বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও আরও দুজন পর্যটক এখনও নিখোঁজ আছেন।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকাল ৫টার দিকে মারিনা রিসোর্টের জাদুঘর সংলগ্ন সমুদ্রসৈকতে এ ঘটনা ঘটে। রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে মারা যাওয়া ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিকভাবে পরিচয় জানা যায়নি।

হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সোলেইমান জানিয়েছেন, বিকালে কয়েকজন পর্যটক হিমছড়ি সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে সাগরের প্রবল স্রোতে তারা ভেসে যান। পরে স্থানীয় লোকজন অভিযান কয়েকজনকে উদ্ধার করে। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন দুই পর্যটক। তাদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।

রামুর ইউএনও জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সৈকতে গোসলে নেমে ঢেউয়ের স্রোতে ভেসে যান তারা। এ সময় স্থানীয় লোকজন একজনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। ঘটনাস্থল থেকে তিন পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এখনও আরও দুজন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।’

Ads small one

বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ
বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

Oplus_131072

পত্রদূত ডেস্ক: আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর বিদায়ের করুণ সুরের মধ্য দিয়ে বুধবার (২১ অক্টোবর) শেষ হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মর্ত্যলোক থেকে বিদায় নিয়েছেন দেবী দুর্গা। পূজার আনুষ্ঠানিকতা অনুযায়ী, বুধবার সকালে দর্পণ-বিসর্জনের মাধ্যমে দেবীকে বিদায় জানান ভক্তরা। পরে সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের মনের কাম, ক্রোধ, হিংসা ও লালসার মতো আসুরিক প্রবৃত্তি বিসর্জন দেওয়াই বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। এসব প্রবৃত্তি ত্যাগ করে পরস্পরের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই এ আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য।
গত ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠী তিথিতে চন্ডীপাঠ, বোধন ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে ‘আনন্দময়ীর’ আগমনে শারদীয় দুর্গোৎসবের সূচনা হয়। পরবর্তী ৫ দিন রাজধানীসহ দেশের পূজামন্ডপগুলোতে পূজা অর্চনার মধ্য দিয়ে ভক্তরা দেবী দুর্গার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দশমী তিথিতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে এই উৎসব শেষ হয়।
সনাতন ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গা মর্ত্যলোক (বাবার বাড়ি) থেকে স্বর্গলোকের কৈলাসে স্বামীর ঘরে ফিরে যান। আগামী বছর শরৎকালে তিনি পুনরায় ধরণীতে ফিরে আসবেন।
এর আগে দুপুরে বিভিন্নস্থানে বের হয় বর্ণাঢ্য বিজয়া শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রা ও বিসর্জনে অংশ নিতে দুপুরের পর থেকেই জেলার বিভিন্ন মন্ডপ থেকে ভ্যান নৌকা ট্রাকসহ বিভিন্ন বাহনে করে প্রতিমা নিয়ে ভক্তরা নদ-নদী জলাশয়ের পাশে জড়ো হতে থাকেন। এবছর জেলায় সর্বোচ্চ ৬১২টি মন্ডপে সুষ্ঠ শান্তিপূর্ণভাবে পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

আঠারো মাইল সড়কে ঝরলো ৬ প্রাণ, আহত ৪০

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
আঠারো মাইল সড়কে ঝরলো ৬ প্রাণ, আহত ৪০

