Header Top Small Advertisement

17158135 - online internet banner with text your ad here on a web page web page with all pictures and informations are created by contributor himself
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩

সংস্কারের পরিকল্পনা সহজ, বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
সংস্কারের পরিকল্পনা সহজ, বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সংস্কার পরিকল্পনা প্রণয়ন নয়, বরং সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। দুর্বল রাজনৈতিক অঙ্গীকার, সমন্বয়ের ঘাটতি, গোষ্ঠীস্বার্থ এবং জবাবদিহির অভাবের কারণে অনেক ভালো উদ্যোগই শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়ে যায় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) রাজধানীতে সানেম আয়োজিত নবম বার্ষিক অর্থনৈতিক সম্মেলনের অধিবেশনে ‘রোমান্সিং দ্য রিফর্ম: দ্য বাংলাদেশ স্টোরি’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, “দেশে ‘সংস্কার’ এখন অনেকটাই প্রচলিত শব্দে পরিণত হলেও বাস্তব পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন শক্ত রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি এবং কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা।” সংস্কারের পরিকল্পনা তৈরি করা তুলনামূলক সহজ, কিন্তু তা বাস্তবায়ন করাই আসল চ্যালেঞ্জ বলেও জানান তিনি।

সংস্কার প্রক্রিয়াকে ‘রোমান্স’-এর সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, “এতে যেমন প্রত্যাশা থাকে, তেমনি থাকে নানা বাধা, ধৈর্য ও পুনরুদ্ধারের গল্প।” তার মতে, “সংস্কার কোনও এককালীন ঘটনা নয়; বরং এটি একটি চলমান রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া, যা প্রেক্ষাপট, নেতৃত্ব ও জনমতের ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে।”

তিনি উল্লেখ করেন, “সংকট, বৈশ্বিক চাপ, মূল্যস্ফীতি, দুর্বল প্রতিষ্ঠান, বৈষম্য কিংবা দুর্নীতির মতো বাস্তবতা থেকেই সাধারণত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়। তবে এসব উদ্যোগের সফলতা নির্ভর করে এর পরিধি, বাস্তবায়নের ধাপ, গতি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মালিকানাবোধের ওপর।”

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে নানা ধরনের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গঠন, বেসরকারিকরণ, ভ্যাট ব্যবস্থা চালু, বিনিময় হার সংস্কার, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, ডিজিটালাইজেশন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র চালুর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই অগ্রগতি মন্থর হয়ে পড়েছে।”

এই মন্থরতার পেছনে তিনি ‘লুণ্ঠনমূলক উত্তরাধিকার’-এর কথা তুলে ধরেন। তার ভাষায়, “অনিয়ন্ত্রিত দুর্নীতি, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার, দুর্বল প্রতিষ্ঠান এবং রাজনৈতিক-আমলাতান্ত্রিক-ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর যোগসাজশ সংস্কার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং ক্রোনি পুঁজিবাদকে উৎসাহ দিচ্ছে।”

দেবপ্রিয় বলেন, “অনেক সংস্কার উদ্যোগ জোরালোভাবে শুরু হলেও পরবর্তীকালে গতি হারায় বা দিকচ্যুত হয়। এর পেছনে সরকারের অভ্যন্তরে সমন্বিত অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির অভাব, অংশীজনদের যথাযথ সম্পৃক্ত না করা এবং স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর বাধা অতিক্রমে ব্যর্থতা বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে।”

জবাবদিহির ঘাটতির বিষয়টিও তুলে ধরে তিনি বলেন, “এমন কোনও কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি, যেখানে নাগরিকরা সরাসরি দেখতে পারেন কোন সংস্কার কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে।” ব্যাংক খাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি সাম্প্রতিক ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের সংশোধনীর সমালোচনা করেন। তার মতে, “সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের ওপর সাবেক মালিকদের পুনরায় নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা ‘অলিগার্কিক’ প্রভাবেরই প্রতিফলন।”

ক্রমবর্ধমান খেলাপি-ঋণ মোকাবিলায় রাজনৈতিকভাবে কঠিন হলেও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “ব্যাংকিং খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কমাতে হবে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন জোরদার করতে হবে।”

এছাড়া রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, ভর্তুকির যৌক্তিকীকরণ এবং সরকারি ব্যয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি সরকারের সংস্কার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

Ads small one

সাতক্ষীরায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ফিলিং স্টেশনে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ফিলিং স্টেশনে জরিমানা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় মজুদ থাকা জ্বালানি তেল নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে দুইটি ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার (১৯ এপ্রিল) শহরের পৃথক দুটি ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা শহরের এ বি খান ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা এবং লস্কর ফিলিং স্টেশনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ১১টা এবং দুপুর ১২টার দিকে পৃথক সময়ে অভিযান চালিয়ে এসব জরিমানা আরোপ করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নতুন মূল্য ঘোষণার পর জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার জেলার সকল ফিলিং স্টেশনকে নির্দেশ দেন, আগে থেকে মজুদ থাকা তেল পুরোনো দামে বিক্রি করতে হবে। শুধুমাত্র নতুন করে ডিপো থেকে সরবরাহকৃত তেল বর্তমান নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার কথা বলা হয়। তবে নির্দেশনা অমান্য করে বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশন সকালে থেকেই বাড়তি দামে তেল বিক্রি শুরু করে।

