মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় দিগন্তজোড়া ঘেরে মাছ চাষে বিপ্লব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় দিগন্তজোড়া ঘেরে মাছ চাষে বিপ্লব

মাছুম বিল্লাহ: দিগন্তজোড়া মাছের ঘের, ঘেরের পানি বৃদ্ধি এবং পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন সাতক্ষীরার মৎস্য চাষীরা। একসময় এই অঞ্চলের অধিকাংশ ঘেরে শুধু চিংড়ি চাষ হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চাষ পদ্ধতিতে এসেছে বড় পরিবর্তন। চিংড়ি চাষে ঝুঁকি থাকায় একই ঘেরে চিংড়ি চাষের সাথে রুই, কাতলা, মৃগেল, সিলভার কার্প, প্রভৃতি মাছ চাষ হচ্ছে।

 

সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র। আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও চাষীদের নিরলস পরিশ্রমে জেলায় মাছ চাষে নেমে এসেছে এক নতুন বিপ্লব। এতে উৎপাদন যেমন বেড়েছে, তেমনি চাষিদের আয়ও আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। মাছ চাষিরা জানান, উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে পরামর্শ, উন্নত মানের পোনা, সুষম খাদ্য, নিয়মিত পানি পরীক্ষা কারণে মাছের উৎপাদন ভালো হচ্ছে। তাছাড়া অনেক চাষি ঘেরের বেড়িঁতে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করে অতিরিক্ত আয় করছেন।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা কর্মকর্তা জি.এম. সেলিম বলেন, আমরা উপজেলা পর্যায় থেকে নিয়মিত মৎস্য চাষীদের সাথে যোগাযোগ রাখছি এবং আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের জন্য চাষীদের উৎসাহিত করছি। আমরা এবছর উপজেলা ভিত্তিক মৎস্য চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করিনি জুলাই মাস শেষ হলে আমরা এটা নির্ধারণ করব।

 

Ads small one

কাতারে অনিশ্চয়তায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
কাতারে অনিশ্চয়তায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি সচল করার লক্ষ্য নিয়ে মঙ্গলবারে কাতারে পৌঁছানোর কথা রয়েছে শীর্ষ মার্কিন দূতদের। তবে এই কূটনৈতিক আলোচনার সময় ও আলোচ্যসূচি নিয়ে তৈরি হওয়া চরম অনিশ্চয়তা ইরান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে থামানোর চেষ্টাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

গত সপ্তাহান্তে দুই দেশের মধ্যে ঘটে যাওয়া পাল্টাপাল্টি হামলার পরই এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হলো। ওই হামলা গত ১৭ জুনের অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিকে বড় পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। ১৪ দফার ওই চুক্তিতে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎসহ বিভিন্ন জটিল বিষয়ের সমাধানের জন্য দুই পক্ষকে ৬০ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। এই যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী তেল ও অন্যান্য পণ্যের বাণিজ্য ব্যাহত করেছে, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকিতে ফেলেছে এবং মূলত ইরান ও লেবাননে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং তার দূত স্টিভ উইটকফ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে মঙ্গলবার দোহায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এর পাশাপাশি অন্যান্য কারিগরি বৈঠকও চলবে।

তবে ইরান চলতি সপ্তাহে কাতারে একটি কারিগরি প্রতিনিধি দল পাঠালেও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘেই বলেছেন, মার্কিনীদের সফরের সঙ্গে এর ‘কোনও সম্পর্ক নেই’ এবং দুই পক্ষের মধ্যে কোনও বৈঠকের সূচি নির্ধারিত হয়নি।

বাঘেই স্পষ্ট করে বলেন, আগামী দিনগুলোতে মার্কিন পক্ষের সঙ্গে কোনও পর্যায়েই আমাদের কোনও আলোচনার বৈঠক হবে না।

ইরানের একজন সিনিয়র কর্মকর্তাও জানিয়েছেন, দোহায় এই বৈঠক কেবল হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনা এবং উত্তেজনা হ্রাসের আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। অবশ্য রবিবারের পর উত্তেজনা কিছুটা কমায় মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও কমেছে, যা ২০২০ সালের কোভিড-১৯ মহামারির পর সবচেয়ে বড় ত্রৈমাসিক দরপতনের রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে।

