রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিস ভবন সৌরবিদ্যুতে চলে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিস ভবন সৌরবিদ্যুতে চলে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, সোলার পাওয়ার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সিরিয়াস। সচিবালয় প্রধানমন্ত্রী যে ভবনে বসেন, সে ভবনটি কিন্তু শতভাগ সোলার এনার্জিতে নিয়ে আসা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি, বিভিন্ন জায়গায় সরকারি দফতরগুলোতে যতটুকু পারি সোলার এনার্জি ব্যবহার করার জন্য।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর এনআরবি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, সরকার বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কিন্তু উদ্যোগ নিয়েছে। সেখানে চীন আছে, জাপান আছে; বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমাদের কথা হচ্ছে। এলএনজি আরও বাড়ানোর জন্য আমরা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় চেষ্টা করছি।

শামা ওবায়েদ বলেন, ডাইভার্সিফিকেশন ইকোনমিক ডিপ্লোমেসিতে এই যুদ্ধটা আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে, আমরা যদি একটা সোর্সের ওপর বেশি ডিপেন্ডেন্ট থাকি, সেটা এনার্জি বলেন বা অন্য কোনও প্রোডাক্ট বলেন—অর্থনীতির ওপর বিশাল চাপ পড়ে। আমরা এনার্জির জন্য ডাইভার্সিফিকেশনের চেষ্টা করছি। আফ্রিকান কান্ট্রিগুলার দিকে দেখছি, আমি ব্যক্তিগতভাবে আফ্রিকান কন্টিনেন্ট নিয়ে অনেক কাজ করছি। আফ্রিকাতে এনার্জি সোর্স পাওয়া যায় কি না সেটা চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে আমাদের প্রধানমন্ত্রী এই প্রথম জাতিসংঘের সাধারণ সভায় অংশগ্রহণ করবেন। যেখানে বিএনপির ফরেন পলিসি- বাংলাদেশ ফার্স্ট বা সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিপাদ্য মাথায় রেখে বাংলাদেশকে তুলে ধরার বিশাল সুযোগ। সেখানে আমাদের জাতীয় স্বার্থ গুরুত্ব পাবে। বাংলাদেশের যেসব সম্ভাবনা আছে, সেগুলো গুরুত্ব পাবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতি কীভাবে হতে পারে সেটা গুরুত্ব পাবে। সবকিছু মিলিয়েই এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সবদিক দিয়ে এই সেশনটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে আমাদের জন্য।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা শুধু ভালোটা বহির্বিশ্বে প্রচার করতে চাই না। আমরা আসলেই ভালো কিছু করতে চাই। যাতে আপনারা বলতে পারে যে, ভালো কিছু হচ্ছে। বর্তমান সরকারের প্রধান ম্যানিফেস্টো হলো অর্থনৈতিক কূটনীতি। সেই জায়গাটা থেকে বিচার করলে, শুরু থেকে একটা ভঙ্গুর অর্থনীতি যেটাকে আমরা অলরেডি ইনহেরিট করেছি। একটা ভাঙাচোরা অবস্থা থেকে তুলে এনে একটা সঠিক প্রসেসে যেতে সময় লাগে।

তিনি বলেন, শুরুর দিন থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চেষ্টা করছেন। উনি চেষ্টা করছেন, ব্যাংকিং সেক্টরটাকে ট্রান্সপারেন্ট করতে। তিনি চাচ্ছেন এমন একটা পরিবেশ তৈরি করতে যেন বিদেশিরা ইনভেস্ট করে। শুধু বিদেশিরা না, বাংলাদেশি যারা বিদেশে থাকেন, তারাও যেন দেশে ফেরত এসে ইনভেস্ট করেন। বাস্তবতা হলো আমি চাইলেই কেউ বিনিয়োগ করতে চলে আসবে না, পরিবেশটা আমাদের তৈরি করতে হবে।

অবৈধ অভিবাসন দেশের ইমেজ নষ্ট করে উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের আমরা অত্যন্ত সম্মান করি। এই গাল্ফ যুদ্ধে আমাদের ১২ জন ভাই প্রাণ হারিয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজ করতে গিয়ে আমি দেখেছি, আমাদের ভাইয়েরা সৌদি আরব, কাতার, আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া এসব দেশে বেশি, ইতালিসহ ইউরোপেও আছে। কিন্তু এই যে অবৈধভাবে যাওয়ার প্রবণতা এটা একটা সমস্যা। আমাদের দেশি ভাইয়েরা ভূমধ্যসাগর হয়ে দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে লিবিয়া থেকে ইতালি বা স্পেনে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের মাঝ সাগরে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। তারা মৃত্যুবরণ করছেন। এই জায়গাটাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে খুব জোরভাবে কাজ করছে। তো আমাদের দেশের মানুষ যখন এভাবে অবৈধভাবে অন্য দেশে যায়, এই ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশের একটা বিশাল প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। এই জায়গাটাযতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হাত দিয়েছেন। আমরা স্কিলড লেবার পাঠাতে চাই।

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কয়েক মাসে এয়ারপোর্টের অবস্থা চেঞ্জ হবে না, কিন্তু আমরা শুরু করেছি। এয়ারপোর্টের সিচুয়েশন এবং ভিসা পলিসিতে হাত দিয়েছি। যারা বিজনেস ভিসা, টুরিস্ট ভিসা বা ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে এখানে আসে, তাদের ভিসা সহজীকরণে পলিসিগত কিছু পরিবর্তন এনেছি। এটা ক্যাবিনেটে অলরেডি পাস হয়েছে। সেটা সামনে পার্লামেন্টে হয়তো উঠবে। এ সবকিছু কিন্তু প্রধানমন্ত্রী করছেন বাংলাদেশকে ইনভেস্টমেন্ট ফ্রেন্ডলি করার জন্য। আমরা ফ্রি মার্কেট ইকোনমির কথা বলি, আমাদের তো আগে সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে যাতে করে বিদেশিরা এখানে আসতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে।

