বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় যশোরের আবু সাঈদ লাইভ সাপোর্টে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় যশোরের আবু সাঈদ লাইভ সাপোর্টে

মামুনুর রশিদ খান, মনিরামপুর (যশোর): দীর্ঘ প্রবাস জীবনের ইতি টেনে বাড়ি ফেরার কথা ছিল তাঁর। পরিবারের জন্য কেনা উপহার আর স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার আনন্দ নিয়ে রওনা হয়েছিলেন বিমানবন্দরের পথে। কিন্তু মাঝপথে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা তছনছ করে দিল সব স্বপ্ন। সৌদি আরবের রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত যশোরের হামিদপুর গ্রামের সন্তান আবু সাঈদ এখন মৃত্যুশয্যায়। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর অবস্থা ক্রমশ অবনতির দিকে যাচ্ছে এবং বর্তমানে তাঁকে লাইভ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

আবু সাঈদ যশোর সদর উপজেলার হামিদপুর দক্ষিণপাড়ার গনি মোল্লার ছোট ছেলে এবং সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলামের চাচাতো ভাই।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আবু সাঈদ দীর্ঘ দিন ধরে রিয়াদের একটি সুপার শপে কর্মরত ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ওই সুপার শপটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। একদিকে কর্মহীন হওয়ার মানসিক চাপ, অন্যদিকে দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে থিতু হওয়ার পরিকল্পনা-সব মিলিয়ে গত ২১ এপ্রিল তিনি দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হন। কিন্তু নিয়তি তাঁর জন্য অন্যকিছু লিখে রেখেছিল।

বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে আবু সাঈদ ও তাঁর তিন সহকর্মীকে বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়লে ঘটনাস্থলেই তাঁর দুই সহকর্মী মারা যান। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই সৌদি আরবের বিশেষ উদ্ধারকারী দল ‘দিফা আল-মাদানি’ (সিভিল ডিফেন্স) দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দুমড়েমুচড়ে যাওয়া গাড়ির ভেতর থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় আবু সাঈদ ও আরও একজনকে উদ্ধার করতে অত্যাধুনিক হাইড্রোলিক কাটার ব্যবহার করেন। একই সময়ে সৌদি ট্রাফিক পুলিশ-এর সদস্যরা দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেন এবং লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আবু সাঈদের শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি, বরং ধীরে ধীরে তা অবনতির দিকে যাচ্ছে। বর্তমানে তিনি লাইভ সাপোর্টে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।

ছেলের ফেরার প্রতীক্ষায় থাকা হামিদপুর গ্রামের গনি মোল্লার বাড়িতে এখন শুধুই কান্নার রোল। যে মানুষটির কয়েক ঘণ্টা পর বাড়িতে থাকার কথা ছিল, তাঁর লাইভ সাপোর্টে থাকার খবর আসার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আবু সাঈদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং গ্রামবাসী তাঁর জীবন রক্ষার্থে বিশেষ দোয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে হামিদপুরসহ আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এই ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

Ads small one

নাটক ও পটগানে জলবায়ু সচেতনতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
নাটক ও পটগানে জলবায়ু সচেতনতা

নিজস্ব প্রতিনিধি: উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও সচেতনতা বাড়াতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে অনুষ্ঠিত হলো সচেতনতামূলক নাটক ও পটগান। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নীলডুমুর আলাউদ্দিন মার্কেট প্রাঙ্গণে এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ক্রিশ্চিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সিসিডিবি)-এর ‘প্রোমোটিং ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট কমিউনিটিস ইন বাংলাদেশ’ (পিসিআরসিবি) প্রকল্পের আওতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিকেলের তপ্ত রোদ উপেক্ষা করে স্থানীয় শত শত নারী, পুরুষ ও শিশু এই প্রদর্শনী উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানে নাটক ও পটগানের মাধ্যমে উপকূলীয় মানুষের জীবনসংগ্রাম, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস এবং ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। বিশেষ করে লবণাক্ত পানির কারণে জীবিকা সংকট ও তা থেকে উত্তরণে অভিযোজন সক্ষমতা বাড়ানোর বার্তা দেওয়া হয় দর্শকদের।

আয়োজনের বিশেষ দিক হলোÑ গ্রামীণ লোকজ সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ ‘পটগান’-এর মাধ্যমে শিল্পীরা গান ও চিত্রের সংমিশ্রণে জলবায়ু সহনশীল সমাজ গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। নাটকের সংলাপে দুর্যোগ মোকাবিলা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই জীবনযাপনের নানা দিক সহজ ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়। স্থানীয়রা জানান, বিনোদনের পাশাপাশি এই আয়োজনের মাধ্যমে তারা দুর্যোগের প্রস্তুতি সম্পর্কে অনেক নতুন তথ্য জানতে পেরেছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপগ্রহ ক্লাবের সভাপতি মো. আব্দুল হালিম, সিসিডিবি পিসিআরসিবি প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার অমিতাভ হালদার, পার্থ সাহা, জগদীশ সরদার ও দিল আফরোজ প্রমুখ।

আয়োজক সংস্থা সিসিডিবির প্রতিনিধিরা জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রস্তুতি অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকা-ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত বার্তা পৌঁছানো সম্ভব। জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা উল্লেখ করেন।

 

 

 

ভুল পরামর্শে বালাইনাশক ব্যবহার: ৮০ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে তরমুজ চাষি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
ভুল পরামর্শে বালাইনাশক ব্যবহার: ৮০ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে তরমুজ চাষি

