সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরাম গঠন: আহবায়ক এড. ঝুমুর, সদস্য সচিব সুমন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরাম গঠন: আহবায়ক এড. ঝুমুর, সদস্য সচিব সুমন

পত্রদূত ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলা, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অনাড়ম্বর সম্মেলনে সাতক্ষীরায় গঠিত হয়েছে ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরাম সাতক্ষীরা। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করা, পরিবেশ সুরক্ষায় সামাজিক উদ্যোগ জোরদার করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে রবিবার (২ আগস্ট) শহরের একটি হোটেলের হলরুমে অ্যাওসেড-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফোরাম গঠন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট নাজমুন নাহার ঝুমুর। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন অ্যাওসেডের (অঙঝঊউ) ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হেলেন খাতুন। এতে সাংবাদিক, পরিবেশকর্মী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী এবং বিভিন্ন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব অংশ নেন। শুরুতে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সংগীত।


হেলেন খাতুন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, বিশেষ করে সাতক্ষীরা, বর্তমানে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনপদগুলোর একটি। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত, দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা, নদীভাঙন এবং ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততার কারণে এ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে পড়ছে। কৃষিজমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে, সুপেয় পানির সংকট বাড়ছে, মাছ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং অনেক পরিবার জীবিকা হারিয়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে। জলবায়ুর এসব বহুমাত্রিক প্রভাব শুধু পরিবেশ নয়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্যনিরাপত্তা এবং সামগ্রিক সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

কোস্টাল ভয়েসের আহবায়ক মোস্তফা জামাল পপলু বলেন, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে সবচেয়ে কম অবদান রাখা উপকূলীয় জনগোষ্ঠীই জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী। অথচ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জলবায়ু অর্থায়ন, ক্ষতিপূরণ এবং অভিযোজন সহায়তার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ন্যায্য অধিকার এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি। এই বৈষম্য দূর করতে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী নাগরিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেন।

অ্যাওসেডের হেড অফ অপারেশন্স রবিউল আলম, ‘ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরাম সাতক্ষীরা’র অন্যতম লক্ষ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার, ক্ষতিপূরণ এবং জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করার দাবিতে কার্যকর ভূমিকা রাখা। পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীল জীবনযাত্রা গড়ে তোলা, পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব নীতি প্রণয়নে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম পরিচালনা এবং তরুণ সমাজকে জলবায়ু আন্দোলনের সঙ্গে জাতীয় আন্তর্জাতিক ভাবে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

সভায় আলোচনা করেন, অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, মাধব দত্ত, সমরেশ কুমার দাস, লুইস রানা গাইন, অধ্যাপক হেদায়েতুল ইসলাম, শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন, হেদায়েত হোসেন, আমিনা বিলকিস ময়না, আফজাল হোসেন, কৃষ্ণ ব্যানার্জি, অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব, হাবিবুর রহমান সোহাগ, রুবিনা খাতুন রুনা ও ইমরান হোসেন।

সভার শেষে সর্বসম্মতিক্রমে ফোরামের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটির সদস্যরা বলেন, সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ, গবেষক, গণমাধ্যম এবং তরুণদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে। একই সঙ্গে উপকূলের মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা, দাবি ও সংকট জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় তুলে ধরে কার্যকর নীতি প্রণয়ন এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও ফোরাম সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
জলবায়ু ক্ষতি সহ অন্যান্য বিষয় লিখিত ও চিত্র উপস্থাপন করেন সালাউদ্দিন অপু।

অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা করেন, অ্যাডভোকেট তনুজা পিয়াসী শাওলীন, এডভোকেট মনোয়ারা পারভীন মিলি, লাবন্য হালদার, চায়না দাস, গুলশান আরা সোমা, তাপসী মন্ডল, তনয়া সায়নী মেধা, মিতু মন্ডল প্রমুখ।

সংগঠনের উপদেষ্টা মাধব দত্ত প্রয়াত আহবায়ক ড. দিলারা বেগম, রেহানা খাতুন হেনা, মাহবুবুর রহমান মোহন, অ্যাডভোকেট কামরুননাহার ছবি ও অন্যান্য শ্রদ্ধাভাজন প্রয়াত ব্যক্তিদের স্মরণে ঘোষণা করেন শোক প্রস্তাব। তাদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ৫ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ ঘোষণা করা হয়। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ হলেন। অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, মাধব দত্ত, লুইস রানা গাইন, অধ্যাপক শেখ হেদায়েতুল ইসলাম, এডভোকেট মুনির উদ্দিন।

একই সাথে সিজেএফের ৫ সদস্য বিশিষ্ট ওয়ার্কিং কমিটি ঘোষণা করা হয়। সদস্যবৃন্দ হলেন, শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন, এডভোকেট এস এম বিপ্লব হোসাইন, রুবিনা খাতুন রুনা, হাবিবুর রহমান সোহাগ, মিতু মন্ডল।

Ads small one

চাঁদাবাজির মামলায় জামায়াত নেতা হাজী নজরুল ও সহযোগী কারাগারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
চাঁদাবাজির মামলায় জামায়াত নেতা হাজী নজরুল ও সহযোগী কারাগারে

