রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাংবাদিকতা: আমরা কোমন সাংবাদিক চাই?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকতা: আমরা কোমন সাংবাদিক চাই?

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়; এটি রাষ্ট্র, সমাজ ও নাগরিকের মধ্যে আস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন। একজন সাংবাদিকের হাতে থাকে তথ্য, প্রশ্ন করার সাহস এবং জনস্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব। কিন্তু যখন এই পেশার সঙ্গে নানা ধরনের স্বার্থ, পরিচয়, প্রভাব কিংবা অনৈতিক কর্মকা- জড়িয়ে পড়ে, তখন সাংবাদিকতার মূল চেহারাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে। ফলে সাধারণ মানুষের মনে একটি বিভ্রান্তি তৈরি হয়Ñকে প্রকৃত সাংবাদিক, আর কে কেবল সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করছে?

 

বাংলাদেশে সাংবাদিকতার বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে এর পরিচয়ের পরিধিও বেড়েছে। প্রযুক্তির অগ্রগতি, অনলাইন গণমাধ্যমের বিস্তার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সহজলভ্যতা সংবাদ প্রকাশকে গণতান্ত্রিক করেছে বটে, কিন্তু একই সঙ্গে সৃষ্টি করেছে এক নতুন সংকট। সাংবাদিকতার পরিচয় এখন অনেক ক্ষেত্রে দায়িত্বের চেয়ে সুবিধা আদায়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে প্রকৃত সাংবাদিক এবং নামধারী সাংবাদিকের মধ্যে পার্থক্য ক্রমেই অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

 

আজ বিভিন্ন অঞ্চলে এমন অনেক ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের মূল পরিচয় সাংবাদিকতা নয়, কিন্তু গলায় একটি পরিচয়পত্র ঝুলিয়ে কিংবা একটি ছোট্ট অনলাইন পোর্টালের নাম ব্যবহার করে তারা সমাজে প্রভাব বিস্তার করতে চান। কোথাও কোথাও সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, তদবির কিংবা ব্যক্তিস্বার্থ উদ্ধারের অভিযোগও শোনা যায়। এ ধরনের কর্মকা- শুধু আইনবিরোধী নয়, এটি প্রকৃত সাংবাদিকদের সম্মানকেও ক্ষুণœ করে।

 

আরেকটি উদ্বেগজনক প্রবণতা হলো সাংবাদিকতার চেয়ে পরিচয়ের গুরুত্ব বেড়ে যাওয়া। কেউ প্রেসক্লাবের পরিচয়কে সাংবাদিকতার সমার্থক মনে করেন, কেউ আবার বিভিন্ন সংগঠনের পদ-পদবি নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। অথচ সাংবাদিকতার মূল শক্তি কোনো পদ নয়; মূল শক্তি হচ্ছে মাঠে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই এবং জনস্বার্থে সত্য প্রকাশের সাহস।

 

সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক মেরুকরণও সাংবাদিকতাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। একটি অংশ প্রকাশ্যে বা নীরবে কোনো না কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করে ফেলছে। মতাদর্শ থাকা দোষের নয়; কিন্তু সংবাদ পরিবেশনে যদি নিরপেক্ষতা হারিয়ে যায়, তাহলে সাংবাদিকতা আর সাংবাদিকতা থাকে না, সেটি প্রচারণায় পরিণত হয়।

 

সংবাদ ও মতামতের এই সীমারেখা মুছে গেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ পাঠক। অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে আরেক ধরনের সাংবাদিকতার জন্ম হয়েছে। যাচাই-বাছাই ছাড়াই তথ্য প্রকাশ, গুজবকে সংবাদ হিসেবে উপস্থাপন কিংবা অনুমানকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। দ্রুত হওয়ার প্রতিযোগিতায় অনেক সময় নির্ভুল হওয়ার দায়বদ্ধতা হারিয়ে যাচ্ছে। অথচ সাংবাদিকতার প্রথম শর্তই হলো সত্যতা যাচাই। তবে এই অন্ধকারের মধ্যেও আশার জায়গা রয়েছে।

 

দেশে এখনো এমন বহু সাংবাদিক আছেন, যারা নীরবে কাজ করে চলেছেন। তারা প্রচারের আলোয় আসেন না, সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের প্রচারণায় ব্যস্ত থাকেন না। কিন্তু মানুষের সমস্যা তুলে ধরেন, দুর্নীতি উন্মোচন করেন, ক্ষমতাবানদের প্রশ্ন করেন এবং ঝুঁকি নিয়েও সত্য প্রকাশ করেন। অনেক সময় তাদেরই হামলা, মামলা, হুমকি কিংবা সামাজিক বঞ্চনার শিকার হতে হয়। তবুও তারা নীতি থেকে সরে যান না। প্রকৃত অর্থে তারাই সাংবাদিকতার প্রাণশক্তি। সাংবাদিকতার সংকট তাই কেবল ব্যক্তির সংকট নয়; এটি প্রতিষ্ঠান, নীতিমালা ও পেশাগত সংস্কৃতিরও সংকট।

