রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সুন্দরবন সুরক্ষা ও আমাদের দায়িত্ব/ ‎‎তারিক ইসলাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবন সুরক্ষা ও আমাদের দায়িত্ব/ ‎‎তারিক ইসলাম

‎‎তারিক ইসলাম
‎পৃথিবীর বুকে প্রকৃতির এক অনন্য বিস্ময় আমাদের সুন্দরবন। এর বিশাল ম্যানগ্রোভ বনভূমি কেবল আমাদের প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবেই রক্ষা করে না, বরং এটি হাজারো প্রজাতির উদ্ভিদ, বন্যপ্রাণী এবং মৎস্যসম্পদের এক নিরাপদ আশ্রয়স্থল। তবে জলবায়ু পরিবর্তন এবং মানুষের অনিয়ন্ত্রিত হস্তক্ষেপের কারণে এই ফুসফুস আজ সংকটের মুখে।

‎এই সংকট থেকে সুন্দরবনকে বাঁচাতে এবং এর জীববৈচিত্র্যকে পুনরুজ্জীবিত করতে বন বিভাগ একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ০১ জুন থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত টানা তিন মাস সুন্দরবনে সব ধরনের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই তিন মাস বনের অভ্যন্তরে জেলে, বাওয়াল, মৌয়াল বা গোলপাতা সংগ্রহকারী—কারও প্রবেশাধিকার থাকবে না। একই সাথে বন্ধ থাকবে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সমাগমও।

‎‎কেন এই নিষেধাজ্ঞা?
‎জুন থেকে আগস্ট-এই তিন মাস সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী এবং মৎস্যসম্পদের প্রধান প্রজনন মৌসুম। এই সময়ে সুন্দরবনের নদী-খালে থাকা মাছ ডিম ছাড়ে এবং বনের বাঘ, হরিণ, পাখি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী নির্বিঘেœ বংশবিস্তার করে।

‎বনের ভেতর মানুষের চলাচল, ট্রলারের ইঞ্জিনের বিকট শব্দ এবং যত্রতত্র প্লাস্টিক বা বর্জ্য ফেলার কারণে স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘিœত হয়। মানুষের এই কোলাহলমুক্ত পরিবেশ পেলে বন্যপ্রাণী ও জলজ প্রাণীরা কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই তাদের প্রজনন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে। বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতা দেখায় যে, এই ধরনের সাময়িক নিষেধাজ্ঞার ফলে সুন্দরবনের প্রকৃতি আবার নিজের মতো করে সেজে ওঠে এবং বনের প্রাণসম্পদ বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

‎আমাদের দায়িত্ব ও করণীয়
‎সুন্দরবন শুধু একটি বন নয়, এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের জীবিকার উৎস এবং সমগ্র দেশের পরিবেশগত ভারসাম্যের প্রতীক। তাই একে রক্ষা করার দায়িত্ব শুধু বন বিভাগের একার নয়, এটি আমাদের সবার জাতীয় দায়িত্ব। এই নিষেধাজ্ঞা সফল করতে আমাদের কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন:
‎আইন ও নিয়ম মেনে চলা: এই তিন মাস বনের ওপর নির্ভরশীল স্থানীয় বাওয়াল, মৌয়াল ও জেলেরা যাতে কোনোভাবেই বনের ভেতর প্রবেশ না করেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে বনকে তার নিজস্ব গতিতে বাড়তে দেওয়া আমাদের সবার কর্তব্য।

‎বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা: নিষেধাজ্ঞার এই দীর্ঘ সময়ে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা থমকে যায়। সরকারের পক্ষ থেকে যে খাদ্য সহায়তা বা ভিজিডি (ঠএউ) চাল দেওয়া হয়, তা যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সুষম ও সময়মতো বণ্টন করা হয়, সেদিকে স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে।
‎পর্যটকদের সচেতনতা: ভ্রমণপিপাসু মানুষ ও পর্যটন শিল্পের সাথে যুক্ত ব্যবসায়ীদের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করতে হবে। সুন্দরবন ভালো থাকলে তবেই আমাদের পর্যটন শিল্প ভবিষ্যতে দীর্ঘস্থায়ী হবে-এই বোধ জাগিয়ে তুলতে হবে।

‎অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে পাহারা: নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনো অসাধু চক্র বা শিকারি দল যাতে সুন্দরবনের ভেতরে প্রবেশ করে হরিণ শিকার বা বিষ দিয়ে মাছ ধরতে না পারে, সেজন্য বন বিভাগের পাশাপাশি কোস্টগার্ড ও স্থানীয় জনগণকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

‎সুন্দরবন আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে, এখন সুন্দরবনকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব আমাদের।”
‎প্রকৃতির একটি নিজস্ব নিরাময় ক্ষমতা রয়েছে। তিন মাসের এই নীরবতা সুন্দরবনকে তার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং নিজেকে নতুন করে সাজাতে সাহায্য করবে। সাময়িক এই ত্যাগের বিনিময়ে আমরা ফিরে পাব এক সমৃদ্ধ, সবুজ ও প্রাণবন্ত সুন্দরবন। আসুন, বনের এই প্রজননকালকে সম্মান জানাই এবং সুন্দরবন সুরক্ষায় নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি।