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের আঠারো মাইলে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয় জন নিহত ও ৪০ জন আহত হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলা ২টর দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের আঠারোমাইল ডাঙ্গীরপাড় নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খর্নিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) পারভেজ হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অপরদিকে ঢাকা থেকে সাতক্ষীরাগামি ইমাদ পরিবহনের ধাক্কায় মটর সাইকেল আরোহী এক মাছ ব্যবসায়িসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা-চুকনগর সড়কের ১৮ মাইল নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘাতক পরিবহনটি আটক করছে সাতক্ষীরা পুলিশ।
খর্ণিয়া (চুকনগর) হাইওয়ে থানা পুলিশ জানায়, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা বেপরোয়া গতির যাত্রীবাহী বাস (সাতক্ষীরা জ-১১-০০৯৬) সাতক্ষীরা অভিমুখে যাচ্ছিল। বাসটি খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের আঠারোমাইল ডাঙ্গীরপার নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ক্রাউন সিমেন্টবোঝাই ট্রাকের (নারায়ণগঞ্জ উ-১১-০০২৬) মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায় এবং ট্রাকটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ৪০-৪২ যাত্রী কমবেশি আহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলার জিন্নাত আলী (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু নিশ্চিত করেছে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকচালক মারা গেছেন বলে জানা গেছে। খাদে পড়ে যাওয়া বাসের নিচ থেকে আরও দুটি মরদেহ উদ্ধার করে ডুমুরিয়া ফায়ার সার্ভিস।
খর্নিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পারভেজ হাসান বলেন, নিহত চারজনের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বাকিদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত খাদে পড়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধারের কাজ চলছিল। তবে উদ্ধারকারীদের ধারণা বাসের নিচে বা ভিতরে আরও মৃতদেহ থাকতে পারে।
এদিকে ঢাকা থেকে সাতক্ষীরাগামি ইমাদ পরিবহনের ধাক্কায় মটর সাইকেল আরোহী এক মাছ ব্যবসায়িসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা-চুকনগর সড়কের ১৮ মাইল নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘাতক পরিবহনটি আটক করছে সাতক্ষীরা পুলিশ।

নিহতরা হলেন, খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার নরনিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারী গাজীর ছেলে মাছ ব্যবসায়ি রাফিউর রহমান রউফ (৪৩) ও একই গ্রামের আব্দুল মালেক সরদারের ছেলে ইউনুস আলী (২৫)।

নিহত রাফিউর রহমানের ভাই আব্দুল হামিদ জানান, তার ভাইয়ের চুকনগর বাজারে মাছের সেট রয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে তিনি ইউনুসকে নিয়ে হিরো মটর সাইকেলে সাতক্ষীরার তালায় যান। কয়েকটি পূজা ম-প ঘুরে ও ব্যক্তিগত কাজ মিটিয়ে রাত দেড়টার দিকে বাড়ি ফেরার সময় ১৮ মাইল নামক স্থানে পৌঁছালে ঢাকা থেকে সাতক্ষীরাগামি ইমাদ পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-৫২৫৯) তাদের মটর সাইকেলে ধাক্কা মারে। এতে মটর সাইকেল থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে গেলে দু’জনকেই চাপা দিয়ে চলে যায় ওই পরিবহনটি। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশের খর্ণিয়া ফাঁড়ির উপপরিদর্শক খালিদ হোসেনের মাধ্যমে ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি সাপেক্ষে বাড়িতে এনেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ইমাদ পরিবহনের যাত্রী পুরাতন সাতক্ষীরার মালেকা পারভিন জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে গুলিস্তান থেকে তিনি সাতক্ষীরাগামি ইমাদ পরিবহনে ওঠেন। একই সময়ে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসটিও ছাড়ে। ইমাদ পরিবহনটির চালক খুব খারাপভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে চুকনগরে এসে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসকে ওভারটেক করে। রাত দেড়টার দিকে ১৮ মাইলে এসে তালা থেকে চুকনগরগামি একটি মটরসাইকেলকে সজোরে ধাকা মেরে দ্রুত গতিতে চলে আসে। কাটিয়া আমতলা এলাকায় ওই পরিবহনটি আটক করে পুলিশ। এ সময় চালক ও সুপারভাইজার পালিয়ে যায়। পরে ওই মটর সাইকেলে থাকা চালক ও আরোহী মারা গেছে মর্মে তারা জানতে পারেন।
খর্ণিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক খালিদ হোসেন বলেন, লাশ দুটি উদ্ধার করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে ময়না তদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দিয়ে নিহত রাফিউর রহমান রউফের ভাই আব্দুল হামিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আব্দুল হামিদ ডুমুরিয়া থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি মামলা না করলে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঘাতক পরিবহনটি সাতক্ষীরা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। ডুমুরিয়া থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, নিয়ম অনুযায়ি হাইওয়ে পুলিশ মামলার বাদিকে সঙ্গে করে নিয়ে আসার কথা। তবে বুধবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত এ নিয়ে থানায় কেউ মামলা করতে আসেনি।

