বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

শ্যামনগরে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

সংবাদদাতা: দুর্নীতি বিরোধী শপথের প্রদীপ্ত স্বাক্ষরে নতুন সূর্য শিখা জ্বলবেই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সততা চর্চায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বুধবার (২২ জুলাই) শ্যামনগর নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার আয়োজনে ও শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন ও শ্যামনগর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ব্যবস্থাপনায় উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি কৃষ্ণানন্দ মুখার্জীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং পুরস্কার বিতরণ করেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য কবি ও সাহিত্যিক মোঃ শহীদুর রহমান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুস সাত্তার, সদস্য মোঃ আকবর হোসেন প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা শিক্ষা ইন্সটাক্টর মোঃ কামরুজ্জামান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুব্রত কুমার মন্ডল, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা প্রকাশ কুমার মন্ডল। রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় শ্যামনগর উপজেলার ১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শ্যামনগর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সহকারি অধ্যাপক মানবেন্দ্র দেবনাথ।

 

 

 

 

Ads small one

গাজী নজরুলের এমপি পদ কি থাকছে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
গাজী নজরুলের এমপি পদ কি থাকছে?

নৈতিক স্খলনজনিত কারণে অবশেষে বহিষ্কার হলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকালে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়৷ গঠনতন্ত্রের ৬২ নং ধারা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে দলটি। তবে বহিষ্কারের পর তার সংসদ সদস্য পদ থাকবে কিনা, এ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। যদি না থাকে, তাহলে ওই আসনে নতুন করে ভোট হতে পারে।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোস্তফা শাকের উল্লাহ বলেন, কোনও ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হওয়া, নৈতিক বিতর্ক তৈরি হওয়া, সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা বা অভিযোগ ওঠার কারণে সংসদ সদস্যপদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হওয়ার বিধান নেই।

সংবিধানে এমন কোনও অনুচ্ছেদ নেই যেখানে শুধু অভিযোগ বা নৈতিক সমালোচনার ভিত্তিতে সরাসরি সদস্যপদ বিলুপ্তি হবে।

তবে ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যপদ শূন্য হয় যদি কোনও সদস্য যে রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে নির্বাচিত হয়েছেন, সেই দল থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন, অথবা সংসদে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দেন।

তিনি বলেন, দলীয় বহিষ্কার বা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হলে ৭০ অনুচ্ছেদের অধীনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংসদ সদস্যপদ বাতিল হওয়ার সুযোগ নেই।

তবে ফৌজদারি মামলায় তিনি যদি এমনভাবে দণ্ডিত হন, যাতে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ ও প্রাসঙ্গিক আইনের অধীনে তিনি সংসদ সদস্য থাকার অযোগ্য হয়ে পড়েন, তখন বিষয়টি সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হবে। আসন শূন্য হওয়ার প্রশ্ন দেখা দিলে সংবিধানের ৬৭(২) অনুযায়ী বিষয়টি রাষ্ট্রপতির নিকট যাবে এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনের মতামত গ্রহণ করে সিদ্ধান্ত দেবেন।

এ ক্ষেত্রে গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্যপদ আইনগত ও সাংবিধানিকভাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঝুঁকির মুখে নয়। দল তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত, এমনকি বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিলেও, শুধু সেই কারণে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হবে না। তবে তিনি যদি নিজে দল থেকে পদত্যাগ করেন (সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ), অথবা পরবর্তীকালে এমন কোনও আইনগত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়— যাতে তিনি সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ ও প্রযোজ্য আইনের অধীনে সংসদ সদস্য থাকার অযোগ্য হয়ে পড়েন, তাহলে সংবিধানে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় তার সদস্যপদের প্রশ্ন নিষ্পত্তি হবে জানান ব্যারিস্টার শাকের।

এর আগে বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতের দলীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার হলেও তার এমপি পদ থাকবে কিনা— জানতে চাইলে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, দল থেকে বহিষ্কার হলেই গাজী নজরুল ইসলামের এমপি পদ যাবে না। যদি তিনি অপরাধী হয়ে থাকেন, তাহলে আদালত সেটি দেখবে। এরপর ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন।

তবে তার দল থেকে পদত্যাগ করলে, আসনটি শুন্য ঘোষণা হবে। সে ক্ষেত্রে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে বলে জানান চিফ হুইপ।

গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকছে না, বললেন শিশির মনির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকছে না, বললেন শিশির মনির

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এরপর থেকে আলোচনা শুরু হয়েছে— তার সংসদ সদস্য পদ থাকছে কিনা। এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন— তার (গাজী নজরুল) সংসদ সদস্য পদ থাকছে না।

বুধবার (২২ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এমন মন্তব্য করেছেন শিশির মনির।

এর আগে বুধবার বিকালে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় তাকে গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


তারপরেই শিশির মনির নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে আছে ‘পদত্যাগ’। তিনি হয়েছেন ‘বহিষ্কার’। জামায়াত আজকেই নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিচ্ছে। কারণ ‘নৈতিকস্খলন’। প্রশ্ন হচ্ছে সংসদ সদস্য থাকতে পারবেন কিনা? আমার মতে না।’’

 

জ্বালানি তেল সংকটের গুজবে নলতাসহ কালিগঞ্জের সব পাম্পে বাইকারদের ভিড়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
জ্বালানি তেল সংকটের গুজবে নলতাসহ কালিগঞ্জের সব পাম্পে বাইকারদের ভিড়

আহাদুজ্জামান আহাদ: জ্বালানি তেলের সম্ভাব্য সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়ায় সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতাসহ বিভিন্ন এলাকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে মোটরসাইকেল আরোহীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বুধবার সকাল থেকেই উপজেলার অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি দেখা যায়।

স্থানীয়রা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মুখে মুখে জ্বালানি তেলের সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই আগেভাগেই মোটরসাইকেলের ট্যাংক ভর্তি করতে পাম্পে ছুটে আসেন। এতে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি চাপ সৃষ্টি হয় এবং অনেক পাম্পে মটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।

নলতা, কালিগঞ্জ সদর ও উপজেলার অন্যান্য ফিলিং স্টেশনেও একই চিত্র দেখা গেছে। মোটরসাইকেল চালকদের অনেকেই জানান, ভবিষ্যতে তেল সংকট দেখা দিতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই তারা আগে থেকেই তেল সংগ্রহ করছেন।

এদিকে, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গুজবের কারণে হঠাৎ করেই তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে সাময়িকভাবে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রকৃতপক্ষে জ্বালানি সরবরাহে কোনো আনুষ্ঠানিক সংকটের তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি সরকারের পক্ষ থেকেও জ্বালানি তেলের সংকটের কোন কথা বলা হয়নি।

সচেতন মহল গুজবে কান না দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিশ্চিত তথ্যের ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহ না করার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে কৃত্রিম সংকটের পরিস্থিতি তৈরি না হয়।