‎তারিক ইসলাম: সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

Ads small one

শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের ঘটনায় দুইজনের কারাদন্ড, বাল্কহেড জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের ঘটনায় দুইজনের কারাদন্ড, বাল্কহেড জব্দ

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দুর্গাবাটি মন্দির সংলগ্ন ঝাপারচর এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় একটি বাল্কহেড জব্দ করেছে বিজিবি। এ ঘটনায় দুইজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) ভোর আনুমানিক ৬টা ৪০ মিনিটে হাবিলদার জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি বিজিবি টহল দল স্পিডবোটযোগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনরত একটি বাল্কহেড জব্দ করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, জব্দকৃত বাল্কহেডে আনুমানিক ৫ হাজার ৩০০ ঘনফুট বালু ছিল, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬৭ হাজার ২০০ টাকা। পরে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে বাল্কহেডটি ব্যাটালিয়ন সদর পল্টন ঘাট সংলগ্ন এলাকায় নিয়ে আসা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসেন এবং বুড়িগোয়ালিনী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তদন্ত শেষে বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী মামলা নং-৩২/২৬ দায়ের করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযুক্ত বাল্কহেডের চালক মোঃ নজরুল ইসলাম (পিতা: মৃত আফসার আলী, গ্রাম: দরগাহপুর, থানা: আশাশুনি, জেলা: সাতক্ষীরা)-কে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ১ লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।

এছাড়া সহকারী মোঃ আক্তারুল জামান (৩০) (পিতা: জিল্লুর গাজী, গ্রাম: রাড়ুলী, থানা: পাইকগাছা, জেলা: খুলনা)-কে ১৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়।

এ সময় অবৈধ বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত সাতটি পিভিসি পাইপ অপসারণ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

কার্যক্রম শেষে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে দন্ডপ্রাপ্তদের নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নৌ-পুলিশের কর্মকর্তারা শ্যামনগর থানার উদ্দেশ্যে রওনা হন। জব্দকৃত বাল্কহেডটি বর্তমানে বিজিবির তত্ত্বাবধানে সংরক্ষিত রয়েছে।

স্থানীয়রা সুন্দরবন ও উপকূলীয় নদী-খালে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

নিঃশব্দ বিপ্লবের নাম রক্তদান/ ‎তারিক ইসলাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
নিঃশব্দ বিপ্লবের নাম রক্তদান/ ‎তারিক ইসলাম

‎তারিক ইসলাম

‎ডিজিটাল স্ক্রিনে তখন রাত দুটো। ফেসবুকের নিউজফিড স্ক্রল করতেই চোখে পড়ল একটা পরিচিত আর্জি-“জরুরি ভিত্তিতে ও-নেগেটিভ রক্ত প্রয়োজন। স্থান: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। যোগাযোগের নম্বর…”। এই একটি পোস্টের পেছনে লুকিয়ে থাকে এক একটি পরিবারের আকুলতা, উৎকণ্ঠা আর বেঁচে থাকার শেষ লড়াই। প্রতি বছর ১৪ জুন ‘বিশ্ব রক্তদাতা দিবস’ যখন আমাদের দরজায় কড়া নাড়ে, তখন এই স্ক্রিনশটগুলোই আমাদের মনে করিয়ে দেয়-বিজ্ঞান যতই মঙ্গল গ্রহে বসতি গড়ার স্বপ্ন দেখুক না কেন, ল্যাবরেটরিতে আজও এক ফোঁটা কৃত্রিম রক্ত তৈরি করা সম্ভব হয়নি। মানুষের জীবনের বিকল্প আজও কেবলই মানুষ।

‎আজকের এই আধুনিক পৃথিবীতে রক্তদান কেবল একটি ‘মানবিক কাজ’ বা ‘ধর্মীয় পুণ্য’ নয়; এটি মূলত একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং নাগরিক সচেতনতার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।

‎আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান এখন অনেক বেশি প্রযুক্তি-নির্ভর। ওপেন হার্ট সার্জারি, জটিল ক্যানসার থেরাপি, অর্গান ট্রান্সপ্লান্ট কিংবা থ্যালাসেমিয়া ও হিমোফিলিয়ার মতো জেনেটিক রোগের চিকিৎসায় রক্তের চাহিদা আগের চেয়ে বহুগুণ বেড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, একটি দেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১ শতাংশ মানুষ যদি নিয়মিত রক্তদান করেন, তবে সেই দেশের রক্তের মৌলিক চাহিদা মেটানো সম্ভব।

