শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

৩ জুন: ইতিহাসের পাতায় দেখুন আজকের দিনটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ
৩ জুন: ইতিহাসের পাতায় দেখুন আজকের দিনটি

সময় তার নিজস্ব গতিতে অবিরাম এগিয়ে চলে, আর সেই স্রোতের সঙ্গে সঙ্গে বিকশিত হয় মানবসভ্যতা। নানা ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রজ্ঞাবান মনীষী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জন্ম ও মৃত্যু—সব মিলিয়েই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে ইতিহাসের দীর্ঘ অধ্যায়।

প্রতিটি দিনই তাই বয়ে আনে নতুন গল্প, উন্মোচন করে অজানা সম্ভাবনার দুয়ার। আজ বুধবার, ৩ জুন ২০২৬। এই দিনেই ঘটেছে বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, জন্ম নিয়েছেন কিংবা পৃথিবী ছেড়েছেন এমন অনেক আলোচিত ও স্মরণীয় ব্যক্তি।

ঘটনাবলি

১০৯৮ – খ্রিস্টানদের এন্টিয়ক দখল। ১৩ হাজার মুসলমানকে হত্যা।

১৫০২ – পর্তুগীজ নৌ অভিযাত্রী ভাস্কো-দা-গামা ভারতের কালিকট বন্দরে এক নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিলো।

১৬৬৫ – ডিউক অব ইয়র্ক জেমস স্টুয়ার্ট ওলন্দাজ নৌ-রণতরীকে পরাজিত করেন।

১৬৬৫ – লোয়েস্টফটের যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে ওলন্দাজদের পরাজয়।

১৭৮৯ – ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় লবণ উৎপাদন নিষিদ্ধ করে।

১৯১৫ – ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করে।

১৯৩৬ – অবিভক্ত ভারতের সিভিলিয়ান রেডিওর নাম পরিবর্তন করে অল ইন্ডিয়া রেডিও নামকরণ।

১৯৪০ – ব্যাটল্‌ অব ডানকার্ক।

১৯৪০ – জার্মান বিমানবাহিনী ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উপর বোমা বর্ষণ শুরু করে।

১৯৪০ – সিঙ্গাপুর বৃটিশ শাসনের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৪৬ – ভারতের জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক নেতারা ব্রিটিশ সরকার প্রস্তাবিত ভারত বিভাজন প্রস্তাব মেনে নেন।

১৯৪৭ – বৃটিশ সরকার ভারত বিভাগের পরিকল্পনা প্রকাশ করেন।

১৯৪৯ – আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৬৯ – ভাষা বিজ্ঞানী অধ্যাপক মুহম্মদ আবদুল হাই ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত হন।

১৯৭১ – জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে হানাদার বাহিনীর অত্যাচার মানব ইতিহাসের সর্বাধিক বিষাদময় ঘটনা।

১৯৭৮ – বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিয়াউর রহমান বিজয় লাভ করে।

১৯৮৪ – ভারত সরকার শিখদের পবিত্র হরমন্দির সাহিব দখলের জন্য অপারেশন ব্লু স্টার শুরু করে; এটি ৮ জুন পর্যন্ত পরিচালিত হয়।

১৯৮৯ – চীন সরকার তিয়েনআনমেন স্কয়ার থেকে অবরোধকারীদের বিতারণের জন্য সেনা প্রেরণ করে।

১৯৯৯ – যুগোশ্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোভেদান মিলোশোভিচ কোসভো থেকে সৈন্য সরিয়ে নিতে সম্মত হয়।

২০০০ – মন্টেনিগ্রো কর্তৃক স্বাধীনতা ঘোষণা।

২০১০ – রাজধানী ঢাকার নিমতলি মহল্লায় অগ্নিকাণ্ডে ১১৭ জনের মৃত্যু হয়।

জন্ম

১৭২৩ – জিওভান্নি আন্তোনিও স্কোপোলি, তাইরলীয় চিকিৎসক ও প্রকৃতিবিদ।

১৮৯১ – ভারতীয় বাঙালি বিপ্লবী ও কমিউনিস্ট নেতা অবনীনাথ মুখোপাধ্যায়।

১৯০৬ – জোসেফিন বেকার, আমেরিকান বংশদ্ভুত ফ্রেন্স নৃত্যশিল্পী, সঙ্গীত শিল্পী ও অভিনেত্রী।

১৯০৬ – ওয়াল্টার রবিন্স, ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও ফুটবলার।

১৯১০ – পলেট গডার্ড, আমেরিকান অভিনেত্রী এবং মডেল।

১৯১১ – এলেন কর্বি, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯১৯ – ছায়া দেবী(চট্টোপাধ্যায়), প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্রাভিনেত্রী।

