সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

শার্শায় পাটের বাম্পার ফলন, দাম ভালো পেয়ে খুশি চাষিরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
শার্শায় পাটের বাম্পার ফলন, দাম ভালো পেয়ে খুশি চাষিরা

মো. সোহাগ হোসেন, বাগআঁচড়া (শার্শা): যশোরের শার্শা উপজেলার বাজারগুলোতে নতুন পাট উঠতে শুরু করেছে। গত বছরের তুলনায় এবার মণপ্রতি প্রায় এক হাজার টাকা বেশি দামে পাট বিক্রি করছেন কৃষকরা। এছাড়া এবার পাটের ফলন ভালো হয়েছে, পর্যাপ্ত বৃষ্টি হওয়ায় পাট জাগ দেওয়ার জন্য পানির অভাবও হয়নি।

গত বছরের শুরুতে নতুন পাট বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা মণ দরে। এবার কৃষকরা শুরুতে নতুন পাট বিক্রি করেছেন মণপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকায়। তবে বর্তমানে দাম বেড়ে ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এবার প্রতি মণে বাড়তি পাওয়া যাচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, অনুকূল আবহাওয়া আর দো-আঁশ মাটির গুনাগুণের কারণে শার্শায় এবার পাটের ফলন বেশ ভালো হয়েছে। গত বছর যেখানে ৫ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছিল, এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫০৩ হেক্টরে। অর্থাৎ, এক বছরে আবাদ বেড়েছে ৫০৩ হেক্টর। তাছাড়া গত বছর পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় পাট জাগ দেওয়া নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন কৃষকরা। কিন্তু এবার পর্যাপ্ত বৃষ্টি হওয়ায় পাট জাগ দিতে তেমন পরিস্থিতি হয়নি।

কৃষকদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এবার পাট উৎপাদন খরচ বেড়েছে। বিশেষ করে এবার শ্রমিক প্রতি খরচ বেশি পড়েছে। গত বছর ৪০০ টাকা মজুরিতে শ্রমিক পাওয়া গেছে, কিন্তু এবার পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও ছাড়ানো বাবদ শ্রমিকপ্রতি বেশি মজুরি দিতে হচ্ছে। এতে গত বছরের তুলনায় এবার পাটচাষের খরচ প্রতি মণে ২০০-৩০০ টাকা বেড়েছে।

উপজেলার কোটা গ্রামের কৃষক জিয়াউর রহমান বলেন, এবার পাটের ফলনও ভালো হয়েছে আবার দামও ভালো পাচ্ছি। গত বছরের তুলনায় নতুন পাট বেচে মণে হাজার ১২০০ টাকা লাভ পাচ্ছি। শার্শার বাগআঁচড়া বাজারে পাট কিনতে আসা ব্যবসায়ী শিরাজুল ইসলাম জানান, তিনি এখানকার হাট থেকে পাট কিনে ফরিদপুর খুলনা, বগুড়া ও কুষ্টিয়ার বিভিন্ন মোকামে পাঠান।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার শাহা বলেন, আবহাওয়া, ফলন ও দাম অনুযায়ী এবার কৃষক পাট চাষে লাভজনক অবস্থায় আছেন। সরকারি প্রণোদনা, বিনামূল্যে উন্নত মানের বীজ বিতরণ এবং কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শে চাষিরা লাভবান হয়েছেন। আগামীতেও চাষিরা পাট চাষে আগ্রহী হবেন বলে তিনি আশাবাদী।

Ads small one

হঠাৎ এমন বিষণ্ণ দীপা খন্দকার, কী ঘটেছে তার জীবনে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
হঠাৎ এমন বিষণ্ণ দীপা খন্দকার, কী ঘটেছে তার জীবনে

চোখেমুখে ক্লান্তি, অথচ সেই ক্লান্তির আড়ালে লুকিয়ে আছে গভীর কোনও গল্প। পরনে সাদামাটা শাড়ি, এলোমেলো চুল আর বিষণ্ন দৃষ্টিতে যেন একরাশ না-বলা কথা। এমনই এক আবহে দেখা মিলেছে অভিনেত্রী দীপা খন্দকারের।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে দীপা নিজেই তার এমন একটি ছবি প্রকাশ করেছেন।

