মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

সরকারি হাসপাতাল কেন মানুষের আস্থা হারাচ্ছে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
সরকারি হাসপাতাল কেন মানুষের আস্থা হারাচ্ছে?

‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

বাংলাদেশের সংবিধান নাগরিকের মৌলিক চাহিদার অন্যতম হিসেবে স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তার কথা বলেছে। কিন্তু বাস্তবতা আজ একটি কঠিন প্রশ্ন সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে রাষ্ট্র কি সত্যিই সবার জন্য মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পেরেছে, নাকি চিকিৎসা ধীরে ধীরে এমন এক ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে, যেখানে অর্থই চিকিৎসা পাওয়ার প্রধান শর্ত? বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির।

 

তাদের পক্ষে ব্যয়বহুল বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া প্রায় অসম্ভব। তাই সরকারি হাসপাতালই তাদের একমাত্র ভরসা। কিন্তু সেই হাসপাতালেই যখন চিকিৎসকের সংকট, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি, আধুনিক যন্ত্রপাতির অপ্রতুলতা, দীর্ঘ অপেক্ষা, শয্যার স্বল্পতা এবং অতিরিক্ত রোগীর চাপে সেবার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন সাধারণ মানুষের অসহায়ত্ব আরও বেড়ে যায়।

 

এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, সরকারি হাসপাতালের অসংখ্য চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী প্রতিকূল পরিবেশেও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু একই সঙ্গে এটিও সত্য যে, স্বাস্থ্যখাতে ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা, সীমিত সম্পদ, পর্যাপ্ত জনবলের অভাব এবং জবাবদিহির ঘাটতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জনমনে অসন্তোষ রয়েছে। কোথাও চিকিৎসক নেই, কোথাও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি অকেজো, কোথাও ওষুধের সংকট, আবার কোথাও অতিরিক্ত রোগীর চাপ সেবার মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে।

 

এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এগুলো স্বাস্থ্যব্যবস্থার দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যার প্রতিফলন। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর অভিজ্ঞতা ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। যুক্তরাজ্য, জার্মানি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরনের হাসপাতাল রয়েছে। তবে সেখানে শক্তিশালী সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা, কার্যকর স্বাস্থ্যবিমা, কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন না।

 

রাষ্ট্র স্বাস্থ্যসেবাকে কেবল বাজারের ওপর ছেড়ে দেয় না; বরং নাগরিকের অধিকার হিসেবে নিশ্চিত করার চেষ্টা করে। বাংলাদেশে আজও অসংখ্য পরিবার চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে ঋণ নেয়, জমি বিক্রি করে কিংবা চিকিৎসাই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়। আবার যাদের সামর্থ্য আছে, তারা উন্নত চিকিৎসার আশায় বিদেশে যান। এর ফলে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। অথচ দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, জনবল নিয়োগ এবং আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামো গড়ে তুলতে কার্যকর বিনিয়োগ করা গেলে এই পরিস্থিতির অনেকটাই পরিবর্তন করা সম্ভব। এখন আর খন্ডিত উদ্যোগে কাজ হবে না।

 

স্বাস্থ্যখাতে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও বাস্তবভিত্তিক জাতীয় সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। সরকারি হাসপাতালে শূন্যপদ দ্রুত পূরণ, পর্যাপ্ত নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, আধুনিক যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, ডিজিটাল উপস্থিতি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, দরিদ্র মানুষের জন্য কার্যকর স্বাস্থ্যবিমা চালু এবং বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার মান ও ব্যয়ের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এসব বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

‎একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন শুধু উঁচু সেতু, প্রশস্ত মহাসড়ক কিংবা বড় বড় স্থাপনা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। প্রকৃত উন্নয়নের মানদন্ড হলো একজন দরিদ্র কৃষক, জেলে, শ্রমিক, রিকশাচালক কিংবা নিম্ন আয়ের মানুষ অসুস্থ হলে তিনি সম্মানজনক, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা পাচ্ছেন কি না।

 

স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিলাসপণ্য নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। তাই স্বাস্থ্যখাতকে অবহেলা, অদক্ষতা ও দীর্ঘদিনের সংস্কারহীনতার গন্ডি থেকে বের করে এনে জনগণের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাই আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। কারণ সুস্থ মানুষই পারে একটি শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।

লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা

Ads small one

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খান। মঙ্গলবার দুপুরে এ সাক্ষাৎ হয় বলে বঙ্গভবনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে তিন বাহিনীর প্রধান রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান। তারা নিজ নিজ বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতাও কামনা করেন তারা। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি আধুনিক চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনকালে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিন বাহিনীর প্রধানকে আশ্বস্ত করেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় শপথ নিয়ে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দল বিএনপির মহাসচিবের পদ ছেড়ে রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছেন এই জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক।

 

 

 

প্রকাশ্যে এলো মোজতবা খামেনির নতুন ভিডিও, শোনা গেলো কণ্ঠ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
প্রকাশ্যে এলো মোজতবা খামেনির নতুন ভিডিও, শোনা গেলো কণ্ঠ

