Header Top Small Advertisement

17158135 - online internet banner with text your ad here on a web page web page with all pictures and informations are created by contributor himself
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩

দেবহাটায় ওপিডি সমূহের টেকসই সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় ওপিডি সমূহের টেকসই সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ

সংবাদদাতা: দেবহাটায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ওপিডি সমূহের টেকসই সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ২দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার হাদিপুরে (১৮ ও ১৯ এপ্রিল) তারিখে দুই দিনব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। যা জার্মান কোঅপারেশন ও ডিএএইচ-এর সহায়তায় ডিজএ্যবল্ড রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন (ডিআরআরএ) প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন (ওপিডি) নেতৃবৃন্দের জন্য এ আয়োজন করে।

 

অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল ওপিডি সমূহের টেকসই সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এতে ১২টি ওপিডি থেকে মোট ২০ জন প্রতিনিধি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। প্রথম দিনে উদ্বোধনী বক্তব্যের পাশাপাশি রিসোর্স ম্যাপিং ও স্টেকহোল্ডার প্রক্রিয়া বিষয়ক বিভিন্ন সেশন অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় দিনে অ্যাডভোকেসি ও নেটওয়ার্কিং সংক্রান্ত বিষয়সমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

 

পুরো প্রশিক্ষণটি তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক উভয় পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়, যার সেশন পরিচালনা করেন ডিআরআরএ-এর টেকনিক্যাল কোঅর্ডিনেটর দেবেশ দাস। প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন ডিআরআরএ-এর ম্যানেজার তরুণ কুমার সরদার। সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন দেবহাটা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম। তিনি অংশগ্রহণকারীদের অর্জিত জ্ঞান বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

Ads small one

সৌদি আরবে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান মোতায়েন কীসের ইঙ্গিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান মোতায়েন কীসের ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ নিরসনে যখন ইসলামাবাদে আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই ১১ এপ্রিল সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান অবতরণ করেছে। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তায় পাকিস্তান একটি বড় ও দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সংবাদমাধ্যম আল-মনিটর এ খবর জানিয়েছে।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে স্বাক্ষরিত কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় এই বিমানগুলো মোতায়েন করা হয়েছে। সৌদি আরবে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হলেও আক্রমণের ছয় সপ্তাহ পর এই দেরিতে মোতায়েন ইঙ্গিত দেয় যে পাকিস্তান অত্যন্ত ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজের নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা অংশীদারত্ব বৃদ্ধি করা।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে সৌদি আরব বেশ কয়েকবার ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। যদিও কাতার বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের তুলনায় সৌদি আরবে হামলার তীব্রতা কিছুটা কম ছিল। তবু ধারণা করা হয়েছিল যে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর অংশগ্রহণ আরও আগেই ঘটবে।

তবে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আলোচনা সফলভাবে এগিয়ে নেওয়ার পর ৭ এপ্রিল জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এরপরই ইসলামাবাদ রিয়াদকে নিরাপত্তায় আশ্বস্ত করতে মাঠে নামে।

সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা সম্পর্ক নতুন নয়। ১৯৬০-এর দশক থেকেই পাকিস্তান সৌদি আরবের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছে। ১৯৬৭ সালে দেশ দুটির মধ্যে প্রথম প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর থেকে নিয়মিত সেনা বিনিময় ও যৌথ মহড়া হয়ে আসছে। ১৯৮২ সালে সৌদি সশস্ত্র বাহিনী প্রতিষ্ঠার পর থেকে সেখানে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত পাকিস্তানি সেনা মোতায়েন ছিল। ২০১৭ সাল থেকে পাকিস্তানের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল রাহিল শরীফ সৌদি নেতৃত্বাধীন ইসলামিক মিলিটারি কাউন্টার টেররিজম কোয়ালিশন পরিচালনা করছেন, যা ইসলামাবাদকে সৌদির নিরাপত্তা কাঠামোর গভীর অংশে স্থান দিয়েছে।

নতুন এসএসডিএ চুক্তিটি এই অংশীদারত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এই চুক্তির অধীনে সৌদি আরবে পাকিস্তানি সেনা মোতায়েনের সংখ্যা ৫০ হাজারে উন্নীত হতে পারে। চুক্তিটির শর্তাবলি কিছুটা অস্পষ্ট রাখা হয়েছে, যাতে কোনও কঠোর প্রতিশ্রুতি ছাড়াই আঞ্চলিক হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে অংশীদারত্ব বাড়ানো যায়।

পাকিস্তানের এই সামরিক পদক্ষেপের সময়টি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭৯ সালের পর প্রথমবারের মতো উচ্চপর্যায়ের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা যখন ইসলামাবাদে চলছিল, তখনই এই মোতায়েনের ঘটনা ঘটলো। যুদ্ধের এই সন্ধিক্ষণে আলোচনার ঝুঁকি ছিল অনেক বেশি। আলোচনা ব্যর্থ হলে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরান বড় ধরনের হামলা চালাতে পারতো, যা সৌদি আরবকে সরাসরি যুদ্ধে টেনে নিতো।

এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান একটি চরম বিপর্যয়কর পরিস্থিতির প্রস্তুতি নিয়েছিল। কৌশলগত বিশ্লেষক চৌধুরী নাতিফ ওবায়েদ বলেন, ১৩ হাজার সেনার সম্ভাব্য মোতায়েন কেবল রুটিন মহড়া নয়, বরং এটি উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কায় ফরোয়ার্ড ডিফেন্স পজিশনিংয়ের ইঙ্গিত। তার মতে, ইসলামাবাদ তার প্রথাগত ‘ভারসাম্য বজায় রাখার’ নীতি থেকে বেরিয়ে এসে উপসাগরীয় নিরাপত্তায় সরাসরি সামরিক ভূমিকা রাখার দিকে ঝুঁকছে।

