রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা একটি জেলা নয়, একটি অসমাপ্ত গবেষণাগার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা একটি জেলা নয়, একটি অসমাপ্ত গবেষণাগার

মো. মামুন হাসান

সাতক্ষীরাকে আমরা ভুল জায়গা থেকে দেখতে শুরু করেছি। মানচিত্রে সাতক্ষীরা একটি জেলা। পর্যটনের ভাষায় সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার। কিন্তু গবেষকের চোখে এটি আরও বড় কিছু। এটি এমন একটি ভূখন্ড, যেখানে একই সঙ্গে প্রকৃতি, মানুষ, ইতিহাস, জলবায়ু, অর্থনীতি এবং টিকে থাকার কৌশল প্রতিদিন একে অন্যের সঙ্গে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হচ্ছে।

সুতরাং সাতক্ষীরার পর্যটন উন্নয়নের প্রথম প্রশ্ন হওয়া উচিত নয়, “আর কোথায় পর্যটনকেন্দ্র বানানো যায়?” প্রশ্ন হওয়া উচিত, “সাতক্ষীরার কোন গল্পটি এখনো পর্যটন হয়ে ওঠেনি?” এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে সুন্দরবনের বাইরেও একটি সম্পূর্ণ নতুন সাতক্ষীরা আবিষ্কার করা সম্ভব।

ধরা যাক, কোনো পর্যটক সাতক্ষীরায় এসে শুধু সুন্দরবন দেখলেন না। তিনি একটি লবণাক্ত গ্রামের মাটির গল্প শুনলেন, দেখলেন কীভাবে একজন কৃষক বদলে যাওয়া পানির সঙ্গে কৃষির নতুন সমীকরণ তৈরি করছেন। কোনো মৌয়ালের কাছ থেকে শুনলেন বন ও মানুষের সম্পর্কের গল্প। কোনো জেলের নৌকায় বসে জানলেন জোয়ারের ভাষা। কোনো নারীর কাছ থেকে শুনলেন ঘূর্ণিঝড়ের পর একটি পরিবারের পুনর্গঠনের কাহিনি। স্থানীয় রান্না খেলেন, একটি পরিবারের বাড়িতে রাত কাটালেন এবং পরদিন ইতিহাসের কোনো স্থানে গিয়ে শুনলেন কয়েক শতাব্দীর গল্প।

তখন পর্যটক শুধু জায়গা দেখছেন না। তিনি একটি ভূখন্ড পড়ছেন। এই ধারণা থেকেই তৈরি হতে পারে “জীবন্ত সাতক্ষীরা”। যেখানে জাদুঘরের দেয়ালে ইতিহাস বন্দী থাকবে না, ইতিহাস ছড়িয়ে থাকবে মানুষের জীবনে। নদী হবে প্রদর্শনী, গ্রাম হবে গবেষণাক্ষেত্র, হোমস্টে হবে শ্রেণিকক্ষ, আর স্থানীয় মানুষ হবেন সেই জীবন্ত জাদুঘরের কিউরেটর।

এটি কল্পনা নয়। সাতক্ষীরার উপকূলে জলবায়ু পরিবর্তন, পানির সংকট ও মানুষের অভিযোজন নিয়ে সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রযুক্তিনির্ভর অভিযোজন এবং স্থানীয় জ্ঞান ও সংগঠনের গুরুত্ব উঠে এসেছে। তাহলে কেন সাতক্ষীরায় জলবায়ু পর্যটন হবে না?দেশ বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আসবে উপকূলের বাস্তবতা দেখতে। গবেষকরা আসবেন লবণাক্ততার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করতে। পরিবেশবিদরা দেখবেন ম্যানগ্রোভ ও মানুষের সম্পর্ক। পর্যটক দেখবেন কীভাবে প্রতিকূল প্রকৃতির সঙ্গে মানুষ প্রতিদিন নতুন করে বেঁচে থাকার বিজ্ঞান তৈরি করছে।আরও এক ধাপ এগিয়ে সাতক্ষীরাকে করা যেতে পারে বাংলাদেশের প্রথম বৃহৎ উন্মুক্ত পর্যটন গবেষণাগার।

প্রতিটি পর্যটন এলাকায় থাকবে একটি গল্প, একটি গবেষণা বিষয় এবং একটি স্থানীয় অর্থনৈতিক কার্যক্রম। কোথাও নদী ও জোয়ার, কোথাও ম্যানগ্রোভ, কোথাও উপকূলীয় কৃষি, কোথাও লোকসংস্কৃতি, কোথাও ধর্মীয় ঐতিহ্য, কোথাও স্থানীয় খাদ্য। পর্যটক চাইলে দর্শক হবেন, চাইলে শিক্ষার্থী, চাইলে গবেষক। এখানে পর্যটনের নতুন মুদ্রা হবে শুধু টাকা নয়, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা। আর স্থানীয় মানুষ? তাঁরা পর্যটনের দর্শক নন, অংশীদার। সুন্দরবন এলাকায় কমিউনিটি ভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণাতেও স্থানীয় অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগ চিহ্নিত হয়েছে। তাই সাতক্ষীরার পর্যটন পরিকল্পনায় একটি নতুন হিসাব প্রয়োজন।

