বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলের বনজীবীদের কষ্ট, পরিশ্রম আর অভাব নিত্য সঙ্গী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলের বনজীবীদের কষ্ট, পরিশ্রম আর অভাব নিত্য সঙ্গী

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলবর্তী অঞ্চলের বনজীবী, জেলে ও বাওয়ালিদের জীবন সত্যিই চরম অনিশ্চয়তা, ঝুঁকি এবং কষ্টের প্রতীক। সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার দাকোপ, কয়রা, শ্যামনগরসহ বিভিন্ন এলাকার লাখ লাখ মানুষ জীবিকার জন্য এই বন ও নদীর ওপর নির্ভরশীল।

রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে গভীর বনে মাছ, কাঁকড়া, গোলপাতা ও মধু সংগ্রহ করতে হয়। এ সময় তাদের প্রতিনিয়ত সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার, কুমির ও অন্যান্য বন্যপ্রাণীর আক্রমণের আতঙ্কে থাকতে হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস এবং লবণাক্ততার প্রকোপে তাদের জীবন ও জীবিকা বারবার বিপর্যস্ত হয়। লবণাক্ত পানি ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে সুপেয় পানির তীব্র সংকট ও চাষাবাদের জমি নষ্ট হওয়া তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী।

মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন মৌসুম এবং বনজ সম্পদ আহরণে নিষেধাজ্ঞার সময়গুলোতে বনজীবীদের বনে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ থাকে। ওই দীর্ঘ সময়টাতে কাজ না থাকায় অনেকেই চরম মানবিক সংকটে ও অনাহারে দিন কাটান। বনে যাওয়ার জন্য দাদন ব্যবসায়ী বা মহাজনদের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিতে হয়। এরপর বন থেকে আহরিত সম্পদ বিক্রি করে ন্যায্য মূল্য পাওয়া সবসময় সম্ভব হয় না, ফলে সারা বছর অভাব পিছু ছাড়ে না। বনদস্যুদের চাঁদাবাজি ও অপহরণের ভয় তাদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। বর্তমানে বনের পরিস্থিতি অনেক অশান্ত এবং বন বিভাগের অনুমতি ও পাস-পারমিট সংগ্রহ করে বনে টিকে থাকা এখনো একটি অত্যন্ত শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়া।

খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রার অন্যতম প্রধান নদী শাকবাড়িয়ার তীরে সুন্দরবন সংলগ্ন ১৫টি গ্রাম মঠবাড়ি, কাশিয়াবাদ, কয়রা ৪ নম্বর, ৫ নম্বর, ৬ নম্বর, পাথরখালী, মাটিকাটা, গাববুনিয়া, শাকবাড়িয়া, হরিহরনগর, গাতিঘেরি, বীনাপানি, জোড়শিং, আংটিহারা ও গোলখালী। এই ১৫টি গ্রামের মানুষের বেঁচে থাকার জন্য এখনও বনের সম্পদের ওপরই ভরসা করতে হচ্ছে। বনজীবীরা মাছ ও কাঁকড়া ধরা, গোলপাতা কাটা ও মধু সংগ্রহ করা। বনের ভেতর ও আশপাশের নদী-খালে এরা চিংড়ি পোনাও ধরে থাকেন। জীবিকা নির্বাহে এটাও তাদের অন্যতম কাজ।

ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৭ লাখ পরিবারের জীবন ও জীবিকা এভাবেই কষ্টে কাটছে। খুলনা জেলার দাকোপ, কয়রা ও সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর, মুন্সিগঞ্জ সহ বিভিন্ন উপজেলার প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল বনজীবী। উপকূলের সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ২০ লাখ দরিদ্র মানুষ তাদের জীবিকার জন্য পুরোপুরি অথবা আংশিকভাবে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে এসব মানুষের বসবাস, যারা জীবিকার জন্য বছরের বিভিন্ন সময়ে মাছ, কাঁকড়া, গোলপাতা, মধু সংগ্রহের জন্য সুন্দরবনের গভীরে যান। তবে গত এক দশকে এসব অঞ্চলের মানুষের আয় কমছে সুন্দরবন থেকে।

