শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত আশাশুনি: পরীক্ষার্থী, কৃষক ও শ্রমজীবীদের চরম দুর্ভোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত আশাশুনি: পরীক্ষার্থী, কৃষক ও শ্রমজীবীদের চরম দুর্ভোগ

আশাশুনি সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় দীর্ঘস্থায়ী ও অনিয়ন্ত্রিত লোডশেডিংয়ে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। বিদ্যুতের ঘনঘন আসা-যাওয়া ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা সরবরাহ বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। গরমের তীব্রতার মধ্যে বিদ্যুতের এই সংকট মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে করে তুলেছে দুর্বিষহ।

 

উপজেলার কুল্যা, খাজরা, বুধহাটা, আনুলিয়া, প্রতাপনগর, দরগাপুর ও শোভনালীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দিনে-রাতে মিলিয়ে ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। কোথাও কোথাও একটানা ২ থেকে ৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় বাসাবাড়িতে নেমে আসে চরম অস্বস্তি। আবার বিদ্যুৎ এলেও ভোল্টেজ এত কম থাকে যে ফ্যান ঘোরে ধীরগতিতে, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিও ঠিকমতো চলে না।

 

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা চলমান থাকায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বেগ বেড়েছে বহুগুণ। রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক শিক্ষার্থী মোমবাতি বা চার্জলাইটের আলোয় পড়াশোনা করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে চোখের সমস্যা ও মানসিক চাপ বাড়ছে। খাজরা এলাকার এক শিক্ষার্থী জানায়, “রাতে যখন পড়তে বসি, তখনই বিদ্যুৎ চলে যায়। আবার কখন আসবে তারও নিশ্চয়তা নেই। এতে করে পড়ার ধারাবাহিকতা নষ্ট হচ্ছে।”

 

অভিভাবকরাও বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তাঁদের মতে, এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে পরীক্ষার ফলাফলেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আশাশুনি একটি কৃষিনির্ভর এলাকা হওয়ায় বিদ্যুৎ সংকট সরাসরি প্রভাব ফেলছে কৃষিতে। বর্তমানে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসলের জন্য সেচের প্রয়োজনীয় সময়। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় সেচ পাম্প চালানো যাচ্ছে না। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে ডিজেলচালিত পাম্প ব্যবহার করছেন, যা খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে এবং লাভের পরিমাণ কমে আসছে।

 

বিদ্যুৎ সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসা ও কারিগরি পেশাজীবীরাও। ওয়েল্ডিং, রাইস মিল, আইসক্রিম কারখানা, ফ্রিজনির্ভর দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা ঠিকমতো চালানো যাচ্ছে না। অপর দিকে ইজি বাইক, ব্যাটারি চালিত ভ্যান শ্রমিকরা পড়েছে বিপাকে। তার ঠিকমত তাদের পরিবহন চার্জ করতে না পারায় আত্মমানবেতর ভিতর দিদয়ে জীবন যাপন করছে। শোভনালী বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, “বিদ্যুৎ না থাকলে দোকানে কাস্টমারও কম আসে। ফ্রিজের জিনিস নষ্ট হয়ে যায়। প্রতিদিনই লোকসান গুনতে হচ্ছে।”

 

এছাড়া সেলুন, মোবাইল সার্ভিসিং ও কম্পিউটার দোকানগুলোর কাজও প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। এতে করে দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষের আয় কমে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় তীব্র গরমে শিশু ও বয়স্করা বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। অনেকেই ঘুমাতে পারছেন না, ফলে শারীরিক অসুস্থতা বাড়ছে। একই সঙ্গে পানি সরবরাহেও বিঘœ ঘটছে, কারণ অনেক স্থানে বৈদ্যুতিক মোটরের মাধ্যমে পানি তোলা হয়। স্থানীয় এক গৃহিণী বলেন, “বিদ্যুৎ না থাকলে পানি ওঠে না। রান্না-বান্না সবকিছুতেই সমস্যা হয়। ছোট বাচ্চারা গরমে কষ্ট পাচ্ছে।”

 

