শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

সম্পাদকীয়: প্রসঙ্গ: বিচারকশূন্য ট্রাইব্যুনাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়: প্রসঙ্গ: বিচারকশূন্য ট্রাইব্যুনাল

একটি জেলার কয়েক হাজার মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার একমাত্র আশ্রয়স্থল যখন দীর্ঘ ছয় মাস ধরে বিচারকশূন্য থাকে, তখন তাকে কেবল প্রশাসনিক অবহেলা বললে ভুল হবে; বরং এটি বিচারপ্রক্রিয়ার একটি বড় অন্তরায়। সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বর্তমান চিত্র সেই রূঢ় বাস্তবতাকে আমাদের সামনে নিয়ে এসেছে। ৪ হাজার ৩৪২টি মামলার স্তূপ আর কয়েক হাজার বিচারপ্রার্থীর অন্তহীন প্রতীক্ষা আমাদের বিচারিক কাঠামোর এক বড় দুর্বলতার দিকে আঙুল তুলছে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাতক্ষীরার এই ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। যার মধ্যে আড়াই হাজারের বেশি নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলা, যা অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি রাখে। অথচ ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে আদালতটি কার্যত অভিভাবকহীন। এর আগে একজন বিচারক যোগদান করলেও মাত্র মাস দেড়েকের মাথায় তার বদলি হয়ে যাওয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বর্তমানে জেলা ও দায়রা জজ ভারপ্রাপ্ত হিসেবে কিছু জরুরি কাজ করলেও মূল বিচারিক কার্যক্রমÑযেমন নতুন মামলা গ্রহণ, অভিযোগ গঠন বা সাক্ষ্যগ্রহণ প্রায় বন্ধ হয়ে আছে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মূল উদ্দেশ্যই হলো ভুক্তভোগীদের দ্রুততম সময়ে আইনি সুরক্ষা ও প্রতিকার দেওয়া। কিন্তু যখন মামলার জট ৪ হাজার ছাড়িয়ে যায় এবং বিচারক না থাকায় প্রতিদিন মানুষ কেবল নতুন তারিখ নিয়ে আদালত থেকে ফিরে যান, তখন আইনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা টলে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা এই মানুষগুলো কেবল সময় এবং অর্থই ব্যয় করছেন না, তারা মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে মানবপাচার বা শিশুবিষয়ক স্পর্শকাতর মামলাগুলোর ক্ষেত্রে বিলম্ব হওয়া মানেই অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ বেড়ে যাওয়া এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়া।
আমরা মনে করি, একটি জেলার একমাত্র ট্রাইব্যুনালকে এভাবে ছয় মাস ধরে অচল রাখা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দিয়ে রুটিন কাজ চালানো গেলেও হাজার হাজার মামলার জট কমানো অসম্ভব। মামলার সংখ্যা অনুযায়ী যেখানে আরও ট্রাইব্যুনাল বাড়ানো প্রয়োজন, সেখানে বিদ্যমান একটি আদালতকে বিচারকশূন্য রাখা চরম উদাসীনতার বহিঃপ্রকাশ।
আইন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবি, বিচারপ্রার্থীদের এই চরম ভোগান্তি লাঘবে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল অবিলম্বে একজন স্থায়ী ও দক্ষ বিচারক নিয়োগ দেওয়া হোক। ন্যায়বিচারের পথ সুগম করা কেবল আইনি বাধ্যবাধকতা নয়, এটি নাগরিকের মৌলিক অধিকারের অংশ। সাতক্ষীরার বিচারপ্রার্থীদের এই দীর্ঘশ্বাস আর কতকাল দীর্ঘ হবে, সে প্রশ্নটি আমরা প্রশাসনের নিকট রাখতে চাই।

Ads small one

চেন্নাইয়ের মালিক হতে চেয়েছিলেন ধোনি? জানুন আসল ঘটনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
চেন্নাইয়ের মালিক হতে চেয়েছিলেন ধোনি? জানুন আসল ঘটনা

চেন্নাই সুপার কিংসের (সিএসকে) মালিকানায় অংশীদারিত্ব কিনতে চেয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি- সম্প্রতি এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ভারতের সাবেক অধিনায়ক চেন্নাইয়ের শেয়ার কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে তার প্রস্তাবিত শর্তে রাজি হয়নি ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

অবশ্য এমন খবর প্রকাশের পর সেসব দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছে চেন্নাই। সিএসকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ধোনির সঙ্গে তাদের কোনো আলোচনাই হয়নি। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এমএস (ধোনি) কখনো আমাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেননি। আমরা বিষয়টি নিয়ে কখনো আলোচনা করিনি। শ্রীনিবাসনের সঙ্গে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেছেন, এমন কোনো তথ্যও আমাদের কাছে নেই।’

তবে সিএসকের সঙ্গে ধোনির কোনো শেয়ারের সম্পর্ক নেই- বিষয়টি এমন নয়। চেন্নাই থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেয়ার কেনার সুযোগ থাকাকালে কিছু শেয়ার কিনেছিলেন সাবেক এই অধিনায়ক।