বন বিভাগ তথ্য অনুযায়ী, ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটারের ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে। সুন্দরবন রক্ষার স্বার্থে ২০১৭ সালে ২৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ৫২ শতাংশ করা হয়েছে। তাই সম্পদ আহরণ সংকীর্ণ হয়ে আসার পাশাপাশি আয় কমেছে সুন্দরবন নির্ভর জনগোষ্ঠীর। বাধ্য হয়ে পেশা বদল করেছেন, নতুন কর্মসংস্থানের খোঁজে বাস্তুচ্যুতও হয়েছেন অনেকে। অনেকে অবৈধভাবে বনে প্রবেশ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শাস্তির শিকার হয়েছেন। বন থেকে মাছ, মধু কিংবা অন্য কোনো সম্পদ বৈধভাবে আহরণ করে আগে যেখানে সচ্ছলভাবে চলত প্রতিটি পরিবার, সেখানে এখন ঋণের বোঝা নিয়ে চলতে হয় তাদের।

সুন্দরবন ঘেঁষা এলাকার অধিকাংশ পুরুষেরা মৎস্য আহরণ, গোলপাতা কাটা, কাঁকড়া ধরা আর মধু আহরণে আর নারীরা ব্যস্ত থাকেন চিংড়ির পোনা ধরায়। পরিবারের সবাই মিলে কঠিন সংগ্রাম করেও তিনবেলা ভাত জোটাতে না পেরে বনজীবীদের অনেকে আবার ফিরছে অন্য কাজে। কেউ এলাকায়, আবার কেউ দূরের শহরে। ঋণ বা দাদনের জালে অনেকটাই বন্দি হয়ে পড়েছেন উপকূলের এসকল জেলেরা। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় আয়-রোজগার থাকে না। এ কারণে সংসার চালাতে কিংবা পরিবারের সদস্যদের মুখে দু-মুঠো ভাত তুলে দিতে জেলেরা হাত পাতছেন বিভিন্ন এনজিও ও দাদন ব্যবসায়ী কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কাছে। ঋণ নিয়ে তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান করলেও পরবর্তী সময়ে যা আয় করছেন তা দিয়ে চালাচ্ছেন দীর্ঘমেয়াদি কিস্তির টাকা দিতে গিয়ে বাড়তি কোনো টাকা আর সঞ্চয় রাখতে পারছেন না।

কয়রার মঠবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা রমেন মন্ডল, তিনি প্রায় এক যুগ ধরে সুন্দরবনের ওপর ভর করে জীবনযাপন করছেন। পাসের টাকা, অন্যান্য খরচের টাকা, বনদস্যুর টাকা, ঘুষের টাকা দিয়ে গভীরে গিয়ে যে মাছ পাওয়া যায় তা দিয়ে আসলেই কিছু হয় না। তাই এ বছর আর জঙ্গলে যাইনি। মহাজনের কাছে টাকা ধার করে সংসার চালাচ্ছি।

পাইকগাছার গড়ইখালী গ্রামের জেলে রহমত সরদার বলেন, গত বছরও মাছ ধরতে গিয়ে আমার অনেক টাকা লোকসান হয়েছে। বছরের বিভিন্ন সময়ে বনে যাওয়া নিষেধ থাকে। আগের মতো নদীতে মাছ পাওয়া যায় না। আর প্রতিদিন মাছ নিয়ে আড়তে না গেলে আড়তদারদের লোকজন জেলেদের কটু কথা বলে। আড়তদার ও কোম্পানিদের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী মাছ ও টাকা কেটে নিয়ে নেয়। কোন সঞ্চয় তো হয় না ঝণ করতে হয়। দাদন ব্যবসা ও মহাজনের কবলে পড়ে জেলেরা নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে।

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ বলেন, সুন্দরবন যেমন আমাদের রক্ষা করা প্রয়োজন তেমনি এত গুলো মানুষের জিবীকা নির্বাহের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। আমরা চেষ্টা করছি বনজীবীদের বিকল্প আয়ের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা করতে। বেশ কয়েকটি প্রকল্প আমরা হাতে নিয়েছি। বনজীবীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিকল্প আয়ের জন্য যোগ্য করে তোলা হবে।

