মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

আদালতের রায় পাওয়ার পরও জমির দখল পেতে আদালত পাড়ায় ঘুরছেন বৃদ্ধ সামছুল কবীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
আদালতের রায় পাওয়ার পরও জমির দখল পেতে আদালত পাড়ায় ঘুরছেন বৃদ্ধ সামছুল কবীর

পত্রদূত রিপোর্ট: ওয়ারেশ ও ক্রয়সূত্রে পাওয়া জমির নামপত্তন ও খাজনা পরিশোধ করে যাচ্ছেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দপুরের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ৮০ বছরের বৃদ্ধ একেএম সামছুল কবীর। রেকর্ড সংশোধনের মামলার রায় তার পক্ষে যাওয়ার পরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের কাছ থেকে জমির দখল বুঝে না পেয়ে আদালতপাড়ায় সময় কাটছে তার। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা আদালত চত্বরে এমনই হাতাশা ব্যক্ত করেন সামছুল কবীর।

কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামের সামছুল রহমানের ছেলে একেএম শামছুল কবীর জানান, ২০০৭ সালে তিনি পূবালী ব্যাংকের খুলনা প্রধান শাখার পিন্সিপ্যাল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় অবসরে যান তিনি। মুকুন্দপুর মৌজার আরএস-২৪ খতিয়ানের ৭১২ দাগে ওয়ারেশসূত্রে ৭ দশমিক ৩৩ শতক ও ১৯৭৯ সালের ৬ জুলাই আবু বক্কর সরদারের কাছ থেকে চার শতক জমি কিনে মোট ১১ দশমিক ৩৩ শতক জমির নামপত্তন করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু ওই জমি ভুল করে একই গ্রামের আশরাফ আলীর নামে রেকর্ড হয়।

 

রেকর্ড মূলে ওই জমি আশরাফ আলীর ওয়ারেশগণ গায়ের জোরে জবরদখল অব্যহত রাখায় তিনি সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যােিজষ্ট্রট আদালতে পিটিশন ৪৩৯/১৭ নং মামলা করেন। ২০১৯ সালের ২২ আগষ্ট বিচারক ওই জমি তাকে ভোগদখল করার জন্য নির্দেশনা দেন। এরপরও তিনি ওই জমির দখল না পাওয়ায় রেকর্ড সংশোধনের জন্য সাতক্ষীরা ল্যা- সার্ভে ট্রাইব্যুনালে ১৩৩১/২০ নং মামলা করেন।

 

মামলায় আশরাফ আলীর ছেলে দাউদ আলী সরদারসহ ১০জনকে বিবাদী করা হয়। ওই আদালতের বিচারক মোঃ জাহিদুল আজাদ ২০২২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তার (শামছুল কবীর) পক্ষে রায় ও ২৪ সেপ্টেম্বর ডিক্রী দেন। আদেশে তার (শামছুল কবীর) নামে রেকর্ড প্রদান করে খতিয়ান সংশোধনের জন্য তৎকালিন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও কালিগঞ্জ সহকারি কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

বেগতিক বুঝে ল্যা- সার্ভে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে বিবাদীপক্ষ মহামামন্য হাইকোর্টে ৪৭০৪/২৩ নং রিট পিটিশন দাখিল করে। আদালত শুনানী শেষে সাতক্ষীরা ল্যা- সার্ভে আপীল ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার জন্য বিবাদীপক্ষ দাউদ সরদার ও তার শরীকদের নির্দেশনা দেন। এরপর বিবাদীপক্ষ ল্যা- সার্ভে আপীল ট্রাইব্যুনালে ১১৫/২৪ নং আপীল মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় তিনি (শামছুল কবীর) স্বাক্ষ্য দিয়েছেন।

 

আপিল মামলা পরবর্তী ২৪টি ধার্য দিনেও পড়লে আপিলকারি পক্ষ মামলা বিলম্বিত করতে কৌশলে সাক্ষ্য দিতে গড়িমসি করছেন। আগামি পহেলা জুলাই সাক্ষীর জন্য পরবতী দিন ধার্য রয়েছে। ফলে তিনি ল্যা- সার্ভে ট্রাইব্যুনালে রায় পাওয়ার পরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের কাছ থেকে জমি দখলে নিতে পারছেন না। প্রায় ৮০ বছর বয়সেও তিনি ন্যয় বিচারের মাধ্যমে জমির দখল পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। জীবদ্দশায় ওই জমির দখল পাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তিনি।

তবে এ ব্যাপারে মনিরুল সরদার সাংবাদিকদের বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তারা সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবেন।