 

অনলাইন গণমাধ্যমের নিবন্ধন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে আরও দায়িত্বশীল করা, সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ জোরদার করা এবং নৈতিকতা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহার রোধে রাষ্ট্র, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এবং সাংবাদিক সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সমাজকে ঠিক করতে হবে তারা কেমন সাংবাদিক চায়।

 

এমন সাংবাদিক, যিনি ক্ষমতার কাছে নতজানু নন; যিনি ব্যক্তিস্বার্থের জন্য কলম বিক্রি করেন না; যিনি সত্যের সঙ্গে আপস করেন না; যিনি মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং তথ্যকে অস্ত্র নয়, দায়িত্ব হিসেবে ব্যবহার করেন। সাংবাদিকের পরিচয় কোনো আইডি কার্ডে সীমাবদ্ধ নয়, কোনো প্রেসক্লাবের সদস্যপদেও নয়। একজন সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় তাঁর সততা, পেশাগত দক্ষতা, নৈতিকতা এবং জনস্বার্থে নির্ভীক অবস্থান।

 

সমাজের প্রয়োজন সেই সাংবাদিক, যিনি খবরের আড়ালের সত্য খুঁজে বের করবেন, মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবেন এবং গণতন্ত্রের প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আজ যখন সাংবাদিকতার নানা রকম পরিচয় নিয়ে আলোচনা হয়, তখন শেষ পর্যন্ত একটি প্রশ্নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেÑআমরা কি সংখ্যায় বেশি সাংবাদিক চাই, নাকি মানে বড় সাংবাদিক? কারণ একটি সমাজকে বদলে দিতে শত সাইনবোর্ডধারী সাংবাদিক নয়, একজন সৎ ও নির্ভীক সাংবাদিকই যথেষ্ট।

লেখক: সংবাদকর্মী

Ads small one

জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে ভূমিহীন নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে ভূমিহীন নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার ভূমিহীন নেতারা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় দেবহাটা-কালিগঞ্জের ভূমিহীন জনপদের নেতা মো. আলমগীর হোসেন, মো. বায়োজিদ হোসেন সবুর গাজী, জেলা ভূমিহীন পরিবারের সভাপতি মো. কওছার আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম রেজাউল করিম রেজা, দপ্তর সম্পাদক স্বপন কুমার সানা এবং ভূমিহীন নেতা আসাদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলাম বলেন, কালিগঞ্জের ভূমিহীনদের দীর্ঘদিনের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সঙ্গে বাবরবাদ ঘের ও জমির বিষয়টি গভীরভাবে জড়িত। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও পরে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ওই আন্দোলনের সময় ঐতিহাসিক সখিপুর কলেজ মাঠে এসে ভূমিহীনদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। সে সময় তিনি ভূমিহীনদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকান্ডের বিচার করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে সরকার গঠনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কালিগঞ্জের ভূমিহীনদের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ২৭ জনকে জমির দলিল প্রদান করেন। এরপর তাঁরা সেখানে ভূমিহীন হিসেবে বসবাস করে আসছেন।

মো. হাবিবুল ইসলাম বলেন, ঐতিহাসিক ওই আন্দোলন এবং ভূমিহীনদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভূমিহীনদের অধিকার রক্ষার নামে কেউ যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারেন, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃত ভূমিহীনদের নাম ব্যবহার করে কেউ যাতে ব্যক্তিস্বার্থে কোনো অপতৎপরতা চালাতে না পারেন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকা জরুরি। সাতক্ষীরায় এখনো অনেক প্রকৃত ভূমিহীন পরিবার রয়েছে। সরকারি খাসজমি থাকলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানানো হবে।

জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, সরকারি জমি না থাকলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পুনর্বাসন করা সম্ভব নয়। তবে প্রকৃত ভূমিহীন পরিবারগুলো যাতে দীর্ঘস্থায়ীভাবে সুন্দর জীবনযাপন করতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

 

 

 

কেশবপুরে বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে আমন ধানের চারা রোপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে আমন ধানের চারা রোপন

