বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

রোগীবান্ধব হাসপাতাল গড়তে সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ করলেন সদর এমপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
রোগীবান্ধব হাসপাতাল গড়তে সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ করলেন সদর এমপি

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও রোগীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রথম সভায় সভাপতিত্ব করেছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ১১টায় হাসপাতালের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জনবল সংকট নিরসন, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা এবং রোগীদের সার্বিক সেবার মান বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভার শুরুতেই হাসপাতালের বর্তমান কার্যক্রম, বিভিন্ন বিভাগে চিকিৎসাসেবার অবস্থা, রোগীর চাপ, জনবল সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরিচালনা কমিটিকে অবহিত করেন। এরপর উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।

সভাপতির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, “সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল জেলার লাখো মানুষের চিকিৎসার প্রধান ভরসাস্থল। এখানে আগত প্রতিটি রোগী যেন সম্মানজনক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা এবং জবাবদিহিতা আরও বাড়াতে হবে।

 

হাসপাতালের যেসব সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকার জনগণের দোরগোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “হাসপাতালের পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না। রোগীদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা নিতে হবে।”

সভায় হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শহিদুল ইসলাম, পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চিকিৎসক, বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পরিচালনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে সংসদ সদস্য ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। তিনি চিকিৎসাধীন রোগীদের শয্যাপাশে গিয়ে তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসাসেবা নিয়ে তাদের মতামত শোনেন। এ সময় রোগীদের অভিযোগ ও পরামর্শ মনোযোগ দিয়ে শুনে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোর পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার, রোগীদের জন্য ওষুধের প্রাপ্যতা এবং সার্বিক সেবার পরিবেশও পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। হাসপাতালকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পরিচালনা কমিটি নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলেও সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

 

Ads small one

ইতিহাস গড়ার বাসনায় ফের ‘বরবাদ’ নির্মাতার ফ্রেমে শাকিব খান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৮:১১ অপরাহ্ণ
ইতিহাস গড়ার বাসনায় ফের ‘বরবাদ’ নির্মাতার ফ্রেমে শাকিব খান

দেশীয় চলচ্চিত্রে ব্যাপক আলোড়ন তোলা ‘বরবাদ’-এর সাফল্যের পর আবারও এক হচ্ছেন সেই ছবির পরিচালক ও নায়ক। পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয়ের নতুন সিনেমায় আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন শাকিব খান।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে নতুন প্রজেক্টটির আনুষ্ঠানিক সাইনিং সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ‘বরবাদ’ মুক্তির পর ছবিটি বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য অর্জনের পাশাপাশি দর্শকদের প্রশংসাও কুড়ায়। ছবিটি শাকিব খানের ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক সাফল্যে পরিণত হয়।

ঈদে মুক্তির পর প্রথম সাত দিনেই প্রায় ২৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকার টিকিট বিক্রির দাবি করে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। পরবর্তীতে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলে সিনেমাটি এবং বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের অন্যতম সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমাগুলোর তালিকায় জায়গা করে নেয়।

একই টিমের নতুন সিনেমার খবর প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও আগ্রহ।

 

যদিও নতুন সিনেমাটির নাম কিংবা গল্প এখনো প্রকাশ করা হয়নি, তবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রিয়েল এনার্জি প্রডাকশন জানিয়েছে, খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে ছবিটির ঘোষণা দেওয়া হবে।

পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয় জানিয়েছেন, এটি একটি অ্যাকশন থ্রিলার ঘরানার সিনেমা। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবারই শাকিব খানকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এদিকে, শাকিব খানও তার ফেসবুক পেজে সাইনিংয়ের মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, “বরবার টিম আবারও ফিরছে। চলো ফের নতুন ইতিহাস গড়ি।”

নির্মাতাদের দাবি, ‘বরবাদ’-এর মতো এবারও দর্শকদের জন্য বড় পরিসরের একটি চমক নিয়ে আসার প্রস্তুতি চলছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ঈদুল ফিতরে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

রোনালদো নাকি মদরিচ, কার বিদায় আজ?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ
রোনালদো নাকি মদরিচ, কার বিদায় আজ?

ফুটবল বিশ্বের দুই কিংবদন্তি লুকা মদরিচ ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। বয়সের ভারে দুজনই ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে। চলতি বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া ও পর্তুগালের শেষ ষোলোর লড়াই তাই শুধু কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার নয়, বরং দুই মহাতারকার একজনের বিশ্বকাপ অধ্যায়ের ইতি টানার মঞ্চও। ম্যাচটা মাঠে গড়াবে আজ রাত ৩টায়। দেখাবে টি স্পোর্টস।

পর্তুগালের মিডফিল্ডার ভিতিনহা ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘মদরিচ ও রোনালদো বিশ্ব ফুটবলের দুই অসাধারণ আইকন। ক্রিস্টিয়ানোর সঙ্গে একই ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করার সৌভাগ্য হয়েছে, যা আমার জন্য দারুণ অভিজ্ঞতা। মদরিচের সঙ্গেও আরও বেশি সময় কাটানোর ইচ্ছা ছিল। যতটুকু দেখেছি, তিনি ভীষণ ভদ্র ও আন্তরিক একজন মানুষ। কিন্তু আগামীকাল একজনের যাত্রা শেষ হবেই। আমি চাই, সেটি যেন মদরিচের হয়।’

