শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ইরান যুদ্ধের জেরে জাপানের তেল আমদানিতে ভাটা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ
ইরান যুদ্ধের জেরে জাপানের তেল আমদানিতে ভাটা

ইরান যুদ্ধের জেরে জাপানের ক্রুড অয়েল বা অপরিশোধিত তেল আমদানিতে ভাটা পড়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটির অপরিশোধিত তেল আমদানি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। জাপানি গণমাধ্যম নিক্কেই এশিয়ার এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এমনই তথ্য। এই বিশ্লেষণ করতে ইউরোপভিত্তিক বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেপলার’র ট্যাংকার ট্র্যাকিং তথ্য ব্যবহার করেছে গণমাধ্যমটি।

প্রতিবেদনে নিক্কেই এশিয়া জানিয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চ থেকে মে পর্যন্ত সময়ে জাপানের তেল আমদানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৭ শতাংশ কমেছে।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেলের চালান মার্চ-মে সময়ে ৪৮ শতাংশ কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অথচ, বিশ্বব্যাপী মোট তেল রফতানি কমবে মাত্র ১০ শতাংশ।

উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরবের রফতানি ২৯ শতাংশ এবং আরব আমিরাতের ৩৩ শতাংশ কমতে পারে। কুয়েত ও ইরাকের রফতানি ৯০ শতাংশেরও বেশি কমার আশঙ্কা রয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কার্যত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া ইরানের রফতানি মার্চ-এপ্রিল সময়ে মোটামুটি স্থিতিশীল ছিল। তবে, মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে দেশটির রফতানি ৮৭ শতাংশ কমে যেতে পারে।

হরমুজে কড়াকড়ির কারণে বিকল্প পথ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে তেল রফতানি করছে সৌদি। কিন্তু, দেশটির যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় সামগ্রিক রফতানি সক্ষমতা কমে গেছে। লোহিত সাগর থেকে এশিয়ায় যেতে ইয়েমেনের বাব এল-মানদাব প্রণালি পাড়ি দিতে হয়। সেখানে ইরান সমর্থিত হুথির উপস্থিতি ওই জলপথেও জাহাজ চলাচলে ঝুঁকি তৈরি করছে।

নিক্কেই এশিয়া বলছে, তেল আমদানির পতন সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে জাপানে। ২০২৫ সালের মার্চ-মে সময়ে দেশটি বিশ্বে সপ্তম বৃহত্তম তেল আমদানিকারক ছিল। কিন্তু, ২০২৬ সালের একই সময়ে জাপানের আমদানি কমার হার ছিল চতুর্থ সর্বোচ্চ। এই ঘাটতি পূরণে টোকিও এখন যুক্তরাষ্ট্রের তেলের ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে।

যুদ্ধ শুরুর আগে ফেব্রুয়ারিতে জাপানের ৯০ শতাংশ তেল আসতো সৌদি ও ইউএই থেকে। মে মাসে তা নেমে এসেছে ৬০ শতাংশে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের তেলের অংশ দুই শতাংশ থেকে বেড়ে ২০ শতাংশের বেশি হয়েছে। তেল আমদানির এই পতন মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির ওপর জাপানের ঝুঁকিপূর্ণ নির্ভরশীলতাকে সামনে এনেছে। মার্চের শেষ দিকে টোকিও কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়তে শুরু করে। দেশটির হাতে এখনও ২০০ দিনের বেশি ব্যবহারের মতো তেল মজুত রয়েছে।

হরমুজ প্রণালিতে পূর্ণমাত্রায় নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা ফিরে আসবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত। অনেকের ধারণা, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। ফলে জাপানের জন্য বিকল্প জ্বালানি উৎস বাড়ানো জরুরি হয়ে উঠেছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভিয়েতনামের তেল আমদানি সবচেয়ে বেশি কমেছে, ৫১ শতাংশ। মালয়েশিয়ার আমদানি কমেছে ৪৩ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র ও আফ্রিকা থেকে বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিতের চেষ্টা চললেও তা পুরো ঘাটতি পূরণ করতে পারেনি।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল আমদানিকারক চীন গত বছর তাদের মোট কেনার ৩০ শতাংশ তেল কিনেছিল মধ্যপ্রাচ্য থেকে। তবে, মার্চ-মে সময়ে তাদের আমদানি ১৮ শতাংশ কমেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৫ সালে দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক ভারতের আমদানি মার্চ-মে সময়ে তিন শতাংশ কমেছে। দেশটি দ্রুত রাশিয়া ও ভেনিজুয়েলা থেকে সরবরাহ বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

এশিয়ার তুলনায় ইউরোপ তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে তেল সরবরাহ ধরে রাখতে পেরেছে। অঞ্চলটি নর্থ সি, যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর আফ্রিকা ও কাসপিয়ান সাগর থেকে বহুমুখী সরবরাহ পেয়ে থাকে। মার্চ-মে সময়ে গ্রিসের তেল আমদানি ৩৪ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে যুক্তরাজ্যের ৯ শতাংশ এবং স্পেনের সাত শতাংশ তেল আমদানি বেড়েছে।

Ads small one

সাতক্ষীরায় শুরু হয়ে গেছে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, উড়ছে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের পতাকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শুরু হয়ে গেছে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, উড়ছে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের পতাকা

পত্রদূত ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ১২ দিন বাকি। এরই মধ্যে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে উঠেছে সাতক্ষীরার শহর থেকে গ্রামাঞ্চল। বিশেষ করে ফুটবল বিশ্বের দুই পরাশক্তি আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থকদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। প্রিয় দলের শক্তি-সামর্থ্য তুলে ধরার পাশাপাশি প্রতিপক্ষের দুর্বলতা নিয়ে তর্ক-বিতর্কে ব্যস্ত সময় পার করছেন সমর্থকরা। তবে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পাশাপাশি অন্যান্য দলের সমর্থকরাও নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন।

 

গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজার, বাড়িঘর, ঘরের দেয়াল এমনকি বাড়ির সামনে গাছের ডালেও শোভা পাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পতাকা। কোথাও কোথাও দেখা মিলছে অন্যান্য দেশের পতাকাও। বিশ্বকাপকে ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

 

আশাশুনি উপজেলার কাপসন্ডা গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন জানান, তিনি ক্রোয়েশিয়ার সমর্থক। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে তিনি এলাকার ঈদগাহ মাঠের গেট ক্রোয়েশিয়ার পতাকার আদলে তৈরি কাপড় দিয়ে সাজিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি ক্রোয়েশিয়ার সমর্থক। তাই এবার ঈদগাহর গেট ক্রোয়েশিয়ার পতাকার আদলে সাজিয়েছি। আশা করছি, এবারের বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া ভালো করবে।

 

বিশ্বকাপের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে শিশু-কিশোরদের মাঝেও। সাতক্ষীরা শহরের কালেক্টরেট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র সোয়াইব হক আর্জেন্টিনার খুদে সমর্থক। আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার মেসির ভক্ত সে। কয়েকদিন আগে দাদার কাছ থেকে আর্জেন্টিনার জার্সি সংগ্রহ করেছে সোয়াইব। তবে স্কুল খোলা থাকা এবং বাড়ির টেলিভিশনের ডিশ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় এবার সরাসরি খেলা দেখতে না পারার আক্ষেপ রয়েছে তার। তাই দাদাকে অনুরোধ করেছে আর্জেন্টিনার সব ম্যাচ মোবাইলে রেকর্ড করে রাখতে।

 

বিশিষ্ট সাংবাদিক জি, এম মনিরুল ইসলাম মিনি রাত জেগে বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রতিটি খেলা দেখেন। গত বিশ্বকাপে ফ্রান্সের সাপোর্টার থাকলেও এবার তিনি ব্রাজিলের সাপোর্টার। ছেলে সেনা অফিসার আল ইমরান আদনান এর কোথায় তিনি আগের দলে ভিড়েছেন। তবে ছেলে আদনানের ধারণা এবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ান হবে ফ্রান্স।

এদিকে বিশ্বকাপ সামনে রেখে বেড়েছে ক্রীড়া সামগ্রীর বিক্রিও। সাতক্ষীরা শহরের বিউটি খেলাঘর প্লাসের মালিক সেলিম জানান, বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

 

তিনি বলেন, বিশ্বকাপ শুরু হতে আর কয়েকদিন বাকি। ইতোমধ্যে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সি বিক্রি শুরু হয়েছে। অনেকেই দুই দলের জার্সি কিনছেন। এছাড়া দু-একজন ক্রোয়েশিয়াসহ অন্যান্য দলের জার্সিও খুঁজছেন। তবে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সিই বেশি বিক্রি হচ্ছে।

 

বিশ্বকাপের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সমর্থকদের উন্মাদনা। প্রিয় দলের পতাকা, জার্সি ও নানা সাজসজ্জায় ফুটে উঠছে বিশ্বকাপের রঙিন আবহ। শহর থেকে গ্রাম-সবখানেই এখন একটাই আলোচনা, কে জিতবে এবারের বিশ্বকাপ।

