সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

১০ গোলের মহাকাব্যিক থ্রিলার, ফ্রান্সকে ৪-৬ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ মেডেল ইংল্যান্ডের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৫ পূর্বাহ্ণ
১০ গোলের মহাকাব্যিক থ্রিলার, ফ্রান্সকে ৪-৬ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ মেডেল ইংল্যান্ডের

মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে শনিবার রাতে যা হলো, তা স্রেফ একটি ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচ নয়— এটি বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম অবিশ্বাস্য ম্যাচ হিসেবে চিরকাল মনে থাকবে। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের একচেটিয়া ৪-০ লিড, দ্বিতীয়ার্ধে এমবাপ্পে ঘূর্ণিঝড়ে ৪-৩, শেষ মিনিটে দেম্বেলের গোলে ৪-৫, তারপর বেলিংহামের শেষ লাথিতে ৪-৬। মোট ১০টি গোলের এই থ্রিলার শেষে ইংল্যান্ড তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করলো, আর এমবাপ্পে লিখলেন বিশ্বকাপের সর্বকালের গোলের নতুন ইতিহাস।

১৯৬৬ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের পর এটাই ইংল্যান্ডের পুরুষ বিশ্বকাপে সেরা ফলাফল।

প্রথমার্ধ: ইংল্যান্ডের ঝড়, ফ্রান্স ছিন্নভিন্ন

মাত্র ৩ মিনিটে রাইসের বুলেট, তারপর কনসার হেডার, সাকার নাটকীয় তৃতীয় গোল। তবে সবচেয়ে অবিশ্বাস্য মুহূর্তটা এলো ৪৫+২ মিনিটে। এবেরেচি এজের ডিফেন্ডারের কাঁধের উপর দিয়ে নিখুঁত পাস পেয়ে সাকা শরীর ঘুরিয়ে ফরাসি গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল পাঠালেন জালের কোণায়। বিরতিতে ৪-০— বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই পর্যায়ের ম্যাচে এত বড় ব্যবধান নজিরবিহীন।

দ্বিতীয়ার্ধ: এমবাপ্পের রুদ্রমূর্তি

বিরতির পর মাঠে নামলেন যেন অন্য এক এমবাপ্পে।

৪৮ মিনিটে ওয়াটকিন্সের বল হারানো থেকে ফরাসি কাউন্টার, অলিসের পাসে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে সাইড-ফুট— ফ্রান্স ১-৪। এটি এমবাপ্পের এই বিশ্বকাপে নবম গোল, মেসিকে টপকে গোল্ডেন বুটে একক শীর্ষে।

৫৪ মিনিটে এমবাপ্পের পাস থেকে বারকোলার নিয়ার পোস্টে শট— ২-৪। হেন্ডারসন কিছু করার আগেই বল জালে। স্টেডিয়ামে হঠাৎ করেই পরিবেশ পাল্টে গেল।

আর ৬৬ মিনিটে এলো সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ডি-বক্সের বাইরে অলিসের সঙ্গে একের পর এক ওয়ান-টু খেলে রক্ষণ ভেঙে ভেতরে ঢুকলেন এমবাপ্পে, তারপর শরীর ঘুরিয়ে নিখুঁত ফিনিশে বল গেল নিচের কোণায়। ৩-৪।

মেসির ২১ বিশ্বকাপ গোলের রেকর্ড টপকে এমবাপ্পে এখন ২২ গোলে— বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

মাঝমাঠের হাইড্রেশন ব্রেকে হাঁফ ছাড়লো ইংলিশ শিবির। টুখেলের সামনে প্রশ্ন— ‘বাস পার্ক’ করবেন, নাকি চাপে নাকাল হবেন?

শেষের নাটক

৮৭ মিনিটে সাকার হ্যাটট্রিক— ৫-৩। স্বস্তির নিঃশ্বাস ইংলিশ শিবিরে। কিন্তু ফুটবল কখনও শেষ হয় না শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত।

৯০+৬ মিনিটে দেম্বেলে বাঁ পায়ে কার্লড শটে ফার কর্নারে বল জড়ালেন— ৪-৫। স্টেডিয়ামে চিৎকার। ইংল্যান্ড ডিফেন্ডাররা একে অপরের দিকে তাকাচ্ছেন, ভরসা খুঁজছেন।

কিন্তু শেষ কথা বললেন বেলিংহাম। হাফলাইন থেকে এগিয়ে গেলেন একাই, বক্সে ঢুকলেন, লাক্রোয়াকে পরাজিত করে স্লট করলেন নিচের কোণায়— ৬-৪। সেটাই শেষ কিক, সেটাই শেষ বাঁশি।