অভিনেত্রী জানালেন এটি তার নতুন নাটকের একটি স্থিরচিত্র। সোমবার ((১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় সিনেমাওয়ালা এন্টারটেইনমেন্ট ইউটিউব চ্যানেলে এসেছে তার অভিনীত মিনি সিরিজ ‘কর্মফল’। এ সিরিজে এমনই একটি চরিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন। এটি পরিচালনা করেছেন মাহিন খান।

সাম্প্রতিক সময়ে পারিবারিক গল্পের নাটকের প্রতি দর্শকের আগ্রহ বেড়েছে। এদিকে পারিবারিক গল্পের নাটক মানেই দীপার উপস্থিতি।

তার ভাষ্য, ‘আমি ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই পারিবারিক গল্পের নাটকগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে আসছি। মাঝে আমাদের নাটক কিছুটা এখান থেকে সরে আসে। এখন অনেক নির্মাতা আবার পারিবারিক গল্পের নাটক নির্মাণ করছেন। দর্শক সেগুলে দারুণভাবে দেখছেনও। এ নাটকও আশা করি দর্শকের ভালো লাগবে। নাটকের প্রতিটি চরিত্রে তারা নিজেদের খুঁজে পাবে।’

‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’ থেকে ‘নিন্দার কাঁটা’—ফরিদা পারভীনের ১০ গান‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’ থেকে ‘নিন্দার কাঁটা’—ফরিদা পারভীনের ১০ গান
‘কর্মফল’সিরিজে আরও অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, ইরফান সাজ্জাদ, আ.খ.ম হাসান ও মনিরা মিঠুসহ অনেকে

মানদেব প্রণালিতে হুথিদের নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি তেল আমদানিতে বাড়ছে ঝুঁকি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
মানদেব প্রণালিতে হুথিদের নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি তেল আমদানিতে বাড়ছে ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক: ইয়েমেনের বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ায় সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি তেল আনার গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প নৌপথ বাব আল-মানদেব প্রণালিতে ঝুঁকি বেড়েছে। এতে জ্বালানি তেল আমদানিতে সময় ও খরচ বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। তবে এর প্রভাব দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দামে এখনই পড়ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ সেপ্টেম্বর মাসের জন্য সরকার আগেই জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বাব আল-মানদেব নৌপথে হুথিদের নিয়ন্ত্রণের সময় দীর্ঘ হলে সংকট সৃষ্টি হতে পারে।

আন্তর্জাতিক রয়টার্সের খবরে বলা হচ্ছে, সম্প্রতি জাতিসংঘের ইয়েমেন বিষয়ক বিশেষ দূত হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে জানান, মোখায় হুথিদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রণালির প্রবেশপথে তাদের সরাসরি উপস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে লোহিত সাগর ও আশপাশের নৌপথে জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

এদিকে বাংলাদেশে গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে তরল জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির চেষ্টা করছে সরকার। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সংসদে জানান, তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে আরও ৬ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। ঠিক এই সময়ে এমন পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি বাংলাদেশের জন্য আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুধু বৈশ্বিক তেলের বাজারেই নয়, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতেও নতুন চাপ তৈরি করতে পারে। যদিও এখনই তা ভোক্তার কাঁধে বর্তাবে বলে মনে করা হচ্ছে না।

প্রসঙ্গত, সেপ্টেম্বর মাসে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা ও কেরোসিন ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে। এর আগে জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসেও একই দাম বহাল রাখা হয়েছিল। সেপ্টেম্বরেও দাম অপরিবর্তিত থাকায় টানা চতুর্থ মাসে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়ানো বা কমানো হয়নি।

