বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কান উৎসবের শর্ট ফিল্ম কর্নারে বাংলাদেশের ‘নুড়ি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
কান উৎসবের শর্ট ফিল্ম কর্নারে বাংলাদেশের ‘নুড়ি’

 

৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের শর্ট ফিল্ম কর্নারের ‘সিনেমা দ্য দোমাঁ’ বিভাগে জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘নুড়ি’। সম্প্রতি চলচ্চিত্রটি উৎসবের মার্কেট ক্যাটালগে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
চলচ্চিত্রটির লেখক ও পরিচালক মিথুন জামান এবং প্রযোজক হাসিব জুবেরী শিহান বর্তমানে উৎসবে অংশ নিতে কানে অবস্থান করছেন।

প্রযোজক হাসিব জুবেরী শিহান জানান, শর্ট ফিল্ম কর্নার রঁদেভু-ইন্ডাস্ট্রি এমন একটি পেশাদার প্ল্যাটফর্ম, যেখানে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিবেশক, উৎসব প্রতিনিধি ও বিক্রয় প্রতিনিধিদের সংযোগ তৈরি হয়।

১৬ মিনিট দৈর্ঘ্যের বাংলা ভাষার এই চলচ্চিত্রের পটভূমি কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত। গল্পে দেখা যাবে ১১ বছর বয়সী এক কিশোরীকে, যে সদ্যজাত একটি ঘোড়ার বাচ্চার সঙ্গে অপ্রত্যাশিত বন্ধনের মধ্য দিয়ে নতুন করে সাহস ও বেঁচে থাকার আশা খুঁজে পায়। ‘নুড়ি’ চরিত্রে অভিনয় করেছে কক্সবাজারের স্থানীয় এক কিশোরী।

নির্মাতা মিথুন জামান জানান, এক কিশোরীর অন্তর্জগতকে কেন্দ্র করে নির্মাণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে, বৈশ্বিক বাস্তবতা কীভাবে মানুষের ব্যক্তিগত জীবন ও আবেগকে প্রভাবিত করে। তার ভাষ্য, অস্থিরতা ও বিচ্ছিন্নতার এই সময়ে ‘নুড়ি’ মানবিক সম্পর্ক ও আশার শক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দেবে।

চলচ্চিত্রটির প্রযোজক হাসিব জুবেরী শিহান ও বাশার জর্জিস। সহ-প্রযোজক হিমেশ কর। চিত্রগ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান। সাউন্ড ডিজাইনে ছিলেন শৈব তালুকদার ও জাওয়াদ পারভেজ। সংগীত পরিচালনা করেছেন আমজাদ হোসেন। সম্পাদনা করেছেন সামীর আহমেদ ও শিহান জুবেরী। কালার গ্রেডিং করেছে মুনশাইন পোস্ট প্রোডাকশন।

Ads small one

বিশ্বকাপ মাতানো ভাইদের গল্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপ মাতানো ভাইদের গল্প

বিশ্বকাপ শুধু দেশ বনাম দেশের লড়াই নয়, তাতে অনেক সময় জড়িয়ে থাকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক গল্পও। এই মহারণে অনেক পরিবারই দেখেছে তাদের একাধিক সদস্যকে একই স্বপ্নের পেছনে ছুটতে। তবে গোল করার মতো স্মরণীয় কীর্তি গড়তে পেরেছেন খুব কমই। বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে মাত্র চার জোড়া ভাই আছেন, যারা গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। তাদের কেউ হয়েছেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, কেউ শিরোপার খুব কাছে গিয়েও ছুঁতে পারেননি কাঙ্ক্ষিত ট্রফি। তবে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে তাদের নাম আজও লেখা আছে রেকর্ডের পাতায়।

বিশ্বকাপে গোল করা প্রথম ভাইদের জুটি ছিলেন পশ্চিম জার্মানির ওটমার ওয়াল্টার ও ফ্রিৎস ওয়াল্টার। ১৯৫৪ বিশ্বকাপে দুজন মিলে করেছিলেন সাতটি গোল। সেই আসরেই প্রথমবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে পশ্চিম জার্মানি। ফ্রিৎস ছিলেন দলের অধিনায়ক ও অন্যতম প্রধান তারকা, আর ভাই ওটমারও ছিলেন সেই ঐতিহাসিক অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

এর দুই দশক পর বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের নাম লেখান নেদারল্যান্ডসের উইলি ও রেনে ফন ডে কেরখফ। ১৯৭৪ ও ১৯৭৮—দুই বিশ্বকাপেই রানার্সআপ হওয়া ডাচ দলের সদস্য ছিলেন তারা। ১৯৭৮ সালের আসরে দুই ভাই-ই গোল করার কৃতিত্ব দেখান। যদিও বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ হয়নি, তবু ডাচ ফুটবলের স্বর্ণযুগের অন্যতম প্রতীক হয়ে আছেন এই দুই ভাই।

