শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

শ্যামনগরের এক স্কুলে দুই সেট জামা প্যান্ট নিয়ে আসতে হয়ে বাচ্চাদের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরের এক স্কুলে দুই সেট জামা প্যান্ট নিয়ে আসতে হয়ে বাচ্চাদের

শ্যামনগর প্রতিনিধি: ‘আমাদের বাড়ি অনেক দুরে, প্রায় দুই থেকে আড়াই কিলোমিটার কাঁদা ঠেলে স্কুলে আসতে হয়। পথে খুব কাঁদা বিধায় স্কুলে এসে তাদের দিয়ে যায়, আবার নিয়েও যায়। অন্য সবার মত আমার বাচ্চাডাও দুই সেট জামা প্যান্ট নিয়ে স্কুলে আসে।

বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে পেয়ে কথাগুলো বলেন শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন তীরবর্তী মরাগাং গ্রামের নমিতা রানী মন্ডল। ত্রিশোর্ধ্ব বয়সী এ নারী আরও বলেন তার ছেলে ধৃতরাজ মন্ডল প্রথম শ্রেণীর ছাত্র। স্কুলে আসা ও যাওয়ার কাজে এক সেট এবং ক্লাসে পাঠ গ্রহণের সময় অপর সেট জামা প্যান্ট ব্যবহার করতে হয় তার।

প্রায় অভিন্ন কথা শোনায় একই গ্রামের প্রিয়াংকা মন্ডল। অনামিকা ও মিহির নামে নিজের দুই সন্তানকে বিদ্যালয়ে পৌছে দিতে আসা এ নারীর দাবি ‘কাঁদার জন্য বাচ্চারা স্কুলে আসতে চাই না। বাধ্য হয়ে সাথে করে নিয়ে আসার পাশাপাশি ছুটির সময় পুনরায় এসে নিয়ে যেতে হয়’। এছাড়া দুই সেট জামা কাপড় না থাকলে স্কুলে এসে কেউ ক্লাস করতে পারে না বলেও দাবি করেন তিনি।

স্কুলে যাতায়াত নিয়ে দুর্ভোগের এমন করুন বর্ণনা শুধু এই দু’জন অভিভাবকের কন্ঠে উচ্চারিত হয়নি। বরং দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র হোসাইন ও তৃতীয় শ্রেণীর খাদিজাসহ আরও অসংখ্য ক্ষুদে ছাত্র-ছাত্রী আর অভিভাবকদের দাবি বর্ষাকালে স্কুলে আসতে ছাত্র-ছাত্রীদের অনেক কষ্ট পোহাতে হয়।

 

বই খাতা আর জামা প্যান্ট কাঁদায় লেপ্টে যায়। ক্ষুদে শিক্ষার্থীর ভাষ্য স্কুলে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা চলে গেছে উপকুল রক্ষা বাঁধের উপর দিয়ে। কিন্তু ইটের সোলিং করা সেই রাস্তা ভেঙে এবড়ো-থেবড়ো হওয়ার কারনে স্বাভাবিক চলাচল করা যায় না। সামান্য বৃষ্টি হলে গোটা রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বাধ্য হয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের অন্তত দুই সেট পোশাক নিয়ে স্কুলে আসতে হয়। রাস্তার দুরাবস্থার কারনে তাদেরই অনেক সহপাঠী বর্ষাকালে স্কুলে আসতে চায় না বলেও দাবি ক্ষুদে অনেক শিক্ষার্থীর।

দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র মরাগাং গ্রামের হোসাইনের ভাষ্য, আমাদের রাস্তা অনেক রারাপ, আমাদের আসিত গে বই-টই ভিজে যায়। আমাদের আসতি অনেক কষ্ট হয়’। খাদিজা আক্তার জানায়, ‘আমি প্রথম ওয়ানে পড়ি, স্কুলে আসতে গেলি আমার জামা-কাপড় কাঁদাতে ভিজে যায়’। প্রায় একই কথা বলে তুলসী মন্ডলের মেয়ে হিয়া, নুর হোসেনের ছেলে জাহিদসহ আরও কয়েক শিশু।

বিদ্যালয়ে আসতে ছোট ছোট শিশুরা রীতিমত সংগ্রাম করছে- উল্লেখ করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিমেষ কুমার মৃধা জানান রাস্তা এত খারাপ যে অভিভাবকরা দুই সেট পোশাকসহ বাচ্চাদের স্কুলে দিয়ে যায়। আবার ছুটি হলে শ্রেণী কক্ষের পোশাক পরিবর্তন করিয়ে নিয়ে যায়। এসব ধকল সামলাতে না পেরে কোন কোন পরিবার শিশুদের নিয়মিত স্কুলে পাঠাচ্ছে না।