দুস্থদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
দুস্থদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৩০ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় মানিকমিয়া এভিনিউয়ে রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন তিনি।

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে রাজধানীর ১৬টি স্থানে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, শ্যামলী স্কয়ার, সরকারি বাংলা কলেজ এলাকা, পল্লবী মেট্রো স্টেশন, ইসিবি চত্বর, কুড়িল বিশ্বরোড, ফুজি ট্রেড সেন্টার, জোড়পুকুর খেলার মাঠ, বাংলাবাজার, যাত্রাবাড়ী, জুরাইন ও ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।

গরমে র‍্যাশ-চুলকানি এড়াতে করণীয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
গরমে র‍্যাশ-চুলকানি এড়াতে করণীয়

গরমকালে অনেকেই চুলকানি, র‌্যাশ বা ঘামাচির সমস্যায় ভোগেন। এই সময়ে আরো একটি সমস্যা দেখা দেয় তা হলো ‘নিকেল অ্যালার্জি’। আংটি, চুড়ি বা ঘড়ি অথবা ধাতব কিছু থেকে এক রকম চর্মরোগ হতে দেখা যায়। এতে ত্বকে জ্বালা, চুলকানি বাড়ে। কারো ত্বকে বড় বড় ফোস্কা পড়ে। ত্বকের রংও বদলে যায়।
ত্বক চিকিৎসকেরা বলেন, গরমের সময়ে হিট র‌্যাশ ও কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিসের সমস্যা বাড়ে। এর থেকে রেহাই পেতে ঘরোয়া কিছু টোটকাই কাজে আসতে পারে।

গরমে র‍্যাশ-চুলকানি এড়াতে করণীয়-

> গরমে গোসলের বিকল্প নেই। দুই থেকে তিনবার গোসল করুন। এতে ত্বক ঠান্ডা থাকবে। গোসলের সময় খুব বেশি সুগন্ধযুক্ত সাবান ব্যবহার করবেন না। হালকা বডিওয়াশ ব্যবহার করা ভালো। এতে ত্বকে পিএইচ ব্যালান্স বজায় থাকবে। প্রতিবার গোসলের পর অন্তর্বাসসহ পোশাক বদলে ফেলুন।

> গরমের সময় টাইট বা ফিটিং পোশাক পরা থেকে বিরত থাকুন। শরীরে যেন বাতাস প্রবেশ করতে পারে, সেজন্য ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। টাইট পোশাক পরলেই ত্বকে সংক্রমণ দেখা দেবে। মনে রাখবেন, ত্বকের যেসব স্থানে বেশি ঘাম হয়; সেসব স্থানগুলো যাতে পরিষ্কার ও খোলামেলা থাকে। তাহলেই র্যাশ বা ফুসকুড়ি উঠবে না।

> গোসলের আগে প্রতিবার ত্বকের আক্রান্ত স্থানে বরফের সেঁক নিতে পারেন। এতে জ্বালা-পোড়াভাব ও চুলকানি কমবে। একটি তোয়ালের মধ্যে কিছু বরফ নিয়ে পুরো শরীরে কিছু সময়ের জন্য সেঁক নিতে পারেন।

> চন্দন ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণ রোধে জাদুকরী ভূমিকা রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, চন্দন কাঠের গুঁড়োয় অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যানালজেসিক আছে। যা ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণ রোধ করে। পাশাপাশি আক্রান্ত স্থানের জ্বালা-পোড়াভাব কমায়। চন্দনের গুঁড়ো সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখ, গলাসহ আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করতে পারেন।

> বেকিং সোডা ব্যবহারে ত্বকের চুলকানি বা প্রদাহ মুহূর্তেই কমে। এটি ত্বকের সংক্রমণ রোধে দুর্দান্ত একটি ঘরোয়া প্রতিষেধক। পানির সঙ্গে কয়েক টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে গোসল করুন। এভাবে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে তারপর শরীরে পরিষ্কার পানি ঢেলে গোসল সম্পন্ন করুন।

> অ্যালোভেরার নির্যাস ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-সেপটিক উপাদান আছে। যা ত্বক ঠান্ডা করে সংক্রমণ কমায়। ত্বকের অস্বস্তি দূর করতে আক্রান্ত স্থানে অ্যালোভেরার রস ব্যবহার করতে পারেন।

সূত্র: আনন্দবাজার