চলমান যুদ্ধের মধ্যে এই প্রথম প্রকাশ্যে শোনা গেলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির কণ্ঠ। ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি বিরল ও তারিখহীন ভিডিওতে ৫৬ বছর বয়সী এই নেতাকে একটি ধর্মীয় অ্যাকাডেমিক সেশনে সভাপতিত্ব করতে এবং এক শিক্ষার্থীর গবেষণাপত্র মূল্যায়ন করতে দেখা গেছে।

 

ভিডিওতে মোজতবা খামেনি ইরানি শাসনব্যবস্থার ইসলামি নিরাপত্তা মডেল নিয়ে আলোচনা করেন এবং ওই শিক্ষার্থীকে ২০-এর মধ্যে ১৯.৫ নম্বর দিয়ে তার গবেষণাপত্রকে ‘ত্রুটিহীন’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তবে ভিডিওটি কবে ধারণ করা হয়েছিল, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

২৮ ফেব্রুয়ারি চলমান সংঘাতের প্রথম দিনে হামলায় তার বাবা নিহত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনিকে নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে জনসমক্ষে তার সীমিত উপস্থিতির কারণে তিনি হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন বলে খবর প্রকাশের পর তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ তীব্র হয়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এপ্রিলে সূত্রের বরাতে জানায়, তিনি মুখের আকৃতি পরিবর্তন এবং পায়ের গুরুতর ট্রমা থেকে সেরে উঠছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এর আগে বলেছিলেন যে তিনি ‘আহত এবং সম্ভবত বিকৃত চেহারার’ শিকার হয়েছেন। যদিও ইরানি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, আঘাত পেলেও তা তার নেতৃত্ব প্রদানে বাধা তৈরি করেনি।

রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল, শারীরিক অবস্থা যাই হোক না কেন, মোজতবা মানসিকভাবে সজাগ রয়েছেন এবং অডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। এমনকি যুদ্ধ ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতা আলোচনার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তিনি সক্রিয় রয়েছেন।

নতুন প্রকাশিত ভিডিওটি কবে রেকর্ড করা হয়েছে বা বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা কেমন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তার স্বাস্থ্য ও নেতৃত্ব ঘিরে থাকা অনিশ্চয়তার মধ্যে এটি ইরানি সর্বোচ্চ নেতার একটি বিরল প্রকাশ্য উপস্থিতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই ভিডিও এমন এক সময়ে প্রকাশিত হলো যখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার উত্তেজনা চরম পর্যায়ে রয়েছে, হরমুজ প্রণালি ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে সম্পর্কের জটিলতার মাঝেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

অন্যায়ভাবে কেউ যেন জেলে না থাকে, সরকার তা নিশ্চিত করবে: শামা ওবায়েদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
অন্যায়ভাবে কেউ যেন জেলে না থাকে, সরকার তা নিশ্চিত করবে: শামা ওবায়েদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, ‘বিরোধী দল হোক, আওয়ামী লীগ হোক, কিংবা যে দলই হোক; রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কেউ যেন অন্যায়ভাবে জেলে আটকে না থাকে, তা বর্তমান সরকার নিশ্চিত করবে।’ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সম্প্রতি হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অনির্দিষ্টকাল বিচারপূর্ব আটক রাখা বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৭ বছরে বাংলাদেশে যে ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে, দেশের ইতিহাসে এ ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন আগে কখনো হয়নি। এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও দলটির নেতাকর্মীরা। সুতরাং আমরা কখনোই চাইবো না, বর্তমানে বা ভবিষ্যতে আমাদের গত ফ্যাসিস্ট আমল ফিরে আসুক। আমরা চাই, সবার ন্যূনতম মানবাধিকার নিশ্চিত করা হোক এবং প্রত্যেক নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষা করা হোক।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন, আইনমন্ত্রীও বলেছেন-জুলাই-আগস্টে যে ঘটনা ঘটেছে এবং যে অভ্যুত্থান হয়েছে, তারপর অনেক মামলা হয়েছে। যেসব মামলা আইনগতভাবে হওয়ার কথা ছিল, সেগুলো হয়েছে। যারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং যারা গুম-খুনের নির্দেশ দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে।’

আবার অনেক মামলা ‘অতি উৎসাহী’ হয়েও অনেকে দায়ের করেছেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সেসব মামলাও আইন মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করবে বলে জানিয়েছে। মামলাগুলো পর্যালোচনা করে যদি কোনো সত্যতা না পাওয়া যায় বা কোনো ভিত্তি না থাকে, তাহলে পর্যালোচনার পর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন মন্ত্রণালয় এ বিষয়টি পরিষ্কার করে জানিয়েছে।’

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমাদের সরকারের অবস্থান হলো-আমরা মানবাধিকার রক্ষায় সচেষ্ট এবং জনগণের কাছে দায়বদ্ধ আছি। কোনো বিরোধী দল হোক, আওয়ামী লীগ হোক বা যে দলই হোক; রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কেউ যেন অন্যায়ভাবে জেলে বা আটক না থাকে, তা বর্তমান সরকার অবশ্যই নিশ্চিত করবে।’