সিএসকে একটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি নয়। ফলে এর শেয়ার সাধারণ শেয়ারবাজারে কেনাবেচা হয় না। তবে ব্যক্তিগতভাবে বা অফ-মার্কেট লেনদেনের মাধ্যমে এসব শেয়ার কেনা সম্ভব।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ধোনির হাতে এক লাখের বেশি সিএসকে শেয়ার রয়েছে। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মোট শেয়ার কাঠামোর তুলনায় এটি খুবই সামান্য অংশ। জনসাধারণের হাতে রয়েছে ৩০ কোটির বেশি শেয়ার, যা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মোট শেয়ার মূলধনের প্রায় ৪০ শতাংশ। ফলে ধোনির এক লাখের বেশি শেয়ার পাবলিক শেয়ারহোল্ডিংয়েরও খুব ছোট একটি অংশ।

অন্যদিকে সিএসকের নিয়ন্ত্রণমূলক মালিকানা রয়েছে শ্রীনিবাসন পরিবারের হাতে। তাদের হাতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ৫৫ শতাংশের বেশি শেয়ার রয়েছে।

বর্তমান আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজির বাজারমূল্য বিবেচনায় ধোনির হাতে থাকা শেয়ারের মূল্যও খুব বেশি নয়। সর্বশেষ একটি আইপিএল দল ১৬ হাজার ৬০০ কোটি রুপির বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। সেই মূল্যায়ন ধরে ধোনির শেয়ারের আনুমানিক মূল্য হতে পারে ২ কোটি ৬০ লাখ থেকে ৩ কোটি রুপি।

অবশ্য ধোনির ২১ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ার, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও আইপিএল থেকে আয় এবং বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া বিপুল অর্থের তুলনায় এই অঙ্ক বেশ সামান্য। ধোনিকে বিশ্বের অন্যতম ধনী ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার আনুমানিক সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি রুপি।

ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০

সারা দেশে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৯০ জন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৭২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৬ জন, খুলনা বিভাগে ৬০ জন, রংপুর বিভাগে ৩৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩৩ জন এবং বরিশাল বিভাগের ১৮ জন। তবে এই সময়ে সিলেট বিভাগে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি।

আরও জানানো হয়, চলতি বছরের শুরু থেকে আজকে পর্যন্ত সারা দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৯ হাজার ২২০ জন। এদের মধ্যে ৪৫ হাজার ৬৪৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। আর বর্তমানে হাসপাতালে ৩ হাজার ৪৩৪ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ১৪১ জন।

কানাডায় ববিতার ৩৬ ঘণ্টার সড়ক ভ্রমণ, সঙ্গে ছিলেন রাজ্জাকের ছেলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১১ অপরাহ্ণ
কানাডায় ববিতার ৩৬ ঘণ্টার সড়ক ভ্রমণ, সঙ্গে ছিলেন রাজ্জাকের ছেলে

কানাডায় ছেলে অনীকের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন চিত্রনায়িকা ববিতা। এর মধ্যে নায়ক রাজ্জাকের ছেলে বাপ্পী ও তার পরিবারের সঙ্গেও বেশ কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ হয়েছে তার।

ঘরোয়া আড্ডার পাশাপাশি বাপ্পীর সঙ্গে ৩৬ ঘণ্টার দীর্ঘ সড়ক ভ্রমণও করেছেন এই অভিনেত্রী।

ববিতা জানান, বাপ্পী ১৮ ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে তাকে নিয়ে কুইবেকে যান। সেখানে ঘোরাঘুরির পর তারা যান গেসপারে। একদিকে সমুদ্র, অন্যদিকে পাহাড়—প্রকৃতির এমন বৈচিত্র্য মুগ্ধ করেছে তাকে। পরে আরও ১৮ ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে তারা ফিরে আসেন।

এই দীর্ঘ যাত্রায় গল্প, স্মৃতি আর আনন্দে কেটেছে সময়। ববিতা বলেন, ‘সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ এখনও কানে বাজে। সমুদ্রের কাছে প্রচণ্ড ঠান্ডা ছিল। তারপরও সবাই মিলে খুব উপভোগ করেছি। যেতে যেতে কত গল্প করেছি, ফেরার সময়ও গল্প করতে করতে ফিরেছি।’

 

বাপ্পীর সঙ্গে ববিতার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের পারিবারিক। প্রতিবছর কানাডায় যাওয়ার আগে বাপ্পী তাকে ফোন করে জানতে চান কবে আসছেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

বাপ্পীর দুই সন্তান দাদাভাই রাজ্জাককে নিয়ে নানা গল্প শুনতে আগ্রহী। তাদের সঙ্গে আড্ডায় পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণ করেন ববিতা। রাজ্জাকের বিপরীতে অভিনয় এবং তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সিনেমায় কাজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেন তিনি।

বাপ্পীর বাসায় কয়েক দিন কাটিয়ে আবার ছেলে অনীকের কাছে ফিরবেন ববিতা। নভেম্বরে দেশে ফেরার আশা করছেন এই অভিনেত্রী।