মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

সুন্দরবন রক্ষায় ‘লং মার্চ ফর ফরেস্ট’: চরের বনায়নে বীজ সংগ্রহের ডাক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
সুন্দরবন রক্ষায় ‘লং মার্চ ফর ফরেস্ট’: চরের বনায়নে বীজ সংগ্রহের ডাক

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর জলবায়ু পরিবর্তনের এই কঠিন সময়ে সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবন ও জীবিকা আজ সংকটের মুখে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ততার ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সুন্দরবন আমাদের প্রধান প্রাকৃতিক আশ্রয়। তবে এই সুন্দরবনের স্বাভাবিক পুনর্জন্ম প্রক্রিয়া আজ হুমকির মুখে, কারণ সুন্দরবন সংলগ্ন নদী থেকে ভেসে আসা বনজ ফল ও বীজ সংগ্রহ করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করছে স্থানীয় মানুষ। একটি বীজের স্বাভাবিক বিকাশ বন্ধ হওয়া মানে শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, বরং উপকূলের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার ওপর বড় আঘাত।

সুন্দরবনের এই প্রাকৃতিক পুনর্জন্ম প্রক্রিয়া রক্ষা ও নদীর চরে ভেসে আসা বনজ বীজ সংগ্রহ বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমী ‘লং মার্চ ফর ফরেস্ট’ ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি।
‘গ্রীন কোয়ালিশন’ এবং ‘শ্যামনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী এসোশিয়েশন’-এর যৌথ উদ্যোগে এবং বারসিক ও অ্যাগ্রোইকোলজি ফান্ডের সহযোগিতায় এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়। উপজেলার জেলা পরিষদ ডাকবাংলো সংলগ্ন নীলডুমুর বাজার থেকে শুরু হয়ে লং মার্চটি বুড়িগোয়ালিনী এলাকার বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা করে।

লং মার্চে অংশগ্রহণকারীরা প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “সুন্দরবন আমাদের মায়ের মতো আগলে রাখে। মায়ের এই ঋণ শোধ করতে এবং উপকূলকে বাঁচাতে আমাদের নিজেদেরই এগিয়ে আসতে হবে। বন্যজ বীজ সংগ্রহ ও চরের বনায়ন সেই লড়াইয়েরই অংশ।”

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা জানান, সুন্দরবনের নদী ও জোয়ারের মাধ্যমে ভেসে আসা বনজ বীজ নতুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রাকৃতিকভাবে ম্যানগ্রোভ বনায়ন সৃষ্টি করে। এসব বীজ নির্বিচারে সংগ্রহ করা হলে বনের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে বনপ্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করে। এই সংকট উত্তরণে কর্মসূচির পক্ষ থেকে চার দফা দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মশিউর রহমানের কাছে এবং পরবর্তীতে বেলা ১২টায় শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ শামছুজ্জাহান কনক এর নিকট প্রদান করা হয়।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা বনজ বীজ সংগ্রহ বন্ধ করা। বন টহল ফাঁড়ির কর্মকর্তা, সিপিজি, ডিসিটি, ভিটিআরটি ও ভিসিএফ সদস্যদের মাধ্যমে নিয়মিত নজরদারি বৃদ্ধি। জনসচেতনতা তৈরিতে আলোচনা সভা, লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং কার্যক্রম চালু রাখা। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পুনর্জন্ম সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণ ও যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করা।
লং মার্চে পরিবেশ রক্ষার প্রত্যয় নিয়ে একাট্টা হয়েছিলেন স্থানীয় পরিবেশকর্মী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং নানা বয়সী সাধারণ মানুষ। কর্মসূচিতে গ্রীন কোয়ালিশন, সাতক্ষীরা-এর সভাপতি আবু আফফান রোজ বাবু এবং শ্যামনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সাইফুদ্দিন সিদ্দীক নেতৃত্ব দেন।

লং মার্চ ও সংহতি সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা জেলা গ্রীন কোয়ালিশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক এম. বেলাল হোসাইন, বনজীবী নারী নেত্রী শেফালী বিবি, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান গাজী আব্দুর রউফ, মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নিপা চক্রবর্তী, সাংবাদিক জাহিদ সুমন, বিলাল হোসেন, আব্দুল আলিম, বন্ধুসভার সহ-সভাপতি রাহাদ খাঁন বাপ্পা, বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শাহীন ইসলাম, স. ম. ওসমান গনী, জান্নাতুল নাঈমসহ স্থানীয় পরিবেশকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীবৃন্দ।

সমাপনী সমাবেশে বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই পারে সুন্দরবনকে সুরক্ষিত রাখতে। সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা প্রতিটি বীজ যেন এক একটি নতুন জীবনের প্রতীক, যা আগামী দিনে উপকূলকে দেবে এক নিরাপদ ও সবুজ বেষ্টনী।

 

Ads small one

‎জনগণের টাকায় উন্নয়ন, কৃতিত্বের মালা কার গলায়?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ণ
‎জনগণের টাকায় উন্নয়ন, কৃতিত্বের মালা কার গলায়?

