বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

১০ গোলের মহাকাব্যিক থ্রিলার, ফ্রান্সকে ৪-৬ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ মেডেল ইংল্যান্ডের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৫ পূর্বাহ্ণ
১০ গোলের মহাকাব্যিক থ্রিলার, ফ্রান্সকে ৪-৬ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ মেডেল ইংল্যান্ডের

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে শনিবার রাতে যা হলো, তা স্রেফ একটি ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচ নয়— এটি বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম অবিশ্বাস্য ম্যাচ হিসেবে চিরকাল মনে থাকবে। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের একচেটিয়া ৪-০ লিড, দ্বিতীয়ার্ধে এমবাপ্পে ঘূর্ণিঝড়ে ৪-৩, শেষ মিনিটে দেম্বেলের গোলে ৪-৫, তারপর বেলিংহামের শেষ লাথিতে ৪-৬। মোট ১০টি গোলের এই থ্রিলার শেষে ইংল্যান্ড তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করলো, আর এমবাপ্পে লিখলেন বিশ্বকাপের সর্বকালের গোলের নতুন ইতিহাস।

১৯৬৬ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের পর এটাই ইংল্যান্ডের পুরুষ বিশ্বকাপে সেরা ফলাফল।

প্রথমার্ধ: ইংল্যান্ডের ঝড়, ফ্রান্স ছিন্নভিন্ন

মাত্র ৩ মিনিটে রাইসের বুলেট, তারপর কনসার হেডার, সাকার নাটকীয় তৃতীয় গোল। তবে সবচেয়ে অবিশ্বাস্য মুহূর্তটা এলো ৪৫+২ মিনিটে। এবেরেচি এজের ডিফেন্ডারের কাঁধের উপর দিয়ে নিখুঁত পাস পেয়ে সাকা শরীর ঘুরিয়ে ফরাসি গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল পাঠালেন জালের কোণায়। বিরতিতে ৪-০— বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই পর্যায়ের ম্যাচে এত বড় ব্যবধান নজিরবিহীন।

দ্বিতীয়ার্ধ: এমবাপ্পের রুদ্রমূর্তি

বিরতির পর মাঠে নামলেন যেন অন্য এক এমবাপ্পে।

৪৮ মিনিটে ওয়াটকিন্সের বল হারানো থেকে ফরাসি কাউন্টার, অলিসের পাসে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে সাইড-ফুট— ফ্রান্স ১-৪। এটি এমবাপ্পের এই বিশ্বকাপে নবম গোল, মেসিকে টপকে গোল্ডেন বুটে একক শীর্ষে।

৫৪ মিনিটে এমবাপ্পের পাস থেকে বারকোলার নিয়ার পোস্টে শট— ২-৪। হেন্ডারসন কিছু করার আগেই বল জালে। স্টেডিয়ামে হঠাৎ করেই পরিবেশ পাল্টে গেল।

আর ৬৬ মিনিটে এলো সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ডি-বক্সের বাইরে অলিসের সঙ্গে একের পর এক ওয়ান-টু খেলে রক্ষণ ভেঙে ভেতরে ঢুকলেন এমবাপ্পে, তারপর শরীর ঘুরিয়ে নিখুঁত ফিনিশে বল গেল নিচের কোণায়। ৩-৪।

মেসির ২১ বিশ্বকাপ গোলের রেকর্ড টপকে এমবাপ্পে এখন ২২ গোলে— বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

মাঝমাঠের হাইড্রেশন ব্রেকে হাঁফ ছাড়লো ইংলিশ শিবির। টুখেলের সামনে প্রশ্ন— ‘বাস পার্ক’ করবেন, নাকি চাপে নাকাল হবেন?