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. প্রণব সরকার বলেন, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তিনি একেএম শামছুল কবীরের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আদালত দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করার জন্য যথেষ্ট আন্তরিক।
আপিলকারী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. পরিতোষ কুমার ঘোষের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

 

 

Ads small one

পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবেই বেশ জনপ্রিয়তা পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তবে এখন নায়িকা হিসেবেই তিনি নিয়মিত কাজ করছেন। এর মধ্যে কয়েকটি সিনেমাতে প্রধান নায়িকা হিসেবে দেখা গেছে তাকে।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দীঘি জানান, জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির বায়োপিকে তিনি কাজ করতে চান। এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ হবে বলেও মন্তব্য করেন নায়িকা।

কেন পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান সেটিও তিনি জানান। তার কথায়, কোনও একটি অনুষ্ঠানে পরীমণি জানিয়েছেন তার বায়োপিকে তিনি নিজেই অভিনয় করবেন। কারণ অন্য কেউ পারবে না। সে চ্যালেঞ্জ থেকেই দীঘি কাজটি করতে আগ্রহী।

দীঘির ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় তার (পরীমণি) বায়োপিক যদি হয় তাহলে এটি দারুণ একটি এন্টারটেইমেন্ট বায়োপিক হবে।’

নায়িকা হিসেবে দীঘির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সিনেমা হলো-‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’, ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ও ‘শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়’। এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত ‘বিদায়’ সিনেমাটি। এটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান হৃদয়।

আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৩ পূর্বাহ্ণ
আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

বাংলাদেশ নারীদের এশিয়া কাপে বাঁচা মরার ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ১০৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে । তবে এদিন শুরুতেই বাংলাদেশকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল তুলনামূলক খর্ব শক্তির দল।

বিশেষ করে আগে ব্যাট করতে নেমে চাপে থাকা বাংলাদেশ যখন ৫৫ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। তবে শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তার ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ভর করে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের।

টাইগ্রেস ওপেনার দিলারা আক্তার রানের খাতা খোলার আগে প্রথম ওভারেই বিদায় নিয়েছেন। ৩ বলে ০ রান করেন দিলারা। তিনে নেমে ব্যর্থ ছিলেন সোবহানা মোস্তারীও। ৬ বলে ৩ রান করেছেন তিনি। টিকে থাকা ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস কিছুটা চেষ্টা চালিয়েছেন। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১ রান তোলে বাংলাদেশ।

পাওয়ারপ্লে শেষে ২০ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফিরে গেছেন জুয়াইরিয়া। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি থেমেছেন ২৮ বলে ২৩ রান করে। স্বর্ণা আক্তার এবং ফাহিমা খাতুন মেরেছেন গোল্ডেন ডাক। আউট হন পরপর দুই বলে। মাত্র ৫ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।

শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তা ঝড় তোলেন। ৩১ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও খেলেন শারমিন। তাতেই একশ পার করার রসদ পায় বাংলাদেশ। এছাড়া নাহিদা আক্তার ২৬ বলে ১৬ রান করে টিকে ছিলেন। ৪ বলে ৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন রাবেয়া খান। নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানের পুঁজি দাঁড় করায় বাংলাদেশ।

 

পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

আইসিসি পাকিস্তান অধিনায়ক ফাতিমা সানাকে জরিমানা করেছে এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে। ফাতিমা আইসিসির খেলোয়াড় এবং সহযোগী স্টাফদের আচরণবিধির ২ দশমিক ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন বলে প্রমাণিত হয়। এতে পাকিস্তানি এই অধিনায়ককে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি, ফাতিমার শৃঙ্খলা রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। ২৪ মাসের মধ্যে এটি ছিল তার দ্বিতীয় অপরাধ, যার ফলে এই ২৪ মাসের সময়সীমার মধ্যে তার মোট ডিমেরিট পয়েন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুইয়ে। ফাতিমা তার আগের ডিমেরিট পয়েন্টটি পেয়েছিলেন ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ চলাকালীন।

সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে, যখন ফাতিমা ওপেনার শেফালি বর্মাকে আউট করার পর প্যাভিলিয়নের দিকে ইশারা (অঙ্গভঙ্গি) করেছিলেন।

ফাতিমা নিজের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন এবং এমিরেটস আইসিসি ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অব ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাসের প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নিয়েছেন, যার ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। অন-ফিল্ড আম্পায়ার নিমালি পেরেরা ও সাথিরা জাকির জেসী, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার রাবাব আহসান এই অভিযোগটি আনেন।