মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: জ্বালানি সংকটে স্থবির ভোমরা বন্দরÑকাঁচামাল পচন ও ব্যবসায়িক ধস রুখতে জরুরি উদ্যোগ জরুরী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রসঙ্গ: জ্বালানি সংকটে স্থবির ভোমরা বন্দরÑকাঁচামাল পচন ও ব্যবসায়িক ধস রুখতে জরুরি উদ্যোগ জরুরী

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক প্রবেশদ্বার সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর আজ এক গভীর সংকটের মুখোমুখি। যে বন্দরটি সম্প্রতি পূর্ণাঙ্গ কাস্টম হাউজে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে নতুন আশার সঞ্চার করেছিল, জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে তা এখন স্থবির হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ডিজেলের অভাবে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় আমদানিকৃত পণ্য, বিশেষ করে পচনশীল কাঁচামাল নষ্ট হচ্ছে এবং ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে শুধু স্থানীয় ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না, বরং দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ চেইন ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্দরে ট্রাকের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। আগে প্রতিদিন যেখানে ৩০০ থেকে ৩৫০টি ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করত, এখন তা ২০০-এর নিচে নেমে এসেছে। দূরপাল্লার ট্রাকগুলো গন্তব্যে পৌঁছাতে গিয়ে মাঝপথে তেলশূন্য হয়ে পড়ছে। উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তেল না পাওয়ায় ট্রাক চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা, এমনকি দিনের পর দিন পাম্পে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। যেখানে দুদিনে একটি ট্রিপ সম্পন্ন হতো, সেখানে এখন এক সপ্তাহ লেগে যাচ্ছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে ট্রাকভাড়াÑ২৫ হাজার টাকার ভাড়া গিয়ে ঠেকেছে ৩৭ হাজার টাকায়।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো পচনশীল পণ্যের অবস্থা। ভারত থেকে আমদানিকৃত কাঁচামরিচ, আদা ও বিভিন্ন ফলমূল সময়মতো গন্তব্যে না পৌঁছানোয় পথেই পচে নষ্ট হচ্ছে। আমদানিকারকরা জানাচ্ছেন, মাল দেরিতে পৌঁছানোর কারণে কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৬ টাকা পর্যন্ত দাম কেটে নেওয়া হচ্ছে। এই বহুমুখী লোকসান ক্ষুদ্র ও মাঝারি আমদানিকারকদের ব্যবসার মেরুদ- ভেঙে দিচ্ছে।
ভোমরা বন্দর দিয়ে দেশের রাজস্ব আয়ের একটি বড় অংশ আসে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের সুফল যখন ব্যবসায়ীরা পেতে শুরু করেছেন, ঠিক তখনই জ্বালানি সংকটের কারণে এই অচলাবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই সংকট কেবল পরিবহনের নয়, এটি সরাসরি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও বাজার দরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
আমরা মনে করি, ভোমরা স্থলবন্দরের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে এখানে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সরকারের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর পেট্রোল পাম্পগুলোতে ডিজেলের পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করা এবং পরিবহন মালিকদের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়া, বন্দরে খালাস হওয়া পণ্য দ্রুত সরানোর জন্য বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি না, তাও ভেবে দেখা জরুরি।
দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে পণ্যের দাম রাখতে ভোমরা বন্দরের এই পরিবহন সংকট নিরসনে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের কোনো বিকল্প নেই।

Ads small one

আশাশুনির কাদাকাটিতে এক রাতে ৩ স্থানে চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির কাদাকাটিতে এক রাতে ৩ স্থানে চুরি

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামে একরাতে ৩ স্থানে চুরি সংঘটিত হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) দিবাগত রাতে হলদেপোতা ব্রীজের কাছে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
কয়েকটি ইউনিয়ন ও উপজেলার সাথে সংযোগ সৃষ্টিকারী হলদেপোতা ব্রীজের কাছে কাদাকাটি গ্রামের আব্দুল হান্নান গাজীর ছেলে ভোলা ও সাবুদ আলী সরদারের ছেলে আব্দুল আলিমের দোকান এবং আরার গ্রামের মৃত সমজেল সরদারের ছেলে আব্দুল কাদেরের মৎস্য ঘেরের বাসা রয়েছে। সোমবার রাতে ভোলা ও আলিম দোকানে তালা লাগিয়ে প্রতিদিনের ন্যায় বাড়িতে চলে যান। মঙ্গলবার সকালে দোকানে গিয়ে দেখেন ভোলার দোকান ঘরের চালের অ্যাডবেস্টারের টিন ফাঁকা। এবং দোকানে থাকা ৩টি বালতি, মূল্যবান মালপত্র (মূল্য অনুমান ১ লক্ষ টাকা) ও নগদ ২৫০০ টাকা চুরি হয়েছে। পাশে আলিমের স্টল দোকানে তালা ভেঙ্গে পাশের মসজিদের ৮৫০ টাকা ও অনুমান ৫০০০ টাকার মালপত্র চুরি হয়ে গেছে। একই স্থানে আব্দুল কাদের তার মৎস্য ঘেরের বাসায় সোমবার রাতে ক্রয়কৃত ১০হাজার টাকার মাছ রেখে বাড়িতে যান। চোরেরা বাসার দরজা ভেঙ্গে মাছগুলো নিয়ে যায়। এলাকাবাসী মোড়ে অবস্থিত সিসি ক্যামেরা সচল করা ও স্ট্রিট লাইটটি মেরামত করে চালু করার ব্যবস্থা করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ
আমাদী ইউনিয়নে মিষ্টি বিতরণ নিয়ে মারামারি, পরে সালিসে সমাধান

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে রসমলাই বিতরণকে কেন্দ্র করে হিসাব সহকারী ও গ্রাম পুলিশের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
পরিষদ সূত্র জানায়, বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে গ্রাম পুলিশ প্রসেনজিৎ পরিষদের কর্মচারীদের মধ্যে রসমলাই বিতরণ করছিলেন। এ সময় হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর কু-ু ও প্রসেনজিতের মধ্যে সামান্য কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। এতে গ্রাম পুলিশ প্রসেনজিৎ আহত হন।
ঘটনার আকস্মিকতায় পুরো ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে উদ্যোগ নেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা। তাঁদের হস্তক্ষেপে পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে এক জরুরি বৈঠকে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মীমাংসা করে দেওয়া হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত রয়েছে।

ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদের শুকনো খাবার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ
ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদের শুকনো খাবার বিতরণ

‎নিজস্ব প্রতিনিধি: ‎সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নে ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এতিম ও অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রি-মাসিক শুকনো খাবারের প্যাকেজ বিতরণ করা হয়েছে। ‎সোমবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় আয়োজিত এ মানবিক কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শেখ আব্দুল ওয়াদুদ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মনিরুল ইসলাম ফারুকী, সদস্য মাওলানা মহিবুল্লাহ মুহিব এবং মিডিয়া সদস্য আব্দুল হাকিম ও মেহেদী হাসান শিমুল।
‎এ সময় ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের বড়খামার গ্রামের মৃত ইলেকট্রিশিয়ান সাইফুল ইসলামের এতিম শিশু কন্যা হালিমাতুল ছাদিয়া (৭)-এর হাতে ত্রি-মাসিক শুকনো খাবারের প্যাকেজ ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
‎সহায়তা সামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, চিনি, সাবান, ডিটারজেন্ট, বিস্কুট, আপেল, জুতা, পোশাকসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন দ্রব্য।
‎ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানান, সমাজের অসহায়, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সংগঠনটির অন্যতম লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।