চার মাস আগে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ যোগাযোগ কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। অথচ এই রুট দিয়ে আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো। এরপর থেকে ইরান এই জলপথের অপর প্রান্তে থাকা ওমানের সঙ্গে মিলে প্রণালিটির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তারা ঘোষণা করেছে যে এই পথ ব্যবহারের জন্য জাহাজগুলোর কাছ থেকে ফি নেওয়া হবে এবং নির্ধারিত পথের বাইরে যাওয়া জাহাজগুলোর গতিবিধি ব্যাহত করছে।
বৃহস্পতিবার থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ইরান ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন দিয়ে অন্তত দুটি বাণিজ্যিক জাহাজে আঘাত করেছে এবং এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের সামরিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় গত রবিবার কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে।

এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিয়েছে, যা আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দেশের ভেতরে ট্রাম্পকে তীব্র রাজনৈতিক চাপে ফেলেছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে। এই পরিস্থিতিতে সোমবার হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মরক্কো থেকে ফসফেট সার আমদানির ওপর কিছু শুল্ক সাময়িকভাবে স্থগিত করার অনুমোদন দিয়েছেন ট্রাম্প। কারণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সারের সরবরাহ যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে আরও সময় লাগবে, যার দরুন মার্কিন কৃষকেরা তীব্র সার সংকটে ভুগছেন।

দোহা বৈঠক নিয়ে ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, দোহা বৈঠকটি হয়তো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। আমরা শিগগিরই তা জানতে পারবো।

এদিকে ইরানের ভেতরে, দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্ব যুদ্ধ থেকে টিকে গেলেও বিপর্যস্ত অর্থনীতির কারণে জনগণের তীব্র ক্ষোভের মুখে রয়েছে। এর মধ্যেই দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি প্রদেশে ‘সন্ত্রাসীদের’ গুলিতে এলিট ফোর্স রেভল্যুশনারি গার্ডসের দুই সদস্য নিহত হয়েছেন বলে বাহিনীটি জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিতে ইসরায়েল এবং লেবাননের ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাতের অবসানের বিধানও রাখা হয়েছে। তবে হিজবুল্লাহর মিত্র ও লেবাননের শক্তিশালী পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরি ওই যুদ্ধ বন্ধে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে মার্কিন-মধ্যস্থতায় হওয়া আলাদা একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তিটি দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারকে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ায় সংকটকে আরও দীর্ঘস্থায়ী ও অচল করার ঝুঁকিতে ফেলছে।

সূত্র: রয়টার্স

সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পাস হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদ অধিবেশনে নির্দিষ্টকরণ বিল, ২০২৬ পাসের মধ্য দিয়ে এই বাজেট অনুমোদন পায়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুর দিন ১ জুলাই থেকে এই বাজেট কার্যকর হবে।

এর আগে সোমবার করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি এবং কিছু ক্ষেত্রে করছাড়ের ৬৪টি সংশোধনীসহ অর্থবিল, ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর এটি বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট। এর আগে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার সর্বশেষ ২০০৬-০৭ অর্থবছরে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের মাধ্যমে জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছিল।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেটকে মানবিক অর্থনীতি গড়ে তোলার একটি সমন্বিত রূপরেখা হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা এবং মূল্যস্ফীতি কমিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

চলতি অর্থবছরের মূল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেটের তুলনায় নতুন বাজেটের আকার প্রায় ১৯ শতাংশ বেশি।

বাজেটে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতির প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৬ শতাংশের সমান। একই সঙ্গে বাজেটের মোট আকার সম্ভাব্য জিডিপির ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রী ‘থ্রিআর কৌশল’ ঘোষণা করেন। এ কৌশলের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ‘রিকভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন’, ‘রিস্টোরেশন’ এবং ‘রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসেলারেশন’—এই তিন ধাপে এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে কৌশলটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