বিবিসি রেডিওতে সাবেক ইংল্যান্ড ডিফেন্ডার ম্যাট আপসন বললেন, “এর চেয়ে ভালো সমাপ্তি ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ অভিযানের হতে পারতো না। বেলিংহামের এই গোলটা বলে দিচ্ছে ম্যাচটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল খেলোয়াড়দের কাছে।”

ম্যাচের নায়করা

বুকায়ো সাকা— হ্যাটট্রিক ও একটি অ্যাসিস্ট। মায়ামির রাতে আর্সেনাল উইঙ্গার পরিণত হলেন ইংল্যান্ডের সুপারহিরোতে।

কিলিয়ান এমবাপ্পে— জোড়া গোল ও একটি অ্যাসিস্ট। হারের রাতেও ইতিহাস গড়লেন। বিশ্বকাপে ২২ গোল, গোল্ডেন বুট (১০ গোল), ফাইনাল ছাড়াও পূর্ণ কিংবদন্তি।

জুড বেলিংহাম— শেষ গোল ও মোট ছয়টি টুর্নামেন্ট গোল। তৃতীয় স্থানের ম্যাচে এই মনোবল ও সৃজনশীলতার প্রদর্শনী আগামী বিশ্বকাপের বার্তা দিয়ে গেলো।

১৯৬৬-এর পর সেরা ইংল্যান্ড

তৃতীয় স্থান। ১৯৬৬ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের পর এটাই ইংল্যান্ডের পুরুষ বিশ্বকাপে সেরা ফলাফল। সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হারের ব্যথা একটু হলেও কমলো এই বিধ্বংসী জয়ে।

আর ফ্রান্স? কোচ দিদিয়ে দেশমের বিদায়ী ম্যাচ শেষ হলো এই অবিশ্বাস্য ১০ গোলের থ্রিলারে। হারলেও, দেশম ও তার দল মাথা উঁচু রেখেই মাঠ ছাড়লেন।

মায়ামির এই রাতটা অনেকদিন মনে থাকবে।

Ads small one

গোল্ডেন বুট জিতে এমবাপ্পের ইতিহাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩২ পূর্বাহ্ণ
গোল্ডেন বুট জিতে এমবাপ্পের ইতিহাস

বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও ব্যক্তিগত অর্জনে ইতিহাস গড়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। টানা দুই আসরে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে প্রথম ফুটবলার হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো জিতেছেন বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট।

আট ম্যাচে ১০ গোল করে তিনি পেছনে ফেলেছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসিকে। এর আগে কাতার বিশ্বকাপেও আট গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন এমবাপ্পে। ফলে টানা দুই বিশ্বকাপে এই পুরস্কার জিতে ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হলেন ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

১৯৭০ সালে পশ্চিম জার্মানির কিংবদন্তি জার্ড মুলারের পর এক আসরে প্রথম ফুটবলার হিসেবে ১০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন এমবাপ্পে। একটি বিশ্বকাপে তার চেয়ে বেশি গোল আছে শুধু ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইনের (১৩, ১৯৫৮) এবং হাঙ্গেরির শান্দর কচিশের (১১, ১৯৫৪)।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে পুরুষদের ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকাতেও এখন সবার ওপরে এমবাপ্পে। তার গোলসংখ্যা ২২, যা লিওনেল মেসির চেয়ে একটি বেশি।

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে মেসিকে ছাড়িয়ে যান এমবাপ্পে। যদিও সেই ম্যাচে ৬-৪ ব্যবধানে হেরে চতুর্থ স্থান নিয়েই টুর্নামেন্ট শেষ করে ফ্রান্স।

আর্জেন্টিনার হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৯ পূর্বাহ্ণ
আর্জেন্টিনার হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন

৯০ মিনিট ধরে যেন একাই দুর্গ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। তার অবিশ্বাস্য সব সেভে বারবার হতাশ হয়েছে স্পেন, আর ১০ জনের আর্জেন্টিনাও বাঁচিয়ে রেখেছিল শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন। মনে হচ্ছিল, আরেকবার হয়তো বিশ্বকাপ ট্রফি ছুঁয়ে দেখবেন লিওনেল মেসি। কিন্তু ফুটবল শেষ পর্যন্ত হাসল স্পেনের দিকেই। নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্যতে শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর মাত্র ৩৭ সেকেন্ড পর ফেরান তোরেসের অসাধারণ ফিনিশ ভেঙে দেয় আর্জেন্টিনার সব স্বপ্ন। সেই একমাত্র গোলেই ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি নিজেদের করে নিল লা রোহারা।

অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আসে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করা মুহূর্তটি। ডান প্রান্ত দিয়ে দারুণ এক আক্রমণের সূচনা করেন পেদ্রো পোরো। তার নিখুঁত ক্রস দূরের পোস্টে কোনোভাবে খেলায় রাখেন নিকো উইলিয়ামস। ফিরতি হেড থেকে বক্সের ভেতরে পাওয়া বল জোরালো শটে জালে জড়িয়ে দেন ফেরান তোরেস। গোল হতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়াম, আর স্তব্ধ হয়ে যায় আর্জেন্টিনার শিবির।

