সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

সাতক্ষীরা: সম্পদের প্রাচুর্য, উন্নয়নের বঞ্চনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা: সম্পদের প্রাচুর্য, উন্নয়নের বঞ্চনা

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

সাতক্ষীরার নাম উচ্চারিত হলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সুন্দরবন, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ি, খাঁটি মধু আর সুস্বাদু হিমসাগর আমের ছবি। এসব আমাদের গর্ব, সম্পদ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে অবদানের গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়। কিন্তু এত প্রাকৃতিক সম্পদ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ, স্বাবলম্বী ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ পাচ্ছেন, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা ও জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও সাতক্ষীরার মানুষের জীবনে রয়েছে নানা সংকট। জলবায়ু পরিবর্তন, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, সুপেয় পানির অভাব ও দুর্বল অবকাঠামো উপকূলীয় জনজীবনকে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। আইলা ও আম্পানের মতো দুর্যোগের ক্ষত এখনো বহু মানুষের স্মৃতিতে অমলিন। দুর্যোগের পর ঘুরে দাঁড়ানোর সংগ্রামে অনেক পরিবার হারিয়েছে জীবিকার নিশ্চয়তা, কৃষিজমির উৎপাদনক্ষমতা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ।

সুন্দরবন দেশকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। কিন্তু সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার মানুষের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত? এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজা জরুরি। সুন্দরবন শুধু বনজ সম্পদের আধার নয়, এটি উপকূলীয় পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকবচ। অথচ এ বনের ওপর নির্ভরশীল বহু মানুষ জীবিকার তাগিদে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নেন। তাই বন সংরক্ষণের পাশাপাশি তাঁদের বিকল্প কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

সাতক্ষীরার অন্যতম বড় সমস্যা সুপেয় পানির সংকট। উপকূলীয় অনেক এলাকায় লবণাক্ততা ও নিরাপদ পানির সীমিত প্রাপ্যতা মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ, জলাবদ্ধতা ও নদীভাঙন কৃষি, মৎস্যচাষ এবং বসতবাড়ির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, কার্যকর পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং নিরাপদ পানির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

সাতক্ষীরার চিংড়ি শিল্প, কৃষি ও ফলমূল উৎপাদনে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এ সম্ভাবনাকে টেকসই অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপ দিতে কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ন্যায্য মূল্য, আধুনিক প্রযুক্তি, সংরক্ষণাগার, সহজ শর্তে অর্থায়ন এবং বাজারজাতকরণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। চিংড়ি শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি কৃষিজমি, মিঠাপানি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্ব দিতে হবে।

কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা ও স্থানীয় শিল্পের অপর্যাপ্ত বিকাশের কারণে অনেক তরুণ কাজের সন্ধানে অন্য জেলায় পাড়ি জমাচ্ছেন। যে জেলায় কৃষি ও মৎস্যসম্পদের এত সম্ভাবনা, সেখানকার তরুণদের জন্য স্থানীয়ভাবে সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা জরুরি। কৃষিভিত্তিক শিল্প, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ফল সংরক্ষণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কারিগরি প্রশিক্ষণের প্রসার ঘটানো গেলে সাতক্ষীরার অর্থনীতি আরও গতিশীল হতে পারে।

টেকসই উন্নয়নের জন্য যোগাযোগব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মানোন্নয়নও অপরিহার্য। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ যেন সহজে চিকিৎসাসেবা পান, শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন এবং কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছাতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। উন্নয়নকে শুধু প্রকল্পের সংখ্যা দিয়ে বিচার করলে চলবে না; দেখতে হবে, এসব উদ্যোগের সুফল সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা পৌঁছাচ্ছে।

সাতক্ষীরার মানুষ করুণা বা অনুদান চান না, তাঁরা চান তাঁদের ন্যায্য অধিকার। তাঁরা চান নিরাপদ বসতি, সুপেয় পানি, টেকসই বেড়িবাঁধ, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, মানসম্মত শিক্ষা এবং সম্মানজনক কর্মসংস্থান। জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এ জেলার মানুষের জীবনমান উন্নয়নকে তাই বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

সাতক্ষীরা শুধু সুন্দরবন, চিংড়ি, মধু কিংবা হিমসাগর আমের পরিচয় নয়; সাতক্ষীরা সম্ভাবনাময় মানুষেরও জেলা। যথাযথ পরিকল্পনা, কার্যকর বিনিয়োগ ও দায়িত্বশীল বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ জেলাকে জলবায়ু-সহনশীল, উৎপাদনমুখী ও স্বাবলম্বী অঞ্চলে পরিণত করা সম্ভব।

সাতক্ষীরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা ও অর্থনীতিতে অবদান রেখে চলেছে। এবার এ জেলার মানুষের নিরাপত্তা, অধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে পালন করতে হবে।

লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা, সমাজকর্মী ও উদ্যোক্তা।

Ads small one

শ্যামনগরে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন দেখতে গিয়ে বিষাক্ত অ্যালকোহল পান করার চার দিন পর দীপুরাজ হাউলি (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাত ১১টার দিকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