লোহিত সাগরের প্রবেশমুখে ইয়েমেন ও জিবুতির মাঝখানে সরু জলপথ বাব আল-মানদেব প্রণালি। হরমুজের পর তেল পরিবহনে বিকল্প জলপথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল কিন্তু গত শুক্রবার বাব আল-মানদেব প্রণালির পূর্ণাঙ্গ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে হুথিরা। তারা বন্দরনগর মোখা দখল করেছে।

গত চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। গত এক সপ্তাহে ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম বেড়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ। জুলাইয়ের মাঝামাঝির পর এক সপ্তাহে এখন তেলের দামের সবচেয়ে বড় উত্থান লক্ষ করা যাচ্ছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যারেলপ্রতি ১০৪ ডলারে বিক্রি হচ্ছে।

জ্বালানি সংশ্লিষ্টরা জানান, সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি তেল আনার ক্ষেত্রে বাব আল-মানদেব গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ হয়ে উঠেছিল। সম্প্রতি নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে বাংলাদেশগামী একটি জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকারকে এই প্রণালি এড়িয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। এতে যেখানে বাব আল-মানদেব হয়ে বাংলাদেশে আসতে প্রায় ১৬ দিন লাগতো, সেখানে ঘুরপথে সময় লেগেছে প্রায় ৫০ দিন। এভাবে একটি ট্যাংকারে বাড়তি ব্যয় হতে পারে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত বলে জানিয়েছে জাহাজের সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি তেল আমদানির প্রধান নৌপথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি। ইরান যুদ্ধের কারণে ওই পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে লোহিত সাগর ও বাব আল-মানদেব হয়ে বাংলাদেশে তেল আনার পথটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। এখন বাব আল-মানদেবেও নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় জ্বালানি তেল আমদানিতে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

তবে এই পরিস্থিতির কারণে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম সামনে বাড়বে কিনা, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক বাজারের দাম, আমদানি ব্যয় ও দেশের বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করে সরকার।

তবে বাব আল-মানদেবের নিরাপত্তাঝুঁকি দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি তেল আমদানির সময় ও ব্যয় কতটা বাড়বে এবং এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত দেশের বাজারে পড়বে কিনা, তা নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও আমদানির পরবর্তী ব্যয়ের ওপর।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম বলেন, এর ফলে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাবে। ফলে সংকট আরও ঘনীভূত হবে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম এমনিতেই ১০০ ডলারের উপরে উঠে গেছে। এই দাম আরও বৃদ্ধির শঙ্কা তৈরি হলো। বিশেষ করে ডিজেলের দাম বাড়তে পারে। তিনি বলেন, এখনই আমেরিকায় গ্যালনপ্রতি ডিজেলের দাম ছয় ডলার ছাড়িয়েছে, যা সর্বোচ্চ। এটি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

আন্তর্জাতিক তেলের বাজার নিয়ে কাজ করে আসা অয়েল ডটকম তাদের এক খবরে জানিয়েছে, চলতি বছরের মার্চের শুরুর দিকে ১১৯ দশমিক ৪৮ ডলারে পৌঁছেছিল তেলের দাম। বর্তমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারের কাছাকাছি আবার চলে যেতে পারে তেলের দাম।

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করলো জামায়াত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করলো জামায়াত

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে ও ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে জামায়াতে ইসলামীর মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করেছেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত সিরাতুন্নবী (সা.) কনফারেন্সে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলেও স্থানীয় নির্বাচনে সব দল আলাদাভাবে নির্বাচন করবে। সেজন্য ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতের দুই প্রার্থীও ঠিক করা হয়েছে।’

এসময় তিনি বলেন, উত্তরে নির্বাচন করবেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং দক্ষিণ সিটিতে নির্বাচন করবেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।

ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ভাঙচুর প্রসঙ্গে পরওয়ার বলেন, যারা প্রথাগত রাজনীতি করে এই ভূখণ্ডের ইতিহাস জানে না, তারাই এ ধরনের আচরণ করতে পারে।