বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

ইরানে ফের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ২:৪৪ অপরাহ্ণ
ইরানে ফের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের সঙ্গে পুনরায় পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে জড়ানোর বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনই এগিয়ে যাওয়ার কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি নেননি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা ট্রাম্পকে যুদ্ধ ‘শেষ করার’ জন্য বিভিন্ন সামরিক বিকল্পের বিষয়ে অবহিত করেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট মনে করছেন, নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হলে তা শেষ পর্যন্ত কোনও কূটনৈতিক সমাধান এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে দেওয়ার সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এছাড়া কাতারে চলমান পরোক্ষ আলোচনা আগামী ১৮ আগস্টের ৬০ দিনের সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে মার্কিন নেতা সম্মতি ইঙ্গিত করেছেন।

একই সঙ্গে বর্তমানে জারি থাকা সাময়িক চুক্তির শর্ত তেহরান লঙ্ঘন করলে, যেমনটি সাম্প্রতিক সময়ে বারবার ঘটেছে, ইরানি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে সীমিত আকারে হামলা অব্যাহত রাখার বিষয়েই তিনি সন্তুষ্ট বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, চুক্তি সম্পাদনের সম্ভাবনাকে ধোঁয়াশাপূর্ণ করে ইরান গতকাল জানিয়েছে যে, তারা এই অঞ্চলে আসা শীর্ষ মার্কিন দূতদের সঙ্গে বৈঠকে বসবে না। ইরানি কর্মকর্তারা আরও বলেছেন, পারমাণবিক কর্মসূচির সম্ভাব্য সীমার মতো আরও কঠিন বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার আগে দুই পক্ষকে অবশ্যই দুই সপ্তাহ আগে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো পরিষ্কার করতে হবে।

এই ঘটনাপ্রবাহ ইঙ্গিত করে যে, প্রাথমিক রূপরেখার মূল স্তম্ভগুলো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের দূরত্ব রয়েছে। এই রূপরেখা অনুযায়ী, আর্থিক প্রণোদনার বিনিময়ে ইরানকে হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে তাদের কঠোর নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি কার্যকর করতে ৬০ দিনের আলোচনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বৈশ্বিক তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হতো। বর্তমানে এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আংশিকভাবে পুনরায় শুরু হয়েছে।

তবে ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, কৌশলগত এই জলপথের অপর পাশে থাকা মার্কিন মিত্র ওমানের পাশাপাশি এই ট্রাফিক বা যাতায়াত ব্যবস্থাপনার অধিকার তাদেরও রয়েছে। ৬০ দিনের মেয়াদ শেষ হলে আগামী আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে তারা সেখানে টোল বা ফি আদায় শুরু করবে।

ইরানের শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেছেন, হরমুজ প্রণালির সার্বভৌমত্ব ইরান ও ওমানের হাতে এবং এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ইরানের নির্ধারিত ব্যবস্থার অধীন।

তবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, ইরানকে এই আন্তর্জাতিক জলপথে টোল আদায় করতে দেওয়া হবে না। দ্য মাইকেল নোলস শো-তে তিনি বলেন, বিষয়টি এমন কোনও পরিস্থিতিতে গিয়ে শেষ হবে না যেখানে ইরানিরা হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলো থেকে টোল আদায় করবে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

Ads small one

আশাশুনির মহিষকুড় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণের একবছরেও বরাদ্ধ দেয়া হয়নি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনির মহিষকুড় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণের একবছরেও বরাদ্ধ দেয়া হয়নি

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার উপকূলীয় আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের মহিষকুড় এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধিনে প্রায় ৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৮ টি ঘর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে গত এক বছরের বেশি সময়।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি নানা সমস্যার কারনে নির্মাণ করা ওই ঘরগুলো আজও ভুমিহীন বা বাস্তহারা পরিবারদের নিকট হস্তান্তর করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে দ্রুত প্রকৃত অসহায় ও ভুমিহীনদের মাঝে ওই ঘর বরাদ্ধ দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসকনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আশাশুনি ঘোলা সড়কের মহিষগুড় নামক এলাকায় সরকারের ক্রয় সুত্রে প্রাপ্ত মহিষকুড় মৌজার ৫৫ শতক জমির ওপর আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধিনে নির্মাণ করা হয় ১৮টি ঘর। তিন কক্ষ ও একটি পায়খানাঘরসহ প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা। ওই হিসাব অনুযায়ী ১৮ টি ঘরের নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ৪৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা। কিন্তু নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার এক বছরের বেশি সময় পার হলেও ঘরগুলো ভুমিহীনদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়নি।

সরেজমিনে গেলে মহিষকুড় গ্রামের স্থানীয়বাসিন্দা ও ভুমিহীন নারী সামছুন্নাহার (৫৫) জানান, আড়াই শতক খাস জমির উপর কোনো রকম বসবাস করেন। ১০ বছর আগে তার স্বামী মোহাম্মাদ আলী মারা যায়। তিনটি মেয়ে ছাড়া তার কোনো ছেলে সন্তান নেই। অনেক কষ্টের মধ্যে দিনকাটছে তার। প্রকৃত ভুমিহীন হওয়ার পরও তাকে ঘর দেয়া হয়নি বা ঘরের তালিকায় তার নাম রাখা হয়নি।

একই ধরনের বর্নণা দিলেন ওই গ্রামের হতদরিত্র গৃহবধু হালিমা খাতুন ও আছমা খাতুন। তারা বলেন, গ্রামের সবচেয়ে নিঃশ্ব ও অসহায় হয়েও আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাননি। ঘর দেয়ার জন্য পুর্বে যে তালিকা করা হয়েছে তাতেও তাদের নাম রাখা হয়নি। কাদের জন্য ওই ঘর নির্মাণ করা হয়েছে তা নিয়েও শঙ্কা রয়েছে বলে জানান তারা।