মুক্তমত

‎গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎‎সাতক্ষীরায় বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান। পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাস্তা, ড্রেন, কালভার্ট ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসব প্রকল্পের অর্থায়ন হচ্ছে জনগণের করের টাকায় এবং রাষ্ট্রের উন্নয়ন বাজেট থেকে। কিন্তু বাস্তবে এসব কার্যক্রমের উপস্থাপন ও তদারকি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

‎স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে যে, অনেক ক্ষেত্রে সরকারি উন্নয়ন কর্মকা-ের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা বেশি দৃশ্যমান হচ্ছে। এমনকি কোথাও কোথাও ভবিষ্যৎ পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থী বা দলীয় নেতৃত্বের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রচার-প্রচারণা চালানোর অভিযোগও শোনা যাচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন উঠছে এটি কি রাষ্ট্রের উন্নয়ন কার্যক্রম, নাকি রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার একটি কৌশল?

‎সরকারি প্রকল্পের অর্থ জনগণের। সেই অর্থে বাস্তবায়িত কোনো কাজকে যদি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যাতে জনগণের কাছে এটি কোনো রাজনৈতিক দলের বিশেষ অবদান বলে প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ সেই প্রশ্ন উঠতেই পারে।

‎বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কার্যকর ভূমিকা ও স্বায়ত্তশাসনের স্বীকৃতি দেয়। পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকা- পরিচালিত হওয়ার কথা। কিন্তু যদি সরকারি উন্নয়নের কৃতিত্ব ধীরে ধীরে দলীয় পরিচয়ের আড়ালে চলে যায়, তাহলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মর্যাদা ও স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

‎আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, উন্নয়ন প্রকল্পকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সংস্কৃতি গড়ে উঠলে ভবিষ্যতে জনগণের ন্যায্য অধিকার ও উন্নয়নের প্রশ্নটি আড়ালে পড়ে যেতে পারে। উন্নয়ন তখন নাগরিক সেবার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রচারণার উপকরণে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে।

‎আমি কাউকে অভিযুক্ত করছি না; তবে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রশ্ন তুলছি জনগণের টাকায় পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকৃত মালিকানা কি জনগণের কাছেই থাকবে, নাকি তা রাজনৈতিক কৃতিত্ব অর্জনের প্রতিযোগিতায় ব্যবহৃত হবে?
‎সাতক্ষীরার মানুষ উন্নয়ন চায়, কিন্তু সেই উন্নয়নের সঙ্গে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতাও দেখতে চায়। কারণ জনগণের অর্থে পরিচালিত প্রতিটি প্রকল্পের জবাবদিহিতা শেষ পর্যন্ত জনগণের কাছেই।

পর্যটন ভিসা চালুর সুসংবাদ: প্রাণচাঞ্চল্য ফিরছে ভোমরায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ
পর্যটন ভিসা চালুর সুসংবাদ: প্রাণচাঞ্চল্য ফিরছে ভোমরায়

এম শফিকুল ইসলাম

বহু জল্পনা-কল্পনা আর দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে কাটল ভারতের ভ্রমণ (ট্যুরিস্ট) ভিসার জটিলতা। দ্বিপাক্ষিক রাজনৈতিক টানাপোড়েন একপাশে সরিয়ে রেখে আবারও শুরু হয়েছে ভ্রমণ ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া। পরিবর্তিত পরিস্থিতির মধ্যে গত রবিবার (২২ জুন) থেকে বাংলাদেশিদের জন্য এই ভিসা কার্যক্রম উন্মুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদি পর্যটন ভিসা চালুর এই ঘোষণা দেন। আর এই ঘোষণার পর থেকেই দুই দেশের পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে আনন্দের হাওয়া বইছে। প্রায় দুই বছর ভ্রমণ ভিসা বন্ধ থাকায় যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছিল, তা কেটে গিয়ে এখন তৈরি হয়েছে এক উৎসবমুখর পরিবেশ।

ভিসা চালুর খবরে সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দর এলাকাসহ জেলা ও উপজেলার বন্ধ থাকা ভিসা আবেদন সহযোগী এজেন্সিগুলো একে একে খুলতে শুরু করেছে। দীর্ঘ স্থবিরতা কাটিয়ে অফিসগুলোতে ফিরে এসেছে কর্মচঞ্চলতা। অনলাইন আবেদন করতে গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ছুটে আসছেন ভ্রমণপ্রত্যাশীরা।

