সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

সাতক্ষীরা আদালতে পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ আসামির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা আদালতে পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ আসামির

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় আদালতে শুনানি চলাকালে পুলিশ কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ করেছেন আসামি রেজাউল ইসলাম (৪৮)। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস মণ্ডলের আদালতে এ ঘটনা ঘটে। তবে জুতা ওই পুলিশ কর্মকর্তার গায়ে লাগেনি।

রেজাউল ইসলাম কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের মৃত বরকতুল্লার ছেলে। সাতক্ষীরা আদালত পুলিশের পরিদর্শক নাজমুল হোসেন জানান, একটি নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য তাঁকে জেলা কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক আব্দুল্লাহেল আরিফ নিশাত তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি চাইতে আদালতে দাঁড়ান। পরে তিনি কাঠগড়া থেকে নামার পর রেজাউল তাঁকে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ করেন।

এ সময় রেজাউল দাবি করেন, তিনি আট-নয় মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। এসব মামলা পরিচালনার আর্থিক সামর্থ্যও তাঁর নেই বলে জানান তিনি।

পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল হোসেন বলেন, রেজাউলকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আদালতে এ ধরনের আচরণের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে বিচারক কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেবেন কি না, তা পরে জানা যাবে।

আদালত চত্বরে রেজাউল বলেন, মিথ্যা মামলায় তিনি হয়রানির শিকার হচ্ছেন। জুতা নিক্ষেপের মাধ্যমে তিনি পুলিশি হয়রানির প্রতিবাদ জানিয়েছেন; আদালতকে অপমান করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক আব্দুল্লাহেল আরিফ নিশাতের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

আদালত পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রেজাউলের বিরুদ্ধে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন হত্যা, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইসহ প্রায় ৩০টি বিচারাধীন মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুচপুকুরে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের কার্যালয় ও দলীয় নেতা সাইফুল ইসলামের বাড়িতে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রেজাউলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৭৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৩৫ থেকে ১৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

Ads small one

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সব কার্যালয় তামাকমুক্ত ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সব কার্যালয় তামাকমুক্ত ঘোষণা

পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাগ্রহীতাদের সুরক্ষায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সব কার্যালয় শতভাগ তামাক ও ধূমপানমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার রাজধানীতে কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাগ্রহীতাদের পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. শরিফুল ইসলাম। তিনি জানান, তামাকের ধোঁয়ায় প্রায় সাত হাজার রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২৫০টি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। তাঁর উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকের কারণে প্রায় দুই লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। বৈশ্বিক প্রাপ্তবয়স্ক তামাক ব্যবহার জরিপের (গ্যাটস) তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, আচ্ছাদিত কর্মক্ষেত্রে ৪২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সরকারি কার্যালয়ে ২১ দশমিক ৬ শতাংশ অধূমপায়ী পরোক্ষ ধূমপানের ঝুঁকিতে রয়েছেন।

বক্তারা বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সব জনসমাগমস্থল ও কর্মক্ষেত্র শতভাগ ধূমপানমুক্ত রাখা জরুরি। এ জন্য সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০২৬-এর বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের ওপরও তাঁরা গুরুত্ব দেন। বিধিমালা প্রণয়নে বিলম্ব হলে আইনে অন্তর্ভুক্ত জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার উদ্যোগগুলোর সুফল পেতে দেরি হতে পারে বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আইন কর্মকর্তা ফেরদৌস আরাফাতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কর্তৃপক্ষের সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, অতিরিক্ত পরিচালক কাউছারুল ইসলাম সিকদার এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিভাগের সহকারী পরিচালক ডা. নায়লা পারভিন। এ সময় আহ্ছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িংয়ের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দিরের শতবর্ষ উদ্‌যাপনের নিবন্ধন শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দিরের শতবর্ষ উদ্‌যাপনের নিবন্ধন শুরু

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছার কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির স্কুল অ্যান্ড কলেজের শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে ডিজিটাল নিবন্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ আয়োজন শুরু হয়।

সকালে খুলনার জেলা প্রশাসক ও বিদ্যালয়ের সভাপতি হুরে জান্নাত নিজ কার্যালয়ে নিবন্ধন করে কার্যক্রমের সূচনা করেন। সকাল ৯টায় প্রাক্তন পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আয়োজক কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রায় সাহেব বিনোদ বিহারী সাধুর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রা, শতবর্ষের পতাকা উত্তোলন এবং প্রয়াত ব্যক্তিদের স্মরণে নীরবতা পালন করা হয়। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ডিজিটাল নিবন্ধন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উদ্‌যাপন কমিটির আহ্বায়ক এ কে এম সাঈদ হোসেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার মণ্ডল, সদস্যসচিব এস এম মুস্তাফিজুর রহমান পারভেজ, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মো. কবীর আহমেদসহ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক, পরিচালনা কমিটির সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বিকেলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহচরী বিদ্যামন্দির শিক্ষক একাদশ ও হরিঢালী ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষক একাদশ অংশ নেয়। খেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ক্রীড়া ও কুপন কমিটির আহ্বায়ক এম আজাদ হোসেন।

ছবি ক্যাপশন: কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির স্কুল অ্যান্ড কলেজের শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে ডিজিটাল নিবন্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

পাইকগাছায় দুর্গাপূজা পরবর্তী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় দুর্গাপূজা পরবর্তী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় শারদীয় দুর্গাপূজা পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উৎসবের সার্বিক মূল্যায়ন নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক প্রাণকৃষ্ণ দাশ, সদস্যসচিব হিমাদ্রী শেখর দে, অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, পৌর কমিটির সভাপতি বাবুরাম মণ্ডল, রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সভাপতি মনোহর চন্দ্র সানা, সরল কালীবাড়ি কেন্দ্রীয় পূজা মন্দিরের সভাপতি সুরঞ্জন চক্রবর্তী, সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান, স্নেহেন্দু বিকাশ, পূর্ণ চন্দ্র মণ্ডল, সুনীল কুমার মণ্ডল, সঞ্জীব রায়, ভূদেব কুমার মণ্ডল ও দীপঙ্কর সানাসহ অন্যরা।

সভায় বক্তারা দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে পূজার সময় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।