রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

শ্যামনগরে নদীর চরের হাজারো গাছ কেটে মাটিচাপা, হুমকিতে বেড়িবাঁধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে নদীর চরের হাজারো গাছ কেটে মাটিচাপা, হুমকিতে বেড়িবাঁধ

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে নদীর চরের অন্তত এক হাজার ছোট-বড় গাছ কেটে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে পূর্ব দুর্গাবাটী এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা গাছ নিধনের এই দৃশ্য দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খোলপেটুয়া নদীর চরে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো বিভিন্ন প্রজাতির গাছÑযা উপকূলীয় পরিবেশের জন্য ঢাল হিসেবে পরিচিত—সেগুলো নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে। গাছগুলো কাটার পর সেখানেই মাটিচাপা দিয়ে চরের জমি ভরাটের কাজ চলছে। এতে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি উপকূলীয় প্রাকৃতিক ভারসাম্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
পরিবেশকর্মীরা বলছেন, এই গাছগুলো জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় প্রথম বাধা হিসেবে কাজ করে। এভাবে বন উজাড় করলে নদীর চর দুর্বল হয়ে পড়বে এবং পার্শ্ববর্তী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেড়িবাঁধ ভয়াবহ ভাঙনের কবলে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “এই গাছগুলো আমাদের রক্ষা করে। এভাবে গাছ সাফ করে ফেললে সামান্য জলোচ্ছ্বাসে বাঁধ ভেঙে আমাদের ঘরবাড়ি সব তলিয়ে যাবে।”
গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, “আমার ইউনিয়নে নদীর চরের গাছ কেটে মাঠ তৈরি করা হচ্ছে অথচ আমরা কিছুই জানি না। শত বছরের পুরনো এসব গাছ কাটার অনুমতি কে দিল, প্রশাসনের কাছে আমার সেই প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমার দাবি, দ্রুত এই ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করা হোক।”
ইয়ুথ প্ল্যান বাংলাদেশের সভাপতি আবদুল হালিম বলেন, উপকূলীয় বনভূমি ধ্বংসের ফলে দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোনো বক্তব্য পাওয়া না গেলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদার জানান, বিষয়টি জানার পরপরই তাঁরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

Ads small one

নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপিজি, আবারও ‘দাম বাড়াতে’ শুনানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপিজি, আবারও ‘দাম বাড়াতে’ শুনানি

বাজারে নির্ধারিত দামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) না পাওয়ার অভিযোগের মধ্যেই আবারও দাম সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর এলপিজির দাম পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে এলপিজির বোতলজাতকরণ, ডিস্ট্রিবিউশন ও খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে চার্জ বা মুনাফা বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।

গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে বিইআরসি। তবে এতেও সন্তুষ্ট নন আমদানিকারক, ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা বিক্রেতারা। সম্প্রতি ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা বিক্রেতারা দুই দিনের ধর্মঘটের ডাক দিলে সরকার তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে। ওই বৈঠকে তাদের দাবি বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়।

গণশুনানি ছাড়া এলপিজির বোতলজাতকরণ চার্জ, ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা ব্যবসায়ীদের মার্জিন বাড়ানোর সুযোগ নেই বিইআরসির। এ কারণে সংশ্লিষ্টদের প্রস্তাব দিতে বলা হয়।

প্রস্তাবে এলপিজি কোম্পানিগুলো বোতলজাতকরণ চার্জ প্রতি কেজিতে ১৫ থেকে ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ থেকে ৩০ টাকা করার কথা বলেছে। একই সঙ্গে ডিস্ট্রিবিউটরদের চার্জ প্রতি কেজিতে ৪ টাকা ১৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৩ পয়সা এবং খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ ৩ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ডিস্ট্রিবিউটররা প্রতি ১২ কেজির সিলিন্ডারে তাদের চার্জ ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা এবং খুচরা ব্যবসায়ীরা ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করেছেন।

বিইআরসির এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৯ অক্টোবর সরকারি ও বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ের মূল্য পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এতে বেসরকারি এলপিজির মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ, ডিস্ট্রিবিউটর চার্জ এবং খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ের বর্তমান দাম পরিবর্তনের জন্য এলপি গ্যাস লিমিটেড এবং বেসরকারি এলপিজির মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ, বিতরণ চার্জ ও খুচরা বিক্রয় চার্জসহ ভোক্তাপর্যায়ের দাম পরিবর্তনের জন্য কয়েকটি বেসরকারি এলপিজি মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ লাইসেন্সি বিইআরসিতে প্রস্তাব জমা দিয়েছে। এ ছাড়া বিতরণ চার্জ পরিবর্তনের জন্য কয়েকটি এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর লাইসেন্সিও প্রস্তাব দিয়েছে। এসব প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানির আয়োজন করা হচ্ছে।

কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও দাম সমন্বয়ের আবেদন

গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজি বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে বিইআরসি। এর আগে সেপ্টেম্বরে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা।

যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়। লিটারপ্রতি অটোগ্যাসের দাম ৭৩ টাকা ৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।