বিশ্বকাপে গোল করা তৃতীয় ভাই জুটি ব্রাজিলের সক্রেটিস ও রাই। তাদের গল্পে আছে এক চমৎকার মিল। দুজনই ব্রাজিলের অধিনায়ক হিসেবে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করেছিলেন, আর দুজনের গোলই এসেছিল দ্বিতীয়ার্ধের পেনাল্টি থেকে। আরও মজার বিষয় হলো, তাদের প্রতিপক্ষও ছিল প্রায় একই—সক্রেটিস ১৯৮২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপক্ষে এবং রাই ১৯৯৪ সালে রাশিয়ার বিপক্ষে জালে বল পাঠিয়েছিলেন।

বিশ্বকাপে গোল করা সর্বশেষ ভাই জুটি ডেনমার্কের কিংবদন্তি মাইকেল ও ব্রায়ান লডরুপ। ১৯৮৬ ও ১৯৯৮ বিশ্বকাপে একটি করে গোল করেছিলেন মাইকেল। অন্যদিকে ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে দুই গোল করেন ব্রায়ান।

তবে ভাই হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি আরও বিরল। এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি ভাই জুটি বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে তুলতে পেরেছেন। একজন ওটমার ও ফ্রিৎস ওয়াল্টার, যারা ১৯৫৪ সালে পশ্চিম জার্মানিকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। অন্য জুটি ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি জ্যাক চার্লটন ও ববি চার্লটন, যারা ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের একমাত্র বিশ্বকাপ জয়ের অংশ ছিলেন।

গ্রুপ জে-তে আর্জেন্টিনার সঙ্গী কারা, ইতিহাস কী বলছে?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৯:১২ পূর্বাহ্ণ
গ্রুপ জে-তে আর্জেন্টিনার সঙ্গী কারা, ইতিহাস কী বলছে?

জে গ্রুপের স্পষ্ট ফেভারিট ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। অভিজ্ঞতা, তারকাসমৃদ্ধ স্কোয়াড এবং সাম্প্রতিক সাফল্যসহ সব কিছুই তাদের পক্ষে।

গ্রুপটি আর্জেন্টিনার জন্য তুলনামূলক সহজ বলে মনে করা হচ্ছে। বাকি প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান।

আর্জেন্টিনা ২০২২ সালে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে তৃতীয় বিশ্বকাপ জিতেছিল। পুরুষদের ফুটবলে সর্বশেষ টানা দুটি বিশ্বকাপ জিতেছে ব্রাজিল, ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে। এবার সেই কীর্তি স্পর্শ করার সুযোগ মেসিদের সামনে। এবার দেখে নেওয়া যাক গ্রুপ সদস্যদের ইতিহাস।

আর্জেন্টিনা

তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা বর্তমানে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের তৃতীয় স্থানে। ১৬ জুন তারা বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে আলজেরিয়ার বিপক্ষে। এরপর প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া ও জর্ডান।

কাগজে-কলমে গ্রুপটি আর্জেন্টিনার জন্য তুলনামূলক সহজ বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে নকআউট পর্বে ওঠার পথে বড় বাধা দেখছেন না বিশ্লেষকেরা।

বিশ্বকাপের ১৫ মাস আগেই ব্রাজিলকে হারিয়ে মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে আলবিসেলেস্তেরা। সেই ম্যাচে অবশ্য অ্যাডাক্টর পেশির চোটের কারণে খেলেননি লিওনেল মেসি।

বর্তমান দলের ভিত্তি এখনও কাতার বিশ্বকাপজয়ী স্কোয়াড। বিশ্বকাপ ফাইনালের শুরুর একাদশের ৯ জন খেলোয়াড় এখনও দলে আছেন। কেবল অবসর নেওয়া অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া এবং চোটগ্রস্ত মেসির জায়গায় খেলেছিলেন থিয়াগো আলমাদা ও লিয়ান্দ্রো পারেদেস।

বিশ্বকাপের সময় নিকোলাস ওতামেন্দির বয়স হবে ৩৮, নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর ৩৩ এবং রদ্রিগো দে পলের ৩২। অর্থাৎ অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেলে গড়া এক দল নিয়েই মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা।

দ্বিতীয় ম্যাচের দুদিন পর ৩৯ বছরে পা দেবেন মেসিও। তিনি খেললে পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে বিশ্বকাপের ছয়টি আসরে অংশ নেওয়া প্রথম ফুটবলার হওয়ার কীর্তি গড়বেন।

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ (২৬) খেলার রেকর্ড ইতোমধ্যে মেসির দখলে। ১৩ গোল নিয়ে তিনি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার গোলসংখ্যা ১১৬, যা কেবল রোনালদোর ১৪৩ গোলের চেয়ে কম।

কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির সামনেও রয়েছে বিশেষ অর্জনের সুযোগ। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে ইতালিকে টানা দুটি বিশ্বকাপ জেতানো ভিত্তোরিও পোজ্জোর পর দ্বিতীয় কোচ হিসেবে একই কীর্তি গড়বেন তিনি।

