সাতক্ষীরার নতুন জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ


সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম থেকে মোঃ ইফাজউদ্দীন (৯৬) নামের এক বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজ হয়েছেন। গত ৮ জুলাই ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০ টার সময় তিনি পরিবারের সকলের অজান্তে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।
নিখোঁজ বৃদ্ধের সন্ধান না পেয়ে তাঁর ছেলে মোঃ আব্দুল আলীম গত ১২ জুলাই ২০২৬ সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং: ৭৪৪) করেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ ইফাজউদ্দীন বাকপ্রতিবন্ধী। তাঁর উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ২ ইঞ্চি, শারীরিক গঠন মাঝারি এবং গায়ের রং উজ্জ্বল শ্যামলা। নিখোঁজের সময় তাঁর পরনে ছিল সবুজ রঙের জামা ও সাদা লুঙ্গি। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে দীর্ঘদিনেও আত্মীয়-স্বজন ও সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তির সন্ধান পেয়ে থাকেন, তবে নিকটস্থ থানা অথবা পরিবারের সাথে ০১৭৬৭৪০৫৭৭৯ বা ০১৭২৯৬৬৮১৮৮ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: সংসার জীবনের এক মাস পার হতে না হতেই খুলনার কয়রায় শ্বশুরবাড়িতে শোবার ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন মো. খালিদ হাসান (২৫) নামের এক যুবক। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক স ড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোবরা গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত খালিদ কয়রা সদর ইউনিয়নের ৩ নং কয়রা গ্রামের মো. রহিম সরদারের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এক মাস এক দিন আগে গোবরা গ্রামের তৈয়ব আলীর মেয়ে সানজিদা খাতুনের সঙ্গে খালিদ হাসানের বিয়ে হয়। শুক্রবার রাতে তিনি স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে খালিদের স্ত্রী সানজিদা ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পেয়ে জানালা দিয়ে উঁকি মেরে স্বামীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
পরে তাঁর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে খালিদকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে কয়রা থানা-পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।
কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাশেদুল আলম জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার বেলা ১১টার দিকে নিহতের বাবা বাদী হয়ে কয়রা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা (ইউডি) করেছেন। ঘটনার মূল কারণ অনুসন্ধানে পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
পত্রদূত ডেস্ক: শহরের কাটিয়া লস্করপাড়া এলাকার গৃহবধূ ইনা পারভীন চন্দনা (৩৫) গুমের মামলার প্রধান আসামি তার স্বামী রবিউল ইসলাম রবি ওরফে ভেন্ডার রবিকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে সদর থানা পুলিশ তাকে আটক করে আদালতে পাঠায়। গুমের শিকার গৃহবধু চন্দনা রবিউল ইসলাম রবির দ্বিতীয় স্ত্রী ও তালার শিবপুর গ্রামের মহিউদ্দীন শেখের কন্যা।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন তারিখে সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া লস্করপাড়া এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন গৃহবধূ চন্দনা। চন্দনার স্বজনদের দাবি তাকে স্বামী রবিউল ইসলাম রবি গুম করেছে।
এবিষয়ে গুম হওয়া গৃহবধূর পিতা মহিউদ্দীন শেখ ওই সময় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন। পরবর্তীতে ভেন্ডার রবিকে প্রধান ও আরও কয়েকজনকে আসামি করে সাতক্ষীরা আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন চন্দনার পিতা।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহমুদুর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশে গৃহবধূ চন্দনা গুম মামলার প্রধান আসামি আলোচিত রবিউল ইসলাম রবিকে আটক করাহয়। পরবর্তীতে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে চন্দনা গুমের সাথে তার স্বামী রবিউল ইসলাম রবি জড়িত কিনা সেটা জানা যাবে।