বাজেটে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেট বাস্তবায়নের জন্য মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী সরকারি ব্যয়ের অনুমোদন চেয়ে ২০২৬ সালের নির্দিষ্টকরণ বিল সংসদে উত্থাপন করেন। এতে ১৫ লাখ ১৫ হাজার ৪৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন চাওয়া হয়। পরে কণ্ঠভোটে ‘নির্দিষ্টকরণ আইন, ২০২৬’ বিলটি পাস হয়।

এর আগে জাতীয় সংসদ ‘অর্থবিল, ২০২৬’ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীসহ পাস করে। সংশোধনীগুলোর মধ্যে করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা বিলুপ্ত করার বিধান উল্লেখযোগ্য।

নির্দিষ্টকরণ বিল পাসের আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন ব্যয় মিলিয়ে ৫৯টি মঞ্জুরি দাবির আওতায় নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের ব্যয়ের যৌক্তিকতা সংসদে উপস্থাপন করেন।

অপরদিকে, বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের দেওয়া ৫৯টি মঞ্জুরি দাবির বিপরীতে ১ হাজার ৩৪৩টি ছাঁটাই প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ করে দেয় জাতীয় সংসদ।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও স্বতন্ত্র সদস্যসহ মোট ৪৩ জন সংসদ সদস্য ৩৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করে আলোচনায় অংশ নেন।

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের অনুরোধে স্পিকার গিলোটিন পদ্ধতি প্রয়োগ করে অবশিষ্ট মঞ্জুরি দাবিগুলো বিস্তারিত আলোচনা ছাড়াই একযোগে কণ্ঠভোটে অনুমোদন করেন।

নির্দিষ্টকরণ বিল পাসের সময় বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সদস্যরা সংসদে উপস্থিত ছিলেন। বিলটি গৃহীত হওয়ার বিষয়ে তারা কোনও আপত্তি জানাননি।

বাংলাদেশকে ইনিংসে হারিয়ে জিম্বাবুয়ের ইতিহাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশকে ইনিংসে হারিয়ে জিম্বাবুয়ের ইতিহাস

তিনদিনের মধ্যে হারারের একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশকে ইনিংস ও ৮৫ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে জিম্বাবুয়ে। টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো টানা দুই ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে জয়ের কীর্তি গড়েছে তারা। গত বছরের অক্টোবরে আফগানিস্তানকে ইনিংস ব্যবধানে হারানোর পর এবার সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখলো স্বাগতিক দল। তাদের টেস্ট ইতিহাসে বড় জয়ের নজিরও এটি। এছাড়া বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের মাটিতে ইনিংস ব‍্যবধানে হার দেখেছে ২৫ বছর পর। সর্বশেষ এমন স্বাদ পেয়েছিল সেই ২০০১ সালে!

ম্যাচের প্রথম দিনেই জয়ের ভিত গড়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে। তাদের পেসারদের দাপটে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর ইনোসেন্ট কাইয়ার ব্যাটে সেই রান দ্রুতই পুষিয়ে ফেলে স্বাগতিকরা।

শুরুটা ভালো করার পর ব্যক্তিগত ১৪০ রান করেন কাইয়া। ম্যাচসেরাও তিনি। এছাড়া ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্রেইগ আরভিন ও ব্রায়ান বেনেটের অর্ধশতকে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের চেয়ে ২৭০ রানের বড় লিড পায় জিম্বাবুয়ে। প্রথম ইনিংসে করে ৪১০ রান। সেটাই হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য যথেষ্ট!

বিশাল লিডের পর ব্লেসিং মুজারাবানি ও বাকিদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসেও প্রতিরোধ গড়তে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। অলআউট হয় ১৮৫ রানে। উল্লেখযোগ্য বলতে মুশফিকুর রহিমের ৩৪ রানই ছিল এই ইনিংসে সর্বোচ্চ। ৩০ রান করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ২৫ রান করেছেন অভিষিক্ত অমিত হাসান।

মুজারাবানি ৬৫ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। ৩২ রানে ৩টি নিয়েছেন রিচার্ড এনগারাভা। দুটি নিয়েছেন নিউম্যান নিয়ামহুরি।