এরদোয়ানকে ‘শান্ত হতে’ বললেন নেতানিয়াহু
ইসরায়েলের প্রতি ক্রমাগত বৈরী বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানকে ‘শান্ত হওয়ার’ পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তুরস্কের সাম্প্রতিক আক্রমণাত্মক বক্তব্য তাকে উদ্বিগ্ন করে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে নেতানিয়াহু বলেন, অবশ্যই এটি আমাকে উদ্বিগ্ন করে।
সম্প্রতি এরদোয়ান ও তুরস্কের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জেরুজালেমের বিরুদ্ধে হুমকি বাড়িয়েছেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটিকে জেরুজালেম ‘মুক্ত’ করার আহ্বান জানান। কিছু পশ্চিমা ও ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে রমজান শেষে এক প্রার্থনা সভায় এরদোয়ান ইসরায়েলের ধ্বংস কামনা করে বলেন, আল্লাহ যেন জায়নবাদী ইসরায়েলকে ধ্বংস ও বিনাশ করেন।
এর জবাবে নেতানিয়াহু দাবি করেন, তুরস্কে যা ঘটছে তা ইরানের ক্ষমতা হ্রাসেরই ফল। ইরান হলো চরমপন্থী শিয়া অক্ষ, অন্যদিকে তুরস্ক মুসলিম ব্রাদারহুডের অক্ষের প্রতিনিধিত্ব করছে যা সমানভাবে একটি চরমপন্থী আন্দোলন।
তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করার ইচ্ছা এবং জেরুজালেমে আবারও শাসন কায়েম করা নিয়ে এরদোয়ান যা বলছেন আমার মনে হয় তিনি ভুলে গেছেন যে ৪০০ বছরের অটোমান শাসনের অবসান ঘটেছে। আজ এখানে ইসরায়েল নামের একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র আছে। এখানে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) আছে, ইসরায়েলের জনগণ আছে এবং ইসরায়েলের একটি সরকার আছে। আর তার জন্য শান্ত হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
কাউকে নিজেদের অস্তিত্ব বা নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, আমরা কী করতে সক্ষম, তা আমরা প্রমাণ করেছি বলে আমি মনে করি।
তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি আমাদের সীমান্ত রক্ষা করা দরকার। তবে আমাদের বুঝতে হবে যে একটি শক্তির পতন ঘটলে আরেকটি শক্তির উত্থান হয়। বিষয়গুলো সব সময়ই এভাবে কাজ করে। আর যে শক্তিটির উত্থান অব্যাহত রাখতে হবে এবং আরও দ্রুত গতিতে উত্থান ঘটাতে হবে তা হলো ইসরায়েল রাষ্ট্র।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল












