রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় ডিসি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি উপজেলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ডিসি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি উপজেলা

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 43;

এস এম হাবিবুল হাসান: সাতক্ষীরায় জাঁকজমকপূর্ণ জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আশাশুনি উপজেলা দল। তারা কালিগঞ্জ উপজেলা ফুটবল দলকে টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর মেঘা ফাইনালে আশাশুনি উপজেলা দল বনাম কালিগঞ্জ উপজেলা দলের মধ্যে খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে নির্ধারিত সময় আশাশুনি উপজেলা দল ১-১ কালিগঞ্জ উপজেলা দল গোলের সমতায় শেষ হয়। নির্ধারিত সময়ে আশাশুনি উপজেলা ও কালিগঞ্জ উপজেলা দল বিজয়ী না হওয়ায় রেফারি টাইব্রেকারের সিদ্ধান্ত নেয়। টাইব্রেকারের প্রথম শর্ট নিতে আসে আশাশুনি উপজেলা দলের বিদেশি খেলোয়াড় বেনজামা। টাইব্রেকারে বেনজামার গোলে এগিয়ে যায় আশাশুনি উপজেলা দল। পরে কালিগঞ্জের হয়ে টাইব্রেকারে শর্ট নিতে আসে আল আমিন। আল আমিনের শর্ট আশাশুনি উপজেলার গোলকিপার শান্ত দক্ষতার সাথে সেভ করলে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠে দর্শক পরিপূর্ণ সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামের পুরো গ্যালারী।পরে আশাশুনি উপজেলা দল টাইব্রেকারে বাকি ৪টা শর্ট সরাসরি গোল করে। অপর দিকে টাইব্রেকারে কালিগঞ্জ উপজেলা দল বাকি ৩টা শর্টে গোল করলে ৫-৩ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়ে মাঠ ছাড়ে। ফলে আশাশুনি উপজেলা দল জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল কালিগঞ্জ উপজেলা দলকে টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
এর আগে, জমকালো আয়োজনে জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে ক্রীড়ামোদী দর্শকদের উপচে পড়া ভীড় আর রৌদ্রোজ্জল বিকেলে সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়াম পরিনত হয় জনসমুদ্রে। প্রথমার্ধের শুরুতেই আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ আর উভয় দলের সমর্থক ও দর্শকদের মহুর মহুর করতালিতে জাঁকজমকপূর্ণ ফাইনাল খেলাটি হয়ে ওঠে প্রানবন্ত ক্রীড়া উৎসব। প্রথমার্ধের ৯ মিনিটের মাথায়আশাশুনি উপজেলা দল ৯ নাম্বার জার্সিধারী সবিজের গোলে ১-০ তে এগিয়ে যায়। ১-০ গেলের লিড নিয়ে আশাশুনি উপজেলা দল আরও আক্রমাত্মক খেলতে থাকে। উপর দিকে ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে কালিগঞ্জ উপজেলা দল পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে।
গোল পরিশোধের মরিয়া হয়ে আক্রমণের ধার ও খেলার ধরন পরিবর্তন করে প্রতি মুহূর্তে কালিগঞ্জ উপজেলা দল। কালিগঞ্জ উপজেলা দল শুরুতে ৪-৪-২ পজিশন থেকে গোল খেয়ে ৪-৩-২-১ পজিশনে খেলতে থাকে। অপর দিকে আশাশুনি উপজেলা দল আক্রমণের সান বাড়িয়ে ৪-২-২-২ পজিশনে খেলতে থাকে। প্রথমার্ধের শেষে আর কোন অঘটন না ঘটায় আশাশুনি উপজেলা দলের সজীবের একমাত্র গোলে ১-০ তে লিড নিয়ে বিরতি যান উভয় দল।
ডিসি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে আশাশুনি উপজেলা দল ১-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতি থেকে ফিরে আরও আক্রমাত্মক খেলতে থাকে। অপর দিকে কালিগঞ্জ উপজেলা দল গোল পরিশোধের মরিয়া হয়ে সর্বোচ্চ আক্রমাত্মক ভাবে খেলতে থাকে। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটের মাথায় কালিগঞ্জ উপজেলা দলের বিদেশি খেলোয়াড় ১১ নাম্বার জার্সিধারীর ডি-বক্সের মধ্যে একা পেয়ে নিশ্চিত গোল থেকে রক্ষা করে আশাশুনি উপজেলা দলের গোলরক্ষক জি কে শান্ত।
গোলকিপার শান্তর একক প্রচেষ্টায় এ যাত্রায় রক্ষা পায় আশাশুনি উপজেলা। খেলায় আশাশুনি উপজেলা ১-০ কালিগঞ্জ উপজেলা দল। উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনালের দ্বিতীয়ার্ধের ৮৫ মিনিটের মাথায় কালিগঞ্জ উপজেলা দলের বিদেশি খেলোয়াড় ১০ নাম্বার জার্সিধারী আল আমিনের গোলে ১-১ সমতা নিয়ে ফেরে। ফলে আশাশুনি উপজেলা ১-১ কালিগঞ্জ উপজেলা দল। খেলার ৮৮ মিনিটের মাথায় আবারও আক্রমণে আশাশুনি উপজেলা দল। সজীবের শর্ট সেভ করেন কালিগঞ্জ উপজেলা দলের গোলকিপার নাঈম। দ্বিতীয়ার্ধে আর কোন গোল না হওয়ায় ১-১ গোলের সমতা নিয়ে রেফারি বাঁশি বাজিয়ে শেষ করেন। নির্ধারিত সময়ে কোন দল জয়ী না হওয়ায় রেফারি টাইব্রেকারের সিদ্ধান্ত নেয়। টাইব্রেকারের ফলাফল
আশাশুনি উপজেলা দল -১+১+১+১+১=৫। উপর দিকে কালিগঞ্জ উপজেলা দল -০+১+১+১+-=৩
এর আগে ডিসি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে মধ্যবিরতিতে দর্শকদের মনোরঞ্জনের জন্য মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আয়োজক কমিটি।
ডিসি কাপ ফুটবলের ফাইনালে রেফারি হিসেবে মাঠ পরিচালনা করেন তরুন প্রজন্মের অন্যতম আইকন আবু সুফিয়ান। সহকারী নাসির উদ্দীন  ও জাহাঙ্গীর কবির। চতুর্থ রেফারি হিসেবে ছিলেন মিজানুর রহমান। ম্যাচ কমিশনার আতাউর রহমান। এছাড়া মাঠে ধারা বিবরণীতে ছিলেন ওলিউর রহমান, ইসমাইল হোসেন মিলন ও আশরাফ হোসেন।

Ads small one

মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: মাদার তেরেসার ১১৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। মাদার তেরেসার মানবসেবা ও মানবিক আদর্শকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বরেণ্য কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, গবেষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন।

পাখি, পরিবেশ ও সাংবাদিকতায় অসামান্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ অনুষ্ঠানে সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধানকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদের সভাপতি গাজী আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব মো. আজগর হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত রূপ নেয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার সম্পাদক ও প্রকাশক, কবি ও সাংবাদিক অশোক ধর। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব আবু ওবায়েদ বাদল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিহাব রিফাত আলম, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট আলেয়া বেগম লাকী, এম ইমরান উদ্দিন, জামাল উদ্দিন নাসির, অনির্বাণ ভক্ত, অধ্যাপক মো. আমীর হোসেন, মো. শামসুল আলম, মাহবুবা শাহরীন মিতু, মোছা. আলেয়া বেগম, মো. সাজ্জাদ হোসেন বিশ্বাস, মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, সাংবাদিক সানোয়ার খান, সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান, কবি ও সাংবাদিক মো. শফিউল্লাহ মিয়া, সবুজ রায় প্রমুখ।

সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন সুরমা আক্তার, সাকিনা কাইউমসহ অন্যান্য শিল্পীরা। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সেলিম মাহবুব ও সাকিনা কাইউম। যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন শেখ মো. আসিফ হোসেন ও দীপংকর ঘোষ। সমাপনী পর্বে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিন সিকদার।

 

চিনাডাঙ্গায় তিলেরআটী খাল পরিষ্কার ও তালের বীজ রোপণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
চিনাডাঙ্গায় তিলেরআটী খাল পরিষ্কার ও তালের বীজ রোপণ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার চিনাডাঙ্গা এলাকায় ‘সফল ফর ইন্টিগ্রেটেড ওয়াটার রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট’ প্রকল্পের আওতায় তিলের আটী খাল পরিষ্কার ও তালের বীজ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার সকালে চিনাডাঙ্গা তিলেরআটী খাল ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, দেবহাটা উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফি, উত্তরণের ওয়াটার ক্লাস্টার ফ্যাসিলিটেটর মশিয়ার রহমান, ওয়াটার ক্লাস্টার অফিসার নাজমুল বাশার, সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়ার প্রোগ্রাম অফিসার আব্দুর রহমান নাহিদ, প্রোগ্রাম অফিসার মশিউর রহমান, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের ম্যানেজার সোহেল মাহমুদ, সাবেক ইউপি সদস্য ও ওয়াটারশেড কমিটির সভাপতি মোনাজাত আলী, ওয়াটারশেড কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল গফ্ফারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

বক্তারা উল্লেখ করেন, খাল পরিষ্কার ও তালের বীজ রোপণের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এই উদ্যোগ। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: নিত্যপণ্যের লাগামহীন দরদাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: নিত্যপণ্যের লাগামহীন দরদাম

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নি¤œ ও মধ্যবিত্ত মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে চরম সংকটের মুখে ফেলেছে। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, আটা থেকে শুরু করে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ ও সবজির মতো নিত্যদিনের অনুষঙ্গগুলোর আকাশছোঁয়া দামে পরিবার চালনা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। লাগাতার ভারী বৃষ্টি ও দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার মতো প্রাকৃতিক কারণে সবজির উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি সত্য হলেও, খুচরা বাজারে যেভাবে রাতারাতি দাম দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে, তা কেবল প্রাকৃতিক দুর্যোগ দিয়েই ব্যাখ্যা করা যায় না।

প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার সুযোগ নিয়ে বাজারের একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের পাঁয়তারা করছেÑএমন অভিযোগ ক্রেতাসাধারণের। নিয়মিত কার্যকর তদারকি ও বাজার মনিটরিংয়ের ঘাটতিই সিন্ডিকেট ও অসাধু ব্যবসায়ীদের এমন বেপরোয়া আচরণের মূল সুযোগ করে দিচ্ছে। আয়ের পরিধি স্থবির থাকলেও দৈনন্দিন ব্যয় প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষ পুষ্টিকর খাবার ও অন্যান্য মৌলিক প্রয়োজন কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এই পরিস্থিতি থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্তি দিতে স্থানীয় প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে আরও সক্রিয় ও কঠোর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে। পাইকারি থেকে খুচরা—বাজার ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে তদারকি নিশ্চিত করা এবং অহেতুক মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। একই সাথে কৃষি পণ্যের সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক রাখতে পরিবহন ব্যবস্থার জট নিরসন এবং কৃষক পর্যায় থেকে সরাসরি বাজারজাতকরণের সুযোগ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। উপকূলের মেহনতি ও সীমিত আয়ের মানুষের জীবনযাত্রাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে অবিলম্বে দ্রব্যমূল্যের এই লাগামহীন গতি রোধ করাই এখন স্থানীয় প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।