প্রেম, বিয়ে ও গ্রেফতার: কেন ভেঙেছিল শাকিল-পপি জুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
প্রেম, বিয়ে ও গ্রেফতার: কেন ভেঙেছিল শাকিল-পপি জুটি

নব্বই দশকের শেষের দিকে সিনেমাপ্রেমীদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় ছিলেন শাকিল খান ও পপি। এ জুটির সিনেমা মুক্তি পেলেই প্রেক্ষাগৃহে দর্শক হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। ১৯৯৭ সালে ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’ ছবির মাধ্যমে তাদের প্রথম দেখা যায়। এটি পরিচালনা করেন সোহানুর রহমান সোহান।

বলা চলে, শাবনাজ-নাঈম/মৌসুমী-সালমান শাহ জুটির পর শাকিল-পপি নবাগত জুটি হিসেবে ঢালিউডে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।

তবে একসঙ্গে সিনেমা করতে গিয়ে তারা একে অপরের প্রেমেও পড়েন। প্রেম থেকে বিয়ে পর্যন্ত গড়ায় বলে সে সময় গুঞ্জন উঠেছিল। পপি তখন তা অস্বীকার করেছিলেন। কিন্তু শাকিল নাছোড়, তিনি সব জায়গায় বিয়ের কথা বলে বেড়াতে শুরু করেন। এ নিয়ে একাধিক জিডিও হয়।

জানা যায়, ২০০০ সালের ৫ আগস্ট শাকিল খান এ কারণে গ্রেফতারও হয়েছিলেন। এ ঘটনায় পুরো ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে হইচই পড়ে যায়। চলতে থাকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

এদিকে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর পপি স্বীকার করলেন তিনি শাকিলের প্রেমে পড়েছিলেন এবং প্রেম কেন ভেঙে গেল তারও বিস্তারিত বিবরণ দেন।

২০১৭ সালে শাহরিয়ার নাজিম জয়ের টকশো সেন্স অব হিউমার-এ হাজির হয়েছিলেন পপি। এ অনুষ্ঠানে স্বীকার করলেন শাকিলের সঙ্গে তার প্রেমের কথা।

তিনি বলেন, কখনও কোনও হিরোর প্রেমে পড়িনি। একবার একজনের সাথে (শাকিল খান) প্রেম করেছিলাম। ওইটা আমার ব্যাড এক্সপেরিয়েন্স ছিল। এটা আমার বলতে সমস্যা নেই। তিনি আমার জন্য সঠিক মানুষ ছিলেন না।’

 

শাকিল-পপির পর্দা জুটি ভেঙে যাওয়ার জন্য শাকিলের পাগলামিকে দায়ী করেন অভিনেত্রী। এ কারণে প্রযোজক-পরিচালকরা তাদের নিয়ে পরে সিনেমা বানাননি।

সিনেমা সংশ্লিষ্টদের মতে, জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ব্যক্তিগত নানা স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে শেষ পর্যন্ত শাকিল-পপি জুটিটি ভেঙে যায়।

এ জুটির উল্লেখযোগ্য কিছু সিনেমা হলো- ‘এই মন তোমাকে দিলাম, ‘প্রাণের প্রিয়তমা, ‘পাহারাদার, ‘অবুঝ মনের ভালোবাসা, ‘আমার বউ, ‘মা যখন বিচারক’ ও ‘অগ্নিসাক্ষী।