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের দখলে। বলের দখল, আক্রমণ, সুযোগ সৃষ্টি মিলিয়ে এগিয়ে ছিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। কিন্তু আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ একের পর এক অবিশ্বাস্য সেভ করে ম্যাচ জমিয়ে রাখেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১০টি সেভ করে বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসেও গড়েন নতুন রেকর্ড।

তবে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই ভাঙে অচলাবস্থা। ১০৬ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে পেদ্রো পোরোর নিখুঁত ক্রস দূরের পোস্টে হেড করে ফেরান নিকো উইলিয়ামস। সেই বল কাছ থেকে জোরালো শটে জালে জড়িয়ে দেন বদলি হিসেবে নামা ফেরান তোরেস। এক মুহূর্তেই উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি, স্তব্ধ হয়ে যায় আর্জেন্টিনার সমর্থকরা।

এর আগেই বড় ধাক্কা খেয়েছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। নির্ধারিত সময়ের শেষদিকে পাও কুবার্সির ওপর বেপরোয়া ট্যাকল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনসো ফার্নান্দেজ। ফলে অতিরিক্ত সময়ের পুরোটা ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় লিওনেল স্কালোনির দলকে।

একজন কম নিয়েও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। ম্যাচের ১১৭ মিনিটে লিওনেল মেসির শট ব্লক হওয়ার মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনা প্রথমবারের মতো লক্ষ্যে আঘাত হানার চেষ্টা করে। সেটিই ছিল পুরো ম্যাচে তাদের প্রথম উল্লেখযোগ্য শট।

১৯৬২ সালে ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়েই মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু স্পেনের আধিপত্যের সামনে সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে গেছে। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে মেসিও নিজের ছাপ রাখতে পারেননি।

শেষ দিকে আর্জেন্টিনা মরিয়া হয়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও স্পেনের রক্ষণ আর গোলরক্ষক কোনো সুযোগ দেয়নি। শেষ বাঁশি বাজতেই শুরু হয়ে যায় লাল জার্সিধারীদের উৎসব। ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকার পর আবারও বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে উঠলো স্পেন।

বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ডে আর্জেন্টিনার রেকর্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:২০ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ডে আর্জেন্টিনার রেকর্ড

স্পেনের বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখে ইতিহাসের বিরল এক তালিকায় নাম লিখিয়েছেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। ম্যাচ চলাকালে বহিষ্কৃত হওয়ার মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে লাল কার্ড দেখা মাত্র ষষ্ঠ খেলোয়াড় হন।

এর পাশাপাশি এনজো তৃতীয় আর্জেন্টাইন ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখার তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন। এর আগে ১৯৯০ সালের ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে আর্জেন্টিনার পেদ্রো মনজোন এবং গুস্তাভো দেজোত্তি লাল কার্ড দেখেছিলেন।

প্রায় ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালে একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখলেন। আর এই ঘটনার মধ্য দিয়ে এনজো ফার্নান্দেজ যুক্ত হলেন বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসের অন্যতম বিরল ও অনাকাঙ্ক্ষিত একটি পরিসংখ্যানে।

বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখা খেলোয়াড়দের তালিকা
• ১৯৯০: পেদ্রো মনজোন (আর্জেন্টিনা)
• ১৯৯০: গুস্তাভো দেজোত্তি (আর্জেন্টিনা)
• ১৯৯৮: মার্সেল দেসাই (ফ্রান্স)
• ২০০৬: জিনেদিন জিদান (ফ্রান্স)
• ২০১০: জন হেইটিঙ্গা (নেদারল্যান্ডস)
• ২০২৬: এনজো ফার্নান্দেজ (আর্জেন্টিনা)

এক নজরে দুই দলের শুরুর একাদশ:
আর্জেন্টিনার একাদশ (৪-৩-৩):
এমিলিয়ানো মার্তিনেস (গোলরক্ষক), গনসালো মন্তিয়েল, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, রদ্রিগো দে পল, এনসো ফার্নান্দেস, আলেক্সিস মাক আলিস্তার, লিওনেল মেসি (অধিনায়ক), হুলিয়ান আলভারেস, নিকোলা গনসালেস।

স্পেনের একাদশ (৪-২-৩-১ / ৪-৩-৩):
উনাই সিমন (গোলরক্ষক), পেদ্রো পোরো, পাউ কুবারসি, এমেরিক লাপোর্ত, মার্ক কুকুরেয়া, রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ, দানি অলমো, আলেক্স বায়েনা, লামিনে ইয়ামাল, মিকেল ওয়ারসাবাল।