পল্লী বিদ্যুৎ সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় গ্রিডে উৎপাদন ঘাটতি ও চাহিদা বৃদ্ধির কারণে এই লোডশেডিং হচ্ছে। আশাশুনি এলাকায় ১৬/১৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎের চাহিদা থাকলেও ৭/৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, লোডশেডিংয়ের কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি না থাকায় সমস্যাটি আরও জটিল হয়ে উঠছে। একাধিক বাসিন্দা বলেন, “যদি নির্দিষ্ট সময় জানানো থাকত, তাহলে আমরা সেই অনুযায়ী কাজ করতে পারতাম। এখন হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।”

 

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর দাবি, অন্তত পরীক্ষার সময় এবং সেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বা সহনীয় মাত্রায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট লোডশেডিং সূচি প্রকাশেরও দাবি জানিয়েছেন তারা। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় সুশাসন ও কার্যকর সমন্বয় ছাড়া এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। অন্যথায় শিক্ষা, কৃষি ও অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে আরও গভীর হবে।

Ads small one

শাবনূরের অনুরোধে সিডনির রাস্তায় গান গাইলেন রবি চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ
শাবনূরের অনুরোধে সিডনির রাস্তায় গান গাইলেন রবি চৌধুরী

দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা রবি চৌধুরী ও শাবনূর। একজন গায়ক, অন্যজন অভিনেত্রী। তবে দুজনের মধ্যে রয়েছে বন্ধুত্ব। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের সেই বন্ধুত্বের দৃশ্য আবারও দেখা গেল। ফেসবুকের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সিডনির রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছেন অভিনেত্রী, পাশে বসে গান শোনাচ্ছিলেন গায়ক। পেছনের আসনে শাবনূরের একমাত্র ছেলে আইজান নেহান।

শাবনূর দীর্ঘদিন ধরেই অস্ট্রেলিয়ায় আছেন। এদিকে সম্প্রতি স্টেজ শোতে গাইতে সেখানে গেছেন রবি চৌধুরী। তার আসার খবরে শাবনূর আগেই থেকেই ঠিক করে রেখেছিলেন একসঙ্গে ঘুরবেন। শুক্রবার সেই পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিলো। সিডনির বিভিন্ন মনোরম জায়গা রবিকে ঘুরিয়ে দেখালেন তিনি।

এ সময় শাবনূরের অনুরোধে তার খুব পছন্দের গান ‘যেভাবেই তুমি সকাল দেখো’ গেয়ে শোনান রবি চৌধুরী। পরে গাড়ি থেকে নেমে শাবনূরের অনুরোধে গেয়ে ওঠেন ‘ভালোবাসি তোমাকে’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন’।

শাবনূর ও রবি চৌধুরীর জন্মদিনও একই দিনে—১৭ ডিসেম্বর। এর আগে শাবনূর ঢাকায় এলে রবি চৌধুরীর বাসায় একসঙ্গে জন্মদিন উদযাপন করেছেন তারা। সময়ের সঙ্গে দুজনের জীবনের গতিপথ বদলেছে, বদলে গেছে ঠিকানাও; কিন্তু বন্ধুত্ব রয়ে গেছে আগের মতোই।

সামাজিক মাধ্যমে সিডনিতে কাটানো সময়ের ভিডিও প্রকাশ করে শাবনূর লিখেছেন, ‘সিডনিতে প্রিয় সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরীকে কাছে পেয়ে ফিরে গেলাম ‘ভালোবাসি তোমাকে’ চলচ্চিত্রের সেই মধুর স্মৃতিতে। ছবিটির জনপ্রিয় গান ‘অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন’, যার মূল শিল্পী ছিলেন খালিদ হাসান মিলু ও কনকচাঁপা।

প্রিয় রবি চৌধুরীর কণ্ঠে আজ সেই গানটির দুই লাইন শুনে নস্টালজিয়ায় ডুবে গেলাম। বাংলা আধুনিক গানের জনপ্রিয় এই শিল্পীর সঙ্গে সিডনিতে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলো স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

ভালোবাসি তোমাকে ছবিটির পরিচালক মহম্মদ হান্নান আর গানটির গীতিকার ও সুরকার ছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।

ভারতের ২৪৯ রান টপকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবিশ্বাস্য জয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
ভারতের ২৪৯ রান টপকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবিশ্বাস্য জয়

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয়ের জন্য প্রয়োজন ২৫০। এমন কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই জোড়া ধাক্কা খেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু শাই হোপের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি আর শেরফান রাদারফোর্ডের বিধ্বংসী ইনিংসে সব হিসাব পাল্টে দিলো ক্যারিবীয়রা। শুক্রবার রাঁচিতে ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটিই তাদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়।

পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সফল রান তাড়ার তালিকায় অবশ্য এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৫৯ রান তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার ভারতের ২৪৯ রান পেরিয়ে সেই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই বিপাকে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পেসার মায়াঙ্ক যাদব পরপর দুই বলে ফেরান কামিল পুরান ও শিমরন হেটমায়ারকে। পরে ২৪ রান করা রোভম্যান পাওয়েলকেও ফিরিয়ে দেন তিনি।

এরপর ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন হোপ ও রাদারফোর্ড। চতুর্থ উইকেটে ১২০ রানের ঝড়ো জুটি গড়ে ভারতীয় বোলারদের ওপর পাল্টা আক্রমণ চালান তারা।

৩৮ রানে থাকতে মায়াঙ্ক যাদবের সহজ ক্যাচে জীবন পান রাদারফোর্ড। জীবন পেয়ে পরে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন রাদারফোর্ড। মাত্র ৩৭ বলে ৮৪ রান করে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত কুলদীপ যাদবের বলে আউট হন এই বাঁহাতি ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৭টি ছয়।

তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে রান তোলার গতি ঠিকই ধরে রাখেন হোপ। রোমারিও শেফার্ডকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। ৪৫ বলে ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন হোপ। তার ইনিংসে ভর করেই ৯ বল হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোপের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৯টি ছয়।

এর আগে স্যামসনের ৪১ বলে ৮২ রানের ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৪৯ রান তুলেছিল ভারত। ইনিংসের শুরুতে অভিষেক শর্মা ও স্যামসনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র চার ওভারের কম সময়ে ৪২ রান তুলে ফেলে স্বাগতিকরা।

তবে সেই ঝড়ো শুরু থামান রোস্টন চেজ। অভিষেককে (২০) ফেরানোর পর ৪৩ রান করা ঈশান কিষান ও শিবম দুবেকেও (৭) আউট করেন তিনি। শামার স্প্রিঙ্গারের শিকার হন স্যামসন (৮২)।

শেষ দিকে আবারও রান তোলার গতি বাড়ায় ভারত। শ্রেয়াস আইয়ার ও তিলক বর্মা মাত্র ৩২ বলে ৮৩ রানের জুটি গড়েন। আইয়ার ১৮ বলে করেন ৪০ রান। ইনিংসের শেষ ওভারের আগের বলে আউট হন তিনি। তাতে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ২৪৯ রান। তিলক ১৮ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ক্যারিবীয়দের হয়ে ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন রোস্টন চেজ। ৬৪ রানে দুটি নেন শামার স্প্রিঙ্গার।

সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হবে রবিবার।

শান্তিতে নোবেলজয়ী নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে মন্তব্য নেতানিয়াহুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
শান্তিতে নোবেলজয়ী নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে মন্তব্য নেতানিয়াহুর

চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আন্তর্জাতিক আইনের প্রখ্যাত প্রবক্তা ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী’ ও ‘দুর্নীতিগ্রস্ত কৌঁসুলি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়। ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে, পিল্লাইয়ের এমন মন্তব্যের জের ধরে এ প্রতিক্রিয়া জানায় দেশটি।

শুক্রবার পিল্লাইয়ের নোবেল বিজয়ের ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানায়, নোবেল প্রাইজ কমিটি তাদের নৈতিক দিকনির্দেশনা হারিয়ে ফেলেছে। তারা এমন একজন কট্টর বর্ণবাদীকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করেছে, যিনি একমাত্র ইহুদি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা ও অপপ্রচার চালিয়ে ক্যারিয়ার গড়েছেন।

একই সঙ্গে পিল্লাই ইহুদিদের প্রতি বিদ্বেষ ও কুৎসা রটাতে উসকানি দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

জাতিসংঘের অধীনে গঠিত ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অব ইনকোয়ারি অন দ্য অকুপাইড প্যালেনস্টাইন টেরিটরি-এর প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দেন ৮৫ বছর বয়সী নাভি পিল্লাই। অবশ্য এই কমিশনটি জাতিসংঘের মূল প্রতিনিধি হিসেবে সরাসরি কথা বলে না। তবে গত বছর এক প্রতিবেদনে কমিশনটি উল্লেখ করে যে, ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা সংঘটিত করছে।

সূত্র: এএফপি