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় জামায়াত নেতা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. নজরুল ইসলাম এবং তার সহযোগী বিশ্বজিৎ মন্ডলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১০ আগস্ট) সাতক্ষীরার আদালতে হাজির হয়ে তারা জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী পবিত্র কুমার বলেন, বাদীপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) সিরাজুল ইসলাম, আইনজীবী শেখ আবদুল খালেক ও নির্মল জোয়াদ্দার আদালতে শুনানি করেন। তারা আদালতে বলেন, আসামিরা সরকারি প্রকল্পের কাজে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। তারা জামিনে বাইরে থাকলে সরকারি কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে উচ্চ আদালত থেকে হাজী মো. নজরুল ইসলাম ও তার সহযোগী ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষে সোমবার তারা সাতক্ষীরার আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিকে, আদালত চত্বরে নজরুল ইসলামের ছবি নিতে গেলে সাংবাদিকদের ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ফেলে দেন তার ছোট ছেলে সাইফুল ইসলাম।

গত ২৫ মে রাতে শ্যামনগর থানায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে মামলাটি করেন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান আর-রাদ করপোরেশনের আইন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ ও শুরা সদস্য হাজী মো. নজরুল ইসলামকে। মামলায় তার ছেলে আব্দুর রহমান, স্থানীয় বিশ্বজিৎ মন্ডলসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, শ্যামনগরের পূর্ব দুর্গাবাটি এলাকায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ডিএল-উন্নয়ন (জেভি) ও ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের পক্ষে আর-রাদ করপোরেশন। অভিযোগ করা হয়, গত বছরের আগস্ট থেকে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে চাঁদা দাবি এবং কাজ বন্ধের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, চাঁদা না দেওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল থেকে প্রকল্পের কাজ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরে গত ১৯ মে রাতে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে হাজী নজরুল ইসলাম ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং কাজ চালিয়ে গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হত্যার হুমকি দেন।

এরপর ২৩ মে দুপুরে হাজী নজরুল ইসলাম, তার ছেলে আব্দুর রহমানসহ কয়েকজন প্রকল্প এলাকায় গিয়ে প্রকৌশলী জাহিদ হাসানকে মারধর করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। তাকে বাধা দিতে গেলে কিউরিং ম্যান ফেরদৌসকেও মারধরের অভিযোগ রয়েছে। এ সময় প্রকৌশলী জাহিদের একটি অ্যাপল স্মার্টওয়াচ ও মানিব্যাগ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়।

মামলার বাদীর দাবি, পুরো ঘটনা প্রকল্প এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে। হামলায় আহত জাহিদ হাসান ও ফেরদৌসকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
তবে শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন হাজী মো. নজরুল ইসলাম। তার দাবি, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। হামলার অভিযোগের সময় তিনি ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট অধিবেশনে ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বর্ষার আগে বাঁধ নির্মাণকাজ শেষ করা না গেলে উপকূলীয় বিস্তীর্ণ এলাকা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ কারণে প্রকল্পটি নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী ও এড. আবু বক্কর।

 

দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১ জন আটক, ইয়াবা উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১ জন আটক, ইয়াবা উদ্ধার

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম রেজাউল ইসলাম (৪৮)। সে কালিগঞ্জ উপজেলার সেহারা গ্রামের মৃত সামত আলীর ছেলে। তার নিকট থেকে ৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিমের নেতৃত্বে থানায় কর্মরত এসআই সোহাগ মিয়া ও এসআই সাহিদুর রহমান মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছিলেন।

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৯ আগস্ট ২০২৬ রাত ১০টার দিকে দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের নওয়াপাড়া ঢালাই রাস্তার মোড় থেকে ওয়াপদার দিকে যাওয়ার পথে জনৈক আব্দুল মান্নানের বাড়ির সামনে ইটের সলিং রাস্তার ওপর অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশ রেজাউল ইসলাম (৪৮) কে আটক করে। তার নিকট থেকে ৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে ১০ আগস্ট সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

শ্যামনগর প্রেসক্লাবে আব্দুল মোমিন ও দিলীপ কুমারের সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর প্রেসক্লাবে আব্দুল মোমিন ও দিলীপ কুমারের সংবাদ সম্মেলন

সংবাদদাতা: রবিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১০ টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্যামনগর উপজেলার সিরাজপুর গ্রামের মৃত নূর আহম্মদ গাজীর ছেলে মোঃ আব্দুল মোমিন সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বলেন- তার নিলাম খরিদা ভূমি ছোট ভাই আব্দুল মালেক ও তার সহযোগী বড় ভগ্নিপতি মোঃ আমজাদ হোসেন ও সেজো ভাইয়ের স্ত্রী শাকিলা বেগম এর বক্তব্য দিয়ে আমার ও আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আমার বৃদ্ধা মাকে ভুল বুঝিয়া এক মিথ্যা বানোয়াট তথ্য পরিবেশন করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে কিছু না শুনে- না জেনে তার ও তার স্ত্রীর সম্মান হেয় করায় তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানান ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানান।

একই দিন দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দিলিপ কুমার রায়। তিনি শ্যামনগর উপজেলা মিঠাচন্ডিপুর গ্রামের মৃত কাত্তিক চন্দ্র রায়ের ছেলে। দিলিপ কুমার তার লিখিত বক্তব্যে দাবী করেন, হরিনগর এলাকার দিলিপ মল্লিকের কন্যা চম্পা রানী তার স্ত্রী ছিলেন।

 

উক্ত চম্পা রানীর বিরুদ্ধে তিনি বিভিন্ন অভিযোগ করে বলেন, জনৈক আব্দুল মান্নানকে দিয়ে তার ভিটা বাড়ি লিখে নেওয়ার জন্য হুমকি ও মারপিট করেন। এই ঘনটায় তিনি শ্যামনগর থানায় ১৫৮২ নং জিডি করেন।

 

এই ঘটনায় চম্পা রানী নিজেকে আহত দেখিয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদলতে মামলা করেন। দিলীপ দাবী করেন বর্তমান তিনি নিরাপত্তাহীনতায় আছেন। এব্যাপারে তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।