শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরার শাহপুরে ফ্রিল্যান্সারের হাত ধরে গড়ে উঠল বক ও পানকৌড়ির অভয়ারণ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরার শাহপুরে ফ্রিল্যান্সারের হাত ধরে গড়ে উঠল বক ও পানকৌড়ির অভয়ারণ্য

পত্রদূত ডেস্ক: একদিকে ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ, অন্যদিকে প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের নীরব সাধনা। প্রযুক্তিনির্ভর পেশার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের বাসিন্দা ফ্রিল্যান্সার মোহাম্মদ মনজুরুল হাসান গড়ে তুলেছেন বক ও পানকৌড়ি পাখির একটি নিরাপদ অভয়ারণ্য।

মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে তার বাড়ির চারপাশের গাছগুলো আজ পরিণত হয়েছে হাজারো বন্যপাখির নিরাপদ আশ্রয়ে। বর্তমানে এলাকাটির বিভিন্ন গাছে প্রায় দুই হাজারেরও বেশি বক ও পানকৌড়ি বাসা বেঁধেছে। ডিম পাড়া, বাচ্চা ফোটানো এবং বংশবিস্তার-সব মিলিয়ে প্রতিদিনই মুখর থাকছে পুরো এলাকা। ভোরের কিচিরমিচির আর সন্ধ্যার ঝাঁকে ঝাঁকে পাখির ফিরে আসা এখন শাহপুর গ্রামের নতুন পরিচয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, একসময় বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকটি বক দেখা গেলেও চলতি বছর হঠাৎ করেই বিপুল সংখ্যক বক ও পানকৌড়ি এখানে এসে বসতি গড়েছে। পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিন-রাত নজর রাখছেন মোহাম্মদ মনজুরুল হাসান ও তার প্রতিবেশীরা। কেউ যেন পাখির বাসা নষ্ট না করে বা শিকার না করে, সে বিষয়েও সবাইকে সচেতন করা হচ্ছে।

মোহাম্মদ মনজুরুল হাসান বলেন, “বন্যপাখি শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই বাড়ায় না, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অবাধ শিকার, জলাভূমি ধ্বংস, অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে বক ও পানকৌড়ির সংখ্যা কমছে। তাই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী একটি নিরাপদ আশ্রয় তৈরির চেষ্টা করেছি। পাখিগুলো এখানে নিরাপদে থাকুক-এটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

তবে এই উদ্যোগের মাঝেও রয়েছে কিছু চ্যালেঞ্জ। এলাকার কয়েকজন কৃষক পাখির বিষ্ঠার কারণে ফসলের ক্ষতির অভিযোগ তুলছেন। ফলে পাখিগুলোকে তাড়িয়ে দেওয়ার দাবি উঠেছে, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
স্থানীয় ওয়ার্ডের মেম্বার শামসুল হুদা পল্টু বলেন, “এত সংখ্যক বক ও পানকৌড়ি আমরা আগে কখনও দেখিনি। আমরা সবাইকে নিয়ে পাখিগুলোকে রক্ষা করছি। এটি শুধু শাহপুর নয়, পুরো সাতক্ষীরার জন্য গর্বের বিষয়। সরকারিভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে এটি পর্যটনেরও আকর্ষণ হতে পারে।”

প্রতিবেশী মোছা. মাহমুদা খাতুন বলেন, “শুরুতে অনেকেই বিরক্ত হতেন। কিন্তু এখন সবাই বুঝতে পারছেন, পাখিগুলো আমাদের গ্রামের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। বাইরে থেকেও মানুষ শুধু পাখি দেখতে আসছেন। আমরা চাই এগুলো নিরাপদে থাকুক।”

স্থানীয় শিক্ষক মোছা. নাজমুন নাহার বলেন, “শিশু-কিশোরদের মধ্যে প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে এই অভয়ারণ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এটি সংরক্ষণ করা গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি জীবন্ত শিক্ষাকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।”

পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা মনে করছেন, ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা এ ধরনের বন্যপাখির আবাসস্থল বাংলাদেশে খুবই বিরল। যথাযথ সরকারি স্বীকৃতি, বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা এবং এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে শাহপুর গ্রামের এই প্রাকৃতিক আবাসস্থল ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বক ও পানকৌড়ির অভয়ারণ্যে পরিণত হতে পারে।