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): আষাঢ় শ্রাবণ মাস বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্রে বর্ষাকাল। কৃষি প্রধান বাংলাদেশের কৃষকের জন্য আমন ধানের চারা রোপনের সুবর্ণ সময় এই বর্ষাকাল। তাই বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে কেশবপুরের কৃষকরা আমন ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে।

বৃষ্টির মৌসুম শুরুতে একটু বৃষ্টি কম হলেও বর্তমান যথেষ্ট পরিমান বৃষ্টিপাত হওয়ায় খাল বিল ডোবা নালা পানিতে পরিপুর্ণ হয়ে গেছে। তাই কৃষকরা উচু-ডোবা জমি থেকে আগাম পাট কেটে সেই জমিতে আমন ধান রোপন শুরু করেছে।

 

কেশবপুরের মাটি পাট চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় অধিকাংশ কৃষকেরা আগাম পাট চাষ করে থাকে। সেই পাট কেটে রোপা আমন ধানের আবাদ করে। অন্যান্য বছরের তুলনায় কেশবপুরে এবার পাটের আবাদ কম হলেও ফলন ভাল হয়েছে। পুকুর ও ডোবা নালায় যথেষ্ট পরিমান বৃষ্টির পানি জমে থাকায় কৃষকদের ক্ষেতের পাট কেটে পঁচন দিতে কোন সমস্যা হচ্ছে না। তাই তারা পাটকেটে পচন দিয়ে সেই জমিতে আমন আবাদ শুরু করেছে।

 

কেশবপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চল জুড়ে এখন চলছে আমন ধানের চারা রোপনের মহোৎসাব। অন্য বছরগুলোতে অতিবৃষ্টি ও কপোতাক্ষের উপচে পড়া পানিতে কেশবপুরের প্রায় ৮০টির বেশী গ্রাম পানিবন্দি হয়ে পড়ার কারণে আমন আবাদ ব্যহত হলেও এবার কৃষকরা কপোতাক্ষের রাহু গ্রাস থেকে রক্ষা পেয়েছেন। তাই এসব জমিতে এখন কৃষকরা মনের আনন্দে ধানের চারা রোপন করছে।

এবিষয়ে কেশবপুর উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন সাংবাদিকদের জানান, কেশবপুরে এবার ৮হাজার ৫’শত হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকল থাকলে লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

 

 

 

কেশবপুর ভোররাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালাল চোর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
কেশবপুর ভোররাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালাল চোর

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে মসজিদে মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালালো চোর। তথ্য সূত্রে জানা গেছে শনিবার দিবাগত গভীর রাতে পৃথক দুটি বাড়িতে হানা দিয়ে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৭টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল। আলতাপোল (বারোইপাড়া) গ্রামের কুমারের ৪টি এবং মঙ্গলকোট গ্রামের রবিউল ইসলাম রবির ৩টি গরু নিয়ে যায় তারা। গরুর মূল্য হবে ১০ থেকে ১২ লাখ।

চোরেরা সুকুমারের গরুগুলো বাড়ির পাশের একটি বাগানে এবং রবির গরুগুলো যশোর-চুকনগর সড়কের আলতাপোল চারেরমাথা এলাকার একটি মেহগনি বাগানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। ধারণা করা হচ্ছে, পরে পিকআপে তুলে গরুগুলো নিয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা।

কিন্তু ফজরের আজানের সময় বিষয়টি জানাজানি হলে মসজিদের মাইকে গরু চুরির ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণা শুনে চোরেরা দ্রুত পালিয়ে যায়। রেখে যায় চুরি করা ৭টি গরু। পালানোর সময় তারা গরু বাঁধা বাগানে একটি গামছা ও পানির বোতলও ফেলে যায়।

ঘটনাটির আরও একটি বেদনাদায়ক দিক রয়েছে। রবিউল ইসলাম রবির ছোট ভাই মাত্র শুক্রবার হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। পরিবারটির শোক এখনো কাটেনি। এর মধ্যেই বাড়িতে গরু চুরির ঘটনা নিঃসন্দেহে তাদের জন্য নতুন করে দুর্ভোগ ও আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একদিকে বৃষ্টির পানিতে কেশবপুরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন, অন্যদিকে কৃষকের শেষ সম্বল গবাদিপশুও নিরাপদ নয়-এ পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। স্থানীয়রা বলছে রাতের পুলিশি টহল কতটা কার্যকর?

সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রাতের টহল আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে গরু চুরির সঙ্গে জড়িত চক্র শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন বলেন আমাদের কাছে এ ধরনের কোন অভিযোগ আসেনি তবে বিষয়টা আমাদের জেনেছি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।