দীপুরাজ শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের আড়পাঙাশিয়া গ্রামের গৌতম হাউলির ছেলে। সে আড়পাঙাশিয়া প্রিয়নাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেবাশীষ জোয়ারদার জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর খোলপেটুয়া নদীতে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্ঠান দেখতে বন্ধুদের সঙ্গে ট্রলারে ওঠে দীপুরাজ। এ সময় সে অ্যালকোহল পান করে। বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরদিন সকালে তাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাতে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা সমীর জোয়ারদার জানান, ধারণা করা হচ্ছে, দীপুরাজ যে অ্যালকোহল পান করেছিল, তা হোমিওপ্যাথিক ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হলেও বিষাক্ত ছিল। চিকিৎসকদের কাছ থেকে তিনি জেনেছেন, ওই পদার্থ পানের কারণে শিশুটির খাদ্যনালি ও পাকস্থলী পুড়ে যায়।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

সাতক্ষীরা আদালতে পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ আসামির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা আদালতে পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ আসামির

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় আদালতে শুনানি চলাকালে পুলিশ কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ করেছেন আসামি রেজাউল ইসলাম (৪৮)। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস মণ্ডলের আদালতে এ ঘটনা ঘটে। তবে জুতা ওই পুলিশ কর্মকর্তার গায়ে লাগেনি।

রেজাউল ইসলাম কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের মৃত বরকতুল্লার ছেলে। সাতক্ষীরা আদালত পুলিশের পরিদর্শক নাজমুল হোসেন জানান, একটি নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য তাঁকে জেলা কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক আব্দুল্লাহেল আরিফ নিশাত তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি চাইতে আদালতে দাঁড়ান। পরে তিনি কাঠগড়া থেকে নামার পর রেজাউল তাঁকে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ করেন।

এ সময় রেজাউল দাবি করেন, তিনি আট-নয় মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। এসব মামলা পরিচালনার আর্থিক সামর্থ্যও তাঁর নেই বলে জানান তিনি।

পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল হোসেন বলেন, রেজাউলকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আদালতে এ ধরনের আচরণের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে বিচারক কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেবেন কি না, তা পরে জানা যাবে।

আদালত চত্বরে রেজাউল বলেন, মিথ্যা মামলায় তিনি হয়রানির শিকার হচ্ছেন। জুতা নিক্ষেপের মাধ্যমে তিনি পুলিশি হয়রানির প্রতিবাদ জানিয়েছেন; আদালতকে অপমান করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক আব্দুল্লাহেল আরিফ নিশাতের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

আদালত পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রেজাউলের বিরুদ্ধে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন হত্যা, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইসহ প্রায় ৩০টি বিচারাধীন মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কুচপুকুরে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের কার্যালয় ও দলীয় নেতা সাইফুল ইসলামের বাড়িতে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রেজাউলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৭৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৩৫ থেকে ১৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

জাগপার সাতক্ষীরা জেলা কমিটি ঘোষণা, সভাপতি রেজাউল সম্পাদক গোলাম আযম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
জাগপার সাতক্ষীরা জেলা কমিটি ঘোষণা, সভাপতি রেজাউল সম্পাদক গোলাম আযম

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সাতক্ষীরা জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৪১ সদস্যের এ কমিটিতে রেজাউল ইসলামকে সভাপতি ও মো. গোলাম আযমকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাগপার সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান কমিটির অনুমোদন দেন। কমিটি সমন্বয় ও ঘোষণার দায়িত্ব পালন করেন দলের বিভাগীয় দায়িত্বশীল সাব্বির আহমেদ।

কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে রয়েছেন আতাউর রহমান ফারুকী, মুস্তাজুল ইসলাম মুস্তফা, সাদিক হুসাইন, আব্দুস সালাম, মো. কওসার আলী, মো. আহসান সরদার, আলহাজ আব্দুর সাত্তার, রেহেনা বেগম, বজলুল রহমান ও জিয়াউরুল ইসলাম।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মো. আরিফ হোসাইন, রহমত হুসাইন, শাপলা খাতুন, আব্দুস সাত্তার, উম্মে হাবিবা, মো. ফারুক হোসাইন, রূপা সুলতানা, আসাদুল ইসলাম, শাহানারা বেগম ও মো. ইসানুর সরদার।

এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহেল হোসেন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. রুহুল কুদ্দুস, দপ্তর সম্পাদক মো. আরাফাত হোসেন, সহদপ্তর সম্পাদক আরিফুল ইসলাম মুন্না, প্রচার সম্পাদক সানজিদা খাতুন ও সহপ্রচার সম্পাদক মো. ইব্রাহিম।

ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সবেদ আলী, সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. আজিজুল ইসলাম, অর্থবিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রশীদ, সহঅর্থবিষয়ক সম্পাদক মো. সাগর হাওলাদার, শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মোছা. সুরাইয়া ইয়াসমিন, সহশিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক রোজিনা খাতুন, ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক মো. আবু জাহিদ এবং সহত্রাণবিষয়ক সম্পাদক আজমল হোসেন তুরাব।

তথ্য ও গণমাধ্যমবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আরিফা আক্তার মিতু এবং সহসম্পাদক ডলি আক্তার। সম্মানিত সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. আসিফ, আব্দুর রাকির ও আব্দুর রহমান ফারুকী।

নতুন এ কমিটির মাধ্যমে সাতক্ষীরায় জাগপার সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।