বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/গ্রামীণ শিক্ষা ও আলো ছড়ানোর অনন্য বাতিঘর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/গ্রামীণ শিক্ষা ও আলো ছড়ানোর অনন্য বাতিঘর

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটি গ্রামে কপোতাক্ষ নদের তীরে ১৯৮৮ সালে গড়ে ওঠা ‘খান নাজমুল পাবলিক লাইব্রেরি’ কেবল একটি বইয়ের ঘর নয়; এটি এক অবিনাশী আলোর বাতিঘর। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে যখন মানুষ ক্রমশ পর্দানির্বাহক ডিজিটাল নির্ভরতায় অভ্যস্ত হয়ে উঠছে, তখন দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে কাঠের আলমারিতে বন্দি বইয়ের গন্ধ আর পাতার শব্দে এই লাইব্রেরিটি ধরে রেখেছে ঐতিহ্যবাহী পাঠাভ্যাস। এটি আজ আর কেবলই একটি নীরব পাঠকেন্দ্র নয়, বরং এলাকার শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
একটি স্থানীয় উদ্যোগ কীভাবে সমাজের আমূল পরিবর্তন ঘটাতে পারে, এই লাইব্রেরি তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। বই পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি, যাতায়াতের জন্য বাইসাইকেল প্রদান এবং শিক্ষার সরঞ্জাম বিতরণ করে প্রতিষ্ঠানটি যে মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা দেখাচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। একটি গ্রামীণ সমাজে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মূলধারায় ধরে রাখতে এমন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের গুণীজনদের ভূয়সী প্রশংসা প্রমাণ করে এর সমাজ বিনির্মাণের প্রভাব কতটা সুদূরপ্রসারী।
আজকের এই ডিজিটাল বিপ্লবের যুগে যখন তরুণেরা মোবাইল স্ক্রিনে নিমগ্ন এবং পাঠাগারভিত্তিক জ্ঞানচর্চা সংকটের মুখে, তখন এমন একটি গ্রামীণ লাইব্রেরির টিকে থাকা ও সক্রিয় ভূমিকা রাখা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তবে কোনো মহান উদ্যোগকে স্থায়ী ও আরো বেগবান করতে কেবল ব্যক্তি বা স্থানীয় প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। এই জ্ঞানচর্চাকেন্দ্রটিকে যুগোপযোগী অবকাঠামো, পর্যাপ্ত নতুন বইয়ের সংস্থান এবং ডিজিটাল ক্যাটালগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা অতি জরুরি।
কপোতাক্ষের তীরের এই লাইব্রেরিটি প্রমাণ করেছে, আলোর ঠিকানা তৈরি করতে বিশাল অট্টালিকার প্রয়োজন হয় না; সদিচ্ছা ও ভালোবাসাই যথেষ্ট। স্থানীয় এই উদ্যোগটি টিকে থাকুক, এর শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়ুক নদীঘেরা বাংলার প্রতিটি প্রান্তে।

Ads small one

রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করার নির্দেশনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করার নির্দেশনা

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ এবং আলোকসজ্জা পুরোপুরি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। এর আগে ১১ জুন থেকে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর ছিল।

বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব মো. মামুন ভূঁইয়ার সই করা চিঠিতে বলা হয়, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ আগস্ট থেকে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখতে হবে। তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল ও ওষুধের দোকান এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে।

এর আগে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের কারণে চলতি বছরের ২ এপ্রিল মন্ত্রিসভা দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তা পরে ৭টা পর্যন্ত করা হয়।

পরের মাসে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্যবসায়ীরা দোকান খোলা রাখার দাবি তুললে ১২ মে থেকে দেশের শপিং মল, বিপণি বিতান ও দোকানপাট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেয় সরকার। ঈদের পর ১২ জুন আবার ১ ঘণ্টা কমিয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

লোডশেডিং ঘিরে হামলার শঙ্কা, নিরাপত্তা চায় পল্লী বিদ্যুতের ৮০ সমিতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
লোডশেডিং ঘিরে হামলার শঙ্কা, নিরাপত্তা চায় পল্লী বিদ্যুতের ৮০ সমিতি

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশজুড়ে লোডশেডিং বেড়েছে। এতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্থাপনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন।

বুধবার (১২ আগস্ট) পুলিশ প্রশাসনকে একটি চিঠি দিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনের দফতর সম্পাদক মাহমুদ রহমানের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের প্রায় ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি প্রায় ৪ কোটি গ্রাহককে বিদ্যুৎ সেবা দিচ্ছে। উৎপাদিত বিদ্যুতের বড় একটি অংশ এসব সমিতির মাধ্যমে গ্রাহকদের সরবরাহ করা হয়। কিন্তু চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কম থাকায় সমিতিগুলোকে বাধ্য হয়ে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

চিঠিতে বলা হয়, অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে কোথাও কোথাও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।

এ অবস্থায় দেশের প্রতিটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রিড, উপকেন্দ্র ও অফিসসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মাহমুদকাটীতে বৃক্ষরোপণ ও ‘গাছের গল্প বলা’ অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
মাহমুদকাটীতে বৃক্ষরোপণ ও ‘গাছের গল্প বলা’ অভিযান

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা): জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় কপিলমুনির পার্শ্ববর্তী মাহমুদকাটীতে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ ও ‘গাছের গল্প বলা’ অভিযান।
বুধবার পাইকগাছা উপজেলার মাহমুদকাটীতে অনির্বাণ লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে অনির্বাণ লাইব্রেরি, ড্রিম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন। অনির্বাণ লাইব্রেরির সহসভাপতি বাসুদেব রায়ের সভাপতিত্বে ও সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্রের সঞ্চালনায় কর্মসূচি উদ্বোধন করেন সহযোগী অধ্যাপক সফিয়ার রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী প্রতিটি গাছের দেখভালের ওপর জোর দিয়ে শিক্ষার্থীদের ‘গার্ডিয়ানশিপ’ দেওয়ার প্রস্তাব করেন। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।