শেষের নাটক

৮৭ মিনিটে সাকার হ্যাটট্রিক— ৫-৩। স্বস্তির নিঃশ্বাস ইংলিশ শিবিরে। কিন্তু ফুটবল কখনও শেষ হয় না শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত।

৯০+৬ মিনিটে দেম্বেলে বাঁ পায়ে কার্লড শটে ফার কর্নারে বল জড়ালেন— ৪-৫। স্টেডিয়ামে চিৎকার। ইংল্যান্ড ডিফেন্ডাররা একে অপরের দিকে তাকাচ্ছেন, ভরসা খুঁজছেন।

কিন্তু শেষ কথা বললেন বেলিংহাম। হাফলাইন থেকে এগিয়ে গেলেন একাই, বক্সে ঢুকলেন, লাক্রোয়াকে পরাজিত করে স্লট করলেন নিচের কোণায়— ৬-৪। সেটাই শেষ কিক, সেটাই শেষ বাঁশি।

বিবিসি রেডিওতে সাবেক ইংল্যান্ড ডিফেন্ডার ম্যাট আপসন বললেন, “এর চেয়ে ভালো সমাপ্তি ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ অভিযানের হতে পারতো না। বেলিংহামের এই গোলটা বলে দিচ্ছে ম্যাচটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল খেলোয়াড়দের কাছে।”

ম্যাচের নায়করা

বুকায়ো সাকা— হ্যাটট্রিক ও একটি অ্যাসিস্ট। মায়ামির রাতে আর্সেনাল উইঙ্গার পরিণত হলেন ইংল্যান্ডের সুপারহিরোতে।

কিলিয়ান এমবাপ্পে— জোড়া গোল ও একটি অ্যাসিস্ট। হারের রাতেও ইতিহাস গড়লেন। বিশ্বকাপে ২২ গোল, গোল্ডেন বুট (১০ গোল), ফাইনাল ছাড়াও পূর্ণ কিংবদন্তি।

জুড বেলিংহাম— শেষ গোল ও মোট ছয়টি টুর্নামেন্ট গোল। তৃতীয় স্থানের ম্যাচে এই মনোবল ও সৃজনশীলতার প্রদর্শনী আগামী বিশ্বকাপের বার্তা দিয়ে গেলো।

১৯৬৬-এর পর সেরা ইংল্যান্ড

তৃতীয় স্থান। ১৯৬৬ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের পর এটাই ইংল্যান্ডের পুরুষ বিশ্বকাপে সেরা ফলাফল। সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হারের ব্যথা একটু হলেও কমলো এই বিধ্বংসী জয়ে।

আর ফ্রান্স? কোচ দিদিয়ে দেশমের বিদায়ী ম্যাচ শেষ হলো এই অবিশ্বাস্য ১০ গোলের থ্রিলারে। হারলেও, দেশম ও তার দল মাথা উঁচু রেখেই মাঠ ছাড়লেন।

মায়ামির এই রাতটা অনেকদিন মনে থাকবে।

Ads small one

কলকাতায় অগ্নিকান্ডে নিহতদের দু’জনার বাড়ি সাতক্ষীরায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ
কলকাতায় অগ্নিকান্ডে নিহতদের দু’জনার বাড়ি সাতক্ষীরায়

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নিহতদের ২ জন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। বুধবার (১৯ আগষ্ট) রাত ১০টার দিকে এলাকায় খবর পৌঁছানোর পর ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন নিহতদের একজনের পরিবারের সদস্যরা।

নিহত আলিমুজ্জামান সাজু (৪৫) কালিগঞ্জের তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মৃত. ইউনুচ সরদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ঘের ব্যবসায়ী এবং অপরজন একই উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা রেবতী সরকার। তবে তার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিহত সাজুর নিকটাত্মীয় মোখলেছুর রহমান পল্টু জানান, কোমরে ব্যাথার জন্য চিকিৎসক দেখাতে ৫-৬ দিন আগে সাজু ভারতে যায়। বুধবার বাড়িতে ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু রাত ১০টার দিকে বাড়িতে খবর আসে হোটেলে অগ্নিকান্ডে সে নিহত হয়েছেন।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে জানানো হয়, ঘটনাটি জানার পর বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে হোটেলটিতে অগ্নিকান্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৭ জন বাংলাদেশী।

৫০ অসহায় পরিবারের হাতে মাসিক ত্রাণ তুলে দিল রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
৫০ অসহায় পরিবারের হাতে মাসিক ত্রাণ তুলে দিল রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশন

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শার উলাশীতে রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশনের নিজস্ব কার্যালয়ে ৫০টি অসহায় পরিবারের মাঝে মাসিক ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অসহায় পরিবারের হাতে চাল, ডাল, তেল, সাবানসহ এক মাসের প্রয়োজনীয় বাজারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি নির্বাচিত ৫০টি পরিবারের হাতে দেওয়া হয় মাসিক ত্রাণ কার্ড। এ কার্ডের মাধ্যমে এসব পরিবার নিয়মিত প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পাবেন।
একই অনুষ্ঠানে অসহায় মো. জাহাঙ্গীরের অপারেশনের জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি তাঁর পরিবারের জন্যও মাসিক ত্রাণ কার্ডের মাধ্যমে এক মাসের প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। রুবিয়া রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রুবিয়া রহমানের নিজস্ব অর্থায়নে এসব মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কতদূর?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কতদূর?

শ্যামল শীল
২০২৩ সালের ২ নভেম্বর জাতীয় সংসদে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৩ পাশ হয়। ১৩ নভেম্বর সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৬২ নং আইন) গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
বিলটির উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে অগ্রসরমান বিশ্বের সাথে সংগতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আধুনিক জ্ঞানচর্চা পঠন-পাঠনের সুযোগ সৃষ্টি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সাতক্ষীরা জেলায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অগ্রগতিকল্পে এবং এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ইনকিউবেটর-এর মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা অতীব প্রয়োজনীয় ও যুক্তিযুক্ত।
একইদিনে নারায়নগঞ্জে আরো একটি বিশ্ববিদ্যালয় এর আইন পাশ করা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ও একাডেমিক কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। তবে, ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তন করে ‘নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ নামকরণ করা হয়।
জাতীয় সংসদের গত বাজেট অধিবেশনে ১০৬ সাতক্ষীরা-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে “সাতক্ষীরা জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা; এবং একই সাথে জেলা/উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা; এবং থাকলে, তা কতদিনে বাস্তবায়ন হতে পাবে? প্রশ্ন করেন।
উত্তরে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “সাতক্ষীরা জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে বর্তমানে সরকার কর্তৃক কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার এবং আঞ্চলিক বৈষমা হ্রাসের লক্ষ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়টি সরকার সময়ে সময়ে পর্যালোচনা করে থাকে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার, উদ্ভাবনী চর্চা, গবেষণামনকতা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমুখী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয়তা নিরূপণ, সম্ভাবাতা যাচাই এবং অর্থায়নের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। যদি এ সংক্রান্ত কোনো প্রকল্প গ্রহণ ও অনুমোদিত হয়, তবে প্রকল্পের ধরন ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।”
মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় তাঁর প্রশ্নে সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ৬২ নং আইন) সম্পর্কে যেমন সুনিদিষ্ঠ কিছু বলেননি, ঠিক একইভাবে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় এর উত্তরেও “চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি” উল্লেখ করে আইনের বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন।
সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যে আইনটি বিগত সময়ে প্রণয়ন হয়েছিল, সেটি বাতিল হয়েছে এমন কোন তথ্য আমরা খুজে পাইনি। যদি আইনটি থাকে, তবে চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আর কি কি প্রয়োজন সেটা সম্পর্কেও সুনিদিষ্ঠ কোন তথ্য কারো কাছ থেকে জানতে পারিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন আমার এমন একজন শিক্ষকের সাথে কথা বললে তিনি জানিয়েছেন, আইন পাশের পর প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরুর জন্য ভিসিসহ অন্যান্য পদে নিয়োগ এবং একাডেমিক কার্যক্রম যে কোন সময় শুরু করা যেতে পারে।
সাতক্ষীরা জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এটা এখন সময়ের দাবী। তবে, রাজনৈতিক গ্যাড়াকলে পড়ে আমাদের অনেক দাবীই বারবার উপেক্ষিত হয়েছে। বিশ্বাবদ্যালয় প্রতিষ্ঠার যে সম্ভাবনাটুকু অতিতে সৃষ্টি হয়েছিল তা আবার হাওয়ায় মিলিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রয়োজন থেকেই এই জনপদে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হোক-এই দাবীতে সাতক্ষীরাবাসীর দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হওয়াটা এখন জরুরি। এব্যাপারে সকলে এগিয়ে আসুন।