‎উন্নত বিশ্বে যেখানে ‘ভলান্টিয়ার ব্লাড ডোনেশন’ বা স্বেচ্ছায় রক্তদানের হার প্রায় শতভাগ, সেখানে আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে এখনো সিংহভাগ রক্ত আসে রোগীর আত্মীয়-স্বজন বা ‘রিপ্লেসমেন্ট ডোনার’-দের কাছ থেকে। এই মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি।

‎আজকের তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তিতে দারুণ পারদর্শী। তারা রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করছে, ফুড ডেলিভারি নিচ্ছে এক ক্লিকে। কিন্তু রক্তের মতো জরুরি প্রয়োজনের সময় এখনো আমাদের ফেসবুক গ্রুপ বা মেসেঞ্জার চ্যাটের ওপর নির্ভর করতে হয়, যা অনেক সময় সঠিক সময়ে রক্ত প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে পারে না।

‎আমাদের এখন ‘স্মার্ট ডোনেশন’ কালচারের দিকে যেতে হবে। রক্তদানকে একটি সামাজিক ফ্যাশন বা লাইফস্টাইল হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। বছরে তিনবার রক্ত দেওয়াকে যদি একজন তরুণ তার ফিটনেস রুটিনের অংশ করে নেয়, তবে ব্লাড ব্যাংকগুলো কখনোই শূন্য থাকবে না।

‎‎আপনি যখন এক ব্যাগ রক্ত দিচ্ছেন, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে সেটিকে ভেঙে লোহিত কণিকা, প্লাটিলেট এবং প্লাজমা-এই তিনটি উপাদানে ভাগ করা হচ্ছে। অর্থাৎ, আপনার এক ব্যাগ রক্ত আধুনিক চিকিৎসায় তিনজন ভিন্ন রোগীকে নতুন জীবন দিচ্ছে। এর চেয়ে বড় ‘মাল্টিটাস্কিং’ আর কী হতে পারে?

‎অনেকে এখনো ভাবেন রক্ত দিলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে সম্পূর্ণ উল্টো কথা। নিয়মিত রক্তদান আসলে শরীরের এক চমৎকার ‘রিসেন্ট বাটন’।

‎নতুন রক্তকণিকা সৃষ্টি: রক্ত দেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শরীরের তরল অংশ পূরণ হয়ে যায় এবং দ্রুত নতুন ও সতেজ রক্তকণিকা তৈরি হতে শুরু করে।

‎হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস: রক্তে অতিরিক্ত আয়রন জমা হলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। নিয়মিত রক্তদান শরীরে আয়রনের ভারসাম্য বজায় রাখে, যা কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী।

‎ফ্রি হেলথ চেকআপ: প্রতিবার রক্ত দেওয়ার আগে হেপাটাইটিস বি, সি, এইডসের মতো মারাত্মক রোগের স্ক্রিনিং এবং রক্তচাপ পরীক্ষা করা হয় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

‎১৪ জুনের ক্যালেন্ডারে রক্তদাতা দিবস আসে মূলত সেইসব নায়কদের স্যালুট জানাতে, যারা কোনো প্রতিদান ছাড়াই নিজেদের শরীরের তরল সোনা বিলিয়ে দেন অন্যকে বাঁচানোর জন্য। তবে এই দিবসটিকে শুধু সেমিনার আর র‌্যালির ফ্রেমে বন্দি রাখলে চলবে না। রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্লাড ব্যাংকগুলোর আধুনিকায়ন, জেলা-উপজেলা পর্যায়ে রক্তের উপাদান পৃথকীকরণের প্রযুক্তি পৌঁছানো এবং রক্তদান প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ কাগজহীন ও ডিজিটাল করা এখন সময়ের দাবি।

‎আসুন, এই রক্তদাতা দিবসে আমরা ট্র্যাডিশনাল চিন্তা থেকে বেরিয়ে এসে আধুনিক ও বিজ্ঞানমনস্ক হই। রক্ত দেওয়া কোনো দয়া বা করুণা নয়, এটি একজন সুস্থ মানুষের সুস্থ থাকার এবং অন্যকে বাঁচিয়ে রাখার আধুনিক নাগরিক দায়িত্ব। আপনার রক্তে সচল থাকুক অন্য কারও লাইফ-সাপোর্ট।

‎লেখক: তারিক ইসলাম, ‎সভাপতি সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

 

সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়াজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় সীমান্তে পুশইন বন্ধে বিজিবির কঠোর অবস্থান বজায় রাখা,বাস টার্মিনাল স্থানান্তর, যানজট নিরসনে বাস থামার স্থান চিহিৃতকরণ, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারকরণ, সুন্দরবনে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদারকরণ, সরকারি খাস জমি উদ্ধার, অনলাইন জুয়া ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তৎপরতা বন্ধে পুলিশী ব্যবস্থা জোরদারকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো: আশরাফুল আলম, সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান, সিভিল সার্জন আব্দুস সালাম, জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, যুগ্ম আহবায়ক ড. মনিরুজ্জামান, জেলা জামায়াতের আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল, প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।