আলজেরিয়া

১৯৯০ ও ২০১৯ সালের আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন আলজেরিয়া ২০১৪ সালের পর আবার বিশ্বকাপে ফিরছে। ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছিল দলটি। তবে অতিরিক্ত সময়ে জার্মানির কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল।

এবারের বাছাই পর্বে আলজেরিয়ার পারফরম্যান্স ছিল দারুণ। ১০ ম্যাচে তারা পেয়েছে আট জয়, একটি ড্র ও একটি হার।

৩৫ বছর বয়সী অধিনায়ক রিয়াদ মাহরেজ এখনও দলের সবচেয়ে বড় তারকা। সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি উইঙ্গারের আন্তর্জাতিক গোল ৩৮টি। দেশের ইতিহাসে তার চেয়ে বেশি গোল করেছেন শুধু ইসলাম স্লিমানি (৪৫)। দলের অন্য গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন রায়ান আইত-নুরি ও রামি বেনসেবাইনি। সুইজারল্যান্ড জাতীয় দলের সাবেক কোচ ভ্লাদিমির পেতকোভিচ এখন আলজেরিয়ার কোচের দায়িত্বে।

অস্ট্রিয়া

অস্ট্রিয়া ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে। এটি তাদের অষ্টম বিশ্বকাপ। ১৯৮২ সালের পর প্রথমবারের মতো গ্রুপ পর্ব পেরোনোর স্বপ্ন দেখছে ইউরোপের দেশটি। দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় মার্কো আরনাউতোভিচ। ৩৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড অস্ট্রিয়ার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা (৪৭) এবং সর্বাধিক ম্যাচ খেলা (১৩২) ফুটবলার।

অধিনায়ক ডেভিড আলাবাও থাকছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়। ৩৪ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১২০টির বেশি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন। মার্সেল সাবিৎসার ও কনরাড লাইমারের মতো খেলোয়াড়রাও দলের বড় শক্তি। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, হফেনহাইম, শালকে ও লাইপজিগে কাজ করা রালফ রাংনিক ২০২২ সাল থেকে অস্ট্রিয়ার কোচ।

জর্ডান জাতীয় দল।
জর্ডান

বিশ্বকাপের ৯০ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম মূল পর্বে খেলতে যাচ্ছে জর্ডান। আন্তর্জাতিক ফুটবলে বড় কোনও সাফল্যের ইতিহাস নেই দেশটির। এশিয়ান কাপে তাদের সেরা অর্জন ২০২৩ সালে রানার্সআপ। এছাড়া ২০০৪ ও ২০১১ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা।

দলের সবচেয়ে বড় তারকা মুসা আল-তামারি। ফ্রান্সের ক্লাব রেনে খেলা এই ফরোয়ার্ডের আন্তর্জাতিক গোল ২৪টি। ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ে খেলা অল্প কয়েকজন জর্ডানিয়ান ফুটবলারের একজন তিনি।

আক্রমণভাগে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নাম ইব্রাহিম সাবরা, যিনি ক্রোয়েশিয়ার লোকোমোটিভা জাগরেবে খেলেন। ২০২৪ সালে দায়িত্ব নেওয়া জামাল সেল্লামি বিশ্বকাপে জর্ডানের কোচ হিসেবে অভিষেক করবেন।

কপোতাক্ষ নদে বজ্রপাতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ ২৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ
কপোতাক্ষ নদে বজ্রপাতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ ২৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের চাকলা এলাকায় কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়া জেলে মো. আরিফ হাসানের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৯ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাট সংলগ্ন নদ থেকে তাঁর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত আরিফ হাসান চাকলা গ্রামের মৃত আব্দুল হাই সানার ছেলে। এর আগে গত সোমবার বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে চাকলা গ্রামের কপোতাক্ষ নদে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আরিফ হাসান প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে একা একটি নৌকা নিয়ে কপোতাক্ষ নদে মাছ ধরতে যান। বিকেলের দিকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে একপর্যায়ে তাঁর নৌকার ওপর বজ্রপাত হয়। এতে তিনি নৌকা থেকে ছিটকে নদে পড়ে নিখোঁজ হন এবং নৌকাটি ডুবে যায়।
ঘটনার পর স্থানীয় জেলে, স্বজন ও এলাকাবাসী মিলে ডুবে যাওয়া নৌকাটি উদ্ধার করতে পারলেও আরিফের কোনো সন্ধান পাননি। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ও ডুবুরিরা নদে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে দুর্ঘটনাস্থল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে চাউলখোলা খুটিকাটা লঞ্চঘাটের পাশে নদে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে আরিফ হাসানের মরদেহ শনাক্ত করেন।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও পুরো এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে চিলতে ওই গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুর রউফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বজ্রপাতে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই নদের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। মঙ্গলবার রাতে স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।