শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩

কলারোয়া পৌরসভা: উন্নত সড়কের মাঝে ৪০০ মিটারের দুর্ভোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
কলারোয়া পৌরসভা: উন্নত সড়কের মাঝে ৪০০ মিটারের দুর্ভোগ

0-4024x1784-0-0-{}-0-12#bokehtype:0#;ts:3590044044000;appts:1782871592151;qlty:1;;illum:2 scene:0 humanIn:0;

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়া পৌরসভা এলাকার হাসপাতাল সড়কের নজরকাড়া ইউনিব্লক রাস্তাটি যেখানে শেষ হয়েছে, ঠিক সেখান থেকেই শুরু হয়েছে সাধারণ মানুষের চরম দুর্ভোগ। পশ্চিমমুখী এই সড়কের কদম আলী মেসের সামনের অংশ থেকে পৌরসভার শেষ প্রান্ত কানিপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৪০০ মিটার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সড়কের দুই পাশেই উন্নত ও চলাচল উপযোগী রাস্তা থাকলেও মাঝখানের এই ভাঙা অংশটি এখন পথচারী ও যানবাহন চলাচলের বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পৌর কর্তৃপক্ষ ও উপজেলার আইনশৃঙ্খলা সভায় বিষয়টি একাধিকবার তুলে ধরা হয়েছে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক বিষয়টি অবগত হয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।
বর্তমানে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানিতে এসব গর্ত ভরে যাওয়ায় রাস্তাটি প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীসহ শত শত মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্য দিয়ে এই পথ ব্যবহার করছেন।

সীমান্তবর্তী চন্দনপুর ইউনিয়নের কাঁঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা আতাউর রহমান জানান, মোটরসাইকেল নিয়ে এই ৪০০ মিটার ভাঙা রাস্তা পার হতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় লেগে যায়। থ্রি-হুইলার বা ইজিবাইকের যাত্রীদের যে পরিমাণ ঝাঁকুনি সহ্য করতে হয়, তা অবর্ণনীয়। স্থানীয় বাসিন্দা রমজান আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বছরের পর বছর এই সড়কের প্রতি যে অবহেলা দেখানো হয়েছে, তা অত্যন্ত হতাশাজনক। দেখে মনে হয়, সড়কটির দুর্দশা দেখার কেউ নেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, খুব দ্রুতই এই রাস্তাটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হবে এবং পরবর্তীতে এখানে কার্পেটিংয়ের কাজও করা হবে।

Ads small one

বুকের নিরামিষ বোতাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
বুকের নিরামিষ বোতাম

 

জ্যোৎস্না রহমান
তুমি আবদার করলে, রসালো প্রেমের কবিতা লিখতে ;
কিন্তু আমার ছাপোষা শব্দরা নিরামিষাশী।
তবুও উনুন জ্বালিয়ে রান্না বসালাম,
কয়েক পদ আমিষ রাঁধব বলে
আঁশ বটিতে রাতকে কেটে হাঁড়িতে চাপালাম ;
ঢুলু ঢুলু চোখ, খুলে ফেলল সমস্ত বসন
কিন্তু হৃদয় চাইছে, নিরামিষ স্পর্শ।
আসলে একটু যতœ পাওয়ার খিদে
হৃদয়ের অলিগলিতে পোস্টার লাগিয়েছে,
যেখানে শুশ্রূষা পাওয়ার বিজ্ঞাপন
হয়তো একদিন কারো চোখে পড়বে,
যার নিঃস্বার্থ প্রেম ওষুধের মতো তেতো
অথচ শিয়রে বসে রাতকে ভাঁজ করতে করতে
শোনাতে থাকবে জলপট্টির ইতিহাস।

ভালোবাসা হৃদয়ের অমোঘ উচ্চারণ;
যে নিভৃতে কবিতা হয়ে
প্রেমিক প্রেমিকার চোখে দোল খায়।

অনুমোদনহীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
অনুমোদনহীন

রেশম লতা
রাষ্ট্রীয় অনুমোদনহীন একটা প্রেম করছিলাম
ভাবছিলাম সফল শাসনযন্ত্র দিয়া বেবাকরে পোষ মানাইমু
পল্টিবাজ বেয়াইনে বেগড়া দিছে
দিছে নিরীহ জনতাও!

গতকাইল মাইজ্জামিয়ার একাডেমিত গেছিলাম ওয়ালীরে পড়তে-
বাংলায় ঢুইক্কা শুনি শিক্কিত বাক্যরা পুলিশ হইয়া গেছে
ব্যাকরণ হইছে লাঠি
মুষ্টিবদ্ধ হাতে ঘোষণা করলাম, যে শব্দ শোষণের পক্ষে দাঁড়ায় তাকে ছিঁড়া ফেলো-
আমি নির্দোষ হন্তাকারী কেননা শব্দ হত্যা কোনো অপরাধ নয়।

ঈশ্বরকে জবাবদিহির কাঠগড়ায় তুলব। যদি তিনি নির্দোষ হন, তবে প্রমাণ দিক
না পারলে
নীরবতাও অপরাধ।

স্বাক্ষর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
স্বাক্ষর

মোঃ রহমত আলী
আমার সবগুলো সাজানো অক্ষর,
তোমাদের প্রাণ ছোঁবে.. তা তো নয়।
ভালোবাসা আর ভালোলাগা যে এক, তাও নয়;
অনর্থক কিছু নয়.. যদি অর্থ (মানে) রয়।
ভুল তো সবার হয়, আমারও হয়,
তবে সার্থকতা ভুল শুধরে যদি শুদ্ধ রয়;
এতে হাসির কী বন্ধু.. যদি রহস্য উদঘাটন হয়!

আমার আঁকা হরফ সাহিত্য তো নয়,
যা শায়েরী বা কোনো কবিতা হয়;
এতো এক স্বাক্ষর মাত্র.. যা সাক্ষ্য হয়ে রয়।