স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মোড়ল জানান বিদ্যালয়ের এক পাশে পায় তিন কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা দীর্ঘদিনের। যার জন্য ছোট ছোট ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে আসতে মারাত্মক কষ্ট সহ্য করছে। স্কুলে আসার পথে রাস্তায় পড়ে গিয়ে আহত হওয়ার ঘটনা নিত্যকার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। প্রত্যন্ত জনপদ হওয়ার দরুন সুন্দরবন পাঁড়ের এই মরাগাং স্কুলের যোগাযোগ ব্যবস্থার কোন উন্নতি ঘটছে না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক জানান, মারাগং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা টানা তিনবার জাতীয় স্কুল ফুটবল প্রতিযোগীতায় সাফল্য দেখিয়েছে। তাদের জন্য কিছু পুরস্কার বিদ্যালয়ে পৌছে দিতে যেয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার যে চিত্র দেখছেন, তাতে রীতিমত হতবাক। কোমলমতি শিশুদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করতে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হবে।

উল্লেখ্য ১৬৫ নং পুর্ব মরাগাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা সর্বশেষ চারবার স্কুল ফুটবল প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়ে দু’বার(২০২৪ ও ২০২৬) সালে জাতীয় পর্যায়ের প্রথম রাউন্ডে পৌছায়। এছাড়া বিদ্যালয়টি গত ২০২৫ সালে বিভাগীয় পর্যায়ে রানার্সআপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পুরস্কার স্বরুপ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল খেলোয়াড়কে ক্রেষ্ট ছাড়াও স্কুল ব্যাগ এবং ফুটবল উপহার হিসেবে দেযা হয়। এসময় অন্যান্যের ম্েযধ উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষা অফিসার শাহিন আলম, প্রেসক্লাব সভাপতি সামিউল মনির, সাাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মোড়ল প্রমুখ।

 

 

Ads small one

জুলাইয়ে মবে নিহত ৩১, কারা হেফাজতে মৃত্যু ৯ , অজ্ঞাতনামা ৫৬ লাশ, সাংবাদিক নির্যাতন বেড়েছে দ্বিগুণ: এমএসএফ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
জুলাইয়ে মবে নিহত ৩১, কারা হেফাজতে মৃত্যু ৯ , অজ্ঞাতনামা ৫৬ লাশ, সাংবাদিক নির্যাতন বেড়েছে দ্বিগুণ: এমএসএফ

অনলাইন ডেস্ক: দেশে গত জুন মাসের তুলনায় জুলাইয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। জুনে দেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা ছিল ১৮টি। জুলাইয়ে এই সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে হয়েছে ৩৬টি। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) মাসিক মানবাধিকার পরিস্থিতি মনিটরিং প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে।

সংস্থাটি বলছে, সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনার দ্বিগুণ বৃদ্ধি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য গুরুতর হুমকি। পাশাপাশি জুলাই মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় মামলা ও গ্রেপ্তারও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অনলাইন মতপ্রকাশের ওপর চাপ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

আজ শুক্রবার এমএসএফ সভাপতি সুলতানা কামালের সই করা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও স্থানীয় মানবাধিকারকর্মীদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে মব সহিংসতায় নিহত হয়েছে ৩১ জন। জুনে এই সংখ্যা ছিল ৩২। এ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছে ৭ জন। সংস্থাটি বলছে, রাজনৈতিক ও আইনগত পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অবস্থায় রয়েছে। সরকার পতন-পরবর্তী মামলায় জুলাই মাসে নতুন করে ৬০০ জনকে আসামি করা হয়েছে, যদিও গ্রেপ্তারের সংখ্যা কমে ১২৬-এ দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক সহিংসতায় আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও (৩০৩ থেকে ৯৫), নিহতের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। যা সংঘর্ষের ভয়াবহতা অব্যাহত থাকার প্রমাণ।