তিনি আরও বলেন, ইরান যদি পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করে, তবে পাকিস্তানের সামরিক অবস্থান আরও সক্রিয় হতে পারে। প্রতিরক্ষা থেকে তারা সক্রিয় বিমান প্রতিরক্ষা ভূমিকায় চলে যেতে পারে। তবে সৌদি আরবের অস্তিত্ব সংকটাপন্ন না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তান সরাসরি কোনও আক্রমণাত্মক অপারেশনে যাবে না বলে তিনি মনে করেন।

প্রতিরক্ষা শিল্প পরামর্শক হায়দার হোসেনের মতে, এই মোতায়েন ‘পর্যায়ক্রমিক উত্তেজনা’ কৌশলের অংশ। তিনি বলেন, যদি শুরুতেই এই মোতায়েন করা হতো, তবে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার পথ বন্ধ হয়ে যেত। কারণ তেহরান একে নিরপেক্ষতা নয়, বরং সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের সরাসরি মিত্রতা হিসেবে দেখতো। গত ১২ মার্চ জেদ্দায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকেই এই সমন্বয় করা হয়েছিল।

তেহরান ও রিয়াদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে ইসলামাবাদ প্রথমে কূটনৈতিক আলোচনার ওপর জোর দিয়েছিল। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ৩ মার্চ জানিয়েছিলেন, তিনি ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন এবং সৌদি আরবের ওপর হামলা না করার নিশ্চয়তা চেয়েছেন। তবে সেই নিশ্চয়তা বেশি দিন টেকেনি, কারণ সেদিনই ইরান সৌদি আরবে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়।

আন্ডারস্ট্যান্ড মিনা-এর প্রতিষ্ঠাতা নিকোলাই ডিউ-গুন্ডারসেনের মতে, ইরান আগে থেকেই নিশ্চয়তা নিয়েছিল যে সৌদি ভূমি থেকে কোনও আক্রমণ চালানো হবে না। তাই পাকিস্তানের এই মোতায়েনকে উত্তেজনার চেয়ে ‘প্রতিশ্রুতি রক্ষা’ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

জেনেভাভিত্তিক ভূ-কৌশলগত বিশ্লেষক তোরেক ফারহাদি বলেন, এসএমডিএ চুক্তিটি ব্যবসা, ধর্ম ও সংস্কৃতির বাইরে দুই দেশের সম্পর্ককে শক্তিশালী করেছে। এই চুক্তি পাকিস্তানকে সৌদি আরবের এক গুরুত্বপূর্ণ মিত্র করে তুলেছে, আর ইরানও বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন।

সৌদি আরবে পাকিস্তানি সেনা সদস্যদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে অর্থনৈতিক কারণও গুরুত্বপূর্ণ। এসএমডিএ চুক্তিতে বলা হয়েছে, ‘এক দেশের ওপর আগ্রাসন মানেই উভয়ের ওপর আগ্রাসন’। তবে এর বাস্তবায়নের জন্য বড় ধরনের লজিস্টিক ও অপারেশনাল সমর্থন প্রয়োজন।

এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার ঠিক একদিন আগে সৌদি অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-জাদান ইসলামাবাদ সফর করেন, যা সৌদি আরবের আর্থিক সমর্থনেরই ইঙ্গিত। আবুধাবি ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের আমানত তুলে নেওয়ার পর সৌদি আরব ও কাতার ৫ বিলিয়ন ডলার দিয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করেছে এবং রিয়াদ অতিরিক্ত ৩ বিলিয়ন ডলারের নতুন সহায়তা প্রদান করেছে। কয়েক দশক ধরে পারমাণবিক কর্মসূচির তহবিল থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার সময় পর্যন্ত সৌদি আরব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসেবে কাজ করেছে। নতুন এই প্রতিরক্ষা চুক্তি তাই কেবল সামরিক সহযোগিতার ওপর নয়, বরং দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে।

ইরানের বিরুদ্ধে লড়াই এখনও শেষ হয়নি: নেতানিয়াহু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
ইরানের বিরুদ্ধে লড়াই এখনও শেষ হয়নি: নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে লড়াই এখনও শেষ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। রবিবার সফররত আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইকে পাশে নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ প্রচেষ্টা সম্পর্কে নেতানিয়াহু বলেন, এই লড়াই এখনও শেষ হয়নি।

পরিস্থিতির সম্ভাব্য পরিবর্তন সম্পর্কে সতর্ক করে তিনি বলেন, যেকোনও মুহূর্তেই নতুন কোনও ঘটনা ঘটতে পারে। কে জানে আগামীকাল বা তার পরের দিন কী অপেক্ষা করছে।

ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে নেতানিয়াহু আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন, আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জন করব এবং বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য আরও আশা ও আলোকবর্তিকা বয়ে আনব।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

সাতক্ষীরা বাইপাস সড়কে অবৈধ দখল, ঝুঁকিতে পথচারী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা বাইপাস সড়কে অবৈধ দখল, ঝুঁকিতে পথচারী

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা শহরের বাইপাস সড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ বাণিজ্য। বিশেষ করে মৌবন রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন এলাকায় সড়কের পাশের ফুটপাত বালু বাঁশ ফেলে দখল করে রেখেছেন কিছু ব্যবসায়ী ও ভ্রাম্যমাণ দোকানি। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই দখলদারিত্ব চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই। ফলে পথচারীদের চলাচলের জন্য নির্ধারিত ফুটপাত ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

 

রোববার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ও দুপুরে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময় পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। দ্রুতগতির যানবাহনের ভিড়ে যে কোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, ফুটপাত দখলমুক্ত করতে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি জরুরি। অন্যথায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।