প্রকৃতি সংরক্ষণে একজন ফ্রিল্যান্সারের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যেই এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে। প্রযুক্তির পর্দার আড়াল থেকে বেরিয়ে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় তার এই নীরব প্রচেষ্টা প্রমাণ করে-পরিবেশ রক্ষায় বড় পরিবর্তনের সূচনা একজন মানুষের হাত ধরেও সম্ভব।

 

 

 

Ads small one

ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় ঘাঁটি ইসরায়েলে সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় ঘাঁটি ইসরায়েলে সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের কিছু সামরিক ঘাঁটি ইসরায়েলে সরিয়ে নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরান-মার্কিন চুক্তির ১ সপ্তাহ: সুফল পাচ্ছে কারাইরান-মার্কিন চুক্তির ১ সপ্তাহ: সুফল পাচ্ছে কারা
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বাহরাইনে অবস্থিত তাদের সামরিক ঘাঁটি পুনর্গঠন এবং কুয়েত ও সৌদি আরবে তাদের উপস্থিতি কমিয়ে আনার কথা ভাবছে। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত দুজন কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন, মার্কিন প্রশাসন তাদের কিছু ঘাঁটি ইসরায়েলে স্থানান্তর করতে পারে।

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৮৯ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৮৯
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে পাল্টা আঘাত হানে ইরান। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিক থেকে জুন মাস পর্যন্ত বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিটি বারবার হামলার শিকার হয়েছে। এতে ঘাঁটিটির কমান্ড হেডকোয়ার্টার্স এবং অন্তত এক ডজন অন্যান্য ভবনসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে পেন্টাগন এখনও এই ধ্বংসযজ্ঞের প্রকৃত মাত্রা বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।

এদিকে, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর ইরান যুদ্ধের বিষয়ে মার্কিন জনগণের মনোভাবে তীব্র পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। এই চুক্তির আওতায় যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের শর্তাবলি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনা করার সময়ে আগামী ৬০ দিনের জন্য সব ধরনের শত্রুতা ও লড়াই বন্ধ থাকবে।

কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটির একটি জাতীয় জরিপ অনুযায়ী, ৬০ শতাংশ মার্কিন ভোটার মনে করেন ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক অভিযান ‘যৌক্তিক ছিল না’।

তৃণমূল ছাড়া বিধায়করা বিদ্রোহী নয়, গাদ্দার: মহুয়া মৈত্রতৃণমূল ছাড়া বিধায়করা বিদ্রোহী নয়, গাদ্দার: মহুয়া মৈত্র
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সঙ্গে নিয়ে ‘ইরানি শাসকগোষ্ঠীর আসন্ন হুমকি দূর করতে’ ইরানের বিরুদ্ধে এই যৌথ যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সামরিক অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করাই ছিল তাদের ঘোষিত প্রাথমিক লক্ষ্যগুলোর অন্যতম।

চিকিৎসায় যুগান্তকারী আবিষ্কার হচ্ছে, কিন্তু রোগীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না কেনচিকিৎসায় যুগান্তকারী আবিষ্কার হচ্ছে, কিন্তু রোগীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে না কেন
তবে নতুন জরিপটি দেখাচ্ছে, পরবর্তী সময়ে হওয়া এই চুক্তিটি প্রাথমিক লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতার প্রতি জনমানুষের ধারণাকে দুর্বল করে দিয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৬১ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করেন যে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার সম্ভাবনা এখনও রয়ে গেছে। এ বিষয়ে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান শিবিরের মধ্যেই তেমন কোনও মতভেদ নেই। দুই রাজনৈতিক দলেরই অধিকাংশ সমর্থক বিশ্বাস করেন, ইরানের পক্ষে এখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার সম্ভাবনা ‘খুব বেশি’ অথবা ‘কিছুটা’ রয়ে গেছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আর্জেন্টিনার জার্সিতে ‘১৮৯৩’ লেখার রহস্য কী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
আর্জেন্টিনার জার্সিতে ‘১৮৯৩’ লেখার রহস্য কী

বিশ্বফুটবলের পরাশক্তি আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সিতে লক্ষ্য করলে একটি বিশেষ সংখ্যা চোখে পড়ে ‘১৮৯৩’। ফুটবল বিশ্বকাপের যাত্রা যেখানে শুরু হয়েছিল ১৯৩০ সালে, সেখানে বিশ্বকাপ শুরুরও ৩৭ বছর আগের এই সালটি জার্সিতে থাকার কারণ নিয়ে অনেকের মনেই কৌতুহল রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, বিশ্বকাপেরও বহু বছর আগের এই সালটির গুরুত্ব কী?

