শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩

এফডিসিতে ঢুকলে এখন কষ্ট লাগে: ডা. এজাজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
এফডিসিতে ঢুকলে এখন কষ্ট লাগে: ডা. এজাজ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (এফডিসি) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভোট দিতে এসে নিজের আবেগ ও স্মৃতিচারণ প্রকাশ করেছেন তুমুল জনপ্রিয় অভিনেতা ও চিকিৎসক এজাজ আহমেদ। এফডিসির বর্তমান অবস্থা ও ফেলে আসা সোনালি দিনগুলোর কথা মনে করে গণমাধ্যমের সামনে একরাশ দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

বক্তব্যের শুরুতেই এফডিসির আগের কর্মব্যস্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশের কথা স্মরণ করে ডা. এজাজ বলেন, “কষ্ট লাগে যখন হুমায়ূন স্যারের ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘দুই দুয়ারী’ কিংবা ‘শ্যামল ছায়া’ ছবির কাজ করেছি— তখনকার এফডিসির পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। কী এক উৎসবমুখর জায়গা ছিল এটা! যারা ওই সোনালি দিনগুলো দেখেননি, তারা বর্তমানের এই শূন্যতা বুঝবেন না। এখন এফডিসিতে ঢুকলে আগের সেই উৎসব, ব্যস্ততা আর উচ্ছলতা চোখে পড়ে না, যা মনে ভীষণ কষ্ট দেয়।”

তবে অতীতের গৌরব হারিয়ে যাওয়ার বেদনার মাঝেও ঢাকাই চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী এই অভিনেতা। শিল্পী সমিতির চলমান নির্বাচনকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন তিনি। ডা. এজাজ মনে করেন, এই নির্বাচন চলচ্চিত্রকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ারই একটি প্রয়াস। একদল মানুষ চলচ্চিত্রকে বাঁচিয়ে রাখার এবং সামনে এগিয়ে নেওয়ার যে সৎ চেষ্টা করে যাচ্ছেন, তা কখনও বৃথা যাবে না বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

হতাশাকে একপাশে ঠেলে দিয়ে দর্শকদের হলমুখী হওয়ার প্রবণতাকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “দর্শকরা আগের চেয়ে অনেক বেশি হলমুখী হচ্ছেন। এখন ছবি আগের চেয়ে অনেক উন্নত, সুন্দর ও সফল হচ্ছে। তাই আমি কখনোই বলবো না যে চলচ্চিত্র পিছিয়ে আছে, বরং চলচ্চিত্র এগিয়ে যাচ্ছে।”

নেতিবাচক চিন্তাভাবনা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে ডা. এজাজ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমি কখনোই হতাশাকে জায়গা দিই না, সবসময় উৎসাহ নিয়ে কাজ করি। কারণ হতাশ হয়ে পড়লে কখনও সামনে এগিয়ে যাওয়া যায় না। আমি হতাশ হতে রাজি নই, আমি চলচ্চিত্রে কেবলই এগিয়ে যাওয়ার পক্ষে।”

নির্বাচনকে চলচ্চিত্রের অগ্রযাত্রার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, যারা চলচ্চিত্রের স্বার্থে সৎ চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা অবশ্যই সফল হবেন।

Ads small one

বুকের নিরামিষ বোতাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
বুকের নিরামিষ বোতাম

 

জ্যোৎস্না রহমান
তুমি আবদার করলে, রসালো প্রেমের কবিতা লিখতে ;
কিন্তু আমার ছাপোষা শব্দরা নিরামিষাশী।
তবুও উনুন জ্বালিয়ে রান্না বসালাম,
কয়েক পদ আমিষ রাঁধব বলে
আঁশ বটিতে রাতকে কেটে হাঁড়িতে চাপালাম ;
ঢুলু ঢুলু চোখ, খুলে ফেলল সমস্ত বসন
কিন্তু হৃদয় চাইছে, নিরামিষ স্পর্শ।
আসলে একটু যতœ পাওয়ার খিদে
হৃদয়ের অলিগলিতে পোস্টার লাগিয়েছে,
যেখানে শুশ্রূষা পাওয়ার বিজ্ঞাপন
হয়তো একদিন কারো চোখে পড়বে,
যার নিঃস্বার্থ প্রেম ওষুধের মতো তেতো
অথচ শিয়রে বসে রাতকে ভাঁজ করতে করতে
শোনাতে থাকবে জলপট্টির ইতিহাস।

ভালোবাসা হৃদয়ের অমোঘ উচ্চারণ;
যে নিভৃতে কবিতা হয়ে
প্রেমিক প্রেমিকার চোখে দোল খায়।

অনুমোদনহীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
অনুমোদনহীন

রেশম লতা
রাষ্ট্রীয় অনুমোদনহীন একটা প্রেম করছিলাম
ভাবছিলাম সফল শাসনযন্ত্র দিয়া বেবাকরে পোষ মানাইমু
পল্টিবাজ বেয়াইনে বেগড়া দিছে
দিছে নিরীহ জনতাও!

গতকাইল মাইজ্জামিয়ার একাডেমিত গেছিলাম ওয়ালীরে পড়তে-
বাংলায় ঢুইক্কা শুনি শিক্কিত বাক্যরা পুলিশ হইয়া গেছে
ব্যাকরণ হইছে লাঠি
মুষ্টিবদ্ধ হাতে ঘোষণা করলাম, যে শব্দ শোষণের পক্ষে দাঁড়ায় তাকে ছিঁড়া ফেলো-
আমি নির্দোষ হন্তাকারী কেননা শব্দ হত্যা কোনো অপরাধ নয়।

ঈশ্বরকে জবাবদিহির কাঠগড়ায় তুলব। যদি তিনি নির্দোষ হন, তবে প্রমাণ দিক
না পারলে
নীরবতাও অপরাধ।

স্বাক্ষর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
স্বাক্ষর

মোঃ রহমত আলী
আমার সবগুলো সাজানো অক্ষর,
তোমাদের প্রাণ ছোঁবে.. তা তো নয়।
ভালোবাসা আর ভালোলাগা যে এক, তাও নয়;
অনর্থক কিছু নয়.. যদি অর্থ (মানে) রয়।
ভুল তো সবার হয়, আমারও হয়,
তবে সার্থকতা ভুল শুধরে যদি শুদ্ধ রয়;
এতে হাসির কী বন্ধু.. যদি রহস্য উদঘাটন হয়!

আমার আঁকা হরফ সাহিত্য তো নয়,
যা শায়েরী বা কোনো কবিতা হয়;
এতো এক স্বাক্ষর মাত্র.. যা সাক্ষ্য হয়ে রয়।