স্থানীয় শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক দিপংকর বাছাড় জানান, মহিষকুড় গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধিনে ১৮ টি ঘর নির্মাণ করা হলেও সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়নি। ইতমধ্যে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় পায়খানা ঘরের স্লাপগুলো ধ্বসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ঘরগুলোর তিন পাশে নোনা ঘেরের জল থৈ থৈ করছে। এছাড়া শুরুতে ঘর বরাদ্ধের যে তালিকা করা হয়েছে তাতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রকৃত ভুমিহীন বা বাস্তাহারা মানুষের জন্য এই ঘর বরাদ্ধের নিয়ম থাকলেও প্রথম পর্যায়ে যে তালিকা প্রণয়ন করা হয় তাতে স্বচ্ছল বা সম্পদশালী পরিবারের নাম রয়েছে।

 

ফলে এসব অনিয়ম ও সমস্যার কারনে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় আজ ওই ঘর বরাদ্ধ দেয়া হয়নি বলে জানান তিনি। দিপংকর বাছাড় আরো জানান, দ্রুত ওই ঘরগুলো প্রকৃত ভুমিহীনদের তালিকা করে বরাদ্ধের দেয়া হোক।

আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ড জানান, পুর্বের তালিকা বাদ দিয়ে জেলা প্রশাসকের নির্দেশক্রমে নতুন তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই প্রকৃত নিঃশ্ব ও গৃহহীন পরিবারদের মাঝে এই ঘর বিতরণ করা হবে। তবে পুর্বে কারা কি ভাবে অনিয়মের মাধ্যমে তালিকা তৈরী করেছিলো সে বিষয় তার জানা নেই বলে জানান।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ জানান, দ্রুত প্রকৃত অসহায় ও ভুমিহীনদের মাঝে ওই বরাদ্ধ দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসকনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শুধু আশাশুনির মহিষকুড় নয় জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও আশ্রয় প্রকল্পের অধিনে নির্মাণ করা ঘর বরাদ্ধ বা সমস্যা থাকলে দ্রুত সমাধান করা হবে। তিনি আরো জানান, সরকারের নির্মাণ করা এসব ঘর জেলার প্রকৃত ভুমিহীনদের মাঝেই বরাদ্ধ নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া মহিষকুড়ে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থাও করবেন বলেও জানান।

 

 

জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে জনতা ব্যাংকের ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে জনতা ব্যাংকের ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সঙ্গে জনতা ব্যাংক পিএলসি, সাতক্ষীরা-এর কর্মকর্তারা ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেছেন।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুর ১টায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তারা নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে জনতা ব্যাংক পিএলসির ভূমিকা তুলে ধরেন। জবাবে জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব জেলার উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সকলের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি জেলার সার্বিক কল্যাণে সবসময় জনগণের পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে জনতা ব্যাংক পিএলসির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা এরিয়া প্রধান (ডিজিএম) রোকনুজ্জামান, এজিএম রবিউল ইসলাম, এরিয়া অফিসের সিনিয়র অফিসার মোহাম্মদ নাহিদ পারভেজ, সাতক্ষীরা কর্পোরেট শাখার এসপিও শেখ মহিবুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল অফিসার বাবলু ভঞ্জ চৌধুরী, সিনিয়র অফিসার আজিজুর রহমান, ব্যাংক ব্যবস্থাপক শাহিনুর রহমানসহ ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তা।

 

 

সাতক্ষীরায় টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জেলা পরিষদের প্রশাসককে স্মারকলিপি দিল নাগরিক কমিটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জেলা পরিষদের প্রশাসককে স্মারকলিপি দিল নাগরিক কমিটি

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এবং শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ মোকাবিলায় সুন্দরবন উপকূলীয় বোর্ড ও মন্ত্রণালয় গঠনের দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সাথে মতবিনিময় এবং স্মারকলিপি দিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটি।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবের বরাবর ২১ দফা দাবি সম্বলিত এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

স্মারকলিপি প্রদানকালে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শেখ আজাদ হোসেন বেলালের নেতৃত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, কিশোরী মোহন সরকার, হেনরী সরদার, যুগ্ম সদস্য সচিব আলিনুর খান বাবু, মানবাধিকার কর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, সিনিয়র সাংবাদিক মমতাজ আহমেদ বাপী, এম কামরুজ্জামান, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, কণ্ঠশিল্পী আবু আফফান রোজবাবু, সুশীলনের উপ-পরিচালক জিএম মনিরুজ্জামান এবং বাইজিদ হোসেন।

স্মারকলিপিতে নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, সাতক্ষীরার সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবদান বিবেচনা করে এবং এর ভৌগোলিক ঝুঁকি দূর করতে অবিলম্বে ২১ দফা দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। বিশেষ করে আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই যেন উপকূলের বেড়িবাঁধ সংস্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির প্রধান দাবিগুলো হলো: সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকাকে ‘দুর্যোগ প্রবণ এলাকা’ ঘোষণা এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য “সুন্দরবন উপকূলীয় বোর্ড ও মন্ত্রণালয়” গঠন করে বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা। সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম আগামী শিক্ষাবর্ষ (বর্তমান সেশন) থেকেই দ্রুত চালু করা।

সাতক্ষীরা থেকে মুন্সীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করা। এছাড়া শহরের প্রধান সড়ক চার লেনে উন্নীত করা এবং ঢাকার সাথে দূরত্ব কমাতে মাওয়া-ভাঙ্গা-নড়াইল-চুকনগর-সাতক্ষীরা পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ করা।