আসলে জার্সিতে থাকা ‘১৮৯৩’ কোনো রহস্যময় সংখ্যা নয়; এটি আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থার প্রতিষ্ঠাবর্ষ। দেশের ফুটবল ঐতিহ্য, শেকড় এবং দীর্ঘ ইতিহাসকে সম্মান জানাতেই জার্সিতে এই সালটি ব্যবহার করা হয়।

উনিশ শতকের শেষভাগে আর্জেন্টিনায় ফুটবল ছিল একেবারেই নতুন একটি খেলা। ব্রিটিশ অভিবাসী, ব্যবসায়ী ও রেলওয়ে কর্মীদের হাত ধরে দেশটিতে ফুটবলের প্রচলন শুরু হয়।

সেই সময় স্কটল্যান্ডের শিক্ষক আলেকজান্ডার ওয়াটসন হাটন আর্জেন্টিনায় এসে খেলাটির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শিক্ষা ও খেলাধুলাকে সমান গুরুত্ব দেওয়া এই শিক্ষক স্কুলপর্যায়ে ফুটবল চালু করেন এবং তরুণদের মধ্যে খেলাটির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করেন।

তারই উদ্যোগে ১৮৯৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় আর্জেন্টাইন অ্যাসোসিয়েশন ফুটবল লীগ। পরবর্তীতে এই সংস্থাই রূপ নেয় বর্তমানের আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)-এ। দক্ষিণ আমেরিকার ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম জাতীয় ফুটবল সংস্থা।

আজকের দিনে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দেশ হিসেবে পরিচিত আর্জেন্টিনার সংগঠিত ফুটবল যাত্রার আনুষ্ঠানিক শুরু হয়েছিল সেই বছরেই। এই কারণেই ‘১৮৯৩’ সালটি আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ মর্যাদা পায়।

দেশের ফুটবল ঐতিহ্য, শিকড় ও দীর্ঘ পথচলার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জাতীয় দলের জার্সিতে এই সংখ্যাটি ব্যবহার করা হয়। জার্সি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসও বিভিন্ন সংস্করণের জার্সিতে ‘১৮৯৩’ যুক্ত করে সেই ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারকে তুলে ধরেছে।

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম প্রাচীন সংগঠন হিসেবেও এএফএর আলাদা পরিচিতি রয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশের ফুটবল ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগেই আর্জেন্টিনা সংগঠিত ফুটবল কাঠামো গড়ে তুলেছিল। ফলে ‘১৮৯৩’ শুধু একটি সাল নয়, এটি দেশটির দীর্ঘ ফুটবল ঐতিহ্যের প্রতীক।

মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগে প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা: প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগে প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা: প্রতিমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, মানবতার সেবায় আত্মনিয়োগে প্রয়োজন ত্যাগের মানসিকতা। কীভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হয়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত লায়ন্স ক্লাব।
তিনি আজ (শুক্রবার) খুলনা লায়ন্স আই হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো কাজ সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে হলে দৃঢ় অঙ্গীকার অপরিহার্য। আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা গেলে সেবাগ্রহীতার কখনো অভাব হবে না। তিনি চক্ষু সেবার পাশাপাশি লায়ন্স ক্লাবের মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা এবং অটিজম বিষয়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। মানবতার সেবা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে তিনি সবসময় পাশে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, কেডিএর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, লায়ন্স এ কে এম গোলাম ফারুক, সাবিনা সিদ্দিকা ও ডা. মো: বোরহান উদ্দিন। এতে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র লায়ন্স ড. রনঞ্জিত কুমার নাথ। স্বাগত বক্তৃতা করেন লায়ন্স ডা. মনোজ কুমার দাস। তথ্যবিবরণী