বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩

কান উৎসবের শর্ট ফিল্ম কর্নারে বাংলাদেশের ‘নুড়ি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
কান উৎসবের শর্ট ফিল্ম কর্নারে বাংলাদেশের ‘নুড়ি’

 

৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের শর্ট ফিল্ম কর্নারের ‘সিনেমা দ্য দোমাঁ’ বিভাগে জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘নুড়ি’। সম্প্রতি চলচ্চিত্রটি উৎসবের মার্কেট ক্যাটালগে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
চলচ্চিত্রটির লেখক ও পরিচালক মিথুন জামান এবং প্রযোজক হাসিব জুবেরী শিহান বর্তমানে উৎসবে অংশ নিতে কানে অবস্থান করছেন।

প্রযোজক হাসিব জুবেরী শিহান জানান, শর্ট ফিল্ম কর্নার রঁদেভু-ইন্ডাস্ট্রি এমন একটি পেশাদার প্ল্যাটফর্ম, যেখানে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিবেশক, উৎসব প্রতিনিধি ও বিক্রয় প্রতিনিধিদের সংযোগ তৈরি হয়।

১৬ মিনিট দৈর্ঘ্যের বাংলা ভাষার এই চলচ্চিত্রের পটভূমি কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত। গল্পে দেখা যাবে ১১ বছর বয়সী এক কিশোরীকে, যে সদ্যজাত একটি ঘোড়ার বাচ্চার সঙ্গে অপ্রত্যাশিত বন্ধনের মধ্য দিয়ে নতুন করে সাহস ও বেঁচে থাকার আশা খুঁজে পায়। ‘নুড়ি’ চরিত্রে অভিনয় করেছে কক্সবাজারের স্থানীয় এক কিশোরী।

নির্মাতা মিথুন জামান জানান, এক কিশোরীর অন্তর্জগতকে কেন্দ্র করে নির্মাণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে, বৈশ্বিক বাস্তবতা কীভাবে মানুষের ব্যক্তিগত জীবন ও আবেগকে প্রভাবিত করে। তার ভাষ্য, অস্থিরতা ও বিচ্ছিন্নতার এই সময়ে ‘নুড়ি’ মানবিক সম্পর্ক ও আশার শক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দেবে।

চলচ্চিত্রটির প্রযোজক হাসিব জুবেরী শিহান ও বাশার জর্জিস। সহ-প্রযোজক হিমেশ কর। চিত্রগ্রহণ করেছেন মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান। সাউন্ড ডিজাইনে ছিলেন শৈব তালুকদার ও জাওয়াদ পারভেজ। সংগীত পরিচালনা করেছেন আমজাদ হোসেন। সম্পাদনা করেছেন সামীর আহমেদ ও শিহান জুবেরী। কালার গ্রেডিং করেছে মুনশাইন পোস্ট প্রোডাকশন।

Ads small one

কেশবপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গ্যাসবাহী ট্যাংকার বসতবাড়িতে, ভবন ক্ষতিগ্রস্থ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গ্যাসবাহী ট্যাংকার বসতবাড়িতে, ভবন ক্ষতিগ্রস্থ

এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গ্যাসবাহী ট্যাংকার লরি সড়কের পাশের বসতবাড়িতে ঢুকে পড়েছে। এতে বাড়ির বাথরুমসহ ভবনের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভেঙে গেছে একটি প্রাইভেটকারের গ্লাস। দুর্ঘটনার সময় ঘরে ঘুমিয়ে থাকা পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে অল্পের জন্য বড় ধরনের প্রাণহানি থেকে রক্ষা পেয়েছে ঘুমিয়ে থাকা পরিবারের সদস্যরা।

বুধবার (২০ আগস্ট ২০২৬) ভোরে যশোর-চুকনগর সড়কের কেশবপুর উপজেলার আলতাপোল চারের মাথা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনা কবলিত গ্যাসবাহী ট্যাংকারটির নম্বর চট্টগ্রাম মেট্রো-ঢং-৬১-০৩৯৮।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, গ্যাসবাহী ট্যাংকারটি ঢাকা থেকে ছেড়ে খুলনার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। ভোরে আলতাপোল চারের মাথা এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্যাংকারটি সড়কের পাশের স্বাস্থ্যকর্মী হাবিবুর রহমানের বাড়িতে সজোরে ধাক্কা করে। এতে বাড়ির বাথরুমের বিল্ডিং ভেঙে ট্যাংকারটি ভেতরে ঢুকে পড়ে। পরে বাড়ির অপর একটি অংশেও আঘাত লাগে।

বাড়ির মালিক হাবিবুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যরা সবাই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে গেলে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বাইরে এসে তাঁরা দেখতে পান, একটি গ্যাসবাহী ট্যাংকার তাঁদের বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়েছে। এতে বাথরুমসহ বাড়ির বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ভোররাতে সড়কটি দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করে। জনবসতিপূর্ণ এলাকায় গ্যাসবাহী ট্যাংকারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ যান নিয়ন্ত্রণ হারালে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এবিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্র রোকসানা খাতুন বলেন খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছে।