ভোমরা বন্দরের ভারতীয় ভিসা আবেদন এজেন্সির ব্যবসায়ী মো. সুমন জানান, হাইকমিশনের ঘোষণার পর থেকেই ভিসা আবেদনের ধুম পড়েছে। দ্রুত সেবা দিতে দিনরাত কাজ করছেন তারা। জেলার একাধিক ভিসা আবেদন এজেন্সির মালিকেরা জানান, গত ৫ আগস্টের পর সাতক্ষীরায় অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রটি (আইভ্যাক) বন্ধ রয়েছে। তাই আপাতত ভ্রমণপ্রত্যাশীদের অনলাইনে আবেদন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঢাকাস্থ হাইকমিশন কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে দেশের সবকটি ভিসা আবেদন কেন্দ্র খুলে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

সীমান্তে পর্যটক না থাকায় গত দুই বছর ধরে চরম আর্থিক অনটনে দিন কাটছিল স্থানীয় পরিবহন শ্রমিকদের। ভোমরা বন্দরের সিএনজিচালক আব্দুস সবুজ বলেন, “আমাদের সিএনজি, মাহিন্দ্র ও লেগুনা সার্ভিস পুরোপুরি পাসপোর্টধারী যাত্রী ও বিদেশি পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল। ভ্রমণ ভিসা বন্ধ থাকায় দীর্ঘদিন কোনো পর্যটক ছিল না। স্থানীয় যাত্রী টেনে কোনো রকমে বেঁচে ছিলাম। এখন ভিসা চালু হলে আমাদের সুদিন ফিরবে।”

ভ্রমণ ভিসা চালুর ঢেউ লেগেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দরেও। সেখানকার ব্যবসায়ী, দোকানদার ও পর্যটক সেবা দেওয়া অফিসগুলোতে উৎসাহ-উদ্দীপনা তুঙ্গে।

ভারত থেকে চিকিৎসা শেষে ফিরে আসা পাসপোর্টধারী যাত্রী রবিন মন্ডলসহ কয়েকজন জানান, পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতার ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। বাংলাদেশি পর্যটকদের স্বাগত জানাতে ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কলকাতার বড় বড় মার্কেটগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কলকাতার ‘মিনি বাংলাদেশ’ খ্যাত নিউ মার্কেট এলাকা ও আশপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় মুখ থুবড়ে পড়েছিল। এখন সুসংবাদ পেয়ে অনেক ব্যবসায়ী মিষ্টি বিতরণ করে উল্লাস প্রকাশ করেছেন।

ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ভ্রমণ ভিসা চালু হওয়ার খবর তারা পেয়েছেন। এই কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হলে প্রতিদিন এই বন্দর দিয়ে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ দেশি-বিদেশি পর্যটক যাতায়াত করবেন। পর্যটকদের দ্রুত সেবা দিতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ সব সময়ই প্রস্তুত।

ভোমরা কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার মোস্তফা কামাল বলেন, দীর্ঘদিন ভ্রমণ ভিসা বন্ধ থাকায় শুধু মেডিকেল ভিসার যাত্রীরা যাতায়াত করতেন। কিন্তু ক্যান্সারে আক্রান্ত বা প্রতিবন্ধী মেডিকেল যাত্রীরা ভ্রমণ করের (রাজস্ব) আওতামুক্ত থাকায় এই খাত থেকে রাজস্ব অর্জনে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। এখন ভ্রমণ ভিসা পুরোদমে চালু হলে সরকারের কোটি কোটি টাকার ভ্রমণ কর অর্জিত হবে।

লেখক: নাট্যকর্মী

 

 

 

 

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ১

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে আড়াই লক্ষাধিক টাকার মালামাল ও ৩১ পিস ইয়াবাসহ একজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ২৯ ও ৩০ জুন সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের (৩৩ বিজিবি) অধীনস্থ বৈকারী, মাদরা, ভোমরা ও কালিয়ানী বিওপির টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ভোমরা বিওপির টহল দল সীমান্ত মেইন পিলার-৩ থেকে ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভোমরা ফলমোড় এলাকায় তল্লাশি চালায়। এ সময় বিজিবির ডগ স্কোয়াডের ‘লিজা’ নামের কুকুরের সহায়তায় সন্দেহভাজন সুজন গাজী (২১) নামের এক যুবকের শরীর তল্লাশি করে ৩১ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। আটক সুজন সাতক্ষীরা সদর থানার চৌবাড়িয়া গ্রামের মিলন গাজীর ছেলে।

এছাড়া পৃথক অভিযানে বৈকারী সীমান্ত থেকে ৭০ হাজার টাকার, মাদরা সীমান্ত থেকে ১ লাখ ৫ হাজার টাকার এবং কালিয়ানী সীমান্ত থেকে ৭০ হাজার টাকার ভারতীয় ওষুধ জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদক ও চোরাচালান পণ্যের মোট মূল্য ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩০০ টাকা। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এসব মালামাল ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছিল।