সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ইউসুফ (আ.) কি জুলেখাকে বিয়ে করেছিলেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
ইউসুফ (আ.) কি জুলেখাকে বিয়ে করেছিলেন

ইউসুফ (আ.) ছিলেন নবী ইয়াকুব (আ.)-এর প্রিয় ছেলে। তার নামে কোরআনে স্বতন্ত্র একটি সুরা আছে। সেখানে তাঁর জীবনকথার বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। তাঁরা ছিলেন ১২ ভাই। ইয়াকুব (আ.)-এর ১২ ছেলের মধ্যে প্রথম ১০ ছেলে প্রথম স্ত্রী লাইয়া বিনতে লাইয়ানের ঘরে জন্মলাভ করেন। তিনি মৃত্যুবরণ করলে তাঁর বোন রাহিলকে বিয়ে করেন ইয়াকুব (আ.)। তাঁর ঘরে জন্ম নেন ইউসুফ (আ.) ও বেনিয়ামিন। (তাফসিরে কুরতুবি, তাফসিরে মারেফুল কোরআন, মুফতি মুহাম্মাদ শফি, অনুবাদ: মাওলানা মুহিউদ্দীন খান, পৃষ্ঠা: ৬৫৪)

ইউসুফ (আ.) ছিলেন খুবই সুদর্শন। বাবা তাঁকে অন্যদের চেয়ে বেশি ভালোবাসতেন। কেননা ইউসুফ (আ.) শৈশবে একটি বিস্ময়কর স্বপ্ন দেখেন, যা ছিল তাঁর নবী হওয়ার শুভবার্তা। এ ছাড়া ইউসুফ ছিলেন মা-হারা এতিম বালক এবং ভাইদের মধ্যে ছোট। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘ইউসুফ তার বাবাকে বলল, হে আব্বাজান, আমি (স্বপ্নে) দেখেছি ১১টি তারকা আর সূর্য ও চন্দ্র; তারা আমাকে সেজদা করছে।’ (সুরা ইউসুফ, আয়াত: ৪)

ইউসুফের প্রতি বাবার অতিরিক্ত ভালোবাসার বিষয়টি অন্য ভাইয়েরা মেনে নিতে পারতেন না। তারা হিংসায় জ্বলতেন। ইয়াকুব (আ.) তাদের মনোভাব বুঝতে পারতেন। তাই ইউসুফকে চোখে চোখে রাখতেন। একদিন তারা ইউসুফকে জঙ্গলের এক কুয়ায় ফেলে দেন। বাড়ি ফিরে বাবাকে ইউসুফের মৃত্যুর মিথ্যা সংবাদ দেন। ছেলের শোকে কাঁদতে কাঁদতে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন বাবা ইয়াকুব। (সুরা ইউসুফ, আয়াত: ১৮)

সেই কুয়ার পথ ধরে ফিরছিল একটি কাফেলা। পানির প্রয়োজনে কুয়ায় বালতি ফেলেন কাফেরার সদস্যরা। কুয়া থেকে বালতি ওঠাতেই ফুটফুটে সুন্দর ইউসুফকে দেখতে পান তারা। তারা তাঁকে মিসরে বিক্রি করে দেন। মিসরের মন্ত্রী কিতফির তাঁকে কিনে নেন। সেখানকার প্রাসাদে তিনি বড় হতে থাকেন।

একসময় যৌবনে পা রাখেন ইউসুফ (আ.)। রূপ ও সৌন্দর্যে ভরপুর ছিল তাঁর যৌবন। চেহারা ছিল চন্দ্র ও সূর্যের মতো দীপ্তিমান। নিষ্কলুষতা ও লজ্জার আধিক্য সোনায় সোহাগার মতো কাজ করছিল তাঁর মধ্যে। মাধুর্য ও কমনীয়তার মূর্ত প্রতীক ছিলেন তিনি। (কাসাসুল কোরআন, হিফজুর রহমান, অনুবাদ: মাওলানা আবদুস সাত্তার আইনী, খণ্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ১৭)

মিসরের মন্ত্রীর স্ত্রী জুলেখা। তিনি ছিলেন ইউসুফের প্রতি বরাবরই বিমোহিত। তাঁর রূপে আকৃষ্ট হয়ে পড়েন তিনি। নিজের মনের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ইউসুফকে খারাপ কাজের প্রতি আহ্বান করেন। কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। ইউসুফকে বশে আনতে নানাভাবে চেষ্টা করতে থাকেন জুলেখা। জাদুও করেছিলেন একবার। তবে এতে কাজ হয়নি।

একদিন ইউসুফকে ঘরে একা পেয়ে দরজা বন্ধ করে দেন জুলেখা। পাপের দিকে আহ্বান করেন তাঁকে। আল্লাহর ভয়ে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। জুলেখার জোরাজুরিতে উপায় না পেয়ে বন্ধ দরজার দিকে দৌড় দেন ইউসুফ। দরজা খুলে যায়।

দরজার ওপাশে আজিজে মিসর কিতফির ও জুলেখার চাচাতো ভাই দাঁড়ানো ছিলেন। জুলেখা ইউসুফের ওপর অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা করে। সত্যতা যাচাইয়ে ছেঁড়া জামার প্রমাণ পেশ করা হলো। কিন্তু জামার পেছন দিক ছেঁড়া থাকায় জুলেখা অপরাধী সাব্যস্ত হলেন।

এ ঘটনা কোরআনে বর্ণিত হয়েছে এভাবে—‘সে (ইউসুফ) বলল, সে-ই আমার থেকে অসৎ কর্ম কামনা করেছে। তখন নারীর পরিবারের এক সাক্ষী সাক্ষ্য দিল, যদি তার জামা সম্মুখ দিক থেকে ছেঁড়া হয়ে থাকে, তবে নারী সত্য বলেছে আর সে মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত। আর যদি তার জামা পেছন থেকে ছেঁড়া হয়ে থাকে, তবে নারী মিথ্যা বলেছে আর সে সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত। স্বামী যখন ইউসুফের জামাটি পেছন থেকে ছেঁড়া দেখতে পেলেন, তখন তিনি বললেন, এসব হলো তোমাদের নারীদের ছলনা, তোমাদের কূটকৌশল বড়ই কঠিন।’ (সুরা ইউসুফ, আয়াত: ২৬-২৮)

ইউসুফ (আ.)-এর ওপর অপবাদ দিয়েছিলেন জুলেখা। একটি দুগ্ধপোষ্য শিশু ইউসুফ (আ.)-এর পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছিল। সত্য বুঝতে পারার পরও জুলেখার সম্মান বাঁচাতে তার স্বামী কিতফির ইউসুফ (আ.)-কে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। (কাসাসুল কোরআন, হিফজুর রহমান, অনুবাদ : মাওলানা আবদুস সাত্তার আইনী, খণ্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ৩০)

জেলখানায় বন্দিরা ইউসুফ (আ.)-কে বেশ সমীহ করতেন। তিনি তাদের আল্লাহর পথে দাওয়াত দেন। কেউ কেউ তার কথা মেনে নিয়েছিলেন। সে সময় মিসরের বাদশাহ এক স্বপ্ন দেখেন। সেই স্বপ্নের অর্থপূর্ণ ব্যাখ্যা কেউ দিতে পারছিলেন না। জেলবন্দি ইউসুফ (আ.) সেই স্বপ্নের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। বাদশাহ বেজায় খুশি হন। তাঁকে মুক্তি দেন। পরে তিনি মিসরের খাদ্যভান্ডার ও ব্যবসা-বাণিজ্য পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পান।

পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘রাজা বলল, তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো, আমি তাকে আমার জন্য বিশেষভাবে নির্দিষ্ট করে নেব। এরপর সে (ইউসুফ) যখন তার সঙ্গে কথা বলল, তখন রাজা বলল, আজ তুমি আমাদের কাছে খুবই মর্যাদাশীল ও বিশ্বস্ত হিসেবে পরিগণিত। সে (ইউসুফ) বলল, ‘আমাকে দেশের ধনভান্ডারের দায়িত্ব দেন, আমি উত্তম রক্ষক ও যথেষ্ট জ্ঞানের অধিকারী।’ এভাবে আমি ইউসুফকে সে দেশে প্রতিষ্ঠিত করলাম। দেশের যেখানে ইচ্ছা সে নিজের স্থান করে নিতে পারত। আমি যাকে চাই আমার রহমত দিয়ে ধন্য করি, আমি সৎকর্মশীলদের কর্মফল কখনও নষ্ট করি না।’ (সুরা ইউসুফ, আয়াত: ৫৪-৫৬)

অনেকের ধারণা, ইউসুফ (আ.) জুলেখার সঙ্গে প্রেম করেছেন। কিন্তু এটি সত্য নয়। এটি একটি প্রচলিত ভুল। জুলেখার একপক্ষীয় প্রেম ছিল। জুলেখার সঙ্গে ইউসুফ (আ.)-এর বিয়ে হয়েছিল কি না—এ বিষয়ে কোরআন-হাদিস থেকে স্পষ্ট কিছুই জানা যায়নি। তবে কোনো কোনো মুফাসসির উল্লেখ করেছেন, স্বামী কিতফিরের মৃত্যুর পর এবং তওবা করার পর ইউসুফ (আ.)-এর সঙ্গে জুলেখার বিয়ে হয়েছিল। (তাফসিরে ইবনে আবি হাতিম, খণ্ড: ৮, পৃষ্ঠা: ৩৯০; তাফসিরে তবারি, খণ্ড: ১৬, পৃষ্ঠা: ১৫১)

Ads small one

জেলা প্রশাসকের নির্দেশে রাতে কুড়িকাহুনিয়া ভাঙন পরিদর্শনে এসিল্যান্ড মিঠুন মৈত্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
জেলা প্রশাসকের নির্দেশে রাতে কুড়িকাহুনিয়া ভাঙন পরিদর্শনে এসিল্যান্ড মিঠুন মৈত্র
বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া লঞ্চঘাটের দক্ষিণ পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ওয়াপদা বেড়িবাঁধের প্রায় ১০০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঘটনায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজের নির্দেশে রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন আশাশুনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র।
সোমবার রাতে তিনি সরেজমিনে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নদীর তীব্র স্রোতে বাঁধের ভাঙন ও ঝুঁকিপূর্ণ অংশের অবস্থা দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
পরিদর্শনকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র বলেন, “সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ভাঙন সরেজমিনে পরিদর্শন করতে এসেছি। বাঁধের যে অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, সেটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”
স্থানীয়রা জানান, বাঁধের ভাঙন ঠেকাতে দিনভর প্রায় চার শতাধিক মানুষ কাজ করেন এবং অতিরিক্ত মাটি ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে সংস্কারের চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সংস্কার করা অংশের একটি বড় অংশ ফের নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
ভাঙন পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় মসজিদগুলোতে মাইকিং করে এলাকাবাসীকে সতর্ক করা হয়। পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় রাতে হ্যালোজেন বাতি স্থাপন করে ভাঙনকবলিত এলাকায় কাজ চালানো হয়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত স্থায়ীভাবে ভাঙন প্রতিরোধ ও বাঁধ সংস্কার করা না হলে জোয়ারের পানিতে মাছের ঘের, ফসলি জমি ও বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
স্থানীয়রা জরুরি ভিত্তিতে বাঁধের ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
পরিদর্শনকালে প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আবু দাউদ, সার্ভেয়ার মোস্তাফিজুর রহমান, সাংবাদিক বিএম আলাউদ্দীনসহ স্থানীয় জামায়াতের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ

ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে আজ অনুষ্ঠিত ফিফা আসিয়ান কাপের ‘গ্রুপ এ’-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ।

এই হারের ফলে টুর্নামেন্টে টানা দ্বিতীয় হারের স্বাদ পেয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে টমাস ডুলির শিষ্যরা।

এর আগে, মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ ব্যবধানে হেরে ফিফা আসিয়ান কাপে মিশন শুরু করে বাংলাদেশ। ২ ম্যাচে ২ হারে কোনো পয়েন্ট না পেয়ে টেবিলের তলানিতে বাংলাদেশ।

ম্যাচের ৩৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর এগিয়ে যায়। বাঁ প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে নুর আবদুল্লাহর ক্রসে হেডে গোল করেন হারিস স্টুয়ার্ট।

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথমার্ধে আধিপত্য বিস্তার করে খেলে সিঙ্গাপুর। পাঁচটি শট নেয় সিঙ্গাপুর। যার মধ্যে চারটিই ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে একটিও শট নিতে পারেনি বাংলাদেশ।

বিরতির পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ম্যাচের শেষ পর্যন্ত গোলের জন্য চেষ্টা চালিয়েও সমতাসূচক গোল আদায় করতে পারেননি জামাল ভূঁইয়া ও তার সতীর্থরা।

অন্যদিকে, দ্বিতীয়ার্ধে কোনো গোল করতে পারেনি সিঙ্গাপুরও। ফলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় সিঙ্গাপুর।

আজকের ম্যাচের শুরুর একাদশে চারটি পরিবর্তন আনেন কোচ টমাস ডুলি। একাদশের পরিবর্তন বাংলাদেশকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা উপহার দিতে সহায়তা করলেও, সমতাসূচক গোলটি করতে ব্যর্থ হয় এবং টানা দ্বিতীয় হার বরণ করে নেয় বাংলাদেশ।

আগামী ১ অক্টোবর স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

এশিয়ান গেমস থেকে ছিটকে গেলেন শান্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
এশিয়ান গেমস থেকে ছিটকে গেলেন শান্ত

জ্বরের কারনে এশিয়ান গেমসে অংশ নেওয়া হলোনা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্য নাজমুল হোসেন শান্তর। দেশে থেকে জাপানে আসার পরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের চিকিৎসক, বিসিবির ফিজিওথেরাপিস্ট এবং স্থানীয় মেডিকেল টিমের পর্যবেক্ষনের পর তাকে এশিয়ান গেমসে দলের বাইরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নাজমুল হোসেন শান্ত আগামীকাল যথাসম্ভব দ্রুততম ফ্লাইটে দেশে ফিরে যাবেন।
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ দলের শেফ দ্য মিশন মেজর ইমরোজ আহমেদ (অব.) নাজমুল হোসেন শান্তর দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি তার নিরাপদে দেশে পৌঁছানোর জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদ এই সম্পর্কে বলেন, ‘শান্তর প্রচন্ড জ্বর, সঙ্গে বমিও করছেন। তাই এই ক্রিকোটারকে দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
আজ সকালে সে অসুস্থ বোধ করলে তাকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় নেওয়া হয়। সে সকালে দলের নির্ধারিত অনুশীলনে অংশ নেননি। আগেরদিনও শান্ত অনুশীলনে অনুপস্থিত ছিলেন।