Ads small one

সোনাবাড়ীয়ায় প্রভাতী সংঘের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সোনাবাড়ীয়ায় প্রভাতী সংঘের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ৬নং সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নে সোনাবাড়ীয়া প্রভাতী সংঘ আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল খেলা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় সোনাবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয় সোনাবাড়ীয়া ইউনাইটেড ফুটবল একাদশ ও সোনাবাড়ীয়া দুরন্ত ফুটবল একাদশ। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় দুরন্ত ফুটবল একাদশকে ২-১ গোলে পরাজিত করে সোনাবাড়ীয়া ইউনাইটেড ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

ফাইনাল খেলাকে ঘিরে সকাল থেকেই সোনাবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ ও আশপাশের এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। খেলা উপভোগ করতে সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ফুটবলপ্রেমী দর্শক মাঠে উপস্থিত হন। দর্শকদের করতালি, উচ্ছ্বাস ও খেলোয়াড়দের নান্দনিক ফুটবল নৈপুণ্যে পুরো মাঠ পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত ক্রীড়াঙ্গনে।

সোনাবাড়ীয়া প্রভাতী সংঘের আহবায়ক মেহেদী হাসান রাজুর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান এর সঞ্চালনায় খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।

খেলাটি উপভোগ করেন ৬নং সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোকলেছুর রহমান, আকবর আলী বুলবুল, মাস্টার আব্দুল আজিজ বাবু, লেয়াকত আলী,আব্দুস সবুর, আরশাদ আলী,উজ্জল হোসেন, আমির হোসেন, আব্দুর রউফ, মাসুদ রানা, আরশাদ আলী, খালিদ হোসেন, খোরশেদ আলম, রুবেল হোসেন, শফিকুল ইসলাম, তুহিনুজ্জামান তুহিন, আব্দুল্লাহ, সোহাগ, জুয়েল, শাহাজান, তারেক, আলমগীর, ডাবলু, হাসান, রাজ্জাক, আলামিনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ফাইনাল ম্যাচটি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেন রেফারি আনার হোসেন বাচ্চু। তার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিচালনায় খেলাটি আরও উপভোগ্য হয়ে ওঠে। মাঠে প্রাণবন্ত ধারাভাষ্য দেন আনারুল ইসলাম ও আব্দুস সাত্তার। তাদের সাবলীল ধারাভাষ্য দর্শকদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।
আয়োজকরা জানান, যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা, মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে তরুণদের দূরে রাখা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়াচর্চার পরিবেশ সৃষ্টি করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজনের মাধ্যমে এলাকার তরুণদের সুস্থ, সুন্দর ও সুশৃঙ্খল জীবনযাপনে উৎসাহিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

ফাইনাল খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় আয়োজক ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

তালা কামেল মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন ইউএনও জান্নাতুল আফরোজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
তালা কামেল মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন ইউএনও জান্নাতুল আফরোজ

তালা প্রতিনিধি: রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি ও তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নিয়মিত পড়াশোনা, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং বড় স্বপ্ন দেখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ, মাদকের কুফল ও স্মার্ট ফোনের অপব্যবহার নিয়েও কথা বলেন।

 

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, গান, ছবি আঁকা ও স্কাউটিংয়ের মতো সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়ার কথা বলেন। এতে যেমন তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটবে, তেমনি নেতৃত্বের গুণাবলী তৈরি হবে। এছাড়া মন দিয়ে পড়ালেখা করা এবং স্কুলে নিয়মিত উপস্থিত থাকা, শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করা, পিতা-মাতাসহ বড়দের মান্য করা, নিয়মমতো চলা, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, অসদুপায় বর্জন করা, সত্য কথা বলা, ভালো মানুষ হয়ে গড়ে ওঠা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং দেশের একজন সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করার কথা তুলে ধরেন।

 

পরে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সহযোগিতায় পরিচালিত স্কুলের ‘সততা স্টোর’ ঘুরে দেখেন এবং কিছু পরামর্শ প্রদান করেন। এদিকে ইউএনও মহোদয়ের এমন অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি করে। তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক গাজী জাহিদুর রহমানসহ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।

ধামরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ধামরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ধামরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সাকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিদ্যালয়টির ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ সাকিবুর রহমান বলেন, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের শতভাগ পাসের লক্ষ্য নিয়ে অভিভাবকদের এগিয়ে আসতে হবে। অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চমৎকার একটি সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে। বিগত বছরের তুলনায় আগামী বছরগুলোতে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও এসএসসি পরীক্ষায় সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন।

অনুষ্ঠানে গত আগস্ট মাসে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে ৮৫ শতাংশ উপস্থিতি নিশ্চিত করা ১৪ জন শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী উপহার দেন সভাপতি।

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিএম মফিজুল ইসলাম ও সিনিয়র শিক্ষক মো. আবুল বাশার। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে মো. হাসানুজ্জামান, প্রতিষ্ঠাতার পক্ষে তারকনিষ্ঠ পুত্র সালমান হাবিব চয়ন এবং অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।