ক্রমশ সময় ফুরিয়ে আসছে দুই তারকার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার। ৪১ বছর বয়সী মদরিচ এবং ৪০ বছর বয়সী রোনালদোর এটি শেষ বিশ্বকাপ হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। ফলে বৃহস্পতিবারের ম্যাচটি একজনের জন্য হয়ে উঠতে পারে বিশ্বকাপের শেষ অধ্যায়।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুজন মিলে খেলেছেন ৪৭টি ম্যাচ। ২০০৮ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তাদের ঝুলিতে উঠেছে মোট ছয়টি ব্যালন ডি’অর, যার পাঁচটিই রোনালদোর। আর ২০১২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদে একসঙ্গে খেলতে গিয়ে জিতেছেন চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা।

পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজও দুই কিংবদন্তির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছেন, ‘তারা জনমতের ঊর্ধ্বে থাকা ফুটবলার। এত দীর্ঘ সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিজেদের ধরে রাখা-ই তাদের বিশেষ করে তুলেছে। ৪০ পেরিয়েও মদরিচ নিয়মিত খেলছেন এবং দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই কথা আমাদের অধিনায়ক রোনালদোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বয়স কেবল একটি সংখ্যা। আসল বিষয় হলো, তারা মাঠে কী দিচ্ছেন এবং ড্রেসিংরুমে কী ধরনের উদাহরণ তৈরি করছেন।’

এবারের বিশ্বকাপেও দুজনই নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। তবে বয়সের ছাপ যে তাদের পারফরম্যান্সে পড়েছে, সেটিও স্পষ্ট।

পর্তুগালের হয়ে এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচেই পুরো ২৭০ মিনিট খেলেছেন রোনালদো। করেছেন দুটি গোলও। তবে সতীর্থদের জন্য কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেননি। ২৫০ মিনিটের বেশি খেলা ফরোয়ার্ডদের মধ্যে বল স্পর্শ, বল দখল, প্রগ্রেসিভ পাস এবং দ্বৈরথে অংশ নেওয়ার পরিসংখ্যানে তিনি পিছিয়ে রয়েছেন।

অন্যদিকে মদরিচ খেলেছেন ২২৯ মিনিট। একটি অ্যাসিস্টসহ পাঁচটি সুযোগ তৈরি করেছেন তিনি। তবে ২২৫ মিনিটের বেশি খেলা মিডফিল্ডারদের মধ্যে বল দখল ও দ্বৈরথের পরিসংখ্যানে তিনিও অনেকটাই নিচের দিকে।

তাই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে দুই কিংবদন্তির চেয়ে তাদের সতীর্থদের ভূমিকাই হতে পারে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মাঝমাঠের লড়াইকে দুই কোচই ম্যাচের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে দেখছেন।

এই জায়গায় পর্তুগালের শক্তি নিঃসন্দেহে চোখে পড়ার মতো। ভিতিনহা, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, জোয়াও নেভেস, বের্নার্দো সিলভা ও রুবেন নেভেস—প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থানে বিশ্বের সেরাদের একজন।

অন্যদিকে অভিজ্ঞ মদরিচ ও মাতেও কোভাচিচের পাশাপাশি উদীয়মান পেতার সুচিচকে নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ একটি মিডফিল্ড গড়ে তুলেছে ক্রোয়েশিয়া।

ক্রোয়েশিয়ার কোচ জ্লাতকো দালিচও মনে করছেন, ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হবে মাঝমাঠেই। তার ভাষায়, ‘নিঃসন্দেহে এটি হবে বিশাল এক লড়াই। সম্ভবত মধ্যমাঠের আধিপত্যই ঠিক করে দেবে ম্যাচের ফল।’

খামেনির শেষ বিদায়ে কত কোটি মানুষ আসবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ
খামেনির শেষ বিদায়ে কত কোটি মানুষ আসবে

প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে ব্যাপক জনসমাগমের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধের বার্তা বিশ্বকে পৌঁছে দিতেই এই উপস্থিতির আহ্বান জানান তিনি। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

আগামী শনিবার (৪ জুলাই) থেকে শুরু হতে যাওয়া এই শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকতা প্রসঙ্গে এক বিবৃতিতে গালিবাফ বলেন, আমি সকল ইরানি জনগণকে আহ্বান জানাই, শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ইসলামি ইরানের ইতিহাসে একটি গৌরবময় অধ্যায় রচনা করুন। তিনি আরও বলেন, প্রতিশোধের জন্য জাতির আহ্বান যেন পুরো বিশ্বের কানে পৌঁছে যায়।

ঐতিহাসিক এই আয়োজন প্রসঙ্গে গালিবাফ বলেন, ইরান তার ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্তের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ চরম উত্তাল থাকায় খামেনির শেষকৃত্য এতদিন স্থগিত ছিল। তবে সংঘাত থামানোর লক্ষ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি প্রাথমিক চুক্তি সই হওয়ার পর, বর্তমানে চলমান একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তার বাসভবনে নিহত হন। শনিবার তার মরদেহ জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে রাখা হবে। সেখানে তার নিহত স্বজনদের মরদেহও প্রদর্শন করা হবে।

কর্মকর্তাদের ধারণা, শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে এক কোটি ৫০ লাখ থেকে দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে। তাহলে এটি হবে ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠান।

শেষ বিদায় ও দাফন অনুষ্ঠান চলাকালে তেহরানের পাশাপাশি পবিত্র শহর কুম ও মাশহাদে সরকারি ছুটি পালন করা হবে। একই সঙ্গে শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত তেহরানের সরকারি ও বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যান চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে শহরের কেন্দ্রের বড় অংশে ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।