 

ভারত থেকে ভোমরা বন্দর দিয়ে ১৫ দিনে ৪ হাজার ৯২ মেট্রিকটন কাঁচামরিচ আমদানি, কমেছে দাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ভোমরা বন্দর দিয়ে ১৫ দিনে ৪ হাজার ৯২ মেট্রিকটন কাঁচামরিচ আমদানি, কমেছে দাম

এম শফিকুল ইসলাম, ভোমরা: গত ৩ আগস্ট থেকে ভোমরা স্থল বন্দর ব্যবহার করে ভারত থেকে ৩২০টি ট্রাকে ৪ হাজার ৯২ মেট্রিকটন কাঁচামরিচ আমদানি করা হয়েছে। ভোমরায় কাস্টম হাউজের রাজস্ব শাখা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বন্দর ব্যবসায়ী বলছেন, পর্যাপ্ত কাঁচামরিচ আমদানি হওয়ায় গ্রাম ও শহর অঞ্চলের হাট-বাজারগুলোতে কমেছে কাঁচা মরিচের দাম।

 

এখন কেজি প্রতি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকায়। যা ১৫ দিন আগে প্রতি কেজি ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, মূল্য স্থিতিশীল ও চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত পরিমাণ আমদানি হওয়ায় এবং স্থানীয় বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহের কারণে সাধারণ ক্রেতারা ক্রয়মূল্য সুবিধা পাচ্ছেন। স্বস্তি ফিরে এসেছে বাজারমূল্যে।

এদিকে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় কমে গেছে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি। ভোমরা বন্দর দিয়ে গত ২/৩দিন কাঁচা মরিচ আমদানি নেই বললেও চলে। বাজারে হঠাৎ করে দাম কমে যাওয়ায় এখন মুনাফার পরিবর্তে আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা।

 

আমদানিকারক ফারহাদ হোসেন জানিয়েছেন, বিপুল পরিমাণ কাঁচা মরিচ সরবরাহ থাকায় আগস্ট মাস পর্যন্ত বাজার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। পরবর্তী সেপ্টেম্বর মাস থেকে আবার চাহিদায় বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সুতরাং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান কাঁচা মরিচ আমদানির লক্ষ্য এলসি (ঋণপত্র) খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে আমদানি অনুমতি (আইপি) নিয়ে আবার পুরোদমে চলবে কাঁচা মরিচ আমদানি কার্যক্রম। সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির সম্ভাবনা রয়েছে। নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার আমদানি অনুমতি বহাল রাখে।

সাতক্ষীরায় ২২ আগস্ট হাজী সম্মেলন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ২২ আগস্ট হাজী সম্মেলন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় হাজী সম্মেলন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ইসলামী ব্যবসায়ী সমিতি সম্মেলন কক্ষে হাজী কল্যাণ সংস্থা সাতক্ষীরার সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ দ্বীন আলীর সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য হাজী কল্যাণ সংস্থা সাতক্ষীরার আয়োজনে হাজী সম্মেলন-২০২৬ আগামী শনিবার ২২ আগস্ট সকালে তুফান কনভেনশন সেন্টারে (লেক ভিউ) অনুষ্ঠিত হবে।

হাজী কল্যাণ সংস্থা সাতক্ষীরার সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ দ্বীন আলীর সভাপতিত্বে এবং সম্পাদক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলার তত্ত্বাবধায়নে অনুষ্ঠিত সম্মেলন সঞ্চালনা করেবেন আলহাজ্ব শেখ নিজাম উদ্দীন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সাতক্ষীরার সংসদ সদস্যবৃন্দ, জেলা পরিষদ প্রশাসক, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

সম্মেলনে হজ্বের হকিকত, ফরজ হজ্ব আদায় না করলে কি বিধান, হাজীগণ আল্লাহর মেহমান ও পাপমুক্তির ঘোষনার-তাৎপর্য, কল্যাণকর সমাজ গঠনে হজ্বের শিক্ষা ও হাজী সাহেবদের ভূমিকা বিষয়ে আলোচনা করবেন আমন্ত্রিত ওলামায়ে কেরামবৃন্দ।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সাতক্ষীরা জেলার সম্মানিত আল্লাহর মেহমানদের একত্রিত করে মক্কা, মদিনা ও আরাফাতের স্মৃতিকে স্মরণ করানো, হজ্বের শিক্ষা সমাজে প্রতিফলন এবং দেশ ও জাতির জন্য দোয়া ও কল্যাণ কামনা করা হবে। ডেলিগেট কার্ড সংগ্রহ করী জেলার সম্মানিত ‘হাজী সাহেবদের (পুরুষ ও মহিলা) এই মহতি সম্মেলনে যথাসময়ে অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।