একজন পর্যটক কত টাকা খরচ করলেন, শুধু সেটি নয়। তাঁর সেই টাকা থেকে কত অংশ স্থানীয় কৃষকের কাছে গেল, কত অংশ নৌকার মাঝির কাছে গেল, কত অংশ নারী উদ্যোক্তার কাছে গেল, কত অংশ গাইডের আয় হলো, কত অংশ প্রকৃতি সংরক্ষণে ফিরে গেল, সেটিও হিসাব করতে হবে। তখন পর্যটন হবে স্থানীয় সম্পদ থেকে স্থানীয় সমৃদ্ধি তৈরির ব্যবস্থা।

সাতক্ষীরার ভবিষ্যৎ পর্যটন তাই পাঁচ তারকা হোটেলের সংখ্যা দিয়ে মাপা উচিত নয়। মাপা উচিত কতটি পরিবার পর্যটন থেকে আয় করছে, কতজন তরুণ গাইড হয়েছে, কতজন নারী উদ্যোক্তা হয়েছে, কতটি স্থানীয় খাবার নতুন বাজার পেয়েছে এবং পর্যটনের আয় থেকে কতটুকু প্রকৃতি সংরক্ষণে ফিরে যাচ্ছে। কারণ সুন্দরবনের মূল্য শুধু তার গাছপালা কিংবা বাঘে নয়। গবেষণায় সুন্দরবনের পর্যটনসেবার অর্থনৈতিক মূল্যও পরিমাপ করা হয়েছে।

 

সাতক্ষীরার সবচেয়ে বড় সম্পদ তাই কোনো একটি দর্শনীয় স্থান নয়। তার সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মানুষ ও প্রকৃতির সহাবস্থানের অসমাপ্ত গল্প। এই গল্পকে যদি গবেষণা, প্রযুক্তি, স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, তবে সাতক্ষীরাকে আর সুন্দরবনের ছায়ায় দাঁড়িয়ে পরিচয় দিতে হবে না। বরং একদিন পর্যটকের প্রশ্ন হতে পারে, “সুন্দরবন দেখতে এসেছি ঠিকই, কিন্তু সাতক্ষীরার সেই জীবন্ত গবেষণাগারটি কোথায়?” সেদিনই বুঝব, সাতক্ষীরার পর্যটন বদলেছে।আর তার আগে বদলাতে হবে আমাদের চোখ।

লেখক: মো. মামুন হাসান,ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

 

Ads small one

জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে ভূমিহীন নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে ভূমিহীন নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার ভূমিহীন নেতারা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় দেবহাটা-কালিগঞ্জের ভূমিহীন জনপদের নেতা মো. আলমগীর হোসেন, মো. বায়োজিদ হোসেন সবুর গাজী, জেলা ভূমিহীন পরিবারের সভাপতি মো. কওছার আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম রেজাউল করিম রেজা, দপ্তর সম্পাদক স্বপন কুমার সানা এবং ভূমিহীন নেতা আসাদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলাম বলেন, কালিগঞ্জের ভূমিহীনদের দীর্ঘদিনের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সঙ্গে বাবরবাদ ঘের ও জমির বিষয়টি গভীরভাবে জড়িত। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও পরে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ওই আন্দোলনের সময় ঐতিহাসিক সখিপুর কলেজ মাঠে এসে ভূমিহীনদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। সে সময় তিনি ভূমিহীনদের পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট হত্যাকান্ডের বিচার করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে সরকার গঠনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কালিগঞ্জের ভূমিহীনদের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ২৭ জনকে জমির দলিল প্রদান করেন। এরপর তাঁরা সেখানে ভূমিহীন হিসেবে বসবাস করে আসছেন।

মো. হাবিবুল ইসলাম বলেন, ঐতিহাসিক ওই আন্দোলন এবং ভূমিহীনদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভূমিহীনদের অধিকার রক্ষার নামে কেউ যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারেন, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃত ভূমিহীনদের নাম ব্যবহার করে কেউ যাতে ব্যক্তিস্বার্থে কোনো অপতৎপরতা চালাতে না পারেন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকা জরুরি। সাতক্ষীরায় এখনো অনেক প্রকৃত ভূমিহীন পরিবার রয়েছে। সরকারি খাসজমি থাকলে নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানানো হবে।

জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, সরকারি জমি না থাকলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পুনর্বাসন করা সম্ভব নয়। তবে প্রকৃত ভূমিহীন পরিবারগুলো যাতে দীর্ঘস্থায়ীভাবে সুন্দর জীবনযাপন করতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

 

 

 