সরকারের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও বনজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে উপকূলীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলো নানা পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

 

 

 

Ads small one

কলারোয়ায় আধুনিক মৎস্য ও গবাদিপশু পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় আধুনিক মৎস্য ও গবাদিপশু পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আধুনিক মৎস্য ও গবাদিপশু চাষে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক একদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ব্রজবাকসা বাজারে ‘নিউ হোপ পোল্ট্রি এন্ড ফিস ফিড’-এর পরিবেশক মেসার্স হাফিজ ট্রেডার্স-এর উদ্যোগে এবং এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সার্বিক সহায়তায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় এলাকার প্রায় ৪০ জন নিবন্ধিত ও স্থানীয় মৎস্য চাষী অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে চাষীদের গুণগত মানসম্মত ওষুধ ও সাপ্লিমেন্টের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তাবৃন্দ। প্রশিক্ষণ প্রদানকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আকরামুল কবীর, সহকারী ম্যানেজার সাজ্জাদ আরেফিন এবং সিনিয়র অফিসার রবিউল ইসলাম। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সমন্বয়ে ছিলেন- কলারোয়ার মার্কেটিং অফিসার রবিউল ইসলাম।

 

 

শহরের কামালনগর: নোংরা পানি মাড়িয়েই স্কুলে যাচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
শহরের কামালনগর: নোংরা পানি মাড়িয়েই স্কুলে যাচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

সংবাদদাতা: সামান্য বৃষ্টি হলেই যেন নরকযন্ত্রণায় পরিণত হয় কামালনগর উদয়ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তাটি। ড্রেন উপচে আসা কাদা আর নোংরা পানিতে একাকার হয়ে পড়া এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে বিদ্যালয়টির কোমলমতি শিক্ষার্থীদের।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। রাস্তার পাশ ঘেঁষে থাকা ড্রেনের দূষিত ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি সরাসরি সড়কে ছড়িয়ে পড়ছে। চলাচলের বিকল্প কোনো পথ না থাকায় প্রতিদিন সকালে এই নোংরা পানি মাড়িয়েই ক্লাসে যেতে বাধ্য হচ্ছে ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা।

 

দীর্ঘদিন ধরে জমা এই দূষিত পানির সংস্পর্শে আসায় শিক্ষার্থীদের চর্মরোগ, ঘা-পাঁচড়াসহ নানা পানিবাহিত রোগের উপদ্রব দেখা দেওয়ার তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্কুলের পোশাকে নোংরা পানি ছিটকে কাদা লেগে যাওয়া এখন নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় অভিভাবক ও বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটির বেহাল দশা হলেও তা নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

 

কাদা ও নোংরা পানির মধ্য দিয়ে সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে প্রতি মুহূর্তে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়।

এ অবস্থায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে এবং চলাচলের পথ সুগম করতে সড়কটি দ্রুত সংস্কার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঠিক সমাধানের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

 

 

তালায় নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নে নাগরিক সমাজ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
তালায় নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নে নাগরিক সমাজ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালায় নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নে নাগরিক সমাজ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে তালা উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি হলরুমে একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং ভূমিজ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলন উপলক্ষে সকালে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালি শেষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

ভূমিজ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং নির্বাহী প্রধান অচিন্ত্য সাহা ও সুশীল প্রকল্প-একশনএইডের প্রজেক্ট ম্যানেজার মৌসুমী বিশ্বাসের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. মাহমুদুল হক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তালা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও সাতক্ষীরা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুল নাহার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাজিরা খাতুন, সমতা ফোরাম ও সিএসও হাবের সভাপতি আনিছুর রহমান, সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন জোয়ারদার এবং তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার প্রমুখ।

এ সময় শিক্ষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সমতা ফোরাম ও সিএসও হাবের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়ন বিষয়ক একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, নারীর অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি। তারা নারীদের জন্য বরাদ্দকৃত বিশেষ তহবিলের স্বচ্ছ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সিদ্ধান্ত গ্রহণের সকল পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।