সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পরীক্ষায় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। গত ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সারা দেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ।

একইসঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও। এবছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষা, যেখানে গতবছর পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।

যেভাবে পাওয়া যাবে ফলাফল

ওয়েবসাইটের মাধ্যমে: শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত ফলাফল সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে https://eduboardresults.gov.bd এবং https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে।

শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট educationboardresults.gov.bd–এ প্রবেশ করে Examination অপশন থেকে SSC/Dakhil বেছে নিন। Year অপশন থেকে পরীক্ষার বছর নির্বাচন করুন। এরপর নির্দিষ্ট বোর্ড সিলেক্ট করে রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে লিখুন। শেষে সিকিউরিটি ক্যাপচা (যেমন: ৩+৫ = ৮) পূরণ করে Submit বাটনে ক্লিক করুন।

এ ছাড়া এসএসসির ফল জানা যাবে এসএমএসের মাধ্যমে। মোবাইল নম্বর থেকে ১৬১৪০ (16140) অথবা ১৬২২২ (16222) নম্বরে SMS প্রেরণের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন।

সে ক্ষেত্রে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে ইংরেজিতে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর দিতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখে 16140 নম্বরে পাঠাতে হবে। (SSC Dha 123456 2026 Send to 16140)। ফিরতি মেসেজে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

মাদ্রাসা: মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের আগে প্রিরেজিস্ট্রেশন করতে হবে। প্রিরেজিস্ট্রেশনের পদ্ধতি হলো Dakhil

কারিগরি: এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে SSC Board name (first 3 Letters) Roll Year টাইপ করে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: SSC TEC 123456 2026 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষার ফলাফল স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেও সংগ্রহ করতে পারবে। শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকা অফিসে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না।

প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক ফলাফল

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট পেতে বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) এন্ট্রি করতে হবে। তাহলে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২১ এপ্রিল শুরু হয়ে ২০ মে পর্যন্ত তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

Ads small one

ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ
ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন শিক্ষার্থী। অর্থাৎ ৩৭.৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছে।

পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রের সংখ্যা ছাত্রীদের চেয়ে ৫ হাজার ৯০৩ জন বেশি।

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় এবার পাসের হারে ছেলেদের চেয়ে বেশ এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। ছেলেদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ, বিপরীতে মেয়েদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে ৮ দশমিক ৮২ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এদিন সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।

এবার পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রের সংখ্যা ছাত্রীদের চেয়ে ৫ হাজার ৯০৩ জন বেশি।

তবে উত্তীর্ণের সংখ্যায় মেয়েরা অনেক এগিয়ে। এবার ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন ছাত্র এবং ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে। অর্থাৎ ছেলেদের চেয়ে ৭৭ হাজার ১ জন বেশি মেয়ে পাস করেছে।

জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এবার ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র এবং ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। অর্থাৎ জিপিএ-৫ পাওয়া ছাত্রীর সংখ্যা ছাত্রদের চেয়ে ১১ হাজার ১১৬ জন বেশি।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিভাগভিত্তিক ফলাফলেও মেয়েদের এগিয়ে থাকার চিত্র দেখা গেছে। বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ, আর ছাত্রীদের ৮৩ দশমিক ৭০ শতাংশ। মানবিক বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৪১ দশমিক ১৪ শতাংশ, ছাত্রীদের ৫৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ, আর ছাত্রীদের ৬৯ দশমিক ৯২ শতাংশ।

অর্থাৎ তিনটি বিভাগেই মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে বেশি হারে উত্তীর্ণ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ব্যবধান মানবিক বিভাগে—এখানে ছাত্রীদের পাসের হার ছাত্রদের চেয়ে ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি।

সামগ্রিকভাবে এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে সামগ্রিক পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশীয় পয়েন্ট।

এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

কেউ পাস করেনি- এমন প্রতিষ্ঠান বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
কেউ পাস করেনি- এমন প্রতিষ্ঠান বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি—এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। ২০২৫ সালে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৩৪টি। এবার তা বেড়ে হয়েছে ৩১২টি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৭৮টি। শতকরা হিসাবে এ বৃদ্ধি প্রায় ১৩৩ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এদিন সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।

ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১৩৪টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে ৩১২টিতে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।

একই সময়ে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও কমেছে। ২০২৫ সালে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ৯৮৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। এবার এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে হয়েছে ৬৬৯টি। অর্থাৎ শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান কমেছে ৩১৫টি।

ফলে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে এবার দুই ধরনের পরিবর্তন স্পষ্ট হয়েছে—শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে, আর শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে।

অন্যদিকে সামগ্রিক ফলাফলেও অবনমন হয়েছে। এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশীয় পয়েন্ট।

এবার মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৯৭ জন। গত বছর পরীক্ষার্থী ছিল ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন এবং উত্তীর্ণ হয়েছিল ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪২৬ জন।

এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

২.২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ
২.২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পরীক্ষায় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। এবার শতভাগ পাস করেছে ২.২ শতাংশ শিক্ষার্থী।

মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল ৩০ হাজার ৪০২টি। এর মধ্যে ৬৬৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস করেছে। গতবার শতভাগ পাস করে এমন প্রতিষ্ঠান ছিল ৯৮৪টি।

এবার আগের বছরে তুলনায় পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ। একইসঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষা, যেখানে গতবছর পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।