কেশবপুরে বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে আমন ধানের চারা রোপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে আমন ধানের চারা রোপন

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): আষাঢ় শ্রাবণ মাস বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্রে বর্ষাকাল। কৃষি প্রধান বাংলাদেশের কৃষকের জন্য আমন ধানের চারা রোপনের সুবর্ণ সময় এই বর্ষাকাল। তাই বিরামহীন বৃষ্টি উপেক্ষা করে কেশবপুরের কৃষকরা আমন ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে।

বৃষ্টির মৌসুম শুরুতে একটু বৃষ্টি কম হলেও বর্তমান যথেষ্ট পরিমান বৃষ্টিপাত হওয়ায় খাল বিল ডোবা নালা পানিতে পরিপুর্ণ হয়ে গেছে। তাই কৃষকরা উচু-ডোবা জমি থেকে আগাম পাট কেটে সেই জমিতে আমন ধান রোপন শুরু করেছে।

 

কেশবপুরের মাটি পাট চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় অধিকাংশ কৃষকেরা আগাম পাট চাষ করে থাকে। সেই পাট কেটে রোপা আমন ধানের আবাদ করে। অন্যান্য বছরের তুলনায় কেশবপুরে এবার পাটের আবাদ কম হলেও ফলন ভাল হয়েছে। পুকুর ও ডোবা নালায় যথেষ্ট পরিমান বৃষ্টির পানি জমে থাকায় কৃষকদের ক্ষেতের পাট কেটে পঁচন দিতে কোন সমস্যা হচ্ছে না। তাই তারা পাটকেটে পচন দিয়ে সেই জমিতে আমন আবাদ শুরু করেছে।

 

কেশবপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চল জুড়ে এখন চলছে আমন ধানের চারা রোপনের মহোৎসাব। অন্য বছরগুলোতে অতিবৃষ্টি ও কপোতাক্ষের উপচে পড়া পানিতে কেশবপুরের প্রায় ৮০টির বেশী গ্রাম পানিবন্দি হয়ে পড়ার কারণে আমন আবাদ ব্যহত হলেও এবার কৃষকরা কপোতাক্ষের রাহু গ্রাস থেকে রক্ষা পেয়েছেন। তাই এসব জমিতে এখন কৃষকরা মনের আনন্দে ধানের চারা রোপন করছে।

এবিষয়ে কেশবপুর উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন সাংবাদিকদের জানান, কেশবপুরে এবার ৮হাজার ৫’শত হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকল থাকলে লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

 

 

 

কেশবপুর ভোররাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালাল চোর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
কেশবপুর ভোররাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালাল চোর

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে মসজিদে মাইকে ঘোষণা ৭ গরু রেখে পালালো চোর। তথ্য সূত্রে জানা গেছে শনিবার দিবাগত গভীর রাতে পৃথক দুটি বাড়িতে হানা দিয়ে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ৭টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল। আলতাপোল (বারোইপাড়া) গ্রামের কুমারের ৪টি এবং মঙ্গলকোট গ্রামের রবিউল ইসলাম রবির ৩টি গরু নিয়ে যায় তারা। গরুর মূল্য হবে ১০ থেকে ১২ লাখ।

চোরেরা সুকুমারের গরুগুলো বাড়ির পাশের একটি বাগানে এবং রবির গরুগুলো যশোর-চুকনগর সড়কের আলতাপোল চারেরমাথা এলাকার একটি মেহগনি বাগানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। ধারণা করা হচ্ছে, পরে পিকআপে তুলে গরুগুলো নিয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা।

কিন্তু ফজরের আজানের সময় বিষয়টি জানাজানি হলে মসজিদের মাইকে গরু চুরির ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণা শুনে চোরেরা দ্রুত পালিয়ে যায়। রেখে যায় চুরি করা ৭টি গরু। পালানোর সময় তারা গরু বাঁধা বাগানে একটি গামছা ও পানির বোতলও ফেলে যায়।

ঘটনাটির আরও একটি বেদনাদায়ক দিক রয়েছে। রবিউল ইসলাম রবির ছোট ভাই মাত্র শুক্রবার হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। পরিবারটির শোক এখনো কাটেনি। এর মধ্যেই বাড়িতে গরু চুরির ঘটনা নিঃসন্দেহে তাদের জন্য নতুন করে দুর্ভোগ ও আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একদিকে বৃষ্টির পানিতে কেশবপুরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন, অন্যদিকে কৃষকের শেষ সম্বল গবাদিপশুও নিরাপদ নয়-এ পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। স্থানীয়রা বলছে রাতের পুলিশি টহল কতটা কার্যকর?

সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রাতের টহল আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে গরু চুরির সঙ্গে জড়িত চক্র শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন বলেন আমাদের কাছে এ ধরনের কোন অভিযোগ আসেনি তবে বিষয়টা আমাদের জেনেছি তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।