১৯২০ – অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার, বিশিষ্ট অধ্যাপক, গবেষক ও পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি’র ভূতপূর্ব সভাপতি।

১৯২৪ – করুণানিধি মুথুবেল, ভারতীয় রাজনীতিক এবং তামিলনাড়ুর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী।

১৯২৫ – টনি কার্টিস, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯২৬ – অ্যালেন গিন্সবার্গ, মার্কিন কবি এবং লেখক।

১৯২৮ – জন রিচার্ড রিড, সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৩১ – রাউল কাস্ত্রো, কিউবার রাষ্ট্রপতি এবং ফিদেল কাস্ত্রোর ভাই।

১৯৬০ – কার্ল রেকেম্যান, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৬৬ – ওয়াসিম আকরাম, সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেট খেলোয়াড়।

১৯৬৮ – সাফ্রন, ইংরেজ গায়িকা।

১৯৮২ – ইয়েলেনা ইসিনবায়েভা, ভলগোগ্রাদে জন্মগ্রহণকারী রাশিয়ার বিখ্যাত প্রমিলা পোল ভল্টার।

১৯৮৫ – উকাশ পিশ্চেক, পোল্যান্ডের একজন পেশাদার ফুটবলার।

১৯৮৬ – রাফায়েল নাদাল, স্পেনের একজন পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৯১ – উকাশ তেওদোর্চেক, পেশাদার ফুটবলার।

১৯৯২ – মারিও গোটজে, জার্মান ফুটবলার।

মৃত্যু

১৬৫৭ – উইলিয়াম হার্ভে, ইংরেজ চিকিৎসক।

১৯০৮ – গোপাল সেনগুপ্ত, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

১৯২৪ – ফ্রান্‌ৎস কাফকা, জার্মান ও চেক উপন্যাস ও ছোটগল্প লেখক।

১৯৬১ – কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কৃষিবিজ্ঞানী,শিক্ষাবিদ ও লেখক।

১৯৬৩ – নাজিম হিকমত, তুর্কি কবি এবং লেখক।

১৯৬৩ – ধর্মগুরু ত্রয়োদশ পোপ জনের মৃত্যু।

১৯৬৯ – মুহম্মদ আবদুল হাই, বাংলা ভাষার ধ্বনিবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক।

১৯৭৭ – আর্চিবাল্ড ভি. হিল, ইংরেজ শারীরতত্ত্ববিদ।

১৯৭৫ – এইসাকু সাতো, জাপানী রাজনীতিবিদ।

১৯৮৪ – ঐতিহাসিক আবু মহামেদ।

১৯৮৭ – রুহুল্লাহ্‌ খামেনেই, ইরানি ধর্মীয় নেতা ও রাজনীতিবিদ।

১৯৯০ – রবার্ট নয়েস, আমেরিকান পদার্থবিজ্ঞানী এবং ইন্টেল কর্পোরেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

২০০১ – অ্যান্থনি কুইন, মার্কিন অভিনেতা।

২০১৪ – প্রবীণ সাংবাদিক বেনজীর আহমেদ।

২০১৫ – সত্যজিৎ রায়ের স্ত্রী বিজয়া রায়।

২০১৬ – মোহাম্মদ আলী, মার্কিন বক্সার।

২০২০ – বলিউডের বিশিষ্ট গীতিকার আনোয়ার সাগর।

Ads small one

চৌবাড়িয়ার ক্রিকেট যুদ্ধে সেরা ও রানার্স-আপ দল পেল দুই বড় রাজহাঁস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
চৌবাড়িয়ার ক্রিকেট যুদ্ধে সেরা ও রানার্স-আপ দল পেল দুই বড় রাজহাঁস

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চৌবাড়িয়া ভাগ্নারকুড় মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে আট দলীয় নকআউট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা।

শুক্রবার (১২জুন) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হওয়া এ প্রতিযোগিতার ফাইনালে সাতক্ষীরা লিজেন্ড ক্রিকেট একাদশ দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। দলটির অধিনায়ক ছিলেন ফিরোজ হোসেন। চ্যাম্পিয়ন দলকে পুরস্কার হিসেবে দুটি রাজহাঁস প্রদান করা হয়। অন্যদিকে স্বাগতিক চৌবাড়িয়া লিজেন্ড ক্রিকেট একাদশ রানার্স-আপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে। দলটির অধিনায়ক ছিলেন আবুল হাসান। রানার্স-আপ দলের জন্য পুরস্কার হিসেবে একটি রাজহাঁস প্রদান করা হয়।