 

এ সময় স্টেশনগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসাররা বাধা দিলে কিছু সময়ের জন্য তেল বিক্রি বন্ধ রাখে মালিকরা। পরে আবারও নতুন দামে বিক্রি শুরু করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে।
অভিযানের শুরুতেই শহরের দুটি ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।

এদিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দৈনিক জ্বালানি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ২৯টি ফিলিং স্টেশনে বর্তমানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ ১ হাজার ৪৩২ লিটার ডিজেল, ৫৪ হাজার ৪৮৫ লিটার পেট্রোল এবং ২২ হাজার ৬৮৩ লিটার অকটেন রয়েছে।

জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার শাহেদ হোসেন জানান, মজুদকৃত তেল অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ফিলিং স্টেশনগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার অন্যান্য ফিলিং স্টেশনগুলোকেও সতর্ক করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় জেলাব্যাপী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

 

 

 

আশাশুনিতে ট্রাকলোডে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ট্রাকলোডে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে ট্রাকে তরমুজ লোড করতে দাবীকৃত চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় ব্যবসায়ীকে বেদম মারপিট করে আহত করা হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৭.৩০ টার দিকে বড়দল ইউনিয়নের বামনডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বামনডাঙ্গা গ্রামের মৃত নিতাই পদ মন্ডলের ছেলে ভবতোষ কুমার মন্ডল জানান, তিনি বামনডাঙ্গা বিলে ২২ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। উৎপাদিত তরমুজসহ এলাকা থেকে ক্রয়কৃত তরমুজ ট্রাকে ভরে কুষ্টিয়া, ঢাকা, রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে থাকেন।

 

তারসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা এখানের রাস্তার পাশে ট্রাক থামিয়ে মাল লোড করে থাকেন। ঘটনার সময় তার একটি ট্রাক বামনডাঙ্গায় চেয়ারম্যানের বাড়ির দক্ষিণ পাশে রাস্তায় দাড় করানো হয়। এসময় পঞ্চরাম সানা সেখানে ট্রাক সরিয়ে দিলে মিন্টুর বাড়ির কাছে নেয়া হয়।

 

তারপরও অমল সানা চাঁদা না পাওয়ায় বাধ সাধেন এবং কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পঞ্চরাম সানা, অমল সানা ও তার স্ত্রী শিউলী দত্ত একযোগে তার উপর হামলা চালায় এবং গাছের ডাল ও কচা নিয়ে হামলা চালালে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেও রক্ষা পায়নি। তাদের মারপিটে ভবতোষ অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। এসময় তার কাছে থাকা আড়াই লক্ষ টাকার বান্ডেল খোয়া যায়।

 

পরে এক লক্ষ টাকার একটি বান্ডেল পাওয়া গেলেও বাকী টাকার হদিছ মেলেনি বলে তিনি জানান। পাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে মাথায় পানি দিয়ে জ্ঞান ফিরলে আশাশুনি হাসপাতালে নেয়া হয়। এ ব্যাপারে এলাকার মানুষ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানিয়েছেন। অভিযুক্ত প্রতিপক্ষের বক্তব্য পেতে যোগাযোগ করেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

 

 

 

আশাশুনি বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিবের বিবৃতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
আশাশুনি বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিবের বিবৃতি

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন সলুয়া ও হাড়িয়ার খাল নিয়ে কাদা ছড়াছড়ির ব্যাপারে বিবৃতি প্রদান করেছেন। রবিবার (১৯ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি বিবৃতি প্রদান করেন।

আশাশুনি উপজেলা সদরের মৌজা ও বিলের চিত্র তুলে ধরে বিবৃতিতে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইনে সদরের সলুয়া ও হাড়িয়ার খাল নিয়ে আমাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালান হয়েছে। এর সাথে আমার কোন প্রকার সম্পৃক্ততা নেই, আগেও ছিলনা, ভবিষ্যতেও থাকবেনা। আমি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করবো, আমার প্রতিপক্ষ আমার সুনাম নষ্ট ও হেয় প্রতিপন্ন করতে আমাকে জড়িয়েছে।

 

সংবাদের সূত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাকে কোন সাংবাদিক ফোন করেননি। কেউ রিং করলে কথা হতো, ধরতে না পারলের ফোন ব্যাক করতাম। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খালের দু’পাশে মাছ চাষের কারনে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এলাকার জনগণ জলাবদ্ধতা নিরসন কল্পে নেটপাটা অপসারন করেছে বলে জেনেছি। সেখানে কেই দখল করেনি বলে তিনি জানান।