এ ছাড়া সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯১৩ টাকা, ১৫ কেজির ২ হাজার ২৯৬ টাকা, ১৬ কেজির ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ কেজির ২ হাজার ৭৫৫ টাকা, ২০ কেজির ৩ হাজার ৬১ টাকা, ২২ কেজির ৩ হাজার ৩৬৭ টাকা, ২৫ কেজির ৩ হাজার ৮২৭ টাকা, ৩০ কেজির ৪ হাজার ৫৯২ টাকা, ৩৩ কেজির ৫ হাজার ৫১ টাকা, ৩৫ কেজির ৫ হাজার ৩৫৭ টাকা এবং ৪৫ কেজির ৬ হাজার ৮৮৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

বিইআরসির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের লাইসেন্সিরা আবেদন করেছে। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা শুনানি করতে যাচ্ছি। শুনানি হলেই যে দাম বাড়বে, বিষয়টা এমন নয়। তাদের দাবিগুলো, যুক্তিগুলো আমরা শুনবো। সবাই মতামত দেওয়ার জন্যই শুনানি করা হচ্ছে।’

ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর আবারও শুনানি

গত ১২ অক্টোবর এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের হয়রানির প্রতিবাদে দুই দিন সারা দেশে গ্যাসের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। সমিতির সভাপতি সেলিম খান সে সময় বলেন, গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ও সরবরাহ নিয়ে বারবার হয়রানির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের দাবিদাওয়া মানা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাসিরুদ্দিন নাসিম অভিযোগ করেন, মাত্র পাঁচটি কোম্পানির হাতে এলপি সিলিন্ডার গ্যাসের বিপণন জিম্মি। তাদের মাধ্যমে স্বৈরাচারী কায়দায় এলপিজির দাম বাড়ানো হচ্ছে বলেও ক্ষোভ জানান তিনি।

এরপর ১৪ অক্টোবর বিইআরসি তাদের দাবির বিষয়ে শুনানি করার ঘোষণা দিলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়। এর আগে একই দিন সকালে সচিবালয়ে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

সেলিম খান বলেন, ‘আমাদের ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরেই হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আমরা জানি, দেশের বড় পাঁচটি কোম্পানির হাতে এলপিজি জিম্মি। এই মুহূর্তে প্রায় তিন কোটি সিলিন্ডার এমনিতেই পড়ে আছে। এর মধ্যে ১ কোটি বসুন্ধরার। প্রায় ১৫টির মতো কোম্পানি নানা জটিলতায় এলসি করতে পারছে না, এলপিজি আনতে পারছে না। এই ৩ কোটি সিলিন্ডার যদি এলপিজি পেতো, তাহলে সংকট অনেকটা কেটে যেতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাসের শুরুতে বিইআরসি একটা দাম নির্ধারণ করে। এরপর কোম্পানিগুলো একবারের জায়গায় অনেক সময় মাসের মধ্যে দুইবারও দাম নির্ধারণ করে। এতে করে আমরা বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করি। আমাদের দাবি, কোম্পানিগুলো যেন বিইআরসির অনুমতি ছাড়া দাম নির্ধারণ করতে না পারে।’

গাড়িতে গুলির ঘটনায় আসিফ আকবরের মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
গাড়িতে গুলির ঘটনায় আসিফ আকবরের মামলা

রাজধানীর মগবাজারে নিজের গাড়িতে গুলির ঘটনায় মামলা করেছেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে হাতিরঝিল থানায় তিনি নিজেই বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এজাহারে কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়নি। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। তবে এখনো এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোর পৌনে ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। ঘটনার সময় তিনি গাড়িতে ছিলেন না; বিশাল সেন্টারে অবস্থিত নিজের ব্যক্তিগত কার্যালয় বা স্টুডিওতে ছিলেন। গাড়িতেও অন্য কেউ ছিলেন না। ফলে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে গাড়িটির পেছনের জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পুলিশ জানায়, সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় এসে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি গাড়িটি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। পরে তিনি ওই অটোরিকশায় করেই মালিবাগের দিকে পালিয়ে যান।

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ৫ জেলায় স্কুল বন্ধ ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ৫ জেলায় স্কুল বন্ধ ঘোষণা

বঙ্গোপসাগরে ক্রমেই শক্তি বাড়াচ্ছে নিম্নচাপ, যা রূপ নিতে পারে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে। সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘অর্ণব’। ভারতের আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস, আগামী ২৮ অক্টোবর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে এটি। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় এরই মধ্যে সতর্কতামূলক প্রস্তুতি জোরদার করেছে ওডিশা সরকার। ঝুঁকি বিবেচনায় রাজ্যের পাঁচ জেলায় ২৮ ও ২৯ অক্টোবর স্কুল, কলেজ ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের (আইএমডি) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাটলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে। তবে আবহাওয়াবিষয়ক পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়া এখনো চলমান।

সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় ওডিশার গঞ্জাম, গজপতি, রায়গড়া, কোরাপুট ও মালকানগিরি জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাজ্য সরকার জেলা কালেক্টর, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করে প্রস্তুতি ও জরুরি কার্যক্রম তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি দুর্যোগ মোকাবিলায় জননিরাপত্তা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া এবং দ্রুত জরুরি সাড়া দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানি শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েও কাজ করছে রাজ্য সরকার।

আইএমডির পূর্বাভাসে অন্ধ্রপ্রদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ ও উপকূলীয় ওডিশায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে প্রবেশের আগে ও পরে আশপাশের এলাকায় আবহাওয়ার পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। তথ্যসূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