এমএসএফ বলছে, জুলাই মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ২ জনের এবং কারাগারে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে গোলাগুলিসংক্রান্ত ঘটনায় নিহত না থাকলেও আহতের সংখ্যা এক মাসের ব্যবধানে ২ জন থেকে বেড়ে ২১ জনে পৌঁছেছে। যা নিরাপত্তা পরিস্থিতির অস্থিরতা নির্দেশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অজ্ঞাতনামা ও পরিচয় শনাক্ত হওয়া লাশ উদ্ধার বড় উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। জুলাই মাসে মোট ৮৯টি লাশ উদ্ধার হয়েছে (অজ্ঞাত ৫৬, পরিচয় শনাক্ত ৩৩। যা আগের মাসের তুলনায় বেশি। অধিকাংশ লাশের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় বিচারপ্রক্রিয়া ও মানবাধিকার সুরক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। সীমান্ত পরিস্থিতি এখনো ঝুঁকিপূর্ণ। পুশ-ইন, আটক এবং বিচ্ছিন্ন হত্যার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। সংখ্যালঘু নির্যাতন ও ধর্মীয় সহিংসতার ঘটনাও বিচ্ছিন্নভাবে ঘটেছে, যা সামাজিক সম্প্রীতির জন্য উদ্বেগজনক। অন্যদিকে, বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জুনে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ছিল ২ হাজার ৮৯৭ জন। জুলাইয়ে এই সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার ১৯৬ জনে পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধি আইন প্রয়োগের তৎপরতা বাড়ার ইঙ্গিত দিলেও এর স্বচ্ছতা ও মানবাধিকার মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে বলে মনে করে এমএসএফ।

এমএসএফের জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার মাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুন মাসে দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের মোট ৩২০টি ঘটনা পেয়েছিল তারা। জুলাই মাসে পেয়েছে ৩০৬টি। সার্বিক ঘটনা প্রায় ৪ দশমিক ৪ শতাংশ কমলেও পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলছে সংস্থাটি। তাদের পর্যবেক্ষণ হলো, মোট অপরাধ কমলেও নির্যাতনের ধরন এখন আরও বেশি নৃশংস ও জটিল রূপ নিয়েছে। এমএসএফের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, জুলাই মাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৯০টি। জুনে এই সংখ্যা ছিল ৬৮টি। অর্থাৎ এক মাসে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ। জুনে যৌন নিপীড়ন বা হয়রানির ঘটনা ছিল ২১টি। জুলাইয়ে তা বেড়ে হয়েছে ২২টি। অন্যদিকে জুনে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছিল ১৭টি। জুলাইয়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ টিতে। এক মাসে আত্মহত্যা বেড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। এমএসএফ মনে করে, ধর্ষণের মতো ঘটনা বৃদ্ধি নারী ও শিশুদের চরম নিরাপত্তাহীনতার ইঙ্গিত দেয়। আর আত্মহত্যার উচ্চ হার সামাজিক নিপীড়ন ও বিচারহীনতার মানসিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১১টি নবজাতক উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮টি ছিল মৃত, আর ৩টি জীবিত। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাধারণত এসব ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কার্যকর কোনো তদন্ত করে না। ফলে অপরাধীরা আইনের আওতার বাইরেই থেকে যায়। মৃত নবজাতকের ক্ষেত্রে পুলিশ সাধারণত অপমৃত্যুর মামলা করে। আর জীবিত নবজাতকদের সমাজসেবা অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এমএসএফের মতে, বেআইনি সালিস ও নবজাতক পরিত্যাগের ঘটনাগুলো সমাজে দায়মুক্তির সংস্কৃতিকে আরও দৃঢ় করছে।

 

আশাশুনিতে ডা. নুরুল আমিন স্মৃতি পাঠাগারের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ডা. নুরুল আমিন স্মৃতি পাঠাগারের উদ্বোধন

আশাশুনি প্রতিনিধি: জ্ঞানচর্চা ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের লক্ষ্যে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ‘ডা. নুরুল আমিন স্মৃতি পাঠাগার’-এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার সকালে পাঠাগার প্রাঙ্গণে প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রফেসর আব্দুস সবুরের সভাপতিত্বে সভায় আশাশুনির গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শিক্ষাবিদেরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাঠাগারটি পরিচালনার জন্য ১০১ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে প্রফেসর আব্দুস সবুরকে সভাপতি এবং এবিএম আলমগীর পিন্টুকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। সামাজিক পাঠঅভ্যাস বৃদ্ধি, সাহিত্যচর্চা ও বইভিত্তিক বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করাই এই পাঠাগারের মূল উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়।

সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে প্রায় ১৩ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে প্রায় ১৩ লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবি সদস্যরা বিশেষ চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণের ভারতীয় ওষুধ ও মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করেছেন। ৩১ জুলাই সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধীনস্থ তলুইগাছা, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপির একাধিক টহল দল এসব অভিযান পরিচালনা করে।

বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত পেরিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে আনা ১২ লাখ ৭৭ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় ওষুধ ও মোবাইল পার্টস আটক করা হয়। এসব চোরাচালানি মালামাল অবৈধভাবে দেশে আসায় দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। সীমান্ত এলাকায় এই চোরাচালানবিরোধী নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।