প্রতিকার চেয়ে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: বায়ার ক্রপসায়েন্স লিমিটেড নামের একটি কোম্পানির প্রতিনিধির ভুল পরামর্শে বালাইনাশক ব্যবহার করে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার এক তরমুজ চাষি। এতে তাঁর প্রায় ৮০ লাখ টাকার সমপরিমাণ ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষি পবিত্র কুমার মন্ডল আজ বৃহস্পতিবার ক্ষতিপূরণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

পবিত্র কুমার মন্ডল আশাশুনির বড়দল ইউনিয়নের নড়রাবাদ গ্রামের লক্ষণ চন্দ্র মন্ডলের ছেলে। এক প্রতিবন্ধী সন্তানের জনক পবিত্র স্থানীয় বিভিন্ন এনজিও ও মহাজনদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে চলতি মৌসুমে চাম্পাখালী মৌজায় ৮০ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছিলেন।

লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত মার্চ মাসের শুরুর দিকে তরমুজ গাছে ফল আসা শুরু হলে বিশ্বরূপ চন্দ্র ঘোষ নামে এক ব্যক্তি নিজেকে বায়ার কোম্পানির ‘কৃষি পরামর্শদাতা’ পরিচয় দিয়ে পবিত্রর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি নিজেকে বায়ারের যশোর আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তা দাবি করে পবিত্রকে আশ্বস্ত করেন যে, তাঁর দেওয়া ১২ দিনের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ দিলে ফলন কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে।

সূত্রের দাবিÑবিশ্বরূপের দেওয়া তিনটি ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী গত ৭ এপ্রিল ক্ষেতে বালাইনাশক প্রয়োগ করেন পবিত্র। এর ৬-৭ দিন পর গাছগুলোর অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে। বিষয়টি বিশ্বরূপকে জানানো হলে তিনি অন্য কোনো কোম্পানির ওষুধ ব্যবহার করতে নিষেধ করেন এবং আগের ওষুধই চালিয়ে যেতে বলেন। পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ প্রয়োগ চালিয়ে যাওয়ার ফলে অধিকাংশ তরমুজ গাছ মরে শুকিয়ে যায়। এতে তাঁর প্রায় ৩০ লাখ টাকার বিনিয়োগ এবং সম্ভাব্য বিক্রয়মূল্যসহ প্রায় ৮০ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে পবিত্র কুমার মন্ডল বলেন, “আমি সরকারি কৃষি অফিসের পরামর্শ না নিয়ে ওই ব্যক্তির কথায় বিশ্বাস করে আজ পথে বসেছি। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে এখন আমার আত্মহত্যা করা ছাড়া কোনো পথ নেই। কোম্পানি এখন ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টালবাহানা করছে।”

এ বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ ছাড়া কোনো বেসরকারি কোম্পানির কথায় অনিবন্ধিত বা মাত্রাতিরিক্ত বালাইনাশক ব্যবহার করা চাষিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কু-ু এ প্রসঙ্গে বলেন, “একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।”

অভিযুক্ত বিশ্বরূপ চন্দ্র ঘোষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় চাষিদের দাবি, নামি কোম্পানির পরিচয় দিয়ে অনেক সময় অসাধু প্রতিনিধিরা গ্রামে এসে ভুল পরামর্শ ও নি¤œমানের ওষুধ গছিয়ে দেয়, যার দায়ভার শেষ পর্যন্ত কৃষককেই নিতে হয়।

 

শ্যামনগরে মৎস্য ঘের দখলচেষ্টা ও বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে মৎস্য ঘের দখলচেষ্টা ও বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

সংবাদদাতা: শ্যামনগরে একটি মৎস্য ঘের জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। লিজ নেওয়া ঘেরটি দখল করতে দফায় দফায় মাছ নিধনে বিষ প্রয়োগ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ঘের ব্যবসায়ী। এ ঘটনায় প্রতিকার ও জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে শ্যামনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চ-ীপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলী গাজীর ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম ভুরুলিয়া মৌজায় ৫ একর ১০ শতাংশ জমি প্রকৃত মালিকের কাছ থেকে ‘ডিড’ (চুক্তি) নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে মৎস্য চাষ করে আসছেন। কিন্তু ওই সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে ভুরুলিয়া গ্রামের বিশ্বজিৎ মন্ডল ও কুমার শানু তাকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ২ এপ্রিল সন্ধ্যায় বিবাদীরা দলবল নিয়ে তার ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে। এতে ঘেরের বিপুল পরিমাণ গলদা ও সাদা মাছ মারা যায়। এ ঘটনায় শান্তি-শৃঙ্খলার স্বার্থে জমির মালিক রহিম সরদার বাদী হয়ে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৫ ধারায় একটি মামলাও (নং ৩৮৯/২৬) দায়ের করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছেÑআদালতের মামলা চলমান থাকলেও গত ২১ এপ্রিল বিবাদীরা পুনরায় ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে। এতে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। জবরদখলের প্রতিবাদ করলে বিবাদীরা চড়াও হচ্ছে। ফলে যে কোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি বৈধভাবে জমি লিজ নিয়ে ব্যবসা করছি। কিন্তু বিবাদীরা গায়ের জোরে আমার ঘের দখলের চেষ্টা করছে এবং বারবার বিষ দিয়ে আমাকে আর্থিকভাবে পঙ্গু করে দিচ্ছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।” শ্যামনগর থানা পুলিশ জানায়, অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।