও উজ্জ্বল করবেন।

পাইকগাছায় গাঁজা সেবনের আসরে পুলিশের হানা: ৫ জনের কারাদন্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় গাঁজা সেবনের আসরে পুলিশের হানা: ৫ জনের কারাদন্ড

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় পুলিশি তৎপরতায় হাতেনাতে ধরা পড়েছে এক দল মাদকসেবী। উপজেলার কপিলমুনিতে মাদক সেবনের সময় ৫ জনকে আটক করার পর আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে গোপন খবরে উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের নগর শ্রীরামপুর কলেজ পাড়ায় সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাসের ভাড়া বাড়িতে লিপু (৩০) নামের এক ভাড়াটিয়ার ঘরে একদল যুবক মাদক সেবন করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযানে নামে পুলিশ।

কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় পুরো বাড়িটি ঘেরাও করেন। প্রায় এক ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস চেষ্টার পর ঘরের ভেতর থেকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় ৫ জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

আটকের পর আসামিদের দ্রুত আদালতে পাঠানো হলে বিজ্ঞ বিচারক অপরাধের সত্যতা প্রমাণ পাওয়ায় সবাইকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার নগর শ্রীরামপুর গ্রামের জামালের পুত্র মাহিন (২০),কাশিমনগর গ্রামের হাসান ইমামের পুত্র মর্তুজা ইমাম (৩০), শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল বিশ্বাসের পুত্র মো. রিয়াজুল ইসলাম (৩৬), নাসিরপুর গ্রামের শেখ শামসুল আলম পিন্টুর পুত্র শেখ তামিম ইসলাম (৩০), কপিলমুনির মোস্তাক গাজীর পুত্র আব্দুস সালাম (২৮)।

পাইকগাছা থানা পুলিশ জানিয়েছে, সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে এই ধরনের বিশেষ ও কঠোর অভিযান আগামীতেও একইভাবে জারি থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

সাতক্ষীরায় বুক শেল্ফ পেল সেরা দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বুক শেল্ফ পেল সেরা দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়

oppo_32

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের এক মহতি ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগে জেলার সেরা দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বিশেষ উপহার হিসেবে আকর্ষণীয় ‘বুক শেল্ফ’ প্রদান করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং বিদ্যালয়গুলোর চমৎকার পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: রুহুল আমিন এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

 

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সমগ্র জেলায় বিশেষ কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মাত্র দুটি বিদ্যালয় এই গৌরব ও উপহার লাভ করেছে। নির্বাচিত সেরা বিদ্যালয় দুটি হলো— কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সাতক্ষীরা সিলভার জুবেলি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয় দুটির প্রধান শিক্ষকদ্বয়।

 

কলারোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান এবং সাতক্ষীরা সিলভার জুবেলি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চায়না ব্যানার্জি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। তাঁরা বলেন, এই প্রাপ্তি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং এর মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস আরও বৃদ্ধি পাবে।

 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: রুহুল আমিন জানান, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং বিদ্যালয়গুলোর মাঝে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামীতেও জেলার অন্যান্য ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ ধরনের উৎসাহমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।