খেলা শেষে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও ভোমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুস্থ সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজন তরুণদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে সহায়ক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোমরা ইউনিয়ন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বাবলু, ভোমরা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রোকনুজ্জামান, ভোমরা ইউনিয়ন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি শাহিনুর রহমান এবং মাগফুর রহমান।

খেলায় ধারাভাষ্য প্রদান করেন সিরাজুল ইসলাম। খেলা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন আম্পায়ার আব্দুল্লাহ ও বকুল। খেলা শেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ী ও রানার্স-আপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

স্থানীয় ক্রীড়ামোদীরা জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে এমন ক্রীড়া আয়োজন তরুণদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের টুর্নামেন্টের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: সাতক্ষীরায় সেমিনার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ
আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: সাতক্ষীরায় সেমিনার

Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিনিধি: কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্পর্কে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় এক বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে ‘আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে কারিগরি শিক্ষার ভূমিকা’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সরকারের এ্যাসেট প্রকল্প এবং সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে জেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সিনিয়র শিক্ষকেরা অংশ নেন।

​সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “স্মার্ট ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। আর এর জন্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের এই শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে শিক্ষকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।”

​সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ফেরদৌস আরেফীন বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক বাজারে প্রথাগত শিক্ষার চেয়ে কর্মমুখী শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি। শিক্ষার্থীদের শুধু জিপিএ-৫ পাওয়ার প্রতিযোগিতায় না নামিয়ে, তাদের বাস্তবমুখী ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।

​সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আলমগীর কবীর মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়গুলোতে কারিগরি শিক্ষার প্রচার ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, শিক্ষকেরা যদি শিক্ষার্থীদের সঠিক সময়ে সঠিক দিকনির্দেশনা দেন, তবে কারিগরি শিক্ষার প্রতি সমাজ ও অভিভাবকদের দৃষ্টিভঙ্গিতে দ্রুত ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ এমদাদুল ইসলাম, শিক্ষক নেতা মোঃ মিজানুর রহমান, আব্দুল জব্বার, মোমিনুল ইসলাম শামীম, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, নাসরিন খান লিপি, মমিনুর রহমান মুকুল, হাসানুর রহমান, আব্দুস ছালাম, সুপার মাওলানা মহসীনুল ইসলাম, মাওলানা আজাদুল ইসলাম, মাওলানা আবু সাইদসহ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও তাদের প্রতিনিধিগণ।

​অনুষ্ঠানে এ্যাসেট প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত করতেই এই প্রকল্প দেশজুড়ে কাজ করে যাচ্ছে।

​সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী জি. এম. আজিজুর রহমান। তিনি সমাপনী বক্তব্যে সেমিনারে অংশ নেওয়ার জন্য সকল বিদ্যালয় প্রধান ও সিনিয়র শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলো আধুনিক প্রযুক্তির ল্যাব ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে প্রস্তুত রয়েছে, এখন প্রয়োজন তৃণমূল পর্যায় থেকে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ তৈরি করা।

​সেমিনারে মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষকেরা কারিগরি শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দেন এবং এই ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১৪ বাংলাদেশি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১৪ বাংলাদেশি

Oplus_131072

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সাজাভোগ শেষে ১৪ বাংলাদেশি নারী ও পুরুষকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে ভারত। গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে হস্তান্তর করেন।

 

দেশে ফেরা ব্যক্তিরা হলেন- আবু সাকের, আলাউদ্দিন, জামের আলী, খালিদ হোসাইন, ময়না বেগম, সানোয়ার আলী, রিনা বেগম, মিনহাজ মিয়া, ইসমাইল হোসেন, মোহাম্মদ তামিম, মোহাম্মদ ফাহিম, নাজমিন আক্তার, বাদশা মিয়া, মোস্তফা কামাল। এদের মধ্যে ১৩ জন সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা এবং একজন যশোরের শার্শা উপজেলার বাসিন্দা।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফেরত আসা বাংলাদেশিরা বিভিন্ন সময় দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। অনুপ্রবেশের দায়ে দেশটির পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়। পরে ভারতের পাঞ্জাব সেন্ট্রাল জেল খানায় দুই থেকে তিন বছর মেয়াদে সাজাভোগ শেষে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের ফেরত পাঠায়।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ সৈয়দ মোর্তজা আলী জানান, বিজিবি, বিএসএফ ও উভয় দেশের পুলিশের উপস্থিতিতে ১৪ জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে দেশে পাঠানো হয়েছে। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বেনাপোল পোর্ট থানায় এদেরকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর শরিফুল ইসলাম বলেন, চাকরির প্রলোভনে তারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদেরকে আগামীকাল নিজ নিজ দায়িত্বে বাড়ির উদ্দেশ্যে ছেড়ে দেওয়া হবে।